স্বর্ণ কেনা আমাদের বাঙালি কালচারের একটা অবিচ্ছেদ্য অংশ। সেটা বিয়েশাদি হোক বা ভবিষ্যতের সঞ্চয়—স্বর্ণ সবসময়েই তালিকার শীর্ষে থাকে। কিন্তু সমস্যা বাঁধে তখনই, যখন কষ্টার্জিত টাকা দিয়ে কেনা গয়নাটি আসল নাকি নকল, তা নিয়ে মনে সন্দেহ জাগে। বিশেষ করে 21 karat gold বা ২১ কেরেট সোনা কেনার সময় অনেকেই দ্বিধায় থাকেন। দোকানি যা বলছে তা কি সত্যি? নাকি আপনি ঠকছেন?
আমি দীর্ঘদিন জুয়েলারি মার্কেট এবং গোল্ড ইনভেস্টমেন্ট নিয়ে ঘাটাঘাটি করে যা শিখেছি, আজ ঠিক সেই অভিজ্ঞতাই আপনাদের সাথে শেয়ার করব। কোনো কঠিন টেকনিক্যাল ভাষা নয়, একদম বন্ধুর মতো বুঝিয়ে বলব—কিভাবে আপনি নিজেই একজন জহুরির মতো gold purity check করতে পারবেন। চলুন, জেনে নিই ২১ কেরেট স্বর্ণ চেনার উপায় ২০২৬ (how to identify 21 karat gold) এবং নিজেকে প্রতারণা থেকে বাঁচানোর কৌশলগুলো।
২১ কেরেট স্বর্ণ চেনার উপায় ২০২৬ (Quick view at a glance)
- ২১ কেরেট সোনায় থাকে ৮৭.৫% খাঁটি স্বর্ণ
- আসল ২১K গোল্ডে থাকে 875 বা 21K হলমার্ক
- চুম্বক, ভিনেগার ও পানি টেস্টে নকল ধরা যায়
- সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো XRF বা Acid Test
- বাংলাদেশে BAJUS মেম্বার দোকান থেকে কেনাই নিরাপদ
এই পোস্টে আমরা সহজ ভাষায় দেখব ২১ কেরেট স্বর্ণ চেনার উপায় ২০২৬ (How to Identify 21 Karat Gold) যাতে দোকানে গিয়ে কেউ আপনাকে ঠকাতে না পারে।

২১ কেরেট স্বর্ণ বলতে যা বুঝায়? | What Exactly is 21 Karat Gold?
সোজা কথায়, স্বর্ণ বা Gold এর বিশুদ্ধতা মাপা হয় ‘ক্যারেট’ (Karat) দিয়ে। ২৪ কেরেট হলো একদম খাঁটি সোনা, যা এতটাই নরম যে তা দিয়ে গয়না বানানো প্রায় অসম্ভব। তাই গয়না তৈরির জন্য এর সাথে তামা, নিকেল, দস্তা বা রূপার মতো অন্য ধাতু মেশানো হয়। বাংলাদেশে ২১ কেরেট স্বর্ণ চেনার উপায় ২০২৬ জানার পাশাপাশি, কেনার সময় কিছু স্মার্ট কৌশল জানা জরুরি।
21 karat gold এর মানে হলো:
- Gold Content: ৮৭.৫% খাঁটি সোনা।
- Alloy Content: ১২.৫% অন্যান্য ধাতু।
এই ১২.৫% খাদ মেশানোর ফলেই ২১ কেরেট সোনা ১৮ কেরেটের চেয়ে দামী এবং ২২ কেরেটের চেয়ে বেশি টেকসই হয়। একারণেই daily wear jewelry বা নিত্য ব্যবহারের গয়নার জন্য ২১ কেরেট এখন বেশ জনপ্রিয়।
২১ বনাম ২২ কেরেট: পার্থক্য | Difference Between 21K and 22K Gold
