Primary Head Teacher Exam Preparation 2026-প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি ২০২৬

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হওয়াটা কেবল একটি চাকরির স্বপ্ন নয়, বরং এটি সম্মানের সাথে জীবন গড়ার একটি সুযোগ। বিশেষ করে যখন থেকে এই পদটি দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড মর্যাদা পেয়েছে, তখন থেকেই এর কদর বহুগুণ বেড়ে গেছে। আপনি যদি (Primary Head Teacher Exam Preparation 2026) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি ২০২৬ নিয়ে সিরিয়াস হয়ে থাকেন, তবে এই লেখাটি আপনার জন্যই।

এখানে আমি কোনো গৎবাঁধা কথা বলব না। একজন চাকরিপ্রার্থী হিসেবে আপনার ঠিক যতটুকু জানা প্রয়োজন এবং যেভাবে প্রস্তুতি নিলে হাজারো প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলা সম্ভব, ঠিক সেই বিষয়গুলো নিয়েই আলোচনা করব। চলুন, স্বপ্ন জয়ের এই যাত্রায় ধাপে ধাপে এগিয়ে যাই।

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬ একটি অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক সরকারি নিয়োগ পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় লিখিত পরীক্ষায় ৯০ নম্বর এবং ভাইভায় ১০ নম্বর বরাদ্দ থাকে। লিখিত পরীক্ষায় বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান এবং শিক্ষা ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশ্ন আসে। সঠিক প্রস্তুতি ও প্রশ্ন কাঠামো সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণাই সফলতার মূল চাবিকাঠি।

Primary Head Teacher Exam Preparation 2026-প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি ২০২৬
Primary Head Teacher Exam Preparation 2026-প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি ২০২৬

কেন এই পদটি আপনার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে?

প্রস্তুতি শুরুর আগে নিজের ‘কেন’ (Why) টা পরিষ্কার থাকা খুব জরুরি। কেন আপনি হাড়ভাঙা পরিশ্রম করবেন? কারণ, বর্তমান বাজারে প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক জব একটি সোনার হরিণ।

  • সামাজিক মর্যাদা: সমাজে একজন হেডমাস্টারের যে সম্মান, তা টাকার অঙ্কে মাপা যায় না।
  • গেজেটেড র‍্যাংক: এটি এখন বিসিএস নন-ক্যাডার বা দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদা সম্পন্ন। অর্থাৎ, আপনার স্ট্যাটাস হবে অনেক উঁচুতে।
  • কাজের পরিবেশ: নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা এবং সরকারি ছুটির সুবিধা, যা অনেক উচ্চবেতনের বেসরকারি চাকরিতেও মেলে না।

তাই, প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রস্তুতি ২০২৬ কে অবহেলা করার কোনো সুযোগ নেই।

সার্কুলার ও যোগ্যতার বিষয়ে যা বলা আছে

২০২৬ সালের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি অনেক বড় হতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আবেদনের আগে কিছু বিষয় পরিষ্কার হওয়া দরকার। অনেক সময় দেখা যায়, সামান্য তথ্যের অভাবে অনেকে আবেদনই করতে পারেন না।

শিক্ষাগত যোগ্যতা

আগে অনেক ধোঁয়াশা থাকলেও এখন নিয়ম পরিষ্কার। কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আপনাকে ন্যূনতম দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএ-সহ স্নাতক বা স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রিধারী হতে হবে। অর্থাৎ, শুধু পাস কোর্স বা অনার্স—যাই হোক না কেন, দ্বিতীয় বিভাগ বা সমমান থাকলেই আপনি যোগ্য।

বয়সসীমা

সাধারণ প্রার্থীদের জন্য বয়স ২১ থেকে ৩০ বছর। তবে আপনার যদি মুক্তিযোদ্ধা কোটা থাকে, তবে ৩২ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য। Head Teacher Recruitment Preparation 2026 শুরু করার আগে নিজের বয়স ও সনদের তথ্যাদি মিলিয়ে নিন।

পরীক্ষার ধরন ও মান বণ্টন: 

শত্রুকে না চিনে যুদ্ধে নামলে পরাজয় নিশ্চিত। ঠিক তেমনি, পরীক্ষার প্যাটার্ন না বুঝে পড়লে পরিশ্রম বৃথা যাবে। পিএসসি (PSC) এর অধীনে পরীক্ষা হওয়ায় এর মান হবে বিসিএস প্রিলিমিনারির মতোই।

সাধারণত ২০০ নম্বরের লিখিত/এমসিকিউ পরীক্ষা এবং ৫০ নম্বরের ভাইভা অনুষ্ঠিত হয়। মানবণ্টনটি সাধারণত এমন হয়:

  1. বাংলা (সাহিত্য ও ব্যাকরণ): ৫০ নম্বর
  2. ইংরেজি (গ্রামার ও সাহিত্য): ৫০ নম্বর
  3. সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক): ৪০ নম্বর
  4. গণিত ও মানসিক দক্ষতা: ৬০ নম্বর

দ্রষ্টব্য: পিএসসি যেকোনো সময় এই মানবণ্টন পরিবর্তন করতে পারে, তবে প্রস্তুতি নিতে হবে এই কাঠামো ধরেই।

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি ২০২৬ (বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি):

এখন আসি মূল কথায়। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক সিলেবাস ২০২৬ বেশ বিশাল। কিন্তু ভয় পাবেন না, কৌশলী হলে এটি জয় করা সম্ভব।

১. বাংলা প্রস্তুতি: 

বাংলায় নম্বর তোলা সবচেয়ে সহজ, আবার একটু ভুল হলেই বিপদ।

  • ব্যাকরণ (Grammar): নবম-দশম শ্রেণির পুরোনো ব্যাকরণ বইটি (মুনীর চৌধুরী রচিত) আপনার বাইবেল। সন্ধি, সমাস, কারক-বিভক্তি, প্রত্যয়, এবং বাগধারা—এই টপিকগুলো থেকে প্রশ্ন আসবেই। বানান ও বাক্য শুদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দিন। 
  • সাহিত্য (Literature): চর্যাপদ থেকে শুরু করে আধুনিক যুগের ১১ জন প্রধান কবি-সাহিত্যিক সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ুন। রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, বঙ্কিমচন্দ্র, জীবনানন্দ দাশ—এদের সৃষ্টিকর্ম নখদর্পণে রাখতে হবে।

এছাড়াও নিচের বিষয়ে জোর দিন-

  • বাংলা ব্যাকরণ
  • সন্ধি
  • সমাস
  • উপসর্গ ও প্রত্যয়
  • বাগধারা
  • কারক ও বিভক্তি
  • প্রবন্ধ ও অনুচ্ছেদ
  • সারাংশ ও ভাবসম্প্রসারণ
  • বানান শুদ্ধি
  • বাংলা সাহিত্য
  • প্রাচীন সাহিত্য
  • মধ্যযুগ
  • আধুনিক সাহিত্য
  • গুরুত্বপূর্ণ কবি-সাহিত্যিক
  • বাংলা ব্যাকরণ
  • সন্ধি
  • সমাস
  • উপসর্গ ও প্রত্যয়
  • বাগধারা
  • কারক ও বিভক্তি
  • প্রবন্ধ ও অনুচ্ছেদ
  • সারাংশ ও ভাবসম্প্রসারণ
  • বানান শুদ্ধি
  • বাংলা সাহিত্য
  • প্রাচীন সাহিত্য
  • মধ্যযুগ
  • আধুনিক সাহিত্য
  • গুরুত্বপূর্ণ কবি-সাহিত্যিক
প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগের জন্য বাংলায় প্রস্তুতি
প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগের জন্য বাংলায় প্রস্তুতি

২. ইংরেজি প্রস্তুতি: 

অধিকাংশ প্রার্থী ইংরেজিতে দুর্বল থাকেন। আর এখানেই আপনি এগিয়ে যেতে পারেন। Primary Head Teacher Exam Preparation 2026 এর জন্য ইংরেজিতে পণ্ডিত্য দরকার নেই, দরকার বেসিক জ্ঞান।

  • Grammar Focus: Parts of Speech, Right form of verbs, Preposition, Voice Change এবং Narration—এই টপিকগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করুন।
  • Vocabulary: প্রতিদিন অন্তত ১০টি নতুন শব্দ শিখুন। Synonyms এবং Antonyms মুখস্থ না করে বাক্যে প্রয়োগ করা শিখুন।
  • Literature: শেক্সপিয়য়, ওয়ার্ডসওয়ার্থ, শেলি—এমন বিখ্যাত কয়েকজন ইংরেজি সাহিত্যিকের নাম ও তাঁদের বিখ্যাত কর্মগুলোর তালিকা পড়ে নিন।

আরো রয়েছে, যেমন-

  • Grammar
  • Tense
  • Voice
  • Narration
  • Preposition
  • Article
  • Vocabulary
  • Translation (Bangla ↔ English)
  • Paragraph & Application
  • Synonym & Antonym
প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগের জন্য ইংরেজি প্রস্তুতি
প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগের জন্য ইংরেজি প্রস্তুতি

৩. গণিত ও মানসিক দক্ষতা: 

গণিতে মুখস্থবিদ্যার কোনো দাম নেই। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক লিখিত প্রস্তুতি ২০২৬ এর জন্য প্রতিদিন অন্তত ২ ঘণ্টা অঙ্ক কষুন।

  • পাটিগণিত: ঐকিক নিয়ম, শতকরা, লাভ-ক্ষতি, লসাগু-গসাগু। এখান থেকে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন আসে।
  • বীজগণিত ও জ্যামিতি: মান নির্ণয় এবং জ্যামিতির সাধারণ সূত্রগুলো (ত্রিভুজ, বৃত্ত, চতুর্ভুজ) ঝালিয়ে নিন।
  • মানসিক দক্ষতা: বিসিএস প্রিলিমিনারির মানসিক দক্ষতার বিগত বছরের প্রশ্নগুলো সমাধান করুন। এটি আপনার চিন্তাশক্তি বাড়াবে।

৪. সাধারণ জ্ঞান: 

সাধারণ জ্ঞান সাগরের মতো। সব পড়তে গেলে কূল পাবেন না।

  • বাংলাদেশ: মুক্তিযুদ্ধ, সংবিধান, জনশুমারি, এবং সরকারের সাম্প্রতিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড (মেগা প্রজেক্ট) সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখুন।
  • আন্তর্জাতিক: সাম্প্রতিক যুদ্ধ-বিগ্রহ, জাতিসংঘ, বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান এবং পরিবেশ বিষয়ক তথ্যাবলি গুরুত্বপূর্ণ।

রুটিন মাফিক পড়াশোনা: 

আপনি কত ঘণ্টা পড়লেন, তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনি কতটা মনোযোগ দিয়ে পড়লেন। Primary Head Teacher Job Preparation 2026 এর জন্য একটি বাস্তবসম্মত রুটিন তৈরি করুন।

রুটিন মাফিক পড়াশোনা
রুটিন মাফিক পড়াশোনা
  • ভোরবেলা: ইংরেজি এবং সাধারণ জ্ঞান পড়ার জন্য সেরা সময়। তখন মস্তিষ্ক সতেজ থাকে।
  • দুপুর/বিকেল: গণিত প্র্যাকটিস করুন। কারণ দুপুরে সাধারণত ঝিমুনি আসে, তখন অঙ্ক করলে ঘুম পালাবে।
  • রাত: সারাদিন যা পড়লেন তা রিভিশন দিন এবং বাংলা সাহিত্য পড়ুন।

মাঝে মাঝে পড়ার একঘেয়েমি কাটাতে https://dailyictpost.com এর মতো শিক্ষামূলক ব্লগগুলোতে চোখ রাখতে পারেন, যেখানে সাম্প্রতিক তথ্যের আপডেট থাকে।

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক গাইড ২০২৬

বাজারে হাজারো বইয়ের ভিড়ে হারিয়ে যাওয়া স্বাভাবিক। তবে প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক গাইড ২০২৬ হিসেবে কিছু নির্দিষ্ট বই আপনার টেবিলে থাকা চাই:

  1. MP3 বা ওরাকল সিরিজ: বাংলা, ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞানের জন্য।
  2. খাইরুলস বেসিক ম্যাথ: গণিতের ভিত্তি মজবুত করার জন্য অসাধারণ একটি বই।
  3. প্রফেসরস জব সল্যুশন: বিগত বছরের প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ পড়ার জন্য।
  4. বোর্ড বই: ৫ম থেকে ১০ম শ্রেণির বাংলা, গণিত ও বিজ্ঞান বইগুলো একবার রিডিং পড়ে ফেলা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত সালের প্রশ্ন সমাধানঃ

পড়াশোনা তো হলো, কিন্তু আপনি কতটুকু মনে রাখতে পারছেন? সেটা বোঝার জন্য প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক মডেল টেস্ট ২০২৬ দেওয়া অত্যাবশ্যক। সে সাথে প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান করা অতীব জরুরি।  

  • তাই পরীক্ষার হলের মতো পরিবেশ তৈরি করে বাসায় ঘড়ি ধরে পরীক্ষা দিন।
  • নেগেটিভ মার্কিং সম্পর্কে সতর্ক হোন। পিএসসির পরীক্ষায় প্রতিটি ভুলের জন্য ০.৫০ নম্বর কাটা যায়। তাই আন্দাজে দাগানোর অভ্যাস আজই ত্যাগ করুন।

2012 সালের প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত প্রশ্ন সমাধান

এখানে বিগত পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা, গণিত, ইংরেজি এবং সাধারণ জ্ঞানের প্রশ্নগুলো নির্ভুল ব্যাখ্যাসহ উপস্থাপন করা হয়েছে। ব্যাকরণ, সাহিত্য, শব্দার্থ, বাগধারা—সবকিছুই সহজ ভাষায় সাজানো।

গণিতকে ভয় নয়, কৌশলে জয় করতে চাইলে প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান আপনাকে এক ধাপ এগিয়ে দেবে। এখানে বিগত সালের গণিত প্রশ্নগুলো ধাপে ধাপে সমাধান করা হয়েছে। শতকরা, লাভ-ক্ষতি, গড়, সময় ও কাজ—সব টপিক পরিষ্কারভাবে বোঝানো। অপ্রয়োজনীয় জটিলতা নেই। কম সময়ের ট্রিক্স ও স্মার্ট ব্যাখ্যা গণিতে আত্মবিশ্বাস বাড়াবে নিশ্চিতভাবে।

ইংরেজি অংশে থাকছে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের নির্ভুল ব্যাখ্যা। Grammar, Vocabulary, Sentence correction ও Reading—সবকিছু সহজ ও সাবলীলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। ছোট বাক্যে নিয়ম বোঝানো হয়েছে, যেন মনে থাকে দীর্ঘদিন। এই ইংরেজি প্রশ্ন সমাধান পরীক্ষার আগের সেরা রিভিশন হবে।

১. মানুষের ক্রোমোজোমের সংখ্যা কত?
(ক) ২৫ জোড়া
(খ) ২৬ জোড়া
(গ) ২৩ জোড়া
(ঘ) ২৪ জোড়া

উত্তর: (গ) ২৩ জোড়া

ব্যাখ্যা:
মানবদেহের গঠন ও বংশগতির ধারক ও বাহক হলো ক্রোমোজোম। বিজ্ঞানের এই মৌলিক প্রশ্নটি বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় বারবার ঘুরেফিরে আসে, তাই প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি ২০২৬ এর জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মানুষের প্রতিটি দেহকোষে মোট ক্রোমোজোমের সংখ্যা হলো ৪৬টি। এই ৪৬টি ক্রোমোজোম জোড়ায় জোড়ায় অবস্থান করে, অর্থাৎ ২৩ জোড়া। এই ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে প্রথম ২২ জোড়াকে বলা হয় ‘অটোজোম’ (Autosomes), যা আমাদের শরীরের সাধারণ গঠন, উচ্চতা, এবং অন্যান্য শারীরিক বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে। বাকি ১ জোড়াকে বলা হয় ‘সেক্স ক্রোমোজোম’ (Sex Chromosomes), যা সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণ করে (পুরুষের ক্ষেত্রে XY এবং নারীর ক্ষেত্রে XX)।

অনেক সময় পরীক্ষার্থীরা ভুল করে মোট সংখ্যা (৪৬) এবং জোড়ার সংখ্যা (২৩) এর মধ্যে গুলিয়ে ফেলেন। প্রশ্নে যদি “জোড়া” উল্লেখ থাকে তবে উত্তর হবে ২৩, আর যদি মোট সংখ্যা জানতে চায় তবে উত্তর হবে ৪৬। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, জীববিজ্ঞানের এই অংশ থেকে প্রশ্ন প্রায়ই আসে। অন্যান্য অপশনগুলো যেমন ২৫ বা ২৪ জোড়া, এগুলো মানুষের জন্য প্রযোজ্য নয়। যেমন গরুর ক্রোমোজোম ৩০ জোড়া বা ৬০টি। তাই মানুষের ক্ষেত্রে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি সংখ্যাটিই সঠিক।

মনে রাখার সহজ কৌশল হিসেবে মনে রাখবেন, মানুষের জন্মের প্রক্রিয়ায় বাবা ও মা উভয়ের কাছ থেকে সমান সংখ্যক বৈশিষ্ট্য আসে। ২৩ সংখ্যাটি একটি প্রাইম বা মৌলিক সংখ্যা যা মানব অস্তিত্বের চাবিকাঠি। পরীক্ষার হলে প্রশ্নটি পড়ার সময় খেয়াল করবেন “কতটি” নাকি “কত জোড়া” জানতে চাওয়া হয়েছে। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক মডেল প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ অনুশীলনের সময় এই ছোট ছোট বিষয়গুলো খেয়াল রাখলে নেগেটিভ মার্কিং থেকে বাঁচা সম্ভব। ভবিষ্যতে যারা প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ খুঁজবেন, তাদের জন্য এই বেসিক ধারণাটি পরিষ্কার থাকা জরুরি।

২. একজন মানুষের দেহে মোট কত টুকরা হাড় থাকে?
(ক) ৫০৬
(খ) ৪০৬
(গ) ৩০৬
(ঘ) ২০৬

উত্তর: (ঘ) ২০৬

ব্যাখ্যা:
মানব কঙ্কালতন্ত্রের এই প্রশ্নটি অত্যন্ত সাধারণ মনে হলেও পরীক্ষার হলে অনেকেই বিভ্রান্ত হন, বিশেষ করে যখন শিশুর হাড়ের সংখ্যার সাথে বয়স্ক মানুষের হাড়ের সংখ্যার তুলনা আসে। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের শরীরে মোট হাড়ের সংখ্যা হলো ২০৬টি। তবে মজার বিষয় হলো, জন্মের সময় একজন মানবশিশুর দেহে হাড়ের সংখ্যা থাকে ৩০০-এর অধিক (প্রায় ৩০০-৩৫০টি)। শিশু যখন বড় হতে থাকে, তখন ছোট ছোট হাড়গুলো একে অপরের সাথে জোড়া লেগে বা ফিউশন হয়ে একটি বড় হাড়ে পরিণত হয়। এভাবেই পূর্ণবয়স্ক অবস্থায় হাড়ের সংখ্যা কমে ২০৬-এ এসে দাঁড়ায়। Primary Head Teacher Exam Question 2026 এর প্রস্তুতির জন্য এই পার্থক্যটি জানা খুব জরুরি।

অপশনগুলোতে ৫-এর ঘর বা ৩-এর ঘরের যে সংখ্যাগুলো দেওয়া আছে (৫০৬, ৪০৬, ৩০৬), সেগুলো কেবল বিভ্রান্ত করার জন্য দেওয়া হয়েছে। মানবদেহের সবচেয়ে বড় হাড় হলো ফিমার (উরুর হাড়) এবং সবচেয়ে ছোট হাড় হলো স্টেপিস (কানের হাড়)। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ ঘাটলে দেখবেন, হাড় সম্পর্কিত এই প্রশ্নটি বিভিন্নভাবে আসে। যেমন কখনো সরাসরি সংখ্যা জানতে চায়, আবার কখনো সবচেয়ে বড় বা ছোট হাড়ের নাম জানতে চায়। তাই পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতির জন্য এই তথ্যগুলো নোট করে রাখা ভালো।

মনে রাখার জন্য ভাবুন, একটি শিশু নমনীয় থাকে কারণ তার হাড় বেশি, কিন্তু একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ শক্তপোক্ত হয় কারণ তার হাড়গুলো জোড়া লেগে ২০৬টি শক্ত কাঠামো তৈরি করেছে। Primary Head Teacher Question Solution 2026 বা যেকোনো গাইড বইতে এই তথ্যের সত্যতা পাবেন। পরীক্ষার হলে “পূর্ণবয়স্ক” শব্দটি উল্লেখ না থাকলেও সাধারণত “মানুষের দেহে” বললে পূর্ণবয়স্ক মানুষকেই বোঝানো হয়। তাই ২০৬ সংখ্যাটিই স্ট্যান্ডার্ড উত্তর হিসেবে গণ্য হবে। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন ও উত্তর ২০২৬ সেশনের এটি একটি বেসিক কিন্তু ভাইটাল প্রশ্ন।

৩. সিএফসি কি ক্ষতি করে?
(ক) ওজন স্তর ধ্বংস করে
(খ) বায়ুর তাপ বৃদ্ধি করে
(গ) এসিড বৃষ্টিপাত ঘটায়
(ঘ) রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা নষ্ট করে

উত্তর: (ক) ওজন স্তর ধ্বংস করে

ব্যাখ্যা:
সিএফসি (CFC) বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন হলো এমন একটি রাসায়নিক যৌগ যা বায়ুমণ্ডলের ওজন স্তরের (Ozone Layer) জন্য মারাত্মক হুমকি। আমাদের পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে ওজন গ্যাসের একটি পাতলা স্তর রয়েছে, যা সূর্য থেকে আসা ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি (Ultraviolet Ray) শোষণ করে আমাদের রক্ষা করে। সিএফসি গ্যাস যখন এই স্তরে পৌঁছায়, তখন সূর্যের আলোর উপস্থিতিতে এটি ভেঙে ক্লোরিন পরমাণু মুক্ত করে। এই একটি ক্লোরিন পরমাণু লক্ষ লক্ষ ওজন অণুকে ভেঙে ফেলতে পারে। ফলে ওজন স্তরে ছিদ্রের সৃষ্টি হয় এবং পৃথিবীর জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ে। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক পুরাতন প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এর সিলেবাসে পরিবেশ দূষণ একটি হট টপিক।

অন্যান্য অপশনগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়, এসিড বৃষ্টি মূলত সালফার ডাই-অক্সাইড ও নাইট্রোজেন অক্সাইডের কারণে হয়, সিএফসি-র কারণে নয়। আবার কার্বন মনোক্সাইড রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা নষ্ট করে। কিন্তু সিএফসি সরাসরি ওজন স্তরকেই টার্গেট করে। তাই Primary Head Teacher Previous Question Solution 2026 এর আলোকে বলা যায়, পরিবেশ বিজ্ঞানের এই প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রেফ্রিজারেটর, এসি এবং অ্যারোসল স্প্রে থেকে এই গ্যাস নির্গত হয়। বর্তমানে মন্ট্রিল প্রটোকলের মাধ্যমে এর ব্যবহার কমানো হয়েছে।

মনে রাখার জন্য ভাবুন, সিএফসি (CFC) হলো একটি “কাঁচি” যা পৃথিবীর সুরক্ষবর্ম বা “ওজন ছাতা” কেটে ফুটো করে দিচ্ছে। এই রূপকটি মনে রাখলে পরীক্ষার হলে উত্তর করা সহজ হবে। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক পূর্বের প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এর অংশ হিসেবে এই বিষয়টি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। যারা Primary Head Teacher Past Paper 2026 সলভ করছেন, তারা পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অংশে এই টপিকটি অবশ্যই পাবেন। সঠিক উত্তরটি তাই নিঃসন্দেহে ওজন স্তর ধ্বংস করা।

৪. মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে তাকে বলা হয়-
(ক) ইলেকট্রন
(খ) অণু
(গ) পরমাণু
(ঘ) প্রোটন

উত্তর: (গ) পরমাণু

ব্যাখ্যা:
রসায়ন বিজ্ঞানের একেবারে গোড়ার দিকের এই প্রশ্নটি পদার্থের গঠন সম্পর্কিত। মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা ওই পদার্থের গুণাগুণ অক্ষুণ্ণ রাখে এবং সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে, তাকে ‘পরমাণু’ বা Atom বলা হয়। গ্রিক দার্শনিক ডেমোক্রিটাস প্রথম ‘এটম’ বা অবিভাজ্য কণার ধারণা দেন, যদিও পরে জন ডাল্টন একে বৈজ্ঞানিক রূপ দেন। পরমাণু স্বাধীনভাবে থাকতে পারে না (নিষ্ক্রিয় গ্যাস ছাড়া), এরা একে অপরের সাথে যুক্ত হয়ে অণু গঠন করে। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত বছরের প্রশ্ন ২০২৬ এর বিজ্ঞান অংশের জন্য এটি একটি বেসিক কনসেপ্ট।

অপশনগুলোর মধ্যে ‘অণু’ হলো যৌগিক বা মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা স্বাধীনভাবে থাকতে পারে, কিন্তু রাসায়নিক বিক্রিয়ায় সরাসরি অংশ নেয় মূলত পরমাণু। ইলেকট্রন ও প্রোটন হলো পরমাণুর ভেতরের কণা (Sub-atomic particles), এরা নিজেরা পদার্থের সম্পূর্ণ ধর্ম বহন করে না। তাই সঠিক উত্তর হবে পরমাণু। Primary Head Teacher Question Paper 2026 এর প্রশ্ন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, পদার্থের গঠন থেকে প্রায়ই এমন খুঁটিনাটি প্রশ্ন থাকে।

সহজভাবে মনে রাখার জন্য: রাসায়নিক বিক্রিয়া মানেই হলো ভাঙা-গড়ার খেলা, আর এই খেলায় যারা সরাসরি খেলোয়াড় হিসেবে নামে, তারা হলো পরমাণু। আর অণু হলো খেলোয়াড়দের দল। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন বিশ্লেষণ ২০২৬ অনুযায়ী, এই পার্থক্যটি বোঝা খুব জরুরি। যারা Primary Head Teacher Previous Question 2026 খুঁজছেন, তারা অবশ্যই অণু ও পরমাণুর এই সূক্ষ্ম পার্থক্যটি মাথায় রাখবেন। পরমাণুই হলো রিঅ্যাকশনের মূল নায়ক।

৫. কোন রঙের কাপে চা তাড়াতাড়ি ঠাণ্ডা হয়?
(ক) সাদা
(খ) কালো
(গ) লাল
(ঘ) ধূসর

উত্তর: (খ) কালো

ব্যাখ্যা:
এই প্রশ্নটি তাপ ও তাপগতিবিদ্যা (Thermodynamics) এর একটি ব্যবহারিক প্রয়োগ। পদার্থবিজ্ঞানের সূত্র অনুযায়ী, যে বস্তু তাপের যত ভালো শোষক (Absorber), সে তাপের তত ভালো বিকিরক (Radiator)। কালো রঙ তাপ শোষণ করে সবচেয়ে বেশি, আবার যখন এর ভেতরে গরম কিছু রাখা হয়, তখন এটি তাপ বিকিরণ বা বর্জনও করে সবচেয়ে দ্রুত। তাই কালো রঙের কাপে চা রাখলে, কাপটি দ্রুত তাপ ছেড়ে দেয় এবং চা তাড়াতাড়ি ঠাণ্ডা হয়। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত প্রশ্ন pdf ২০২৬ ফাইলে বা বইতে আপনারা তাপের অধ্যায়ে এই প্রশ্নটি পাবেন।

বিপরীতভাবে, সাদা বা হালকা রঙের বস্তু তাপ বিকিরণ করে খুব ধীরে। তাই সাদা কাপে চা অনেকক্ষণ গরম থাকে। একারণেই শীতকালে আমরা কালো বা গাঢ় রঙের কাপড় পড়ি (রোদ থেকে তাপ শোষণের জন্য) এবং গরমকালে সাদা কাপড় পড়ি (তাপ প্রতিফলিত করার জন্য)। Head Teacher Previous Question Solution 2026 এর প্রস্তুতিতে দৈনন্দিন বিজ্ঞানের এমন প্রয়োগগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ। লাল বা ধূসর রঙ সাদা ও কালোর মাঝামাঝি অবস্থানে থাকে।

মনে রাখার ট্রিক: “কালো মানেই তাপের আসা-যাওয়া ফাস্ট”। অর্থাৎ কালো রঙ তাপ দ্রুত টানে আবার দ্রুত ছেড়েও দেয়। চা যেহেতু গরম, তাই কালো কাপ সেই গরম ভাবটা দ্রুত বাইরে বের করে দেয়। Primary Head Teacher Past Question Solution 2026 এর জন্য এই লজিকটি মনে গেঁথে নিন। এটি কেবল চায়ের কাপ নয়, যেকোনো তাপীয় ইঞ্জিনের ক্ষেত্রেও সত্য। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন সমাধান pdf ২০২৬ ডাউনলোড করে আপনারা বিজ্ঞানের এমন আরও মজার প্রশ্ন চর্চা করতে পারেন।

৬. ডিজিটাল টেলিফোনের প্রধান বৈশিষ্ট্য কি?
(ক) নতুন ধরনের মাইক্রোফোন
(খ) অপটিক্যাল ফাইবারে বার্তা প্রেরণ
(গ) বোতাম টিপে ডায়াল করা
(ঘ) ডিজিটাল সিগনালে বার্তা প্রেরণ

উত্তর: (ঘ) ডিজিটাল সিগনালে বার্তা প্রেরণ

ব্যাখ্যা:
প্রযুক্তির বিবর্তনে এনালগ থেকে ডিজিটালে রূপান্তরের মূল চাবিকাঠি হলো সিগনাল বা সংকেত ব্যবস্থা। এনালগ টেলিফোনে কণ্ঠস্বরকে বৈদ্যুতিক তরঙ্গে রূপান্তর করে পাঠানো হতো, যা দূরপাল্লায় নয়েজ বা শব্দ দূষণে আক্রান্ত হতো। কিন্তু ডিজিটাল টেলিফোনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি কণ্ঠস্বরকে ‘বাইনারি কোড’ অর্থাৎ ০ এবং ১ এর ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তর করে প্রেরণ করে। এর ফলে তথ্যের বিশুদ্ধতা বজায় থাকে এবং শব্দ অনেক বেশি স্পষ্ট হয়। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন ও উত্তর ২০২৬ এর আইসিটি অংশের জন্য এটি একটি ফান্ডামেন্টাল প্রশ্ন।

অনেকে মনে করতে পারেন অপটিক্যাল ফাইবার বা বোতাম ডায়াল প্রধান বৈশিষ্ট্য, কিন্তু এগুলো হলো মাধ্যম বা ইনপুট পদ্ধতি। ডিজিটাল টেলিফোনের “প্রাণ” হলো এর সিগনাল প্রসেসিং পদ্ধতি। ডিজিটাল সিগনালে ডেটা লস খুব কম হয় এবং এটি কম্পিউটারাইজড সিস্টেমের সাথে সহজে কাজ করতে পারে। Primary Head Teacher Question Solution 2026 এবং অন্যান্য আইসিটি রিলেটেড চাকরির প্রশ্নে এই কনসেপ্টটি বারবার আসে।

সহজ কথায়, এনালগ হলো সরাসরি ঢেউয়ের মতো, আর ডিজিটাল হলো প্যাকেটে মোড়ানো নিখুঁত তথ্যের মতো। ডিজিটাল টেলিফোন মানেই হলো তথ্যের ডিজিটাল প্রবাহ। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক মডেল প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ অনুশীলনের সময় খেয়াল করবেন, প্রযুক্তির “মূল কাজ” আর “বাহ্যিক রূপ” এর মধ্যে পার্থক্য কী। এখানে মূল কাজ বা বৈশিষ্ট্য হলো সিগনাল ট্রান্সমিশন পদ্ধতি। সুতরাং সঠিক উত্তর (ঘ)। Primary Head Teacher Previous Question 2026 এর প্রশ্নব্যাংক ঘাটলে দেখবেন প্রযুক্তির বেসিক মেকানিজম নিয়ে এমন প্রশ্ন প্রায়ই হয়।

৭. কোন উদ্ভিদের শ্বাসমূল আছে?
(ক) পাইনাস
(খ) কেয়া
(গ) সুন্দরী
(ঘ) বট

উত্তর: (গ) সুন্দরী

ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই প্রশ্নটি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক কারণ আমাদের আছে বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন ‘সুন্দরবন’। সুন্দরী হলো সুন্দরবনের প্রধান উদ্ভিদ। সুন্দরবন বা লবণাক্ত এলাকার মাটিতে জোয়ার-ভাটার কারণে কাদা ও লবণের পরিমাণ বেশি থাকে, ফলে মাটির নিচে অক্সিজেন পৌঁছাতে পারে না। এই অক্সিজেনের অভাব পূরণের জন্য এই সব গাছের মূল মাটির নিচ থেকে খারাপভাবে উপরের দিকে উঠে আসে। এই বিশেষ ধরনের মূলকে শ্বাসমূল বা নিউমাটোফোর (Pneumatophores) বলা হয়। এর আগায় ছোট ছিদ্র থাকে যা দিয়ে উদ্ভিদ বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি ২০২৬ এর সাধারণ জ্ঞান ও বিজ্ঞান উভয় অংশেই এটি আসতে পারে।

অন্য অপশনগুলোর মধ্যে বট গাছের ঝুরিমূল বা স্তম্ভমূল থাকে যা গাছকে ঠেস দেয়, শ্বাস নেয় না। কেয়া বা পাইনাস গাছের শ্বাসমূল নেই। শ্বাসমূল বা ঠেসমূল হলো ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদের অভিযোজনিক বৈশিষ্ট্য। সুন্দরী, গরান, গেওয়া—এই সব উদ্ভিদেরই শ্বাসমূল দেখা যায়। Primary Head Teacher Exam Question 2026 এ যদি সুন্দরীর বদলে ‘গরান’ অপশনে থাকে, তবে সেটিও সঠিক উত্তর হবে।

মনে রাখার সহজ উপায়: সুন্দরবনের সুন্দরী গাছ কাদা থেকে মাথা তুলে নিশ্বাস নেয়। মাটির উপরে খাড়া খাড়া শুলের মতো দেখতে যে শিকড়গুলো দেখা যায়, সেগুলোই শ্বাসমূল। Primary Head Teacher Past Paper 2026 বা প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এর গাইডে উদ্ভিদবিজ্ঞান অংশে এই অভিযোজনগুলো বিস্তারিত পাবেন। এটি প্রকৃতির এক অদ্ভুত ও চমৎকার বেঁচে থাকার কৌশল।

৮. ক্লোরোফিলবিহীন উদ্ভিদ হলো —-
(ক) ব্যাঙের ছাতা
(খ) ইউগ্লিনা
(গ) ক্রাইসামিবা
(ঘ) কোনোটিই নয়

উত্তর: (ক) ব্যাঙের ছাতা

ব্যাখ্যা:
ক্লোরোফিল হলো উদ্ভিদের সেই সবুজ রঞ্জক পদার্থ যা সূর্যের আলো ব্যবহার করে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি করে। যেসব উদ্ভিদে ক্লোরোফিল নেই, তারা নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে না। এদের বলা হয় অসবুজ উদ্ভিদ বা ছত্রাক (Fungi)। ব্যাঙের ছাতা বা মাশরুম হলো এক ধরনের ছত্রাক। যেহেতু এদের দেহে ক্লোরোফিল নেই, তাই এরা সাদা বা অন্য রঙের হয় এবং মৃত পচা জৈব পদার্থের ওপর জন্মে সেখান থেকে পুষ্টি শোষণ করে (মৃতজীবী)। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এর বিজ্ঞান অংশে উদ্ভিদ ও প্রাণীর শ্রেণিবিন্যাস থেকে এই প্রশ্নটি নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, ইউগ্লিনা হলো এক বিশেষ ধরনের এককোষী জীব যার দেহে ক্লোরোফিল আছে এবং এরা আলোর উপস্থিতিতে সালোকসংশ্লেষণ করতে পারে (যদিও প্রাণী ও উদ্ভিদ উভয়ের বৈশিষ্ট্য এদের মধ্যে আছে)। ক্রাইসামিবাও এককোষী জীব। কিন্তু ব্যাঙের ছাতা সম্পূর্ণভাবে ক্লোরোফিলবিহীন। তাই এটি পরভোজী বা মৃতজীবী। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত প্রশ্ন pdf ২০২৬ ফাইলে জীববিজ্ঞানের এই অংশটি গুরুত্ব দিয়ে পড়া উচিত।

মনে রাখার টিপস: ব্যাঙের ছাতা দেখতে সাদা বা ছাই রঙের হয়, সবুজ নয়। আর সবুজ না হওয়া মানেই তাতে ক্লোরোফিল নেই। আর ক্লোরোফিল না থাকলে সে নিজের রান্না (খাদ্য) নিজে করতে পারে না, তাই অন্যের (পচা জিনিসের) ওপর নির্ভর করে। Head Teacher Previous Question Solution 2026 এর জন্য এই সহজ লজিকটি মনে রাখলেই চলবে। ভবিষ্যতে Primary Head Teacher Question Solution 2026 এর পরীক্ষায় মাশরুম বা অ্যাগারিকাস নাম দিয়েও এই প্রশ্ন আসতে পারে।

৯. কম্পিউটারে কোনটি নেই?
(ক) স্মৃতি
(খ) বুদ্ধি বিবেচনা
(গ) নির্ভুল কাজ করার ক্ষমতা
(ঘ) দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করার ক্ষমতা

উত্তর: (খ) বুদ্ধি বিবেচনা

ব্যাখ্যা:
কম্পিউটার একটি শক্তিশালী ইলেকট্রনিক যন্ত্র যার অসীম ক্ষমতা আছে বলে মনে হলেও এর নিজস্ব কোনো “বুদ্ধি” বা “কমন সেন্স” (Intelligence/Sense) নেই। কম্পিউটার কেবল ব্যবহারকারীর দেওয়া নির্দেশ (Command) বা প্রোগ্রামের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে। একে বলা হয় GIGO (Garbage In, Garbage Out), অর্থাৎ আপনি ভুল নির্দেশ দিলে কম্পিউটার ভুল উত্তরই দেবে, সে নিজে থেকে বুঝে ভুল সংশোধন করতে পারবে না (সাধারণ কম্পিউটিং এর ক্ষেত্রে)। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্নপত্র সমাধান ২০২৬ এর আইসিটি অংশে কম্পিউটারের সীমাবদ্ধতা নিয়ে এই প্রশ্নটি খুবই জনপ্রিয়।

অপশনগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়: কম্পিউটারের বিশাল ‘স্মৃতি’ বা মেমোরি আছে। এর ‘নির্ভুল কাজ করার ক্ষমতা’ বা Accuracy মানুষের চেয়ে বেশি। এটি ক্লান্তিহীনভাবে ‘দীর্ঘ সময় ধরে কাজ’ করতে পারে। কিন্তু এর নিজস্ব বিচার-বুদ্ধি বা আবেগ নেই। যদিও বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে কাজ হচ্ছে, তবুও মৌলিক কম্পিউটারের সংজ্ঞায় এর নিজস্ব বুদ্ধিমত্তা শূন্য (IQ = 0) ধরা হয়। Primary Head Teacher Question Solution 2026 প্রস্তুতির জন্য এই বেসিক পার্থক্যটি জানা জরুরি।

সহজ কথায়, কম্পিউটার হলো একটি অত্যন্ত অনুগত ও দ্রুতগতির গাধা, যে কেবল মালিকের হুকুম তামিল করতে পারে, কিন্তু নিজে থেকে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। মানুষ ও যন্ত্রের এই মৌলিক পার্থক্যটিই এখানে জানতে চাওয়া হয়েছে। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন বিশ্লেষণ ২০২৬ করলে দেখা যায়, আইসিটির এই ধরণের প্রশ্নগুলো খুব লজিক্যাল হয়। তাই Primary Head Teacher Previous Question Solution 2026 এর জন্য এই কনসেপ্টটি ক্লিয়ার রাখা আবশ্যক।

১০. মোডেমের মাধ্যমে কম্পিউটারের-
(ক) ইন্টারনেট লাইনের সংযোগ হয়
(খ) টেলিভিশন লাইনের সংযোগ হয়
(গ) রেডিও লাইনের সংযোগ হয়
(ঘ) টেলিফোন লাইনের সংযোগ হয়

উত্তর: (ঘ) টেলিফোন লাইনের সংযোগ হয়

ব্যাখ্যা:
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ইতিহাসে মোডেম (Modem) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র। মোডেম শব্দটি এসেছে ‘Modulator’ এবং ‘Demodulator’ শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ থেকে। এর মূল কাজ হলো এনালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে এবং ডিজিটাল সংকেতকে এনালগ সংকেতে রূপান্তর করা। ইন্টারনেটের শুরুর দিকে যখন ব্রডব্যান্ড বা ফাইবার অপটিক আসেনি, তখন টেলিফোন লাইনের মাধ্যমেই ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া হতো। টেলিফোন লাইন মূলত এনালগ সিগন্যাল বা ভয়েস ডাটা পরিবহন করে, আর কম্পিউটার বোঝে ডিজিটাল সিগন্যাল। এই দুই ভিন্ন মাধ্যমের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে মোডেম। তাই মোডেমের মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে টেলিফোন লাইনের সংযোগ ঘটানো হয়। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি ২০২৬ এর আইসিটি অংশের জন্য এটি একটি বেসিক কিন্তু কনসেপচুয়াল প্রশ্ন।

অনেকে মনে করতে পারেন যে এটি “ইন্টারনেট লাইনের সংযোগ” হবে, কিন্তু এখানে প্রযুক্তির কার্যপদ্ধতি জানতে চাওয়া হয়েছে। মোডেম সরাসরি ইন্টারনেট লাইন নয়, বরং টেলিফোন লাইনের মাধ্যম ব্যবহার করে ইন্টারনেটে প্রবেশদ্বার তৈরি করে। Primary Head Teacher Exam Question 2026 এর প্রস্তুতিতে হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্কিং ডিভাইস সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা রাখা জরুরি। বর্তমান যুগে অপটিক্যাল ফাইবারের ব্যবহার বাড়লেও মোডেমের এই মৌলিক কার্যপ্রণালী পরীক্ষার জন্য প্রাসঙ্গিক।

মনে রাখার জন্য ভাবুন, মোডেম হলো একজন দোভাষী। কম্পিউটার কথা বলে ডিজিটালে, আর টেলিফোন লাইন কথা বলে এনালগে। মোডেম মাঝখানে থেকে টেলিফোন লাইনের এনালগ কথা কম্পিউটারের ডিজিটাল ভাষায় বুঝিয়ে দেয়। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এর গাইডগুলোতে প্রযুক্তির এই বিবর্তনগুলো গুরুত্বের সাথে আলোচনা করা হয়। সঠিক উত্তর তাই টেলিফোন লাইনের সংযোগ।

১১. রাষ্ট্র কয়টি উপাদান নিয়ে গঠিত?
(ক) দুইটি
(খ) তিনটি
(গ) চারটি
(ঘ) পাঁচটি

উত্তর: (গ) চারটি

ব্যাখ্যা:
পৌরনীতি ও সুশাসনের একেবারে প্রাথমিক পাঠ হলো রাষ্ট্রের উপাদান। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক অ্যারিস্টটল এবং আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের মতে, একটি পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্র গঠিত হতে হলে আবশ্যিকভাবে চারটি উপাদান থাকতে হয়। এই উপাদানগুলো হলো: ১. নির্দিষ্ট ভূখণ্ড (Territory), ২. জনসমষ্টি (Population), ৩. সরকার (Government) এবং ৪. সার্বভৌমত্ব (Sovereignty)। এই চারটির যেকোনো একটি অনুপস্থিত থাকলে তাকে রাষ্ট্র বলা যাবে না। যেমন, ফিলিস্তিনের নির্দিষ্ট ভূখণ্ড ও জনগণ থাকলেও দীর্ঘকাল তাদের সার্বভৌমত্ব ছিল না বলে তারা পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্র ছিল না। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এর সাধারণ জ্ঞান অংশের জন্য এটি একটি ‘মাস্ট টু নো’ টপিক।

পরীক্ষায় অনেক সময় প্রশ্ন আসে “রাষ্ট্রের মুখ্য উপাদান কোনটি?” তখন উত্তর হবে সার্বভৌমত্ব। আবার কখনো উপাদানের নামগুলোও জানতে চাওয়া হয়। Primary Head Teacher Question Paper 2026 বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, রাষ্ট্র ও সরকার ব্যবস্থা থেকে প্রতি বছরই প্রশ্ন থাকে। অপশনগুলোতে থাকা ২, ৩ বা ৫টি উপাদান সঠিক নয়। রাষ্ট্র গঠনের ভিত্তিই হলো এই চারটি স্তম্ভ।