দোকানে গেলে প্রায়ই শুনবেন, “ভাবি, ২২ কেরেট নেন, কালার ভালো পাবেন।” কিন্তু আসলেই কি তাই? Difference between 21K and 22K gold বোঝাটা জরুরি যাতে আপনি সঠিক জিনিসের সঠিক দাম দেন।
| বিষয়টি | ২১ কেরেট (21K) | ২২ কেরেট (22K) |
|---|---|---|
| বিশুদ্ধতা (Purity) | ৮৭.৫% সোনা | ৯১.৬% সোনা |
| হলমার্ক কোড (Marking) | 875 | 916 |
| স্থায়িত্ব (Durability) | বেশ শক্ত, সহজে বাঁকা হয় না | কিছুটা নরম, চাপে বাঁকা হতে পারে |
| রঙ (Color) | হালকা হলদে ভাব (Deep Yellow কম) | উজ্জ্বল হলুদ (Rich Yellow) |
| দাম (Price) | ২২ কেরেটের চেয়ে কম | ২১ কেরেটের চেয়ে বেশি |
| ব্যবহার (Usage) | জটিল ডিজাইনের গয়না ও নিত্য ব্যবহার | ভারী গয়না ও ইনভেস্টমেন্ট |
২১ কেরেট স্বর্ণ চেনার উপায় ২০২৬ | How to Identify 21 Karat Gold Naturally
এখন আসি মূল কথায়। আপনি যখন দোকানে দাঁড়িয়ে আছেন বা বাসায় পুরনো গয়না চেক করতে চাইছেন, তখন কী করবেন? নিচের 21K gold identification method গুলো ফলো করুন। এগুলো আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে ভেরিফাই করা।
১. হলমার্ক চেক করা (The Hallmark Test)
সবচেয়ে সহজ এবং প্রথম কাজ হলো গয়নার গায়ের ছোট সিল বা স্ট্যাম্পটি খুঁজে বের করা। বিশ্বাস করুন, একটা ছোট ম্যাগনিফাইং গ্লাস আপনার হাজার হাজার টাকা বাঁচাতে পারে।
- যা খুঁজবেন: আসল ২১ কেরেট সোনায় অবশ্যই “21K”, “21Kt”, বা “875” লেখা থাকবে।
- কেন ৮৭৫? কারণ এতে ৮৭.৫% সোনা থাকে। যদি দেখেন শুধু ব্র্যান্ডের লোগো আছে কিন্তু কোনো ক্যারেট মার্ক নেই, তবে সাবধান! সেটা আসল না-ও হতে পারে।
- আমার টিপস: অনেক সময় পুরনো গয়নায় এই ছাপ মুছে যায়। সেক্ষেত্রে অন্য টেস্টগুলো ট্রাই করুন।
২. চুম্বক পরীক্ষা (The Magnet Test)
এটা একটা ক্লাসিক মেথড। How to check 21K gold at home লিখে সার্চ দিলে এটাই সবার আগে আসে। কিন্তু এখানে একটা ট্রিক আছে।
- প্রক্রিয়া: একটা শক্তিশালী চুম্বক (নরমাল ফ্রিজের চুম্বক দিয়ে হবে না) গয়নার কাছে ধরুন।
- ফলাফল: আসল সোনা চুম্বকে আটকাবে না। যদি গয়নাটি ‘টুপ’ করে চুম্বকের গায়ে লেগে যায়, বুঝবেন ঝামেলা আছে। এতে লোহা বা নিকেলের পরিমাণ বেশি।
- সতর্কতা: গয়নার হুক বা clasp-এর ভেতরে স্প্রিং থাকে যা চুম্বকে আটকাতে পারে। তাই হুক বাদ দিয়ে চেইন বা লকেটের বডি চেক করবেন।
৩. ভিনেগার টেস্ট (The Vinegar Test)
রান্নাঘরের সাধারণ ভিনেগার দিয়েও fake gold ধরা যায়।
- কিভাবে করবেন: গয়নার একটা কোণায় বা কম দৃশ্যমান জায়গায় কয়েক ফোঁটা ভিনেগার দিন।
- কি দেখবেন: ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। যদি দেখেন গয়নার রঙ বদলে কালচে হয়ে গেছে, তবে দুঃখিত, ওটা আসল ২১ কেরেট নয়। আসল সোনা অ্যাসিড বা ভিনেগারের সাথে সহজে বিক্রিয়া করে না, তাই রঙ যেমন ছিল তেমনই থাকবে।
৪. ফ্লোট টেস্ট বা ডেনসিটি টেস্ট (Water Density Test)
স্বর্ণ একটি ভারী ধাতু (Heavy Metal)। এর ঘনত্ব সাধারণ ইমিটেশন গয়নার চেয়ে অনেক বেশি।
- পরীক্ষা: এক গ্লাস পানিতে আপনার গয়নাটি আলতো করে ছেড়ে দিন।
- পর্যবেক্ষণ: আসল সোনা হলে সেটা সরাসরি গ্লাসের তলায় গিয়ে ডুববে। যদি দেখেন সেটা ভেসে আছে বা খুব ধীরে ধীরে ডুবছে, তবে সেটা প্লাস্টিক বা হালকা কোনো ধাতুর তৈরি হতে পারে। এটি 21 karat gold testing method হিসেবে বেশ কার্যকর।
৫. সিরামিক প্লেট টেস্ট (Ceramic Scratch Test)
এটা একটু রিস্কি কারণ এতে গয়নায় দাগ পড়তে পারে, তবে ফলাফল প্রায় নিখুঁত।
- উপকরণ: একটা আনগ্লেজড (unglazed) বা খসখসে সাদা সিরামিক প্লেট বা টাইলস।
- পদ্ধতি: গয়নাটি প্লেটের ওপর আলতো করে ঘষুন।
- রেজাল্ট:
- যদি সোনালী বা হলুদ দাগ (Gold streak) পড়ে = আসল সোনা।
- যদি কালো দাগ (Black streak) পড়ে = নকল সোনা বা পাইরাইট (Pyrite)।
৬. নাইট্রিক অ্যাসিড টেস্ট (The Acid Test)
এটি সাধারণত পেশাদাররা করে থাকেন, তবে আপনি কিট কিনে নিজেও করতে পারেন। এটি 21K gold purity test এর সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়।
- প্রক্রিয়া: গয়নার ছোট্ট একটা অংশে সামান্য ঘষে সেখানে ২১ কেরেট টেস্টিং অ্যাসিড (নাইট্রিক অ্যাসিড) এক ফোঁটা দিন।
- বিক্রিয়া:
- কোনো পরিবর্তন নেই: অভিনন্দন! এটি আসল সোনা।
- দুধের মতো সাদা: এটি সম্ভবত সিলভারের ওপর গোল্ড প্লেটিং করা।
- সবুজ রঙ: এটি সম্পূর্ণ নকল বা বেইস মেটাল।
৭. শব্দ পরীক্ষা ( The Ping Test)
এটা আমার খুব পছন্দের একটা পদ্ধতি। অভিজ্ঞরা শুধু আওয়াজ শুনেই সোনা চিনতে পারেন।
- কিভাবে করবেন: একটা ছোট ধাতব কাঠি বা পয়সা দিয়ে গয়নায় আলতো টোকা দিন।
- শব্দ: আসল সোনা থেকে একটা দীর্ঘ, মিষ্টি এবং রিনরিনে শব্দ (high-pitched ringing sound) আসবে। নকল সোনা হলে শব্দটা হবে ভোঁতা বা ‘খটখট’ আওয়াজ, যা বেশিক্ষণ স্থায়ী হবে না।
৮. স্কিন টেস্ট বা ডিসকালারেশন (Skin Discoloration)
আপনি কি লক্ষ্য করেছেন গয়না পরলে আপনার ঘাড় বা আঙুলে কালো/সবুজ দাগ পড়ে?