মনে রাখার সহজ কৌশল: একটি ঘর বানাতে যেমন চারটি খুঁটি লাগে, তেমনি রাষ্ট্র বানাতেও চারটি উপাদান লাগে— মাটি (ভূখণ্ড), মানুষ (জনসমষ্টি), চালক (সরকার) আর ক্ষমতা (সার্বভৌমত্ব)। Primary Head Teacher Previous Question Solution 2026 এবং অন্যান্য বিসিএস বা ব্যাংক জবের প্রস্তুতিতেও এই তথ্যটি সমানভাবে কার্যকর। এটি রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ধ্রুব সত্য।

১২. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান প্রবর্তিত হয়-
(ক) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
(খ) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
(গ) ৭ মার্চ, ১৯৭২
(ঘ) ৭ মার্চ, ১৯৭৩

উত্তর: (খ) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২

ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাস আমাদের জাতীয় জীবনের এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হওয়ার পর, মাত্র এক বছরের মধ্যে ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয়। এবং আমাদের বিজয় দিবসের প্রথম বার্ষিকী অর্থাৎ ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ থেকে এই সংবিধান কার্যকর বা প্রবর্তিত হয়। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এর বাংলাদেশ বিষয়াবলি অংশে সংবিধান থেকে প্রশ্ন আসবেই। তাই তারিখগুলো খুব সতর্কতার সাথে মনে রাখতে হবে।

এখানে অপশনগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়, ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ হলো মুজিবনগর সরকার গঠনের তারিখ, ৭ মার্চ ১৯৭১ হলো বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের তারিখ। পরীক্ষার্থীরা প্রায়ই “গৃহীত হওয়া” (৪ নভেম্বর) এবং “প্রবর্তিত বা কার্যকর হওয়া” (১৬ ডিসেম্বর) এই দুই তারিখের মধ্যে গুলিয়ে ফেলেন। প্রশ্নে “প্রবর্তিত” বলা হয়েছে, তাই উত্তর হবে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২। Head Teacher Previous Question Solution 2026 এর সিলেবাস অনুযায়ী সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ এবং সংশোধনীগুলোও পড়ে রাখা উচিত।

মনে রাখার টিপস: আমরা বিজয় অর্জন করেছি ১৬ ডিসেম্বর, তাই আমাদের রাষ্ট্র পরিচালনার সর্বোচ্চ দলিল বা নিয়মবইটিও চালু হয়েছে একটি বিজয় দিবসে (পরের বছর)। অর্থাৎ বিজয় আর সংবিধান প্রবর্তন একই তারিখে—১৬ ডিসেম্বর। Primary Head Teacher Question Solution 2026 এর জন্য এই সংযোগটি মনে রাখা খুব ফলপ্রসূ হবে।

১৩. মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল?
(ক) এগার
(খ) দশ
(গ) আট
(ঘ) পনের

উত্তর: (ক) এগার

ব্যাখ্যা:
মহান মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল ও প্রশাসনিক সুবিধার জন্য মুজিবনগর সরকার সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করেছিল। মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রধান সেনাপতি ছিলেন জেনারেল এম এ জি ওসমানী। তাঁর নেতৃত্বেই ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে এই সেক্টরগুলো গঠন করা হয়। প্রতিটি সেক্টরের নেতৃত্বে ছিলেন একজন সেক্টর কমান্ডার। এছাড়া ১১টি সেক্টরের অধীনে মোট ৬৪টি সাব-সেক্টর ছিল। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন ও উত্তর ২০২৬ এর মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অংশে এটি সবচেয়ে কমন প্রশ্নগুলোর একটি।

বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে, ১০ নম্বর সেক্টর ছিল ব্যতিক্রম। এই সেক্টরের কোনো নির্দিষ্ট আঞ্চলিক সীমানা বা নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিল না। নৌ-কমান্ডো এবং অভ্যন্তরীণ নৌ-পথগুলো এই সেক্টরের আওতাধীন ছিল। Primary Head Teacher Past Question Solution 2026 ঘাটলে দেখবেন, মাঝে মাঝে প্রশ্ন আসে “কোন সেক্টরের নিয়মিত কমান্ডার ছিল না?”। তাই ১১টি সেক্টরের সংখ্যা এবং ১০ নম্বর সেক্টরের বিশেষত্ব—উভয়ই গুরুত্বপূর্ণ।

মনে রাখার উপায়: ক্রিকেটে যেমন ১১ জন খেলোয়াড় নিয়ে দল গঠিত হয়, তেমনি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের টিম বা সেক্টরও ছিল ১১টি। এভাবে ভাবলে সংখ্যাটি আর ভুল হবে না। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক মডেল প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ অনুশীলনের সময় সেক্টর কমান্ডারদের নামগুলোও একবার দেখে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

১৪. শিক্ষা বলতে কি বোঝায়?
(ক) জ্ঞান আহরণ
(খ) ডিগ্রি অর্জন
(গ) দক্ষতা অর্জন
(ঘ) পরিবেশের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে সমাজ ও নিজের উপকারে তার পুনর্গঠন করার দক্ষতা আয়ত্ত করা

উত্তর: (ঘ) পরিবেশের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে সমাজ ও নিজের উপকারে তার পুনর্গঠন করার দক্ষতা আয়ত্ত করা

ব্যাখ্যা:
শিক্ষা বা Education কেবল বই পড়া বা সনদ অর্জন নয়। শিক্ষার প্রকৃত সংজ্ঞা অনেক ব্যাপক। আধুনিক শিক্ষাবিজ্ঞান অনুযায়ী, শিক্ষা হলো আচরণের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন। অপশন (ঘ)-তে শিক্ষার এই ব্যাপক ও প্রকৃত অর্থটিই ফুটে উঠেছে। এখানে বলা হয়েছে, পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়ানো (Adaptability), এবং সমাজ ও নিজের উপকারের জন্য সেই পরিবেশকে পুনর্গঠন করার দক্ষতা। জন ডিউই বা অন্যান্য শিক্ষাবিদদের মতেও শিক্ষা হলো অভিজ্ঞতার নিরবচ্ছিন্ন পুনর্গঠন। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি ২০২৬ এর পেডাগজি বা শিশুমনস্তত্ত্ব অংশের জন্য এই প্রশ্নটি খুবই মানসম্মত।

জ্ঞান আহরণ বা ডিগ্রি অর্জন হলো শিক্ষার একটি ক্ষুদ্র অংশ বা মাধ্যম মাত্র, কিন্তু চূড়ান্ত লক্ষ্য নয়। একজন মানুষ অনেক ডিগ্রিধারী হয়েও যদি সমাজের উপকারে না আসে বা পরিবেশের সাথে মানিয়ে চলতে না পারে, তবে তার শিক্ষা অপূর্ণ। Primary Head Teacher Previous Question 2026 এর প্রশ্নগুলোতে এমন বিশ্লেষণধর্মী অপশন থাকলে সাধারণত যেটি সবচেয়ে বিস্তারিত এবং ইতিবাচক অর্থ বহন করে, সেটিই সঠিক উত্তর হয়।

মনে রাখার কৌশল: শিক্ষা মানে শুধু “নেওয়া” (জ্ঞান/ডিগ্রি) নয়, শিক্ষা মানে “তৈরি হওয়া” এবং “দেওয়া” (উপকার/পুনর্গঠন)। যে অপশনে নিজের এবং সমাজের উভয়ের মঙ্গলের কথা বলা আছে, সেটিই শিক্ষার আসল উদ্দেশ্য। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন সমাধান pdf ২০২৬ ডাউনলোড করে শিক্ষার সংজ্ঞা ও লক্ষ্য সম্পর্কিত অধ্যায়টি ভালোভাবে পড়ে নিলে ভাইভা বোর্ডেও কাজে আসবে।

১৫. শিক্ষকের কোন দিকে নজর দেয়া উচিত?
(ক) সংবাদ দেয়া
(খ) অনুসন্ধিৎসু মনের উন্নয়ন ঘটানো
(গ) ছাত্রদের ব্যক্তিত্বের উন্নয়ন ঘটানো
(ঘ) ছাত্রদের ক্লাস করতে সাহায্য করা

উত্তর: (খ) অনুসন্ধিৎসু মনের উন্নয়ন ঘটানো

ব্যাখ্যা:
একজন আদর্শ শিক্ষকের প্রধান কাজ হলো শিক্ষার্থীর মনে জানার আগ্রহ জাগিয়ে তোলা। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন, “শিক্ষক যদি নিজেই না জ্বলেন, তবে তিনি অন্যের প্রদীপ জ্বালাবেন কী করে?” শিক্ষকের কাজ কেবল তথ্য বা সংবাদ সরবরাহ করা নয়, বরং ছাত্রের মনে “কেন” এবং “কিভাবে” প্রশ্নের জন্ম দেওয়া। যখন একজন ছাত্রের অনুসন্ধিৎসু মন (Inquisitive Mind) তৈরি হয়, তখন সে নিজে থেকেই জ্ঞান অন্বেষণ করতে শেখে। Primary Head Teacher Exam Question 2026 এর মনস্তত্ত্ব অংশে শিক্ষকের ভূমিকা নিয়ে এটি একটি ক্লাসিক প্রশ্ন।

যদিও ছাত্রদের ব্যক্তিত্বের উন্নয়ন ঘটানোও শিক্ষকের দায়িত্ব, কিন্তু অনুসন্ধিৎসু মনের উন্নয়ন ঘটলে ব্যক্তিত্বের বিকাশ আপনাআপনিই ঘটে। সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী শক্তির মূল উৎস হলো কৌতূহল। তাই প্রাইমারি লেভেলে শিশুদের কৌতূহল জাগিয়ে তোলাই প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এর আলোকে বলা যায়, আধুনিক শিশুতোষ শিক্ষায় মুখস্থবিদ্যার চেয়ে সৃজনশীলতাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।

মনে রাখার জন্য: শিক্ষক হলেন একজন মালি। তিনি গাছে (ছাত্রের মনে) সরাসরি ফল (জ্ঞান) ঝুলিয়ে দেন না, বরং গাছের গোড়ায় পানি দেন যাতে গাছটি নিজেই ফল দিতে পারে। আর এই পানিই হলো “অনুসন্ধিৎসা” বা জানার আগ্রহ। Primary Head Teacher Past Paper 2026 সলভ করার সময় এই শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গিটি মাথায় রাখবেন।

১৬. ‘সাত নরী হার’ কাব্যগ্রন্থটি কোন কবির রচনা?
(ক) আবদুল মান্নান সৈয়দ
(খ) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
(গ) বেলাল চৌধুরী
(ঘ) নির্মলেন্দু গুণ

উত্তর: (খ) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ

ব্যাখ্যা:
বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের একজন অন্যতম প্রধান কবি হলেন আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ। তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো ‘সাত নরী হার’। এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত হয়। তাঁর কবিতায় লোকজ শব্দ, গ্রামীণ আবহ এবং সহজ-সরল ভাষার এক অসাধারণ সংমিশ্রণ দেখা যায়। বিশেষ করে মহান ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ তাঁর কবিতার প্রধান উপজীব্য। তাঁর আরেকটি বিখ্যাত কবিতা হলো “মাগো, ওরা বলে”। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন বিশ্লেষণ ২০২৬ করলে দেখা যায়, সাহিত্য অংশ থেকে বিখ্যাত কবিদের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের নাম প্রায়ই আসে।

অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে নির্মলেন্দু গুণ, বেলাল চৌধুরী বা আবদুল মান্নান সৈয়দ প্রত্যেকেই স্বমহিমায় উজ্জ্বল, কিন্তু ‘সাত নরী হার’ নির্দিষ্টভাবে আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর সৃষ্টি। সাহিত্যের এই প্রশ্নগুলো সরাসরি মুখস্থ নির্ভর। Primary Head Teacher Question Solution 2026 এর প্রস্তুতির জন্য পিএসসি নির্ধারিত ১১ জন কবি ছাড়াও আধুনিক কবিদের প্রধান প্রধান সৃষ্টিকর্মের তালিকা তৈরি করে পড়া উচিত।

মনে রাখার ট্রিক: “জাফর ভাইয়ের সাত নরী হার”। অর্থাৎ আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর নামের সাথে ‘সাত নরী হার’কে মিলিয়ে একটি ছন্দ তৈরি করে নিন। এতে পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তি কমবে। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক পুরাতন প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ রিভিশন দেওয়ার সময় সাহিত্যের এই অংশগুলো বারবার প্র্যাকটিস করা জরুরি।

১৭. ‘বিজয়া’ নাটকটির রচয়িতা কে?
(ক) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
(খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
(গ) দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
(ঘ) মীর মশাররফ হোসেন

উত্তর: (ক) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

ব্যাখ্যা:
কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মূলত তাঁর কালজয়ী উপন্যাসগুলোর জন্য পরিচিত হলেও তিনি বেশ কিছু নাটকও রচনা করেছেন। ‘বিজয়া’ হলো তাঁর অন্যতম একটি নাটক। এটি তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘দত্তা’র নাট্যরূপ। শরৎচন্দ্র তাঁর জনপ্রিয় উপন্যাসগুলো যেমন— দেনা-পাওনা (ষোড়শী), পল্লীসমাজ (রমা) এবং দত্তা (বিজয়া) কে নাটকে রূপান্তর করেছিলেন। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত বছরের প্রশ্ন ২০২৬ এর সাহিত্য অংশে লেখকের ছদ্মনাম বা ভিন্নধর্মী রচনার নাম জানতে চাওয়া হয়।

অনেকে মনে করতে পারেন এটি রবীন্দ্রনাথ বা দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের নাটক, কারণ তাঁরা নাট্যকার হিসেবে বেশি পরিচিত। কিন্তু ‘বিজয়া’ নির্দিষ্টভাবে শরৎচন্দ্রের সৃষ্টি। শরৎচন্দ্রের নাটকগুলোর সংলাপ এবং আবেগের গভীরতা পাঠক ও দর্শকদের মুগ্ধ করে। Head Teacher Previous Question Solution 2026 এর জন্য শরৎচন্দ্রের উপন্যাসগুলোর পাশাপাশি তাঁর নাট্যরূপগুলোর নামও জেনে রাখা দরকার।

মনে রাখার উপায়: শরৎচন্দ্রের ‘দত্তা’ উপন্যসের নায়িকার নাম ছিল বিজয়া। সেই বিজয়াকে নিয়েই তিনি ‘বিজয়া’ নাটক লিখেছেন। অর্থাৎ দত্তা = বিজয়া। এই সমীকরণটি মনে রাখলে আর ভুল হবে না। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন সমাধান pdf ২০২৬ ফাইলে সাহিত্য অংশের এই প্রশ্নটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত।

১৮. ‘তিনি চোখে দেখেন না’ বাক্যে ‘চোখে’ কোন কারক?
(ক) করণ কারক
(খ) অপাদান কারক
(গ) সম্প্রদান কারক
(ঘ) অধিকরণ কারক

উত্তর: (ক) করণ কারক

ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণের কারক ও বিভক্তি অংশ থেকে এটি একটি চমৎকার প্রশ্ন। ‘করণ’ শব্দের অর্থ হলো যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়। কর্তা যার সাহায্যে বা যে উপায়ে ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে করণ কারক বলে। এই বাক্যে “তিনি চোখে দেখেন না”— এখানে দেখার কাজটি সম্পাদিত হয় ‘চোখ’ নামক অঙ্গ বা যন্ত্রের সাহায্যে। চোখ দিয়ে দেখা হয়, তাই ‘চোখে’ শব্দটি করণ কারক। আর ‘এ’ বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি করণে ৭মী বা প্রথমা বিভক্তি (আধুনিক নিয়মে)। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি ২০২৬ এর বাংলা ব্যাকরণ অংশে কারক নির্ণয় একটি আবশ্যিক টপিক।

অনেকে ভুল করে এটিকে অপাদান (চোখ হতে) বা অধিকরণ (চোখে স্থান) ভাবতে পারেন। কিন্তু মনে রাখতে হবে, চোখ এখানে দেখার ‘মাধ্যম’ হিসেবে কাজ করছে, কোনো স্থান বা ভাণ্ডার হিসেবে নয়। ক্রিয়াকে ‘কি দিয়ে’ বা ‘কিসের দ্বারা’ প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই করণ কারক। Primary Head Teacher Previous Question Solution 2026 এর ব্যাকরণ অংশের শর্টকাট টেকনিকগুলো আয়ত্ত করলে এই প্রশ্নগুলো সেকেন্ডের মধ্যে সমাধান করা সম্ভব।

মনে রাখার টিপস: “চোখ হলো ক্যামেরা”। ক্যামেরা দিয়ে যেমন ছবি তোলা হয়, চোখ দিয়ে তেমন দেখা হয়। আর “দিয়ে” বা “দ্বারা” বোঝালেই তা করণ কারক। Primary Head Teacher Exam Question 2026 এ এমন সহজ উদাহরণ দিয়েই কারকের গভীরতা যাচাই করা হয়।

১৯. কোনটি সামন্তরিকের ক্ষেত্রফল?
(ক) ১/২ (দৈর্ঘ্য x উচ্চতা)
(খ) দৈর্ঘ্য x প্রস্থ
(গ) ২ (দৈর্ঘ্য x প্রস্থ)
(ঘ) ভূমি x উচ্চতা

উত্তর: (ঘ) ভূমি x উচ্চতা

ব্যাখ্যা:
জ্যামিতির সূত্র থেকে সরাসরি করা এই প্রশ্নটি। সামান্তরিকের (Parallelogram) ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র হলো: ভূমি × উচ্চতা (Base × Height)। সামান্তরিকের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল হয়। এর যেকোনো একটি বাহুকে ভূমি ধরলে, সেই বাহু এবং তার বিপরীত বাহুর মধ্যবর্তী লম্ব দূরত্বকে উচ্চতা বলা হয়। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক মডেল প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এর গণিত অংশে পরিমিতির সূত্রগুলো নখদর্পণে থাকা চাই।

অপশন (ক) ১/২ (ভূমি × উচ্চতা) হলো ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল। অপশন (খ) দৈর্ঘ্য × প্রস্থ হলো আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল। যদিও আয়তক্ষেত্র এক বিশেষ ধরনের সামান্তরিক, কিন্তু সাধারণ সামান্তরিকের ক্ষেত্রে কোণগুলো সমকোণ না হওয়ায় সরাসরি দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ গুণ করলে ক্ষেত্রফল পাওয়া যায় না, উচ্চতা লাগে। তাই সঠিক ও সাধারণ সূত্র হলো ভূমি × উচ্চতা। Primary Head Teacher Question Solution 2026 এর জ্যামিতি অংশে এই পার্থক্যগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ।

মনে রাখার কৌশল: সামান্তরিক হলো একটু বাঁকানো আয়তক্ষেত্র। আয়তক্ষেত্রের যেমন দৈর্ঘ্য × প্রস্থ, সামান্তরিকের ক্ষেত্রে সেটা হয়ে যায় ভূমি × উচ্চতা। কারণ বাঁকানো হওয়ার কারণে ‘প্রস্থ’ আর ‘উচ্চতা’ এক থাকে না। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন ও উত্তর ২০২৬ সলভ করার সময় জ্যামিতিক চিত্র একে সূত্রগুলো ঝালিয়ে নেওয়া ভালো।

২০. স্পর্শ বিন্দুগামী ব্যাসার্ধ এবং স্পর্শকের অন্তর্ভুক্ত কোণ —
(ক) এক সমকোণের অর্ধেক
(খ) দুই সমকোণ
(গ) এক সমকোণ
(ঘ) সূক্ষ্মকোণ

উত্তর: (গ) এক সমকোণ

ব্যাখ্যা:
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্যের এটি একটি মৌলিক সূত্র। বৃত্তের যেকোনো বিন্দুতে অঙ্কিত স্পর্শক (Tangent) এবং ওই বিন্দুগামী ব্যাসার্ধ (Radius) পরস্পর লম্বভাবে অবস্থান করে। লম্ব মানেই হলো তাদের মধ্যবর্তী কোণ ৯০ ডিগ্রি বা এক সমকোণ। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এর জ্যামিতি অংশে বৃত্তের ধর্মাবলী থেকে প্রশ্ন প্রায়ই আসে।

বিষয়টি ভিজুয়ালাইজ করুন: একটি সাইকেলের চাকা (বৃত্ত) এবং মাটি (স্পর্শক)। চাকার স্পোক (ব্যাসার্ধ) যেখানে মাটিতে স্পর্শ করে, সেখানে এটি মাটির সাথে খাড়াভাবে বা ৯০ ডিগ্রি কোণে থাকে। যদি কোণটি ৯০ ডিগ্রি না হতো, তবে চাকাটি ঠিকমতো গড়াতে পারত না বা দেবে যেত। তাই স্পর্শক ও স্পর্শবিন্দুগামী ব্যাসার্ধের অন্তর্ভুক্ত কোণ সর্বদা এক সমকোণ। Primary Head Teacher Past Paper 2026 এবং অন্যান্য জ্যামিতি অংশের জন্য এটি একটি ইউনিভার্সাল ট্রুথ।

মনে রাখার সহজ কথা: স্পর্শক ব্যাসার্ধকে স্যালুট দেয় একদম সোজা হয়ে। আর সোজা মানেই ৯০ ডিগ্রি বা এক সমকোণ। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন সমাধান pdf ২০২৬ থেকে জ্যামিতির বেসিক উপপাদ্যগুলো দেখে নিলে এমন প্রশ্নের উত্তর করা জলভাত।

২১. একটি কলম ২৫ টাকায় বিক্রয় করলে যে ক্ষতি হয়, ৩৫ টাকায় বিক্রয় করলে তত লাভ হয়। উহার ক্রয়মূল্য কত?
(ক) ২৮ টাকা
(খ) ৩০ টাকা
(গ) ৩২ টাকা
(ঘ) ৩৪ টাকা

উত্তর: (খ) ৩০ টাকা

ব্যাখ্যা:
লাভ-ক্ষতির অংকে এই ধরণের প্রশ্নগুলোকে বলা হয় “ম্যাজিক ম্যাথ”। যখন বলা থাকে “যত ক্ষতি হয়, তত লাভ হয়”, তখন ক্রয়মূল্য বের করার সবচেয়ে সহজ টেকনিক হলো দুটি বিক্রয়মূল্য যোগ করে ২ দিয়ে ভাগ করা।
শর্টকাট সূত্র: ক্রয়মূল্য = (১ম বিক্রয়মূল্য + ২য় বিক্রয়মূল্য) ÷ ২
এখানে, ১ম বিক্রয়মূল্য = ২৫ টাকা
২য় বিক্রয়মূল্য = ৩৫ টাকা
সুতরাং, ক্রয়মূল্য = (২৫ + ৩৫) ÷ ২ = ৬০ ÷ ২ = ৩০ টাকা।

বিস্তারিতভাবে ভাবলে: ধরি ক্রয়মূল্য x টাকা।
ক্ষতি = x – ২৫
লাভ = ৩৫ – x
প্রশ্নমতে, ক্ষতি = লাভ
বা, x – ২৫ = ৩৫ – x
বা, ২x = ৬০
বা, x = ৩০।
প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি ২০২৬ এর গণিত অংশে সময় বাঁচানোর জন্য এই শর্টকাটগুলো জানা খুব জরুরি।

মনে রাখার উপায়: লাভ আর ক্ষতির পরিমাণ সমান হলে, আসল দামটা ঠিক মাঝখানে থাকে। ২৫ আর ৩৫ এর ঠিক মাঝখানের সংখ্যাটি হলো ৩০। Primary Head Teacher Question Solution 2026 এর গণিত ক্লাসে এই গড় করার নিয়মটি শেখানো হয়।

২২. একটি গরু ৪৫০ টাকায় বিক্রয় করায় তার ক্রয়মূল্যের ১/৮ অংশ লাভ হল। গরুটির ক্রয়মূল্য কত?
(ক) ৫০০ টাকা
(খ) ৬০০ টাকা
(গ) ৩০০ টাকা
(ঘ) ৪০০ টাকা

উত্তর: (ঘ) ৪০০ টাকা

ব্যাখ্যা:
এই অংকটি ভগ্নাংশের ধারণাকে কাজে লাগিয়ে খুব সহজে করা যায়। প্রশ্নে বলা আছে, লাভ হয় ক্রয়মূল্যের ১/৮ অংশ। এর মানে হলো, যদি ক্রয়মূল্য ৮ টাকা হয়, তবে লাভ ১ টাকা।
তাহলে বিক্রয়মূল্য হবে = ক্রয়মূল্য + লাভ = ৮ + ১ = ৯ ভাগ।
প্রশ্নে দেওয়া আছে, এই ৯ ভাগ সমান ৪৫০ টাকা।
আমাদের বের করতে হবে ক্রয়মূল্য, অর্থাৎ ৮ ভাগের মান।
৯ ভাগ = ৪৫০ টাকা
১ ভাগ = ৪৫০ ÷ ৯ = ৫০ টাকা
৮ ভাগ (ক্রয়মূল্য) = ৫০ × ৮ = ৪০০ টাকা।

বিকল্প পদ্ধতি (সমীকরণ): ধরি ক্রয়মূল্য = ক টাকা।
লাভ = ক/৮ টাকা।
বিক্রয়মূল্য = ক + ক/৮ = ৯ক/৮ টাকা।
প্রশ্নমতে, ৯ক/৮ = ৪৫০
বা, ৯ক = ৪৫০ × ৮
বা, ক = (৪৫০ × ৮) ÷ ৯ = ৫০ × ৮ = ৪০০ টাকা।
Primary Head Teacher Previous Question Solution 2026 এর গণিত অংশে এমন লাভ-ক্ষতির অংক খুবই কমন।

মনে রাখার টিপস: ভগ্নাংশের নিচেরটা আসল (ক্রয়মূল্য) আর উপরেরটা লাভ। যোগ করলে হয় বিক্রয়মূল্য। ৪৫০ কে সেই যোগফল (৯) দিয়ে ভাগ করে আসল (৮) দিয়ে গুণ করলেই উত্তর শেষ। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ প্র্যাকটিসে এই লজিকটি খুব কাজে দেবে।

২৩. একটি চৌবাচ্চা তিনটি নল দিয়ে যথাক্রমে ১০, ১২ ও ১৫ ঘন্টায় পূর্ণ হতে পারে। তিনটি নল একসঙ্গে খুলে দিলে চৌবাচ্চার অর্ধেক পূর্ণ হতে কত সময় লাগবে?
(ক) ৬ ঘন্টা
(খ) ৪ ঘন্টা
(গ) ২ ঘন্টা
(ঘ) ৩ ঘন্টা

উত্তর: (গ) ২ ঘন্টা

ব্যাখ্যা:
চৌবাচ্চা ও নলের অংকগুলো লসাগু পদ্ধতিতে করলে সবচেয়ে দ্রুত সমাধান পাওয়া যায়।
৩টি নলের সময়: ১০, ১২, ১৫ ঘন্টা।
১০, ১২, ১৫ এর লসাগু = ৬০। ধরি চৌবাচ্চার মোট ধারণক্ষমতা ৬০ লিটার।
১ম নল ১ ঘন্টায় ভরে = ৬০ ÷ ১০ = ৬ লিটার
২য় নল ১ ঘন্টায় ভরে = ৬০ ÷ ১২ = ৫ লিটার
৩য় নল ১ ঘন্টায় ভরে = ৬০ ÷ ১৫ = ৪ লিটার
তিনটি নল একসঙ্গে ১ ঘন্টায় ভরে = ৬ + ৫ + ৪ = ১৫ লিটার।
পুরো চৌবাচ্চা (৬০ লিটার) ভরতে সময় লাগবে = ৬০ ÷ ১৫ = ৪ ঘন্টা।
কিন্তু প্রশ্নে চেয়েছে “অর্ধেক পূর্ণ হতে” কত সময় লাগবে?
পুরোটা পূর্ণ হতে যদি ৪ ঘন্টা লাগে, তবে অর্ধেক পূর্ণ হতে সময় লাগবে ৪ এর অর্ধেক = ২ ঘন্টা।

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন বিশ্লেষণ ২০২৬ অনুযায়ী, পরীক্ষার হলে প্রশ্নের শেষ লাইনটি খুব ভালো করে পড়তে হবে। অনেকে তাড়াহুড়ো করে ৪ ঘন্টা উত্তর দাগিয়ে আসেন, কিন্তু উত্তর হবে ২ ঘন্টা।

মনে রাখার কৌশল: লসাগু পদ্ধতি বা ইউনিট মেথড ব্যবহার করুন। সব নলের ক্ষমতা যোগ করে মোট কাজকে ভাগ দিন। শেষে প্রশ্নের চাহিদা অনুযায়ী (অর্ধেক/এক-তৃতীয়াংশ) সময়টা এডজাস্ট করুন। Primary Head Teacher Exam Question 2026 এ এই ট্রিকটি আপনাকে এগিয়ে রাখবে।

২৪. ৩০ জন লোক কোনো কাজ ২৪ দিনে করতে পারে। কাজ আরম্ভের ১২ দিন পর ১৫ জন লোক চলে গেলে বাকী লোক কত দিনে অবশিষ্ট কাজ সমাধা করতে পারবে?
(ক) ২৪ দিনে
(খ) ২০ দিনে
(গ) ১৫ দিনে
(ঘ) ১২ দিনে

উত্তর: (ক) ২৪ দিনে

ব্যাখ্যা:
ঐকিক নিয়মের এই অংকটি খুব লজিক্যাল।
প্রথমে দেখুন, ৩০ জন লোকের কাজ ছিল ২৪ দিনের।
কাজ হয়েছে ১২ দিন। তাহলে ৩০ জন লোকের আর কত দিনের কাজ বাকি আছে?
বাকি কাজ = ২৪ – ১২ = ১২ দিনের কাজ (যদি ৩০ জনই থাকত)।
কিন্তু লোক কমে গেছে। ৩০ জনের বদলে এখন লোক আছে = ৩০ – ১৫ = ১৫ জন।
লোক সংখ্যা অর্ধেক হয়ে গেছে (৩০ থেকে ১৫)।
আমরা জানি, লোক কমলে সময় বেশি লাগে (ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্ক)।
যেহেতু লোক অর্ধেক হয়েছে, তাই সময় লাগবে দ্বিগুণ।
অর্থাৎ, ৩০ জনের যে কাজ করতে ১২ দিন লাগত, ১৫ জনের সেই কাজ করতে সময় লাগবে = ১২ × ২ = ২৪ দিন।

গাণিতিক সূত্র: (M1 × D1) = (M2 × D2)
এখানে অবশিষ্ট কাজের জন্য,
M1 = ৩০ জন, D1 = ১২ দিন (অবশিষ্ট দিন)
M2 = ১৫ জন, D2 = ?
৩০ × ১২ = ১৫ × D2
বা, ৩৬০ = ১৫ × D2
বা, D2 = ৩৬০ ÷ ১৫ = ২৪ দিন।
প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক পুরাতন প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এর ম্যাথ সলিউশনে এই ঐকিক নিয়মটি বহুল ব্যবহৃত।

মনে রাখার টিপস: দিন অর্ধেক শেষ, আবার লোকও অর্ধেক হাওয়া! তাহলে বাকি লোকদের বাকি কাজ করতে পুরো সময়ের (২৪ দিন) সমান সময় তো লাগবেই না, বরং অবশিষ্ট কাজের দ্বিগুণ সময় লাগবে। লজিক সিম্পল: মানুষ অর্ধেক হলে সময় ডাবল লাগে। ১২ এর ডাবল ২৪।

২৫. করিম ও রহিমের নম্বরের অনুপাত ৩ : ৪ এবং রহিম ও মোহনের নম্বরের অনুপাত ৬ : ৭ হলে করিম ও মোহনের নম্বরের অনুপাত-
(ক) ৪ : ৭
(খ) ২ : ৩
(গ) ২ : ৭
(ঘ) ৯ : ১৪

উত্তর: (ঘ) ৯ : ১৪

ব্যাখ্যা:
অনুপাতের মিশ্রণ বা চেইন রেশিও বের করার নিয়মটি এখানে প্রয়োগ করতে হবে। এখানে ‘রহিম’ হলো কমন ব্যক্তি। দুই অনুপাতে রহিমের মান সমান করতে হবে।
করিম : রহিম = ৩ : ৪
রহিম : মোহন = ৬ : ৭
এখানে রহিমের মান যথাক্রমে ৪ এবং ৬। ৪ ও ৬ এর লসাগু হলো ১২।
১ম অনুপাতকে ৩ দিয়ে গুণ করি: করিম : রহিম = (৩×৩) : (৪×৩) = ৯ : ১২
২য় অনুপাতকে ২ দিয়ে গুণ করি: রহিম : মোহন = (৬×২) : (৭×২) = ১২ : ১৪
এখন রহিমের মান উভয় জায়গায় ১২ হয়ে গেছে।
সুতরাং, করিম : রহিম : মোহন = ৯ : ১২ : ১৪
অতএব, করিম ও মোহনের অনুপাত = ৯ : ১৪।
Primary Head Teacher Question Solution 2026 এর গণিত অংশে অনুপাতের এই দড়ির গিট খোলার অংক প্রায়ই আসে।

শর্টকাট (দ-পদ্ধতি):
৩ ৪
৬ ৭
গুণফল: (৩×৬) : (৪×৬) : (৪×৭)
= ১৮ : ২৪ : ২৮
দুই দিয়ে ভাগ করলে: ৯ : ১২ : ১৪
করিম : মোহন = ৯ : ১৪।

মনে রাখার কৌশল: মাঝখানের জনকে (রহিম) ঘটক ভাবুন। দুই পক্ষের সাথে ঘটকের মিল করিয়ে দিলেই কাজ শেষ। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক মডেল প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এ এই ‘দ’ পদ্ধতি খুব জনপ্রিয়।

২৬. পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি ৭৪ বছর এবং তাদের বয়সের অনুপাত ১০ বছর পূর্বে ছিল ৭ : ২। ১০ বছর পরে তাদের বয়সের অনুপাত কত হবে?
(ক) ৯ : ৭
(খ) ৭ : ২
(গ) ৩১ : ১৬
(ঘ) ৭ : ৩

উত্তর: (গ) ৩১ : ১৬

ব্যাখ্যা:
বয়সের অংকে সর্বদা অনুপাতের সময়ের সাথে মোট বয়সকে মেলাতে হয়।
বর্তমানে সমষ্টি = ৭৪ বছর।
১০ বছর পূর্বে তাদের দুজনের মোট বয়স কম ছিল = ১০ × ২ = ২০ বছর।
তাহলে ১০ বছর পূর্বে সমষ্টি ছিল = ৭৪ – ২০ = ৫৪ বছর।
১০ বছর পূর্বে অনুপাত ছিল ৭ : ২। মোট ভাগ = ৭ + ২ = ৯।
৯ ভাগ = ৫৪ বছর, সুতরাং ১ ভাগ = ৬ বছর।
১০ বছর পূর্বে পিতার বয়স = ৭ × ৬ = ৪২, পুত্রের বয়স = ২ × ৬ = ১২।
বর্তমানে পিতার বয়স = ৪২ + ১০ = ৫২, পুত্রের বয়স = ১২ + ১০ = ২২। (চেক: ৫২+২২=৭৪, মিলেছে)।
এখন প্রশ্ন হলো ১০ বছর “পরে” অনুপাত কত হবে?
১০ বছর পরে পিতার বয়স হবে = ৫২ + ১০ = ৬২।
১০ বছর পরে পুত্রের বয়স হবে = ২২ + ১০ = ৩২।
অনুপাত = ৬২ : ৩২
দুই দিয়ে কাটলে = ৩১ : ১৬।
প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত প্রশ্ন pdf ২০২৬ এ বয়সের অংকগুলো ধাপে ধাপে সমাধান করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

মনে রাখার টিপস: আগে অতীতে যান, বয়স বের করুন, তারপর বর্তমানে আসুন, এরপর ভবিষ্যতে যান। টাইম মেশিনে চড়ার মতো ধাপগুলো পার করলেই সঠিক উত্তর মিলবে। উত্তর ৩১:১৬ দেখে ঘাবড়াবেন না, এটাই সঠিক।

২৭. ১০ বছর আগে ক এর বয়স ছিল খ এর বয়সের অর্ধেক। যদি তাদের বর্তমান বয়সের অনুপাত ৩ : ৪ হয়, তবে তাদের বর্তমানে মোট বয়স কত?
(ক) ৪৫ বছর
(খ) ৩৫ বছর
(গ) ২০ বছর
(ঘ) ৫০ বছর

উত্তর: (খ) ৩৫ বছর

ব্যাখ্যা:
ধরি বর্তমানে ক এর বয়স ৩x এবং খ এর বয়স ৪x বছর।
১০ বছর আগে ক এর বয়স ছিল = ৩x – ১০
১০ বছর আগে খ এর বয়স ছিল = ৪x – ১০
প্রশ্নমতে, ১০ বছর আগে ক এর বয়স খ এর অর্ধেক ছিল।
সমীকরণ: ৩x – ১০ = ১/২ (৪x – ১০)
বা, ২(৩x – ১০) = ৪x – ১০
বা, ৬x – ২০ = ৪x – ১০
বা, ৬x – ৪x = ২০ – ১০
বা, ২x = ১০
বা, x = ৫।
বর্তমানে ক এর বয়স = ৩ × ৫ = ১৫ বছর।
বর্তমানে খ এর বয়স = ৪ × ৫ = ২০ বছর।
তাদের বর্তমানে মোট বয়স = ১৫ + ২০ = ৩৫ বছর।
Primary Head Teacher Past Question Solution 2026 এর গণিত অংশে সমীকরণ গঠন করে সমাধান করার এটি একটি আদর্শ উদাহরণ।

শর্টকাট টেস্ট: অপশন (খ) ৩৫ কে ৩:৪ এ ভাগ করলে হয় ১৫ ও ২০। ১০ বছর আগে বয়স ছিল ৫ ও ১০। ৫ হলো ১০ এর অর্ধেক। কন্ডিশন মিলে গেছে! তাই উত্তর ৩৫।

২৮. ‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’ উপন্যাসটি কার রচনা?
(ক) স্বর্ণ কুমারী দেবী
(খ) জরাসন্ধ
(গ) হুমায়ূন আহমেদ
(ঘ) আলাউদ্দীন আল আজাদ

উত্তর: (ঘ) আলাউদ্দীন আল আজাদ

ব্যাখ্যা:
বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত উপন্যাস ‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’ এর রচয়িতা হলেন আলাউদ্দীন আল আজাদ। ১৯৫০-এর দশকে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি বাংলা কথাসাহিত্যে একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে। আলাউদ্দীন আল আজাদ ছিলেন ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের একনিষ্ঠ কর্মী এবং তাঁর সাহিত্যকর্মে সমাজবাস্তবতা ও প্রগতিশীল চিন্তা ফুটে উঠেছে। তাঁর আরেকটি বিখ্যাত কবিতা হলো “স্মৃতিস্তম্ভ” (স্মৃতির মিনার ভেঙেছে তোমার? ভয় কি বন্ধু…)। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি ২০২৬ এর সাহিত্য অংশে লেখকের নাম ও তাঁর বিখ্যাত সৃষ্টিকর্মের তালিকা মনে রাখা খুব জরুরি।

অপশনে থাকা হুমায়ূন আহমেদ বা জরাসন্ধ ভিন্ন ধারার লেখক। স্বর্ণকুমারী দেবী ছিলেন রবীন্দ্রনাথের বোন। কিন্তু ‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’ শুনলেই আলাউদ্দীন আল আজাদের নাম মনে করতে হবে। Primary Head Teacher Question Paper 2026 এর সাহিত্য অংশে এমন ক্লাসিক বইয়ের নাম প্রায়ই আসে।

মনে রাখার ট্রিক: “আজাদের তৈলচিত্র”। অর্থাৎ আলাউদ্দীন আল আজাদের আঁকা ছবি বা তৈলচিত্র। এভাবে নামটা কানেক্ট করে নিলে আর ভুল হবে না।

২৯. এক দোকানদার ১২ দিনে ৫০৪ টাকা আয় করলেন, প্রথম ৪ দিনের গড় আয় ৪০ টাকা হলে বাকী দিনগুলোর গড় আয় কত টাকা হবে?
(ক) ৪৩ টাকা
(খ) ৪৭ টাকা
(গ) ৪২ টাকা
(ঘ) ৪০ টাকা

উত্তর: (ক) ৪৩ টাকা

ব্যাখ্যা:
গড় ও সমষ্টির খুব সহজ একটি অংক।
১২ দিনের মোট আয় = ৫০৪ টাকা।
প্রথম ৪ দিনের গড় আয় ৪০ টাকা।
তাহলে প্রথম ৪ দিনের মোট আয় = ৪০ × ৪ = ১৬০ টাকা।
এখন বাকী দিন থাকে = ১২ – ৪ = ৮ দিন।
বাকী ৮ দিনের মোট আয় হবে = (মোট ১২ দিনের আয়) – (প্রথম ৪ দিনের আয়)
= ৫০৪ – ১৬০ = ৩৪৪ টাকা।
সুতরাং, বাকী ৮ দিনের গড় আয় = ৩৪৪ ÷ ৮ = ৪৩ টাকা।
প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এর পাটিগণিত অংশে গড় বা Average এর অংকগুলো এভাবেই ধাপে ধাপে করতে হয়।

হিসাবের সুবিধার্থে: ৩৪৪ কে ৮ দিয়ে ভাগ করার সময় নামতা ব্যবহার করুন। ৪ আঠা ৩২, থাকে ২ (২৪), ৩ আঠা ২৪। অর্থাৎ ৪৩। ক্যালকুলেটর ছাড়াই দ্রুত করার অভ্যাস করতে হবে।

মনে রাখার কৌশল: মোট টাকা থেকে খরচ করা টাকা বাদ দিন, যা থাকল সেটাকে বাকি দিন দিয়ে ভাগ করে দিন। সিম্পল হিসাব। সঠিক উত্তর ৪৩ টাকা। Primary Head Teacher Exam Question 2026 এর জন্য এই স্পিড ক্যালকুলেশন প্র্যাকটিস করুন।

৩০. একটি আয়তাকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ২০% (বৃদ্ধি) এবং প্রস্থ ১০% (হ্রাস) করা হলে ক্ষেত্রফলের শতকরা কত পরিবর্তন হবে?
(ক) ৮% হ্রাস
(খ) ৮% বৃদ্ধি
(গ) ১০৮% বৃদ্ধি
(ঘ) ১০৮% হ্রাস

উত্তর: (খ) ৮% বৃদ্ধি

ব্যাখ্যা:
শতকরা ও পরিমিতির সমন্বয়ে তৈরি এই গাণিতিক সমস্যাটি বিসিএস, ব্যাংক এবং প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয়। আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল নির্ভর করে এর দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের ওপর। যখন দৈর্ঘ্য বা প্রস্থের পরিবর্তন হয়, তখন ক্ষেত্রফলেও পরিবর্তন আসে। এই ধরণের অংক সমাধানের জন্য একটি চমৎকার শর্টকাট সূত্র বা ‘ম্যাজিক ফর্মুলা’ রয়েছে। সূত্রটি হলো: পরিবর্তন % = A + B + (A × B) / 100। এখানে A হলো প্রথম পরিবর্তন (বৃদ্ধি হলে পজিটিভ, হ্রাস হলে নেগেটিভ) এবং B হলো দ্বিতীয় পরিবর্তন।
প্রশ্নে বলা হয়েছে দৈর্ঘ্য ২০% বৃদ্ধি পায়, তাই A = +২০। আর প্রস্থ ১০% হ্রাস পায়, তাই B = -১০।
মান বসিয়ে পাই: ২০ + (-১০) + {২০ × (-১০)} / ১০০
= ২০ – ১০ – ২০০ / ১০০
= ১০ – ২
= ৮%
যেহেতু ফলাফল পজিটিভ বা ধনাত্মক এসেছে, তাই এটি বৃদ্ধি বোঝাবে। অর্থাৎ ক্ষেত্রফল ৮% বৃদ্ধি পাবে। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি ২০২৬ এর গণিত অংশে সময় বাঁচাতে এই সূত্রটি জাদুর মতো কাজ করে।

অনেকে সাধারণ নিয়মে অংকটি করতে গিয়ে ভুল করেন। তারা ভাবেন, ২০% বাড়লো আর ১০% কমলো, তাহলে ২০-১০=১০% বাড়বে। কিন্তু এটি ভুল ধারণা। কারণ বর্ধিত দৈর্ঘ্যের ওপর যখন প্রস্থ কমে, তখন সামগ্রিক প্রভাব ভিন্ন হয়। বিস্তারিত নিয়মে করতে গেলে প্রথমে দৈর্ঘ্য ১০০ ও প্রস্থ ১০০ ধরে ক্ষেত্রফল ১০,০০০ বের করতে হয়। এরপর নতুন দৈর্ঘ্য ১২০ ও প্রস্থ ৯০ ধরে নতুন ক্ষেত্রফল ১০,৮০০ বের করতে হয়। পার্থক্য ৮০০, যা ১০,০০০ এর ৮%। এই দীর্ঘ পদ্ধতি পরীক্ষার হলের জন্য উপযোগী নয়। তাই Primary Head Teacher Exam Question 2026 এর জন্য শর্টকাটটিই সেরা।

মনে রাখার টিপস: “বৃদ্ধি মানে যোগ, হ্রাস মানে বিয়োগ, শেষে গুণফলের ভাগ”। এই ছড়াটি মনে রাখলে প্লাস-মাইনাসের ভুল হবে না। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ অনুশীলনের সময় এমন আরও কিছু অংক প্র্যাকটিস করে নিলে আত্মবিশ্বাস বাড়বে। শতকরা পরিবর্তনের এই নিয়মটি কেবল আয়তক্ষেত্র নয়, পণ্যের দাম কমানো-বাড়ানোর অংকেও সমানভাবে প্রযোজ্য।