- ব্যাখ্যা: আসল 21 karat gold স্কিনে কোনো দাগ ফেলে না। কিন্তু যদি তামা বা ব্রোঞ্জ মেশানো নকল সোনা হয়, তবে ঘামের সাথে বিক্রিয়া করে ত্বকে সবুজ দাগ ফেলে দেয়। তাই কেনার পর কিছুদিন ব্যবহার করলেই real vs fake gold এর তফাৎ বোঝা যায়।
বাংলাদেশে ২০২৬ সালে ২১ কেরেট স্বর্ণ কেনার সময় কিছু গোপন কৌশল
শুধু চেনার উপায় জানলেই হবে না, কেনার সময়ও স্মার্ট হতে হবে। Buying gold in Bangladesh এখন বেশ চ্যালেঞ্জিং।
দোকান বাছাই:
সব সময় পরিচিত বা BAJUS (Bangladesh Jewellers Association) এর মেম্বারশিপ আছে এমন দোকান থেকে কিনুন। রাস্তার পাশের নাম-না-জানা দোকান এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।
মেমো চেক করুন:
রসিদে যেন স্পষ্ট করে লেখা থাকে “21K Gold” এবং গয়নার ওজন। অনেক সময় মুখে বলে ২১ কেরেট কিন্তু মেমোতে লিখে দেয় “KDM” বা সনাতন, যা পরে বিক্রির সময় আপনাকে বিপদে ফেলবে।
ফেরত পলিসি (Buy-Back Policy):
কেনার আগেই জিজ্ঞেস করুন, “আমি যদি পরে এটা আপনাদের কাছেই ফেরত দিই, কত পারসেন্ট কাটবেন?” ভালো দোকানগুলো সাধারণত ২০% এর বেশি কাটে না (মজুরি বাদ দিয়ে)।
২১ কেরেট সোনার যত্ন নেবেন যেভাবে | How to Maintain 21K Gold
আপনার শখের গয়নাটি নতুনের মতো চকচকে রাখতে হলে একটু যত্ন তো নিতেই হবে। তাই ২১ কেরেট স্বর্ণ চেনার উপায় ২০২৬ জানলেই হবেনা ইহার যত্ন কিভাবে নিতে হবে তাও জানতে হবে। নিম্নে এর যত্ন সম্পর্কে জেনে নিন।
রাসায়নিক থেকে দূরে:
পারফিউম, হেয়ার স্প্রে বা ব্লিচিং পাউডার লাগলে সোনার উজ্জ্বলতা কমে যায়। সাজগোজ শেষ করে সবার শেষে গয়না পরুন।
পরিষ্কার পদ্ধতি:
কুসুম গরম পানিতে একটু ডিশ ওয়াশ লিকুইড মিশিয়ে গয়না ১০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। তারপর নরম টুথব্রাশ দিয়ে আলতো ঘষে ধুয়ে ফেলুন। একদম নতুনের মতো ঝকঝক করবে।
স্টোরেজ:
একেকটি গয়না আলাদা টিস্যু বা মখমলের বাক্সে রাখুন। একটার সাথে আরেকটা ঘষা লেগে স্ক্র্যাচ পড়তে পারে।
২১ কেরেট স্বর্ণ চেনার উপায় ২০২৬ নিয়ে আপনাদের মনে থাকা কিছু কমন প্রশ্ন
১. ২১ কেরেট সোনা কি প্রতিদিন ব্যবহারের জন্য ভালো?
অবশ্যই! ২১ কেরেট সোনায় ১২.৫% অন্যান্য শক্ত ধাতু থাকায় এটি বেশ মজবুত। তাই daily use এর জন্য এটি ২২ কেরেটের চেয়েও ভালো অপশন।
২. আমি কি লাইটার বা আগুন দিয়ে সোনা পরীক্ষা করতে পারি?