৩১. ‘সমাস’ শব্দের অর্থ কি?
(ক) সংশ্লেষণ
(খ) বিশ্লেষণ
(গ) সংক্ষেপণ
(ঘ) সংযোজন

উত্তর: (গ) সংক্ষেপণ

ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় হলো সমাস। ‘সমাস’ শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে, যার ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হলো ‘সম্’ (একত্র) ‘অস্’ (হওয়া) + ‘অ’। শাব্দিক অর্থে সমাস মানে হলো সংক্ষেপণ (Abbreviation), মিলন বা একাধিক পদকে একপদীকরণ। পরস্পর অর্থসংগতিপূর্ণ দুই বা ততোধিক পদকে এক পদে পরিণত করার নামই সমাস। যেমন: ‘দেশের সেবা = দেশসেবা’। এখানে দুটি শব্দ মিলে ছোট হয়ে একটি শব্দে পরিণত হয়েছে। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এর বাংলা অংশে ব্যাকরণের এই মৌলিক সংজ্ঞাগুলো প্রায়ই আসে।

অপশনগুলোর মধ্যে ‘বিশ্লেষণ’ হলো সমাসের বিপরীত প্রক্রিয়া, যাকে আমরা ব্যাসবাক্য বলি। ‘সংযোজন’ বা ‘সংশ্লেষণ’ সমাসের অর্থের কাছাকাছি মনে হলেও ব্যাকরণিক পরিভাষায় ‘সংক্ষেপণ’ শব্দটিই সবচেয়ে সঠিক ও গ্রহণযোগ্য। সমাসের মূল উদ্দেশ্যই হলো বাক্যকে ছোট করা এবং শ্রুতিমধুর করা। Primary Head Teacher Previous Question Solution 2026 এর সিলেবাস অনুযায়ী সমাসের প্রকারভেদ এবং সংজ্ঞা দুটোই সমান গুরুত্বপূর্ণ। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, সমাস ভাষাকে সংহত ও সুন্দর করে।

মনে রাখার সহজ উপায়: অনেকগুলো কথাকে ‘সমান’ করে ছোট করে ফেলার নামই ‘সমাস’। স-তে সমাস, স-তে সংক্ষেপণ। এই মিলটি মনে রাখলে পরীক্ষার হলে আর ভুল হবে না। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত প্রশ্ন pdf ২০২৬ থেকে বিগত বছরের প্রশ্নগুলো দেখলে বুঝবেন, সংজ্ঞামূলক প্রশ্নগুলো কতটা গুরুত্বপূর্ণ। বাক্যকে লম্বা না করে ছোট করার এই কৌশলটিই সমাসের প্রধান কাজ।

৩২. ৭, ১০, ১৬, ২৮, ৫২, —- ধারাটির পরবর্তী সংখ্যা কত?
(ক) ৭৫
(খ) ১০০
(গ) ১০৫
(ঘ) ১৫০

উত্তর: (খ) ১০০

ব্যাখ্যা:
সংখ্যা ধারার (Number Series) এই অংকটি সমাধান করতে হলে আমাদের সংখ্যাগুলোর মধ্যবর্তী পার্থক্য বা ব্যবধান লক্ষ্য করতে হবে। চলুন ধারাটি বিশ্লেষণ করি:
৭ থেকে ১০ এর পার্থক্য = ৩
১০ থেকে ১৬ এর পার্থক্য = ৬ (৩ × ২)
১৬ থেকে ২৮ এর পার্থক্য = ১২ (৬ × ২)
২৮ থেকে ৫২ এর পার্থক্য = ২৪ (১২ × ২)
লক্ষ্য করুন, প্রতিবার পার্থক্য বা ব্যবধান আগের ব্যবধানের দ্বিগুণ হচ্ছে। ৩, ৬, ১২, ২৪… এভাবে বাড়ছে।
তাহলে, পরবর্তী ব্যবধানটি হবে ২৪ এর দ্বিগুণ, অর্থাৎ ২৪ × ২ = ৪৮।
সুতরাং, ধারাটির পরবর্তী সংখ্যা হবে: ৫২ + ৪৮ = ১০০।
প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক মডেল প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এর মানসিক দক্ষতা ও গণিত অংশে এই ধরনের দ্বিগুণ বৃদ্ধির ধারা খুব কমন।

অনেকে তাড়াহুড়ো করে শুধু যোগফল মেলাতে যান, কিন্তু প্যাটার্নটি ধরেন না। এখানে মূল চাবিকাঠি হলো “পার্থক্যের দ্বিগুণ বৃদ্ধি”। আপনি যদি ৩, ৬, ১২, ২৪ এর পরের সংখ্যাটি ৪৮ বের করতে পারেন, তবে অংকটি আপনার জন্য জলভাত। Primary Head Teacher Question Solution 2026 এর প্রস্তুতিতে আইকিউ বাড়ানোর জন্য নিয়মিত এমন ধারা অনুশীলন করা উচিত।

মনে রাখার টিপস: “গ্যাপটা দেখো, ডাবল করো”। অর্থাৎ দুটি সংখ্যার মাঝখানের গ্যাপ খুঁজুন এবং দেখুন সেটা ডাবল হচ্ছে কিনা। যদি হয়, তবে শেষ গ্যাপকে ডাবল করে শেষ সংখ্যার সাথে যোগ করে দিন। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন বিশ্লেষণ ২০২৬ অনুযায়ী, এটি ধারার অংকের সবচেয়ে বেসিক প্যাটার্নগুলোর একটি। সঠিক উত্তর তাই ১০০।

৩৩. যে সমাসে পূর্ব পদের বিভক্তির লোপ হয় না তাকে বলে-
(ক) নিত্য সমাস
(খ) অলুক সমাস
(গ) দ্বন্দ্ব সমাস
(ঘ) দ্বিগু সমাস

উত্তর: (খ) অলুক সমাস

ব্যাখ্যা:
সমাসের সাধারণ নিয়ম হলো, সমস্তপদ বা সমাসবদ্ধ পদ গঠনের সময় পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় বা মুছে যায়। যেমন: বিপদকে আপন্ন = বিপদাপন্ন (এখানে ‘কে’ বিভক্তি লোপ পেয়েছে)। কিন্তু কিছু কিছু সমাসে এই নিয়ম মানা হয় না। যে সমাসে সমস্তপদ হওয়ার পরেও পূর্বপদের বিভক্তি অক্ষুণ্ণ থাকে বা লোপ পায় না, তাকে ‘অলুক সমাস’ বলে। ‘অলুক’ শব্দের অর্থই হলো ‘যা লোপ পায় না’ (অ = না, লুক = লোপ)। উদাহরণস্বরূপ: ‘মায়ের দোয়া = মায়েরদোয়া’ (এখানে ‘এর’ বিভক্তি লোপ পায়নি), ‘ঘিয়ে ভাজা = ঘিয়েভাজা’ (এখানে ‘এ’ বিভক্তি আছে)। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি ২০২৬ এর জন্য এটি একটি হট টপিক।

অপশনগুলোর মধ্যে ‘নিত্য সমাস’ হলো যার ব্যাসবাক্য হয় না, ‘দ্বন্দ্ব সমাস’ হলো যেখানে উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকে এবং ‘দ্বিগু সমাস’ হলো সংখ্যাবাচক শব্দ দিয়ে শুরু হওয়া সমাস। কেবল অলুক সমাসেই বিভক্তি থেকে যাওয়ার বিষয়টি প্রধান বৈশিষ্ট্য। Primary Head Teacher Past Paper 2026 এবং অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় অলুক দ্বন্দ্ব, অলুক তৎপুরুষ বা অলুক বহুব্রীহি—এই শ্রেণিবিভাগগুলো থেকেও প্রশ্ন আসে।

মনে রাখার কৌশল: “অলুক মানে লুকায় না”। বিভক্তিটা লুকিয়ে যায় না, সগৌরবে উপস্থিত থাকে। যেমন ‘মামার বাড়ি’—এখানে ‘র’ টি থেকেই যায়। এই ‘না লুকানো’র বৈশিষ্ট্য দিয়েই অলুক সমাস চেনা যায়। Head Teacher Previous Question Solution 2026 এর ব্যাকরণ অংশে এই সহজ সূত্রটি মনে রাখলে ১ নম্বর নিশ্চিত।

৩৪. $(০.০০৪)^২$ = কত?
(ক) ০.০০১৬
(খ) ০.০০০০১৬
(গ) ০.০০০১৬
(ঘ) ০.১৬

উত্তর: (খ) ০.০০০০১৬

ব্যাখ্যা:
দশমিকের বর্গ নির্ণয়ের এই অংকটিতে মূলত পরীক্ষার্থীর দশমিক বিন্দুর অবস্থান সম্পর্কে ধারণা যাচাই করা হয়। এখানে মূল সংখ্যাটি হলো ৪। ৪ এর বর্গ করলে হয় ১৬ (৪ × ৪ = ১৬)। এবার আমাদের দেখতে হবে দশমিকে কত ঘর আছে। প্রশ্নে সংখ্যাটি হলো ০.০০৪। এখানে দশমিকের পর ৩টি ঘর বা অঙ্ক আছে।
বর্গ করার নিয়ম অনুযায়ী, দশমিকের পরের ঘর সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যাবে। অর্থাৎ, মূল সংখ্যায় যদি ৩ ঘর থাকে, তবে বর্গের ফলাফলে ৩ × ২ = ৬ ঘর আগে দশমিক বসবে।
আমাদের হাতে আছে সংখ্যা ‘১৬’ (দুই ঘর)। ৬ ঘর পূরণ করতে হলে এর আগে আরও ৪টি শূন্য বসাতে হবে।
সুতরাং, ফলাফল হবে: .০০০0১৬ বা ০.০০০০১৬।
প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত প্রশ্ন pdf ২০২৬ এর গণিত অংশে দশমিকের গুণ ও ভাগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

অপশন (ক)-তে ৪ ঘর, অপশন (গ)-তে ৫ ঘর এবং অপশন (ঘ)-তে ২ ঘর দশমিক দেওয়া আছে, যা ভুল। সঠিক উত্তরে অবশ্যই ৬ ঘর থাকতে হবে। Primary Head Teacher Question Paper 2026 এ এমন ছোট ছোট ক্যালকুলেশনে ভুল করলেই নেগেটিভ মার্কিংয়ের ফাঁদে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।

মনে রাখার টিপস: “বর্গ করলে ঘর হয় ডাবল”। অর্থাৎ দশমিকের পরে যতটি সংখ্যা থাকবে, স্কয়ার করলে তার দ্বিগুণ সংখ্যক ঘর হবে। ৩টা থাকলে ৬টা, ২টা থাকলে ৪টা। এই রুলটি মনে রাখলে অপশন দেখেই সেকেন্ডের মধ্যে উত্তর বের করা সম্ভব। Primary Head Teacher Previous Question 2026 এর গণিত টিপস হিসেবে এটি মনে রাখুন।

৩৫. a+b=12 এবং ab=35 হলে, $a^2 + b^2$-এর মান কত?
(ক) 214
(খ) 74
(গ) 49
(ঘ) 24

উত্তর: (খ) 74

ব্যাখ্যা:
বীজগণিতের মান নির্ণয়ের অত্যন্ত পরিচিত একটি সূত্র এখানে প্রয়োগ করতে হবে। আমরা জানি, $a^2 + b^2 = (a+b)^2 – 2ab$। এই অনুসিদ্ধান্তটি ব্যবহার করে খুব সহজেই মান বের করা যায়।
দেওয়া আছে, $a+b = 12$ এবং $ab = 35$।
সূত্রে মান বসিয়ে পাই:
$= (12)^2 – 2(35)$
$= 144 – 70$
$= 74$
সুতরাং, নির্ণেয় মান হলো 74। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন ও উত্তর ২০২৬ এর গণিত অংশে বীজগণিতের এই বেসিক সূত্রগুলো (বর্গ ও ঘন) থেকে প্রশ্ন থাকেই।

অন্যভাবে চিন্তা করলে, দুটি সংখ্যা যোগ করলে ১২ হয় এবং গুণ করলে ৩৫ হয়—এমন সংখ্যা দুটি হলো ৭ এবং ৫ (৭+৫=১২, ৭×৫=৩৫)।
তাহলে, $a^2 + b^2 = 7^2 + 5^2 = 49 + 25 = 74$।
এই লজিক বা মেন্টাল ম্যাথ দিয়েও অংকটি করা যায়, যা সূত্র মুখস্থ না থাকলে কাজে দেয়। Primary Head Teacher Exam Question 2026 এ সময় বাঁচাতে এই ‘সংখ্যা ধরা’ পদ্ধতিটি খুব কার্যকর।

মনে রাখার উপায়: প্লাসের মান দেওয়া থাকলে মাইনাস করতে হয় ($p^2 – 2ab$)। ১২ এর স্কয়ার ১৪৪ থেকে ৩৫ দুগুণে ৭০ বাদ দিলেই উত্তর চলে আসে। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক মডেল প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ অনুশীলনের সময় সূত্র এবং লজিক—দুটি পদ্ধতিই প্র্যাকটিস করে রাখা ভালো।

৩৬. ‘The disgruntled man grumbled —- his fate’ বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে-
(ক) on
(খ) to
(গ) at
(ঘ) against

উত্তর: (গ) at

ব্যাখ্যা:
ইংরেজি গ্রামারের Preposition অংশে ‘Appropriate Preposition’ একটি অপরিহার্য বিষয়। ‘Grumble’ শব্দটির অর্থ হলো গজগজ করা বা অসন্তোষ প্রকাশ করা। সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট বিষয় বা পরিস্থিতির প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করতে ‘grumble at’ ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক বাক্যটি হবে: “The disgruntled man grumbled at his fate.” অর্থাৎ, বিরক্ত লোকটি তার ভাগ্যের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করছিল। Primary Head Teacher Previous Question Solution 2026 এর ইংরেজি অংশে এমন এপ্রোপ্রিয়েট প্রিপজিশন মুখস্থ রাখা ছাড়া উপায় নেই।

কিছু কিছু ক্ষেত্রে ‘grumble about’ ও ব্যবহৃত হয়, তবে অপশনে ‘at’ এবং ‘about’ এর মধ্যে ‘at’ থাকলে এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্য (যেমন fate) বোঝালে ‘at’ কে প্রাধান্য দেওয়া হয় পুরনো গ্রামার বই ও প্রশ্নব্যাংক অনুযায়ী। ‘Grumble to’ সাধারণত কারো কাছে নালিশ করা বোঝাতে ব্যবহৃত হতে পারে, কিন্তু ভাগ্যের ক্ষেত্রে ‘at’ বা ‘about’ ই সঠিক। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন সমাধান pdf ২০২৬ এর ইংরেজি নোটে এই প্রিপজিশনগুলোর তালিকা পাওয়া যাবে।

মনে রাখার ট্রিক: কারো দিকে তাকিয়ে বা কোনো কিছুর দিকে আঙ্গুল তুলে গজগজ করা বোঝাতে ‘at’ বসে। যেমন “Laugh at”, “Look at”, তেমনি “Grumble at”। ভাগ্যের দিকে তাকিয়ে সে গজগজ করছে—এভাবে ভাবলে মনে রাখা সহজ হবে। Head Teacher Previous Question Solution 2026 প্রস্তুতির জন্য গ্রুপ ভার্ব ও প্রিপজিশন নিয়মিত পড়া জরুরি।

৩৭. ‘The mob —- dispersed’ বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে-
(ক) is
(খ) are
(গ) have
(ঘ) has

উত্তর: (খ) are

ব্যাখ্যা:
Subject-Verb Agreement এর নিয়ম অনুযায়ী, Collective Noun বা সমষ্টিবাচক বিশেষ্য (যেমন: mob, jury, committee) যখন একজোট হয়ে কাজ করে, তখন Verb টি Singular হয়। কিন্তু যখন সদস্যদের মধ্যে ভিন্নতা দেখা দেয় বা তারা আলাদা হয়ে যায় (Noun of Multitude), তখন Verb টি Plural হয়। এই বাক্যে ‘dispersed’ শব্দটি আছে, যার অর্থ হলো ছত্রভঙ্গ হয়ে যাওয়া বা বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়া। যেহেতু জনতা বা ‘mob’ আর এক জায়গায় নেই, আলাদা হয়ে গেছে, তাই এখানে Plural Verb ‘are’ বসবে। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি ২০২৬ এর ইংরেজি গ্রামারের এটি একটি ক্রিটিক্যাল রুল।

যদি বাক্যটি হতো “The mob — angry”, তখন ‘was’ বা ‘is’ হতে পারতো কারণ তখন তারা একজোট। কিন্তু ‘dispersed’ শব্দটিই বলে দিচ্ছে যে তারা এখন আর এক নেই, বহু হয়ে গেছে। তাই ‘is’ বা ‘has’ হবে না। Primary Head Teacher Question Solution 2026 এর জন্য এই ‘Noun of Multitude’ এর নিয়মটি খুব ভালো করে বুঝে নিতে হবে।

মনে রাখার টিপস: “Dispersed মানেই ডিভাইডেড”। আর ডিভাইড বা ভাগ হয়ে গেলে তারা আর ‘এক’ থাকে না, ‘অনেক’ হয়ে যায়। আর অনেক মানেই Plural (are)। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এর গ্রামার অংশে এই লজিকটি মনে রাখলে বিভ্রান্তি দূর হবে।

৩৮. ‘Nip in the bud’ এর অর্থ হচ্ছে-
(ক) Beginning
(খ) Destroy at the very beginning
(গ) Bed of rose
(ঘ) Rare-up

উত্তর: (খ) Destroy at the very beginning

ব্যাখ্যা:
‘Nip in the bud’ একটি অতি পরিচিত ইংরেজি প্রবাদ বা Idiom। এর আক্ষরিক অর্থ হলো ‘কুঁড়িতেই নখ দিয়ে চিমটি কেটে ফেলা’। ভাবার্থ হলো কোনো সমস্যা বা খারাপ কিছু বড় হওয়ার আগেই শুরুতেই ধ্বংস করে দেওয়া বা অঙ্কুরে বিনষ্ট করা। তাই সঠিক ইংরেজি অর্থ হলো “Destroy at the very beginning”। Primary Head Teacher Past Paper 2026 এর ইংরেজি অংশে ইডিয়ম ও ফ্রেজ থেকে ২-৩টি প্রশ্ন থাকেই।

উদাহরণস্বরূপ, কোনো বাচ্চার খারাপ অভ্যাস দেখার সাথে সাথেই তা শুধরে দেওয়া হলো ‘Nip in the bud’। অপশন (ক) Beginning মানে শুধু শুরু, কিন্তু ‘Nip’ মানে ধ্বংস করা, তাই এটি পূর্ণ অর্থ নয়। ‘Bed of rose’ আরেকটি ভিন্ন ইডিয়ম যার অর্থ আরামদায়ক অবস্থা। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত প্রশ্ন pdf ২০২৬ ফাইলে এমন শত শত ইডিয়মের তালিকা আছে যা মুখস্থ করা জরুরি।

মনে রাখার কৌশল: ফুলের কলি (Bud) ফোটার আগেই যদি ছিঁড়ে (Nip) ফেলা হয়, তবে তা আর ফুল হতে পারে না। ঠিক তেমনি সমস্যা শুরুতেই শেষ করে দেওয়া। এই চিত্রকল্পটি মনে রাখলে অর্থটি ভোলা অসম্ভব। Primary Head Teacher Question Paper 2026 এ কমন পড়ার জন্য বিগত বছরের বিসিএস ও ব্যাংকের ইডিয়মগুলো পড়লেই যথেষ্ট।

৩৯. ‘Bring to book’ এর অর্থ হচ্ছে-
(ক) Rebuke
(খ) Valueless person
(গ) Books which are lost
(ঘ) Book written by famous writer

উত্তর: (ক) Rebuke

ব্যাখ্যা:
‘Bring to book’ ফ্রেজটির অর্থ হলো কাউকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা বা শাস্তি দেওয়া (To punish or call to account)। অপশনগুলোর মধ্যে ‘Rebuke’ অর্থ হলো তিরস্কার করা বা বকাঝকা করা, যা শাস্তিরই একটি রূপ। তাই অর্থের বিচারে এটিই সবচেয়ে কাছাকাছি এবং সঠিক উত্তর। কাউকে তার কৃতকর্মের জন্য ‘হিসাবের খাতায়’ (Book) নাম তুলে বিচার করা—এভাবেই এই ফ্রেজটির উৎপত্তি। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন বিশ্লেষণ ২০২৬ অনুযায়ী, অর্থের সূক্ষ্ম পার্থক্য বোঝা খুব জরুরি।

অনেকে ‘Book’ শব্দ দেখে বই সম্পর্কিত অপশনগুলো (গ বা ঘ) দাগাতে পারেন, যা সম্পূর্ণ ভুল। ইডিয়মের অর্থ সব সময় আলঙ্কারিক হয়, আক্ষরিক নয়। ‘Valueless person’ এর জন্য ‘Man of straw’ ফ্রেজটি ব্যবহৃত হয়। Primary Head Teacher Previous Question 2026 এর প্রস্তুতির জন্য এই কনফিউজিং ফ্রেজগুলো আলাদা করে নোট করা উচিত।

মনে রাখার উপায়: ভাবুন বিচারক তার ‘Book’ বা আইনের বই খুলে অপরাধীকে শাস্তি দিচ্ছেন। ‘Bring to book’ মানেই হলো বিচারের মুখোমুখি করা বা তিরস্কার (Rebuke) করা। Primary Head Teacher Exam Question 2026 এ সঠিক উত্তরটি বেছে নিতে এই দৃশ্যটি মনে করুন।

৪০. Synonym of the word ‘Mystery’ is-
(ক) Answer
(খ) Enigma
(গ) Solution
(ঘ) Clue

উত্তর: (খ) Enigma

ব্যাখ্যা:
‘Mystery’ শব্দের অর্থ হলো রহস্য, যা বোঝা কঠিন বা ব্যাখ্যাতীত। এর সমার্থক শব্দ বা Synonym জানতে চাওয়া হয়েছে। অপশন (খ) ‘Enigma’ শব্দের অর্থও হলো ধাঁধা বা রহস্যময় বিষয়। তাই এটিই সঠিক উত্তর। অন্যদিকে ‘Answer’ (উত্তর) এবং ‘Solution’ (সমাধান) হলো Mystery এর বিপরীতধর্মী শব্দ বা Antonym। ‘Clue’ (সূত্র) রহস্য সমাধানের সাহায্যকারী, কিন্তু রহস্য নিজে নয়। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক মডেল প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এর ভোকাবুলারি অংশে সিনোনিম-এন্টোনিমের গুরুত্ব অপরিসীম।