আগুন দিলে আসল সোনা লাল হয়ে গেলেও ঠান্ডা হলে আবার আগের রঙে ফিরে আসে, কালো হয় না। কিন্তু নকল সোনা আগুনের তাপে গলে যেতে পারে বা কালো হয়ে যেতে পারে। তবে আমি বলব, বাসায় এই Real 21 karat gold check না করাই ভালো, এতে গয়নার ক্ষতি হতে পারে।
৩. ২১ কেরেট সোনার দাম কি ২২ কেরেটের সমান?
না, ২২ কেরেটে সোনার পরিমাণ বেশি (৯১.৬%), তাই এর দামও বেশি। ২১ কেরেটের দাম তুলনামূলক একটু কম। কেনার সময় অবশ্যই ওই দিনের gold rate যাচাই করে নেবেন।
৪. “KDM” সোনা আর ২১ কেরেট কি এক?
একদমই না। KDM হলো ক্যাডমিয়াম সোল্ডার করা সোনা, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এবং এখন অনেক দেশেই নিষিদ্ধ। সবসময় হলমার্ক করা ২১ কেরেট সোনা কিনবেন, KDM নয়।
৫. পুরনো ২১ কেরেট সোনা বিক্রি করলে কি ভালো দাম পাওয়া যায়?
হ্যাঁ, সোনা তো সোনাই! এর resale value সবসময় আছে। তবে আপনি যদি হলমার্ক করা গয়না কেনেন, তবে বিক্রির সময় ওজনে কম বাদ যাবে এবং ভালো দাম পাবেন।
৬. ভিনেগার টেস্টে কি গয়নার ক্ষতি হয়?
আসল সোনার কোনো ক্ষতি হয় না। তবে গয়না নকল হলে বা প্লেটেড হলে অ্যাসিডের কারণে উপরের প্রলেপ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই ছোট কোনো অংশে আগে টেস্ট করা বুদ্ধিমানের কাজ।
৭. আমি কিভাবে বুঝব আমার সোনাটি মেশিনে টেস্ট করা হয়েছে?
বড় জুয়েলারি শপগুলোতে এখন “Gold Testing Machine” বা XRF মেশিন থাকে। আপনি চাইলে কেনার আগে তাদের বললেই তারা আপনার সামনে মেশিনে দিয়ে gold purity চেক করে দেখাবে। এটা সবচেয়ে নির্ভুল 21 karat gold testing method।
৮. ২০২৬ সালে ২১ কেরেট স্বর্ণ চেনার উপায় কী কী সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য?
হ্যাঁ।
শেষ কথা
স্বর্ণ কেনাটা শুধু ফ্যাশন নয়, এটি আমাদের সংস্কৃতির অংশ এবং বিপদের দিনের সাথী। তাই হুটহাট না কিনে একটু যাচাই-বাছাই করে কেনাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। আশা করি, আমার এই লেখাটি আপনাদের ২১ কেরেট স্বর্ণ চেনার উপায় ২০২৬ (how to identify 21 karat gold) সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা দিতে পেরেছে। এখন থেকে দোকানে গিয়ে আর বোকা সাজতে হবে না, বরং আপনি নিজেই আত্মবিশ্বাসের সাথে বলতে পারবেন কোনটা আসল আর কোনটা নকল।
আপনার যদি এই বিষয়ে আরো কোনো প্রশ্ন থাকে বা নিজের কোনো অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করতে চান, তবে অবশ্যই জানাবেন। সচেতন হোন, খাঁটি সোনা কিনুন।
প্রযুক্তি, ইনভেস্টমেন্ট ও স্মার্ট কেনাকাটার আরও গাইড পেতে ভিজিট করুন Daily ICT Post