‘Mystery’ শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ থেকে, যার মানে গোপন কিছু। তেমনি ‘Enigma’ মানেও এমন কিছু যা অস্পষ্ট। বিসিএস বা প্রাইমারি পরীক্ষার প্রশ্নে এই শব্দগুলো বারবার ঘুরেফিরে আসে। Head Teacher Previous Question Solution 2026 এর শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে হলে দৈনিক ইংরেজি পত্রিকা পড়া এবং নতুন শব্দের অর্থ জানা খুব কার্যকর।

মনে রাখার টিপস: মিস্ট্রি (Mystery) আর এনিগমা (Enigma)—দুটোই আমাদের মস্তিষ্কে জট পাকিয়ে দেয়। শার্লক হোমস যা সমাধান করে তা হলো মিস্ট্রি, আর যা সমাধান করা যায় না তা হলো এনিগমা। এই দুটি শব্দ একে অপরের যমজ ভাই। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন ও উত্তর ২০২৬ সেশনে শব্দার্থের এই মিলগুলো মনে রাখা জরুরি।

৪১. Antonym of the word ‘Torpid’ is-
(ক) Idle
(খ) Indolent
(গ) Active
(ঘ) Lazy

উত্তর: (গ) Active

ব্যাখ্যা:
‘Torpid’ শব্দটির অর্থ হলো অসার, নিস্তেজ, অলস বা ধীরগতিসম্পন্ন (Sluggish/Inactive)। শীতকালে সাপ বা ব্যাঙ যেমন শীতনিদ্রায় (Torpor) থাকে, অনেকটা সেরকম অবস্থা। এর বিপরীত শব্দ বা Antonym জানতে চাওয়া হয়েছে। অপশনগুলোর মধ্যে ‘Idle’, ‘Indolent’, এবং ‘Lazy’—সবগুলোর অর্থই অলস বা কুঁড়ে, যা Torpid এর সমার্থক (Synonym)। একমাত্র ‘Active’ শব্দের অর্থ হলো কর্মঠ বা সক্রিয়, যা Torpid এর সম্পূর্ণ বিপরীত। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি ২০২৬ এর জন্য শব্দভাণ্ডার বা Vocabulary শক্তিশালী করা আবশ্যক।

পরীক্ষায় প্রায়ই Synonym এবং Antonym এর মধ্যে গুলিয়ে ফেলার প্রবণতা দেখা যায়। প্রশ্নটি ভালো করে পড়তে হবে যে সমার্থক নাকি বিপরীত শব্দ চেয়েছে। Primary Head Teacher Past Question Solution 2026 ঘাটলে দেখা যায়, Torpid, Lethargic, Dormant—এই শব্দগুলো প্রায়ই আসে।

মনে রাখার কৌশল: টর্পেডো (Torpedo) মিসাইল যেমন খুব দ্রুত বা অ্যাক্টিভ, তার উল্টোটা হলো ‘Torpid’ (নিস্তেজ)। আর Torpid এর উল্টো হলো Active। অর্থাৎ টর্পেডোর গতি মনে করলেই Active শব্দটি মাথায় আসবে। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন সমাধান pdf ২০২৬ থেকে এই বিপরীত শব্দগুলো নিয়মিত রিভিশন দেওয়া উচিত।

৪২. সমুদ্র স্রোতের অন্যতম কারণ-
(ক) সমুদ্রের ঘূর্ণিঝড়
(খ) সমুদ্রের পানিতে তাপের পরিচালনা
(গ) সমুদ্রের পানিতে ঘনত্বের তারতম্য
(ঘ) বায়ু প্রবাহের প্রভাব

উত্তর: (ঘ) বায়ু প্রবাহের প্রভাব

ব্যাখ্যা:
ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞানের মতে, সমুদ্র স্রোত সৃষ্টির প্রধান ও অন্যতম কারণ হলো ‘নিয়ত বায়ুপ্রবাহ’ (Planetary Winds)। পৃথিবীর আবর্তন গতির ফলে সৃষ্ট এই বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রের পানিকে নির্দিষ্ট দিকে ঠেলে নিয়ে যায়। অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু এবং মেরু বায়ুর প্রভাবেই প্রধান প্রধান সমুদ্র স্রোতগুলো সৃষ্টি হয়। তাই অপশন (ঘ) বায়ু প্রবাহের প্রভাব হলো সবচেয়ে সঠিক ও মৌলিক কারণ। Primary Head Teacher Question Solution 2026 এর সাধারণ জ্ঞান অংশে এটি একটি বেসিক প্রশ্ন।

যদিও সমুদ্রের পানির তাপমাত্রার পার্থক্য, ঘনত্বের তারতম্য (লবণাক্ততা), এবং বাষ্পীভবন—এগুলোও সমুদ্র স্রোতের গৌণ কারণ বা নিয়ামক, কিন্তু প্রধান চালিকাশক্তি হলো বায়ুপ্রবাহ। বাতাস যেদিকে বয়, স্রোতও সেদিকে যায়। Primary Head Teacher Previous Question Solution 2026 এর জিওগ্রাফি নোটে কারণগুলোর অগ্রাধিকার বা ক্রম জানা থাকলে উত্তর করা সহজ হয়।

মনে রাখার সহজ উপায়: চায়ের কাপে ফুঁ দিলে যেমন চা নড়ে ওঠে বা স্রোত তৈরি হয়, তেমনি পৃথিবীর সাগরের পানিতে বাতাস (বায়ু) ফুঁ দেয় বলেই বড় বড় স্রোত তৈরি হয়। বাতাসই হলো স্রোতের ইঞ্জিন। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ অনুশীলনের সময় এই প্রাকৃতিক ঘটনাগুলোর কার্যকারণ সম্পর্ক বুঝে পড়া উচিত।

৪৩. কোনটি শুদ্ধ বানান?
(ক) Sedentary
(খ) Sydentry
(গ) Sedantary
(ঘ) Sydentery

উত্তর: (ক) Sedentary

ব্যাখ্যা:
‘Sedentary’ শব্দটির অর্থ হলো বসে বসে কাজ করতে হয় এমন বা কায়িক শ্রমহীন (যেমন: Sedentary lifestyle)। এর সঠিক বানান হলো S-E-D-E-N-T-A-R-Y. মনে রাখার বিষয় হলো, এখানে তিনটি সিলেবল আছে: Sed-en-tary. মাঝখানে ‘e’ এবং শেষে ‘a’ ব্যবহৃত হয়। Primary Head Teacher Exam Question 2026 এর ইংরেজি অংশে Spelling Mistake বা শুদ্ধ বানান নির্ণয় একটি নিয়মিত টপিক।

অপশনগুলোতে ‘Sy’ বা ‘dan’ বা ‘ten’ দিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে। সঠিক বানানে ‘Sede’ মূল শব্দ থেকে এসেছে যার অর্থ বসা (Sit)। ল্যাটিন শব্দ ‘Sedere’ থেকে এর উৎপত্তি। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক পুরাতন প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এর স্পেলিং লিস্টে এই শব্দটি প্রায়ই দেখা যায় কারণ আধুনিক যুগে সেডেন্টারি লাইফস্টাইল খুব আলোচিত বিষয়।

মনে রাখার টিপস: Dentary (দাঁত সংক্রান্ত) শব্দের আগে Se বসালে হয় Sedentary. যদিও অর্থের মিল নেই, কিন্তু বানান মনে রাখার জন্য “Se + Dentary” (সে ডেন্টারি) ট্রিকটি কাজে লাগাতে পারেন। সঠিক উত্তর (ক)।

৪৪. পৃথিবীর বায়বীয় আবরণ প্রধানত-
(ক) ৩ স্তরবিশিষ্ট
(খ) ৪ স্তরবিশিষ্ট
(গ) ৫ স্তরবিশিষ্ট
(ঘ) স্তরবিহীন

উত্তর: (খ) ৪ স্তরবিশিষ্ট

ব্যাখ্যা:
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলকে তাপমাত্রার তারতম্য অনুসারে প্রধানত ৪টি স্তরে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো: ১. ট্রপোমণ্ডল (Troposphere), ২. স্ট্র্যাটোমণ্ডল (Stratosphere), ৩. মেসোমণ্ডল (Mesosphere), এবং ৪. তাপমণ্ডল বা থার্মোমণ্ডল (Thermosphere)। আমাদের পাঠ্যবই এবং সাধারণ ভূগোলে এই চারটি প্রধান স্তরের কথাই উল্লেখ থাকে। যদিও এর উপরে এক্সোস্ফিয়ার আছে, কিন্তু প্রধান বা মূল স্তর হিসেবে ৪টিকেই গণ্য করা হয়। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন ও উত্তর ২০২৬ এর বিজ্ঞান ও ভূগোল অংশে এই স্তরবিন্যাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ট্রপোমণ্ডল হলো সবচেয়ে নিচের স্তর যেখানে আমরা বাস করি এবং ঝড়-বৃষ্টি হয়। স্ট্র্যাটোমণ্ডলে ওজন স্তর থাকে এবং বিমান চলাচল করে। মেসোমণ্ডল সবচেয়ে শীতল এবং থার্মোমণ্ডলে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়। Primary Head Teacher Previous Question 2026 এর প্রশ্নে ‘প্রধানত’ শব্দটি থাকায় ৪ স্তরবিশিষ্ট উত্তরটিই সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত ও সঠিক।

মনে রাখার উপায়: আমাদের যেমন হাত-পা মিলে ৪টি অঙ্গ প্রধান, তেমনি পৃথিবীর বাতাসের জামারও ৪টি ভাঁজ বা স্তর। ট্রপো, স্ট্র্যাটো, মেসো, থার্মো। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন বিশ্লেষণ ২০২৬ অনুযায়ী, প্রতিটি স্তরের বৈশিষ্ট্যও আলাদাভাবে শিখে রাখা ভালো।

৪৫. কোনটি শুদ্ধ বানান?
(ক) Comemorate
(খ) Commemmorate
(গ) Comemmorate
(ঘ) Commemorate

উত্তর: (ঘ) Commemorate

ব্যাখ্যা:
‘Commemorate’ শব্দের অর্থ হলো স্মৃতি রক্ষা করা বা স্মরণ করা। এই বানানটি ইংরেজি বানানগুলোর মধ্যে অন্যতম বিভ্রান্তিকর। সঠিক বানান হলো C-O-M-M-E-M-O-R-A-T-E. এখানে প্রথমে ডাবল ‘m’ (mm) এবং পরে সিঙ্গেল ‘m’ (m) ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ ২-১ ফরম্যাট। Primary Head Teacher Question Paper 2026 এর জন্য এই বানানটি ‘Must Know’ তালিকার অন্তর্ভুক্ত।

অনেকে দুই জায়গাতেই ডাবল ‘m’ দিয়ে দেন অথবা প্রথমে একটা ‘m’ দেন। মনে রাখতে হবে, শুরুতে জোর বেশি তাই দুটো m, পরে সাধারণ তাই একটা m. প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এর ইংরেজি অংশের জন্য Spelling Bee বা বানান চর্চা অপরিহার্য।

মনে রাখার টিপস: “Co-Mm-e-Mo-rate”. প্রথমে মেমোরি (Memory) শব্দটির কথা ভাবুন। Memory তে একটা m, কিন্তু Commemorate এ শুরুতে ডাবল m দিয়ে শুরু করতে হয়। ২টা M, তারপর ১টা M. এই ২:১ রেশিও মনে রাখলে আর ভুল হবে না।

৪৬. পৃথিবীর সর্বত্র দিবারাত্র সমান হয়-
(ক) ২৩ অক্টোবর ও ২২ ডিসেম্বর
(খ) ২২ ডিসেম্বর ও ২৩ সেপ্টেম্বর
(গ) ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর
(ঘ) ২১ জুন ও ২২ ডিসেম্বর

উত্তর: (গ) ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর

ব্যাখ্যা:
পৃথিবীর বার্ষিক গতির ফলে বছরে দুটি দিন সূর্য নিরক্ষরেখার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। এই সময় পৃথিবীর সর্বত্র দিন এবং রাত সমান (১২ ঘণ্টা দিন, ১২ ঘণ্টা রাত) হয়। এই ঘটনাকে বিষুব (Equinox) বলা হয়। এই দুটি তারিখ হলো ২১ মার্চ (বাসন্ত বিষুব) এবং ২৩ সেপ্টেম্বর (শরৎ বিষুব)। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি ২০২৬ এর ভূগোল অংশের জন্য এটি একটি ধ্রুব সত্য তথ্য যা মুখস্থ রাখা চাই।

অন্য তারিখগুলোর মধ্যে ২১ জুন হলো উত্তর গোলার্ধের দীর্ঘতম দিন, ২২ ডিসেম্বর হলো উত্তর গোলার্ধের ক্ষুদ্রতম দিন। এই তারিখগুলো নিয়েও প্রশ্ন আসে। কিন্তু ‘সমান’ হওয়ার প্রশ্ন এলেই মার্চ ও সেপ্টেম্বরের এই তারিখ দুটি খুঁজতে হবে। Primary Head Teacher Past Paper 2026 এর প্রশ্নে এই তারিখগুলো প্রায়ই ওলটপালট করে দেওয়া থাকে।

মনে রাখার ট্রিক: “মার্চে দিন সমান, সেপ্টেম্বরেও তাই”। ২১ আর ২৩। বছরের ৩য় মাস (মার্চ) আর ৯ম মাস (সেপ্টেম্বর)। ৩ এর গুণিতক মাসগুলোতে দিন-রাত সমান হয়। Head Teacher Previous Question Solution 2026 এর জন্য এই ছোট ক্লু-টি মনে রাখুন।

৪৭. নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
(ক) Suffice to say, he is wrong
(খ) Lake Chilka is in Orissa
(গ) See the word in the dictionary
(ঘ) There is no place for doubt in it

উত্তর: (খ) Lake Chilka is in Orissa

ব্যাখ্যা:
Sentence Correction বা বাক্য শুদ্ধিকরণ অংশে প্রতিটি শব্দের ব্যবহার ও ব্যাকরণ দেখতে হয়।
(খ) “Lake Chilka is in Orissa” বাক্যটি ব্যাকরণগত ও তথ্যগতভাবে সঠিক (যদিও বর্তমানে নাম ওড়িশা/Odisha, কিন্তু প্রশ্নের সময় Orissa ছিল)। চিল্কা হ্রদ ভারতের ওড়িশায় অবস্থিত, এটি একটি সাধারণ সত্য বা Fact।
অন্য অপশনগুলোর ভুলসমূহ:
(ক) সঠিক হবে “Suffice it to say…” (It উহ্য রাখা ভুল)।
(গ) সঠিক হবে “Look up the word in the dictionary” (শব্দ খোঁজার ক্ষেত্রে See হয় না, Look up হয়)।
(ঘ) সঠিক হবে “There is no room for doubt” (সন্দেহের অবকাশ বোঝাতে Place নয়, Room ব্যবহৃত হয়)।
তাই একমাত্র (খ) নম্বর বাক্যটিই সম্পূর্ণ নির্ভুল। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন ও উত্তর ২০২৬ এর ইংরেজি অংশে এমন কমন মিস্টেকস থেকে প্রশ্ন আসে।

মনে রাখার টিপস: ডিকশনারিতে শব্দ ‘Look up’ করতে হয়, আর সন্দেহের জন্য ‘Room’ থাকে না। আর চিল্কা হ্রদ ওড়িশাতেই আছে, এটা ভূগোলেরও পড়া। Primary Head Teacher Question Solution 2026 গাইডে কারেকশনের নিয়মগুলো বিস্তারিত পড়তে হবে।

৪৮. $2x^2 – x – 3$ -এর উৎপাদক কোনটি?
(ক) $(2x-3)(x+1)$
(খ) $(2x-3)(x-1)$
(গ) $(2x+3)(x+1)$
(ঘ) $(2x+3)(x-1)$

উত্তর: (ক) $(2x-3)(x+1)$

ব্যাখ্যা:
মিডল টার্ম ব্রেক (Middle Term Break) পদ্ধতিতে এই উৎপাদক বিশ্লেষণটি করতে হবে।
রাশি: $2x^2 – x – 3$
এখানে প্রান্তীয় রাশি দুটির গুণফল = $2 × (-3) = -6$.
আমাদের এমন দুটি সংখ্যা খুঁজতে হবে যাদের গুণফল -6 এবং যোগফল -1 (মাঝখানের x এর সহগ)।
সংখ্যা দুটি হলো -3 এবং +2। (কারণ: $-3 × 2 = -6$ এবং $-3 + 2 = -1$)।
এখন রাশিটিকে সাজাই:
$2x^2 – 3x + 2x – 3$
প্রথম অংশ থেকে x কমন নিলে: $x(2x – 3)$
দ্বিতীয় অংশ থেকে +1 কমন নিলে: $+1(2x – 3)$
উভয় পক্ষ থেকে $(2x – 3)$ কমন নিলে বাকি থাকে $(x + 1)$।
সুতরাং, নির্ণেয় উৎপাদক: $(2x – 3)(x + 1)$।
সঠিক উত্তর (ক)।
Primary Head Teacher Exam Question 2026 এর বীজগণিত অংশে উৎপাদকের অংক খুব বেসিক কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ।

শর্টকাট চেক: অপশনগুলোর ধ্রুবপদ গুণ করুন। (ক)-তে আছে -3 এবং +1, গুণ করলে -3 হয়। (খ)-তে -3 এবং -1, গুণ করলে +3 হয় (ভুল)। (গ)-তে +3 এবং +1, গুণ করলে +3 হয় (ভুল)। (ঘ)-তে +3 এবং -1, গুণ করলে -3 হয়। অর্থাৎ উত্তর ক অথবা ঘ হবে। এবার মাঝখানের পদ চেক করলেই ক সঠিক পাওয়া যায়। Primary Head Teacher Previous Question 2026 সলভ করার সময় এই অপশন টেস্ট মেথড সময় বাঁচায়।

৪৯. পৃথিবী উত্তর দক্ষিণে কিঞ্চিত চাপা ও নিরক্ষীয় অঞ্চলে অপেক্ষাকৃত স্ফীত আকার ধারণ করার কারণ-
(ক) মাধ্যাকর্ষণ শক্তি
(খ) মহাকর্ষ শক্তি
(গ) প্রচণ্ড উত্তাপ
(ঘ) অবিরাম আবর্তন

উত্তর: (ঘ) অবিরাম আবর্তন

ব্যাখ্যা:
পৃথিবী সম্পূর্ণ গোলাকার নয়, এটি কমলালেবুর মতো উত্তর-দক্ষিণে একটু চাপা এবং নিরক্ষীয় বা মাঝখানের অংশে একটু ফোলা বা স্ফীত। এই আকৃতির প্রধান বৈজ্ঞানিক কারণ হলো পৃথিবীর নিজ অক্ষের ওপর ‘অবিরাম আবর্তন’ (Rotation)। পৃথিবী যখন প্রচণ্ড গতিতে ঘোরে, তখন কেন্দ্রবিমুখী বলের (Centrifugal Force) সৃষ্টি হয়। এই বলের কারণে নিরক্ষীয় অঞ্চলের পদার্থ বাইরের দিকে ছিটকে যেতে চায়, ফলে পেটটি ফুলে যায়। অন্যদিকে মেরু অঞ্চলে এই প্রভাব কম থাকায় এবং মাধ্যাকর্ষণের টানে তা কিছুটা দেবে যায়। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত প্রশ্ন pdf ২০২৬ বা সাধারণ বিজ্ঞানের বইতে এই কারণটি স্পষ্টভাবে লেখা আছে।

কিছু কিছু গাইড বইতে ভুলবশত ‘মাধ্যাকর্ষণ শক্তি’ উত্তর দেওয়া থাকে। কিন্তু মনে রাখতে হবে, মাধ্যাকর্ষণ পৃথিবীকে গোল রাখতে চায়, আর আবর্তন বা ঘূর্ণন তাকে চ্যাপ্টা করতে চায়। সুতরাং স্ফীত হওয়ার বা চ্যাপ্টা হওয়ার প্রত্যক্ষ কারণ হলো ঘূর্ণন বা আবর্তন। Primary Head Teacher Question Paper 2026 এর বিজ্ঞান অংশের জন্য সঠিক কনসেপ্টটি জানা জরুরি।

মনে রাখার সহজ উপায়: কাদার দলা লাটিমের মতো জোরে ঘোরালে দেখবেন মাঝখানটা ফুলে ওঠে। পৃথিবীর ক্ষেত্রেও তাই হচ্ছে। ঘোরা মানেই আবর্তন। তাই আবর্তনের কারণেই পৃথিবীর এই স্ফীত দশা। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক মডেল প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ অনুশীলনে সঠিক উত্তরটি (ঘ) হিসেবেই মনে রাখবেন।

৫০. নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
(ক) It is raining for three days
(খ) You are an hercules
(গ) We write in ink
(ঘ) He got the work by doing

উত্তর: (গ) We write in ink

ব্যাখ্যা:
বাক্য শুদ্ধিকরণের এই প্রশ্নে Preposition এবং Tense এর ব্যবহার যাচাই করা হয়েছে।
(গ) “We write in ink” বাক্যটি সঠিক। কালির দ্বারা বা কালিতে লেখা বোঝাতে ‘write in ink’ বা ‘write with a pen’ ব্যবহৃত হয়। Ink বা কালি আনকাউন্টেবল নাউন এবং এটি মাধ্যম বোঝালে ‘in’ বসে।
অন্য অপশনগুলোর ভুল:
(ক) নির্দিষ্ট সময় ধরে কাজ চলছে বোঝালে Present Perfect Continuous Tense হয়। সঠিক হবে: “It has been raining for three days.”
(খ) Hercules একজন পৌরাণিক বীর, এটি Proper Noun। এর আগে সাধারণত Article বসে না, বসলেও ‘a Hercules’ (একজন হারকিউলিসের মতো শক্তিশালী) হতে পারে, কিন্তু ‘an’ হবে না কারণ H উচ্চারিত হচ্ছে।
(ঘ) বাক্যটি অর্থহীন। সঠিক হতে পারে “He got the work done.”
তাই (গ) নম্বর বাক্যটিই গ্রামার ও ইডিয়ম্যাটিক দিক থেকে শুদ্ধ। Primary Head Teacher Question Solution 2026 এর ইংরেজি অংশে এমন খুঁটিনাটি নিয়ম জানতে হবে।

মনে রাখার টিপস: কালিতে লিখলে ‘In’, কলমে লিখলে ‘With’। “In ink, With pen”. এই ছোট ছড়াটি মনে রাখলে পরীক্ষায় আর ভুল হবে না। Head Teacher Previous Question Solution 2026 প্রস্তুতির জন্য এটি একটি গোল্ডেন রুল।

৫১. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়-
(ক) ১৮৯৭ সালে
(খ) ১৯০২ সালে
(গ) ১৯০৫ সালে
(ঘ) ১৯২১ সালে

উত্তর: (ঘ) ১৯২১ সালে

ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশের শিক্ষা ও ইতিহাসের বাতিঘর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯২১ সালের ১ জুলাই এই বিশ্ববিদ্যালয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে। এর প্রতিষ্ঠার পেছনে নাথান কমিশনের রিপোর্ট এবং নবাব স্যার সলিমুল্লাহর অবদান অনস্বীকার্য। একে ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ বলা হতো। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি ২০২৬ এর সাধারণ জ্ঞান ও বাংলাদেশ বিষয়াবলি অংশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কিত প্রশ্ন আসবেই।

১৯০৫ সালে ছিল বঙ্গভঙ্গ, ১৯১১ সালে তা রদ হয়। এর ক্ষতিপূরণ হিসেবেই মূলত ১৯২১ সালে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রথম উপাচার্য ছিলেন স্যার পি জে হার্টগ। ৩টি অনুষদ ও ১২টি বিভাগ নিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়েছিল। Primary Head Teacher Previous Question Solution 2026 এর প্রশ্নে এই সালটি আমাদের জাতীয় ইতিহাসের একটি মাইলফলক হিসেবে গণ্য হয়।

মনে রাখার উপায়: ‘২১’ সংখ্যাটি আমাদের জন্য খুব লাকি। ১৯২১ এ ঢাকা ভার্সিটি, আর ১৯৫২ (২১শে ফেব্রুয়ারি) তে ভাষা আন্দোলন। আবার ১৯৭১ (২১ এর উল্টো ৭-১ নয়, তবে ১ আছে)। ১৯২১ সালটি মনে রাখা খুব সহজ কারণ এটি শতবর্ষ পার করা একটি প্রতিষ্ঠান। Primary Head Teacher Question Paper 2026 এ এই সালটি ভুল করা চলবে না।

৫২. Rahim called me a coward বাক্যের Direct Speech হচ্ছে-
(ক) Rahim said to me,”you are a coward. “
(খ) Rahim told me,”you are a coward. “
(গ) Rahim says to me,”you are a coward. “
(ঘ) Rahim said to me,”you are a coward. “

উত্তর: (ক) Rahim said to me,”you are a coward. “

ব্যাখ্যা:
ইংরেজি গ্রামারের Narration বা উক্তি পরিবর্তনের নিয়ম অনুযায়ী, যদি Indirect Speech-এ “called” শব্দটি থাকে এবং কাউকে কোনো বিশেষণে ভূষিত করা হয় (যেমন: coward, fool), তবে Direct Speech-এ সেটি একটি সাধারণ বর্ণনামূলক বাক্য বা Assertive Sentence হিসেবে থাকে। এখানে “Rahim called me a coward” বাক্যটির অর্থ হলো রহিম আমাকে কাপুরুষ বলেছিল। এটি মূলত “You are a coward” এই উক্তিটির পরোক্ষ রূপ। Direct Speech-এ বক্তার কথা হুবহু উদ্ধৃত করতে হয় এবং Reporting Verb হিসেবে ‘said to’ ব্যবহৃত হয়। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি ২০২৬ এর ইংরেজি গ্রামার অংশে ন্যারেশনের এই নিয়মগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

অপশনগুলোর মধ্যে (খ) তে ‘told’ আছে যা সাধারণত Direct Speech-এ ব্যবহৃত হয় না। (গ) তে ‘says’ আছে যা Tense-এর নিয়মে ভুল (Past থেকে Present হতে পারে না)। (ক) এবং (ঘ) একই রকম মনে হলেও উত্তরপত্রে সাধারণত প্রথম সঠিক অপশনটিকেই বেছে নেওয়া হয়। সঠিক রূপটি হলো: Rahim said to me, “You are a coward.” এখানে Reporting verb ‘said to’ এবং Inverted Comma-র ব্যবহার যথাযথ। Primary Head Teacher Question Solution 2026 এর জন্য এই খুঁটিনাটি পার্থক্যগুলো জানা জরুরি।

মনে রাখার টিপস: যদি দেখেন Indirect-এ কেউ কাউকে ‘ডেকেছে’ বা ‘নাম দিয়েছে’ (called), তবে বুঝবেন Direct-এ সে সরাসরি বলেছিল “তুমি হলে সেই জিনিস”। অর্থাৎ “You are…”। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ অনুশীলনে এই ট্রিকটি মনে রাখলে সময় বাঁচবে।

৫৩. বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ চালু করেছিলেন-
(ক) আকবর
(খ) ইলিয়াস শাহ
(গ) লক্ষণ সেন
(ঘ) বিজয় সেন

উত্তর: (ক) আকবর

ব্যাখ্যা:
বাংলা সনের প্রবর্তক হিসেবে মোঘল সম্রাট আকবরের নাম ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা আছে। তিনি ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে (মতান্তরে ১৫৫৬ সালে সিংহাসন আরোহণের সময় থেকে ভূতাপেক্ষভাবে) তাঁর সাম্রাজ্যে খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে একটি নতুন বর্ষপঞ্জি চালু করেন, যা ‘তারিখ-ই-ইলাহী’ নামে পরিচিত ছিল। পরবর্তীতে এটিই ‘ফসলি সন’ এবং বিবর্তিত হয়ে ‘বঙ্গাব্দ’ বা বাংলা সন নামে পরিচিতি লাভ করে। তৎকালীন বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ফতেহউল্লাহ সিরাজি এই বর্ষপঞ্জি তৈরিতে প্রধান ভূমিকা পালন করেন। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন ও উত্তর ২০২৬ এর সাধারণ জ্ঞান অংশে এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রশ্ন।

আকবরের শাসনামলে চান্দ্র মাসের হিসেবে খাজনা আদায় করতে কৃষকদের খুব কষ্ট হতো, কারণ ফসল তোলার সময়ের সাথে হিজরি বর্ষপঞ্জির মিল থাকত না। এই সমস্যা দূর করতেই তিনি সৌর সনের আদলে বাংলা সন চালু করেন। Primary Head Teacher Previous Question Solution 2026 এর ইতিহাস অংশে মোঘল আমলের এই অবদানগুলো গুরুত্ব সহকারে পড়া উচিত। পহেলা বৈশাখ এখন বাঙালির সার্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে।

মনে রাখার উপায়: “খাজনা আদায়ের জন্য আকবর আনলেন ক্যালেন্ডার”। কৃষকের সুবিধার জন্য যিনি ক্যালেন্ডার বা পঞ্জিকা বদলিয়েছিলেন, তিনি হলেন সম্রাট আকবর। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক মডেল প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ সলভ করার সময় এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট মনে রাখলে উত্তরটি আর ভুল হবে না।

৫৪. He asked me when the next letter would come? বাক্যের Direct Speech হচ্ছে-
(ক) He said to me, “when would the next letter come? “
(খ) He said to me, “when will the next letter come?”
(গ) He asked me, “when will the next letter come? “
(ঘ) He said to me, “when the next letter will come? “

উত্তর: (খ) He said to me, “when will the next letter come?”

ব্যাখ্যা:
Narration পরিবর্তনের ক্ষেত্রে Interrogative Sentence বা প্রশ্নবোধক বাক্যের নিয়মটি এখানে প্রযোজ্য। Indirect Speech-এ যদি ‘asked’ এবং ‘would’ থাকে, তবে Direct Speech-এ সেটি যথাক্রমে ‘said to’ এবং ‘will’ এ পরিবর্তিত হয়। এছাড়া Indirect Speech-এ বাক্যটি Assertive (Subject + Verb) কাঠামোতে থাকলেও Direct Speech-এ সেটি পুনরায় Interrogative (Auxiliary Verb + Subject + Main Verb) কাঠামোতে ফিরে আসে। এখানে ‘when the next letter would come’ অংশটি পরিবর্তিত হয়ে ‘when will the next letter come?’ হয়েছে। Primary Head Teacher Exam Question 2026 এর গ্রামার অংশে এমন প্রশ্ন প্রায়ই দেখা যায়।

অপশন (ক) তে ‘would’ রাখা হয়েছে যা ভুল (Direct-এ Future Tense এ will হয়)। (গ) তে ‘asked’ রাখা হয়েছে যা সাধারণত Direct Speech-এ ‘said to’ হিসেবে থাকে। (ঘ) তে ‘will’ কে Subject এর পরে রাখা হয়েছে যা প্রশ্নের কাঠামো নয়। তাই সঠিক উত্তর (খ)। Head Teacher Previous Question Solution 2026 এর প্রস্তুতিতে এই স্ট্রাকচারাল পরিবর্তনগুলো খুব ভালো করে লক্ষ্য করতে হবে।

মনে রাখার টিপস: Indirect থেকে Direct এ যাওয়ার সময় “Would” হয়ে যায় “Will” এবং বাক্যটি আবার প্রশ্নবোধক চেহারায় ফিরে আসে। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন বিশ্লেষণ ২০২৬ অনুযায়ী, ন্যারেশনের এই রিভার্স রুলগুলো প্র্যাকটিস করা জরুরি।

৫৫. ‘হিমছড়ি’ কোন শহরের নিকট অবস্থিত?
(ক) বান্দরবান
(খ) কক্সবাজার
(গ) রাঙ্গামাটি
(ঘ) চট্টগ্রাম

উত্তর: (খ) কক্সবাজার

ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশের পর্যটন মানচিত্রে ‘হিমছড়ি’ একটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় নাম। এটি বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার শহর থেকে মাত্র ১২ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। একদিকে বিশাল সমুদ্র আর অন্যদিকে উঁচু পাহাড়—এই দুইয়ের মাঝ দিয়ে চলে গেছে মেরিন ড্রাইভ রোড, যা হিমছড়ি যাওয়ার পথকে আরও রোমাঞ্চকর করে তোলে। হিমছড়িতে রয়েছে একটি সুন্দর ঝর্ণা, জাতীয় উদ্যান এবং পাহাড়ের ওপর থেকে সমুদ্র দেখার জন্য ভিউ পয়েন্ট। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি ২০২৬ এর বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও পর্যটন অংশে এই প্রশ্নটি খুবই প্রাসঙ্গিক।

অনেকে পাহাড় শুনে বান্দরবান বা রাঙ্গামাটি ভাবতে পারেন, কিন্তু হিমছড়ি নির্দিষ্টভাবে কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত। এখানকার ‘ভাঙ্গা পাহাড়’ এবং ‘ক্রিসমাস ট্রি’ খ্যাত ঝাউবন পর্যটকদের মুগ্ধ করে। Primary Head Teacher Past Paper 2026 এ জেলা পরিচিতি ও দর্শনীয় স্থান থেকে প্রশ্ন আসে।

মনে রাখার কৌশল: কক্সবাজারের সমুদ্র দেখতে দেখতে একটু এগোলেই পাহাড়ের দেখা মেলে, সেটাই হিমছড়ি। অর্থাৎ “সাগর পাড়ের পাহাড়” হলো হিমছড়ি। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত প্রশ্ন pdf ২০২৬ ডাউনলোড করে বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থানগুলোর তালিকা দেখে নিলে প্রস্তুতি পূর্ণাঙ্গ হবে।

৫৬. ‘Do you know them?’ বাক্যের Passive Voice হচ্ছে-
(ক) Is they known by you?
(খ) Are they known with you?
(গ) Are they known by you?
(ঘ) Are they known to you?

উত্তর: (ঘ) Are they known to you?

ব্যাখ্যা:
Voice Change-এর ক্ষেত্রে ‘Know’ ভার্বটি একটি ব্যতিক্রমধর্মী নিয়ম অনুসরণ করে। সাধারণত Passive Voice-এ ‘by’ প্রিপজিশন ব্যবহৃত হলেও, ‘Know’ ভার্বের পরে সর্বদা ‘to’ বসে। এখানে Object ‘them’ সাবজেক্ট হয়ে ‘They’ হবে এবং Tense অনুযায়ী Auxiliary verb হিসেবে ‘Are’ বসবে। তাই সঠিক গঠনটি হবে: Are + Subject (they) + V3 (known) + to + Object (you)? অর্থাৎ “Are they known to you?” Primary Head Teacher Question Solution 2026 এর ইংরেজি অংশে এই ব্যতিক্রমী নিয়মগুলো থেকেই বেশি প্রশ্ন হয়।

অপশন (গ) তে ‘known by’ দেওয়া আছে যা একটি কমন ভুল বা ফাঁদ। অপশন (ক) তে ‘Is’ দেওয়া আছে যা ‘They’ এর সাথে বসে না। (খ) তে ‘known with’ সম্পূর্ণ ভুল। তাই সঠিক উত্তর একমাত্র (ঘ)। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ অনুশীলনের সময় Preposition-এর এই বিশেষ ব্যবহারগুলো মনে রাখা খুব জরুরি।

মনে রাখার টিপস: “জানা মানেই কাছে আসা”। আর কাছে বোঝাতে ‘To’ বসে। তাই Known এর পরে সবসময় ‘To’ বসবে, ‘By’ নয়। Primary Head Teacher Previous Question Solution 2026 গাইডে এই রুলটি মার্ক করে রাখুন।

৫৭. বিখ্যাত যুদ্ধক্ষেত্র ‘ওয়াটার লু’ অবস্থিত-
(ক) ইংল্যান্ডে
(খ) ফ্রান্সে
(গ) বেলজিয়ামে
(ঘ) অস্ট্রিয়াতে

উত্তর: (গ) বেলজিয়ামে

ব্যাখ্যা:
বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলো ১৮১৫ সালের ওয়াটার লুর যুদ্ধ। এই যুদ্ধে ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ব্রিটিশ ডিউক অফ ওয়েলিংটনের নেতৃত্বাধীন মিত্রশক্তির কাছে চূড়ান্তভাবে পরাজিত হন। এই ঐতিহাসিক ‘ওয়াটার লু’ প্রান্তরটি বর্তমান বেলজিয়ামে অবস্থিত। ব্রাসেলস থেকে সামান্য দূরে এই স্থানটি এখন একটি বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র ও স্মৃতির মিনার। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন ও উত্তর ২০২৬ এর আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি অংশে ঐতিহাসিক স্থান থেকে প্রশ্ন আসে।

অনেকে নেপোলিয়নের দেশ ভেবে ফ্রান্স দাগাতে পারেন, কিংবা বিজেতা দেশ ভেবে ইংল্যান্ড দাগাতে পারেন। কিন্তু যুদ্ধটি হয়েছিল বেলজিয়ামের মাটিতে। এই পরাজয়ের পরই নেপোলিয়নকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসনে পাঠানো হয়। Primary Head Teacher Question Paper 2026 এর জন্য ইতিহাসের এই টার্নিং পয়েন্টগুলো মনে রাখা আবশ্যক।

মনে রাখার উপায়: ওয়াটার লু (Waterloo) নামটা শুনলে মনে হয় পানির কোনো জায়গা, কিন্তু এটি আসলে বেলজিয়ামের একটি মাঠ। “নেপোলিয়নের শেষ বেলজিয়ামে”। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন সমাধান pdf ২০২৬ থেকে বিখ্যাত যুদ্ধক্ষেত্রগুলোর অবস্থান জেনে নেওয়া ভালো।

৫৮. ‘Bear’ শব্দটি Past Participle হচ্ছে-
(ক) Borne
(খ) Bear
(গ) Born
(ঘ) Beard

উত্তর: (ক) Borne

ব্যাখ্যা:
ইংরেজি Verbs এর Conjugation বা রূপ পরিবর্তন একটি বেসিক গ্রামার। ‘Bear’ শব্দটির দুটি অর্থ আছে—১. বহন করা বা সহ্য করা, ২. প্রসব করা বা জন্ম দেওয়া।
বহন করা বা সহ্য করা অর্থে: Bear (V1) – Bore (V2) – Borne (V3).
জন্ম দেওয়া অর্থে (Passive voice): Bear (V1) – Bore (V2) – Born (V3).
সাধারণত Active Voice বা সাধারণ অর্থে Past Participle হিসেবে ‘Borne’ শব্দটিই ব্যাকরণগতভাবে মূল রূপ হিসেবে ধরা হয় (যেমন: Water-borne diseases)। প্রশ্নে যেহেতু নির্দিষ্ট কোনো প্রেক্ষাপট দেওয়া নেই, তাই ‘Borne’ কে স্ট্যান্ডার্ড বা সঠিক উত্তর হিসেবে নেওয়া হয়। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক মডেল প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এর ইংরেজি অংশে ভার্বের এই সূক্ষ্ম পার্থক্যগুলো দেখা হয়।

‘Born’ শব্দটি সাধারণত শুধুমাত্র জন্মের ক্ষেত্রে এবং প্যাসিভ ভয়েসে ব্যবহৃত হয় (He was born)। কিন্তু ‘Bear’ এর সরাসরি পাস্ট পার্টিসিপল জানতে চাইলে ‘Borne’ ই সঠিক। Primary Head Teacher Previous Question 2026 এর প্রস্তুতিতে Strong & Weak Verbs এর তালিকাটি রিভিশন দিতে হবে।

মনে রাখার টিপস: নামের শেষে ‘e’ থাকলে সেটা বহন করা (Borne), আর ‘e’ না থাকলে সেটা জন্ম নেওয়া (Born)। মনে রাখবেন, বোঝা বইতে গেলে শক্তি লাগে, তাই একটা বাড়তি ‘e’ লাগে।

৫৯. ‘সীমান্ত গান্ধী’ নামে পরিচিত-
(ক) রাজীব গান্ধী
(খ) ইন্দিরা গান্ধী
(গ) মহাত্মা গান্ধী
(ঘ) খান আবদুল গাফফার খান

উত্তর: (ঘ) খান আবদুল গাফফার খান

ব্যাখ্যা:
ব্রিটিশ ভারতের উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের (বর্তমানে পাকিস্তান) অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন খান আবদুল গাফফার খান। তিনি মহাত্মা গান্ধীর অহিংস নীতির একনিষ্ঠ অনুসারী ছিলেন এবং আজীবন অহিংস আন্দোলন চালিয়ে গেছেন। পাঠানদের মধ্যে তিনি ‘খুদাই খিদমতগার’ (আল্লাহর সেবক) নামে একটি সংগঠন গড়ে তোলেন। গান্ধীর আদর্শ ও নীতির প্রতি তাঁর অবিচল আস্থার কারণে তাঁকে ‘সীমান্ত গান্ধী’ বা ‘Frontier Gandhi’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি ২০২৬ এর ইতিহাস ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব অংশে এটি একটি কমন প্রশ্ন।

তিনি ১৯৮৭ সালে ভারতরত্ন উপাধি পান (প্রথম অনাগরিক হিসেবে)। অপশনগুলোর মধ্যে রাজীব বা ইন্দিরা গান্ধী ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং মহাত্মা গান্ধী হলেন জাতির জনক। কিন্তু সীমান্ত গান্ধী একজনই—তিনি হলেন খান আবদুল গাফফার খান। Primary Head Teacher Past Question Solution 2026 এ ব্যক্তিত্বদের উপাধি নিয়ে প্রশ্ন প্রায়ই থাকে।

মনে রাখার উপায়: সীমান্তের পাহারাদার যিনি গান্ধীর মতো শান্ত ছিলেন। তিনি হলেন গাফফার খান। Head Teacher Previous Question Solution 2026 এর জন্য এই উপাধিগুলো (যেমন: বঙ্গবন্ধু, শেরে বাংলা) এক নজরে দেখে নিন।

৬০. ‘Gender’ কত প্রকার?
(ক) চার প্রকার
(খ) তিন প্রকার
(গ) দুই প্রকার
(ঘ) পাঁচ প্রকার

উত্তর: (ক) চার প্রকার

ব্যাখ্যা:
ইংরেজি গ্রামারে Gender বা লিঙ্গ প্রধানত চার প্রকার। এগুলো হলো:
১. Masculine Gender (পুংলিঙ্গ): যা পুরুষ বোঝায় (যেমন: Father, King)।
২. Feminine Gender (স্ত্রীলিঙ্গ): যা নারী বোঝায় (যেমন: Mother, Queen)।
৩. Common Gender (উভয়লিঙ্গ): যা পুরুষ ও নারী উভয়কেই বোঝাতে পারে (যেমন: Baby, Student, Teacher)।
৪. Neuter Gender (ক্লীবলিঙ্গ): যা কোনো অচেতন পদার্থ বা বস্তুকে বোঝায় (যেমন: Book, Table)।
বাংলা ব্যাকরণেও লিঙ্গ চার প্রকার হিসেবেই আলোচনা করা হয়, যদিও আধুনিক ব্যাকরণে ক্লীবলিঙ্গ বা উভয়লিঙ্গের ব্যবহারিক দিক নিয়ে ভিন্নমত আছে। কিন্তু পরীক্ষার স্ট্যান্ডার্ড উত্তর হিসেবে ৪ প্রকারই সঠিক। Primary Head Teacher Question Solution 2026 এর বেসিক গ্রামার অংশে এটি খুব সহজ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

মনে রাখার টিপস: মানুষ দুই রকম (পুরুষ ও নারী), তাদের বাচ্চারা কমন, আর তাদের ব্যবহারের জিনিসপত্র হলো নিউটার। সব মিলিয়ে ১+১+১+১ = ৪ প্রকার। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত প্রশ্ন pdf ২০২৬ থেকে জেন্ডার পরিবর্তনের নিয়মগুলোও দেখে রাখা ভালো।

৬১. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ছিলেন-
(ক) স্টালিন
(খ) লেনিন
(গ) রুজভেল্ট
(ঘ) হিটলার

উত্তর: (ক) স্টালিন

ব্যাখ্যা:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (১৯৩৯-১৯৪৫) চলাকালীন তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন বা রাশিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন জোসেফ স্টালিন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত প্রভাবশালী এবং কঠোর শাসক। মিত্রশক্তির (Allied Powers) অন্যতম নেতা হিসেবে তিনি জার্মানির নাৎসি বাহিনীকে পরাজিত করতে মূল ভূমিকা পালন করেন। বিশেষ করে স্টালিনগ্রাদের যুদ্ধে রাশিয়ার বিজয় যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন বিশ্লেষণ ২০২৬ অনুযায়ী, বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাস থেকে এমন নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিদের নাম জানতে চাওয়া হয়।

অপশনগুলোর মধ্যে লেনিন ছিলেন রুশ বিপ্লবের নেতা (১৯১৭), রুজভেল্ট ছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট এবং হিটলার ছিলেন জার্মানির চ্যান্সেলর বা শত্রু পক্ষের নেতা। তাই রাশিয়ার নেতা হিসেবে সঠিক উত্তর স্টালিন। Primary Head Teacher Question Paper 2026 এর আন্তর্জাতিক অংশে এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ।

মনে রাখার উপায়: হিটলারকে যিনি থামিয়েছিলেন তিনি হলেন ‘ইস্পাত মানব’ বা স্টালিন (Stalin মানে Man of Steel)। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ অনুশীলনে বিশ্বনেতাদের নামগুলো মনে রাখা জরুরি।

৬২. আকাশে উজ্জ্বলতম নক্ষত্র কোনটি?
(ক) ধ্রুবতারা
(খ) লুব্ধক
(গ) প্রক্সিমা সেন্টারাই
(ঘ) পুলজ

উত্তর: (খ) লুব্ধক

ব্যাখ্যা:
রাতের আকাশে আমরা যত তারা বা নক্ষত্র দেখি, তাদের মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল হলো লুব্ধক (Sirius)। এটি ‘Canis Major’ বা বৃহৎ কুকুরমণ্ডলীতে অবস্থিত। পৃথিবী থেকে দৃশ্যমান নক্ষত্রগুলোর মধ্যে এর উজ্জ্বলতা সবচেয়ে বেশি। Primary Head Teacher Exam Question 2026 এর ভূগোল ও মহাকাশ বিজ্ঞান অংশে এই তথ্যটি প্রায়ই আসে।

অনেকে শুক্র গ্রহ বা শুকতারাকে নক্ষত্র ভেবে ভুল করেন। শুকতারা আসলে একটি গ্রহ, নক্ষত্র নয়। ধ্রুবতারা উত্তর আকাশে স্থির থাকে, কিন্তু সবচেয়ে উজ্জ্বল নয়। প্রক্সিমা সেন্টারাই হলো সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র। কিন্তু উজ্জ্বলতায় লুব্ধকই সেরা। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক পুরাতন প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এর বিজ্ঞান অংশে এই পার্থক্যগুলো খেয়াল রাখতে হবে।

মনে রাখার উপায়: লোভনীয় বা লুব্ধ হওয়ার মতো উজ্জ্বল আলো যার, সে-ই লুব্ধক। Primary Head Teacher Previous Question Solution 2026 এর জন্য এই মহাজাগতিক তথ্যটি মনে রাখুন।

৬৩. সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ-
(ক) পৃথিবী
(খ) শনি
(গ) বুধ
(ঘ) বৃহস্পতি

উত্তর: (গ) বুধ

ব্যাখ্যা:
২০০৬ সালে প্লুটোকে গ্রহের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার পর (বামন গ্রহ হিসেবে ঘোষণা), বর্তমানে সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ হলো বুধ (Mercury)। এটি সূর্যের সবচেয়ে নিকটতম গ্রহও বটে। এর কোনো উপগ্রহ নেই এবং এটি খুব দ্রুত সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে (মাত্র ৮৮ দিনে)। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক মডেল প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এর সাধারণ জ্ঞান অংশে সৌরজগত থেকে ১-২টি প্রশ্ন থাকেই।

বৃহস্পতি হলো সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ। পৃথিবী মাঝারী আকারের। শনি দ্বিতীয় বৃহত্তম। তাই আকারের বিচারে বুধই সবচেয়ে ছোট। Primary Head Teacher Question Solution 2026 প্রস্তুতির জন্য গ্রহগুলোর ক্রম এবং বৈশিষ্ট্য ছক আকারে পড়ে নেওয়া উচিত।

মনে রাখার টিপস: বুদ্ধু বা ছোট বাচ্চার মতো গ্রহ হলো বুধ। সবার ছোট এবং সূর্যের কোলের কাছে থাকে। Head Teacher Previous Question Solution 2026 গাইডে আপডেটেড তথ্য হিসেবে এটি মনে রাখা জরুরি।

৬৪. কে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা করেন?
(ক) মাওলানা ভাসানী
(খ) সৈয়দ আমীর আলী
(গ) হাজী মুহম্মদ মুহসীন
(ঘ) নওয়াব সলিমুল্লাহ

উত্তর: (ঘ) নওয়াব সলিমুল্লাহ

ব্যাখ্যা:
১৯০৬ সালে ঢাকার শাহবাগে অনুষ্ঠিত সর্বভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলনে নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহর প্রস্তাব ও উদ্যোগে ‘অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ’ প্রতিষ্ঠিত হয়। ব্রিটিশ শাসনামলে মুসলমানদের রাজনৈতিক অধিকার আদায় এবং স্বতন্ত্র আবাসভূমি গঠনের লক্ষে এই দলটির জন্ম হয়েছিল। নওয়াব সলিমুল্লাহ ছিলেন ঢাকার নওয়াব এবং একজন মহান শিক্ষানুরাগী। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি ২০২৬ এর ইতিহাস অংশে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার ইতিহাস অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

মাওলানা ভাসানী আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন (১৯৪৯), মুসলিম লীগ নয়। হাজী মুহম্মদ মুহসীন ছিলেন দানবীর। সৈয়দ আমীর আলী ছিলেন লন্ডনে মুসলিম লীগের শাখা স্থাপনকারী। মূল প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে নওয়াব সলিমুল্লাহর নামই স্বীকৃত। Primary Head Teacher Past Paper 2026 এ রাজনৈতিক দলের ইতিহাস থেকে এমন প্রশ্ন আসে।

মনে রাখার উপায়: ঢাকার নওয়াব, মুসলিম লীগের বাপ। সলিমুল্লাহর বাড়িতেই মুসলিম লীগের জন্ম। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত প্রশ্ন pdf ২০২৬ থেকে ইতিহাসের এই অধ্যায়টি ঝালিয়ে নিন।

৬৫. স্থায়ী সালিশী আদালত কোথায়?
(ক) হেগে
(খ) প্যারিসে
(গ) লন্ডনে
(ঘ) জেনেভায়

উত্তর: (ক) হেগে

ব্যাখ্যা:
আন্তর্জাতিক স্থায়ী সালিশী আদালত (Permanent Court of Arbitration – PCA) নেদারল্যান্ডসের হেগ (The Hague) শহরে অবস্থিত। এটি ১৮৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি বিশ্বের প্রাচীনতম আন্তর্জাতিক বিরোধ নিষ্পত্তি কেন্দ্র। এছাড়া আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত (ICJ) বা বিশ্ব আদালতও এই হেগ শহরেই অবস্থিত। হেগকে বলা হয় ‘বিশ্বের আইনি রাজধানী’ বা ‘শান্তির শহর’। Primary Head Teacher Question Solution 2026 এর আন্তর্জাতিক সংস্থা ও সদর দপ্তর অংশে এটি একটি মাস্ট-নো টপিক।

জেনেভাতে অনেক সংস্থার সদর দপ্তর থাকলেও আদালতের জন্য হেগই বিখ্যাত। প্যারিস বা লন্ডনে নয়, নেদারল্যান্ডসের এই ছিমছাম শহরটিতেই বিশ্বের বড় বড় বিচার কাজ চলে। Primary Head Teacher Previous Question 2026 এ সদর দপ্তর নিয়ে কনফিউশন দূর করতে তালিকা মুখস্থ করা ভালো।

মনে রাখার টিপস: হ-তে হেগ, হ-তে হুকুম (আদালতের রায়)। আদালতের হুকুম বা রায় আসে হেগ থেকে। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন ও উত্তর ২০২৬ এর জন্য এই কানেকশনটি মনে রাখুন।

৬৬. ‘আমার গানের মালা আমি করব কারে দান’ বাক্যে ‘কারে’ শব্দটির কারক ও বিভক্তি কোনটি?
(ক) করণে সপ্তমী
(খ) অপাদানে সপ্তমী
(গ) কর্মে সপ্তমী
(ঘ) কর্তায় সপ্তমী

উত্তর: (গ) কর্মে সপ্তমী

ব্যাখ্যা:
কারক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করতে হয়। এখানে ক্রিয়া হলো ‘দান করব’। যদি প্রশ্ন করা হয় “কাকে দান করব?”, উত্তর আসে ‘কারে’ (কাকে)। ব্যাকরণ অনুযায়ী, যাকে স্বত্ব ত্যাগ করে কিছু দেওয়া হয়, তা সম্প্রদান কারক। কিন্তু আধুনিক ব্যাকরণ এবং অনেক ক্ষেত্রে ‘দান’ শব্দটি সাধারণ অর্থে ব্যবহৃত হলে বা যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তা কর্ম কারক হয়। এখানে ‘কারে’ শব্দটি অবজেক্ট বা কর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। আর ‘এ’ বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি সপ্তমী। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন বিশ্লেষণ ২০২৬ অনুযায়ী, অপশনে সম্প্রদান না থাকলে এবং ‘কাকে’ দিয়ে প্রশ্ন করে উত্তর পেলে তা কর্ম কারক হিসেবে গণ্য হয়।

রবীন্দ্রনাথের এই গানে ‘মালা’ হলো মুখ্য কর্ম আর ‘কারে’ হলো গৌণ কর্ম। তাই এটি কর্ম কারক। Primary Head Teacher Exam Question 2026 এর বাংলা ব্যাকরণে কারকের এই দ্ব্যর্থক প্রশ্নগুলো খুব সতর্কতার সাথে উত্তর করতে হয়।

মনে রাখার উপায়: “কি বা কাকে = কর্ম”। কাকে দেব? কারে দেব। তাই কর্ম। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ অনুশীলনে এই রুলটি কাজে লাগান।

৬৭. কোনটি শুদ্ধ বানান?
(ক) নিমীলিত
(খ) নিমিলীত
(গ) নির্মিলিত
(ঘ) নীর্মিলিত

উত্তর: (ক) নিমীলিত

ব্যাখ্যা:
‘নিমীলিত’ শব্দের অর্থ হলো মুদ্রিত বা বোজানো (যেমন: নিমীলিত চক্ষু)। এর সন্ধি বিচ্ছেদ হলো নি + মীলিত। সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ‘মীলিত’ বানানে দীর্ঘ-ঈ কার (ী) হয়। তাই সঠিক বানান হলো দন্ত-ন এ হ্রস্ব-ই কার, ম এ দীর্ঘ-ঈ কার, ল এ হ্রস্ব-ই কার এবং ত। অর্থাৎ N-i-M-long E-L-i-T. Primary Head Teacher Question Paper 2026 এর বানান শুদ্ধিকরণে এই শব্দটি প্রায়ই আসে।

অন্য অপশনগুলোতে ই-কার ও ঈ-কারের ব্যবহার এলোমেলো করা হয়েছে। মনে রাখতে হবে, মাঝখানের ‘মী’ তে জোর পড়ে তাই দীর্ঘ-ঈ কার। Primary Head Teacher Previous Question Solution 2026 এর জন্য কঠিন বানানগুলোর একটি লিস্ট করে পড়া উচিত।

মনে রাখার টিপস: দুই পাশে ছোট ই (নি…লিত), মাঝখানে বড় ঈ (মী)। ছোট-বড়-ছোট। এই প্যাটার্নটি মনে রাখলে বানান আর ভুল হবে না।

৬৮. কোনটি শুদ্ধ বানান?
(ক) গৃহিনী
(খ) গৃহিণি
(গ) গৃহীনি
(ঘ) গৃহিণী

উত্তর: (ঘ) গৃহিণী

ব্যাখ্যা:
‘গৃহিণী’ শব্দটিতে ণত্ব ও ষত্ব বিধানের নিয়ম এবং প্রত্যয়ের ব্যবহার আছে। মূল শব্দ ‘গৃহ’ + ‘ইন্’ + ‘ঈ’ (স্ত্রীলিঙ্গে)। নিয়ম অনুযায়ী, ঋ-কার বা র-ফলা বা রেফ-এর পরে মূর্ধন্য-ণ হয়। এখানে গ-এ ঋ-কার আছে এবং হ ব্যবধান হলেও ণত্ব বিধানের নিয়মে মূর্ধন্য-ণ হবে। আর স্ত্রীবাচক ‘ঈ’ প্রত্যয় যুক্ত হওয়ায় শেষে দীর্ঘ-ঈ কার হবে। সুতরাং সঠিক বানান: গ-এ ঋ-কার, হ-এ হ্রস্ব-ই কার, ণ-এ দীর্ঘ-ঈ কার। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক মডেল প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এর বাংলা অংশে এই বানানটি খুবই কমন।

মনে রাখার টিপস: “গিন্নি বানানে শেষে বড় গিন্নি”। অর্থাৎ শেষে দীর্ঘ-ঈ কার এবং তার আগে মূর্ধন্য-ণ। Primary Head Teacher Question Solution 2026 এর জন্য এটি একটি পাঠ্যবইয়ের বানান।

৬৯. ‘চন্দ্র’ এর সমার্থক শব্দ নয়-
(ক) অদ্রি
(খ) হিমকর
(গ) নিশাকর
(ঘ) চাঁদ

উত্তর: (ক) অদ্রি

ব্যাখ্যা:
‘অদ্রি’ শব্দের অর্থ হলো পাহাড় বা পর্বত (যা নড়ে না)। অন্যদিকে হিমকর, নিশাকর, সুধাকর, চাঁদ—এই সবগুলিই চন্দ্রের সমার্থক শব্দ। প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়েছে কোনটি সমার্থক ‘নয়’। তাই সঠিক উত্তর অদ্রি। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত প্রশ্ন pdf ২০২৬ এ সমার্থক শব্দের প্রশ্নগুলো খুব ভালো করে পড়তে হয়, কারণ ‘নয়’ শব্দটি শেষে লুকিয়ে থাকে।

হিমকর মানে যে শীতল কিরণ দেয় (চাঁদ), নিশাকর মানে যে রাতে আলো দেয় (চাঁদ)। কিন্তু অদ্রি হলো অচল পর্বত। Primary Head Teacher Past Paper 2026 এ এমন নেগেটিভ প্রশ্ন (কোনটি নয়) বেশি আসে।

মনে রাখার উপায়: অদ্রি মানে পাথর বা পাহাড়, সে আকাশে থাকে না। বাকিরা সব চাঁদের নাম।

৭০. ‘সুরভি’ এর বিপরীতার্থক শব্দ-
(ক) কৃষ
(খ) হিমকর
(গ) পূতি
(ঘ) সুশীল

উত্তর: (গ) পূতি

ব্যাখ্যা:
‘সুরভি’ শব্দের অর্থ হলো সুগন্ধ বা সৌরভ। এর বিপরীত শব্দ হবে দুর্গন্ধ বা পচা গন্ধ। অপশনগুলোর মধ্যে ‘পূতি’ শব্দের অর্থ হলো পচা বা দুর্গন্ধময় (যেমন: পূতিগন্ধ)। তাই সুরভি-এর সঠিক বিপরীত শব্দ হলো পূতি। Primary Head Teacher Previous Question 2026 এর শব্দার্থ অংশে এটি একটি আনকমন কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ শব্দ।

কৃষ মানে রোগা, সুশীল মানে ভালো স্বভাবের। এগুলোর সাথে গন্ধের সম্পর্ক নেই। Primary Head Teacher Exam Question 2026 এ এমন সাহিত্যিক শব্দ দিয়ে পরীক্ষার্থীর শব্দভাণ্ডার যাচাই করা হয়।

মনে রাখার টিপস: সুরভি মানে ফুলের গন্ধ, আর পূতি মানে ডাস্টবিনের গন্ধ। ভালো বনাম পচা।

৭১. ‘যিনি বক্তৃতা দানে পটু’ তাকে বলে-
(ক) বাকপটু
(খ) বাগ্মী
(গ) সুবক্তা
(ঘ) অনলবর্ষী

উত্তর: (খ) বাগ্মী

ব্যাখ্যা:
এককথায় প্রকাশ অংশে এটি একটি ক্লাসিক প্রশ্ন। যিনি সুন্দর ও জোরালোভাবে বক্তৃতা দিতে পারেন, তাঁকে এককথায় ‘বাগ্মী’ (Orator) বলা হয়। ‘বাকপটু’ মানে যিনি কথা বলতে দক্ষ (চালাক), কিন্তু বক্তৃতায় পটু বোঝাতে ‘বাগ্মী’ শব্দটিই ব্যাকরণগতভাবে সিদ্ধ ও মানসম্মত। Primary Head Teacher Question Solution 2026 এর বাংলা অংশে এককথায় প্রকাশ থেকে নম্বর তোলা সহজ।

সুবক্তা সাধারণ শব্দ, কিন্তু বাগ্মী হলো বিশেষ গুণসম্পন্ন। শেরে বাংলা বা বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাগ্মী নেতা। Head Teacher Previous Question Solution 2026 এর জন্য এই পার্থক্যটি মনে রাখা জরুরি।

৭২. ‘একাদশে বৃহস্পতি’ এর অর্থ কি?
(ক) সুসংবাদ
(খ) আবেগের বহিঃপ্রকাশ
(গ) উৎফুল্ল হওয়া
(ঘ) সৌভাগ্যের বিষয়

উত্তর: (ঘ) সৌভাগ্যের বিষয়

ব্যাখ্যা:
এটি একটি জ্যোতিষশাস্ত্রীয় প্রবাদ বা বাগধারা। রাশিচক্রে বৃহস্পতি গ্রহ যদি একাদশ ঘরে অবস্থান করে, তবে জাতকের জন্য তা অত্যন্ত শুভ ফল বয়ে আনে বলে বিশ্বাস করা হয়। সেখান থেকেই ‘একাদশে বৃহস্পতি’ বাগধারাটির উৎপত্তি, যার অর্থ হলো পরম সৌভাগ্য বা সুসময়। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি ২০২৬ এর বাংলা ব্যাকরণ অংশে বাগধারা একটি অপরিহার্য টপিক।

কারও যখন খুব ভালো সময় যায়, তখন বলা হয় “তার এখন একাদশে বৃহস্পতি”। Primary Head Teacher Previous Question Solution 2026 এ এমন মজার বাগধারাগুলো শিখলে পরীক্ষায় আনন্দ পাওয়া যায়।

৭৩. ‘তপোবন’ এর সন্ধি বিচ্ছেদ-
(ক) তপঃ + বন
(খ) তপ + বন
(গ) তপোধঃ + বন
(ঘ) তপো + বন

উত্তর: (ক) তপঃ + বন

ব্যাখ্যা:
এটি বিসর্গ সন্ধির একটি উদাহরণ। নিয়ম অনুযায়ী, অ-কার কিংবা আ-কারের পর বিসর্গ (ঃ) থাকলে এবং তারপরে বর্গের ৩য়/৪র্থ/৫ম বর্ণ অথবা য, র, ল, ব, হ থাকলে বিসর্গটি ‘ও-কার’ এ পরিণত হয়। এখানে ‘তপঃ’ শব্দের শেষে বিসর্গ আছে এবং পরে ‘ব’ আছে। তাই বিসর্গ উঠে গিয়ে ‘ও-কার’ হয়েছে (তপঃ + বন = তপোবন)। Primary Head Teacher Question Paper 2026 এর সন্ধি অংশে এই নিয়মটি খুব গুরুত্বপূর্ণ।

মনে রাখার উপায়: তপোবনের ও-কার আসলে একটা বিসর্গ ছিল। তপঃ মানে তাপ বা সাধনা। সাধনার বন = তপোবন।

৭৪. ‘চাঁদের হাট’ এর অর্থ কি?
(ক) বন্ধুদের সমাগম
(খ) আত্মীয় সমাগম
(গ) প্রিয়জন সমাগম
(ঘ) গণ্যমান্যদের সমাগম

উত্তর: (গ) প্রিয়জন সমাগম

ব্যাখ্যা:
‘চাঁদের হাট’ বাগধারাটির অর্থ হলো আনন্দদায়ক সমাবেশ বা প্রিয়জনদের মেলা। আকাশে যেমন চাঁদ ও তারারা মিলে সুন্দর পরিবেশ তৈরি করে, তেমনি প্রিয় মানুষরা এক হলে তাকে চাঁদের হাট বলা হয়। অপশনগুলোর মধ্যে ‘প্রিয়জন সমাগম’ বা ‘সুন্দর মানুষের সমাবেশ’ হলো সঠিক অর্থ। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন বিশ্লেষণ ২০২৬ অনুযায়ী, বাগধারার আলঙ্কারিক অর্থই গ্রহণ করা হয়।

আত্মীয় বা বন্ধু নির্দিষ্ট করে নয়, বরং যারা প্রিয় তাদের মিলনমেলাকেই এটি বোঝায়। Primary Head Teacher Past Paper 2026 এ এই সুন্দর বাগধারাটি প্রায়ই আসে।

৭৫. ‘হেরাল্ড ট্রিবিউন’ প্রকাশিত হয়?
(ক) লন্ডন থেকে
(খ) নিউইয়র্ক থেকে
(গ) প্যারিস থেকে
(ঘ) ওয়াশিংটন থেকে

উত্তর: (খ) নিউইয়র্ক থেকে

ব্যাখ্যা:
‘ইন্টারন্যাশনাল হেরাল্ড ট্রিবিউন’ বা বর্তমানে ‘দ্য নিউইয়র্ক টাইমস ইন্টারন্যাশনাল এডিশন’ মূলত একটি বিখ্যাত আন্তর্জাতিক ইংরেজি দৈনিক। এর আদি উৎস হলো নিউইয়র্ক ভিত্তিক ‘নিউইয়র্ক হেরাল্ড’ এবং ‘নিউইয়র্ক ট্রিবিউন’। যদিও এর সদর দপ্তর দীর্ঘদিন প্যারিসে ছিল এবং এটি বিশ্বব্যাপী বিতরিত হতো, কিন্তু প্রশ্নটিতে এর মূল বা উৎস শহর হিসেবে এবং ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে ‘নিউইয়র্ক’ কেই সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য করা হয় (বিশেষ করে পুরনো প্রশ্নব্যাংকে)। এটি মার্কিন সাংবাদিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এর সাধারণ জ্ঞান অংশে বিখ্যাত সংবাদপত্রের নাম ও স্থান মনে রাখা জরুরি।

মনে রাখার উপায়: নামেই আছে ট্রিবিউন, আর এটা আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরের গর্ব। Head Teacher Previous Question Solution 2026 প্রস্তুতির জন্য বিশ্বের প্রধান পত্রিকাগুলোর নাম জেনে নিন।

৭৬. ব্যারোমিটার আবিষ্কার করেন-
(ক) এডিসন
(খ) গ্যালিলিও
(গ) টরেসিলি
(ঘ) জজ কেলী

উত্তর: (গ) টরেসিলি

ব্যাখ্যা:
বাতাসের চাপ বা বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পরিমাপের জন্য যে যন্ত্রটি ব্যবহার করা হয়, তার নাম ব্যারোমিটার। ইতালীয় পদার্থবিজ্ঞানী ও গণিতবিদ ইভানজেলিস্টা টরেসিলি (Evangelista Torricelli) ১৬৪৩ সালে এই যন্ত্রটি আবিষ্কার করেন। তিনি ছিলেন গ্যালিলিও গ্যালিলির একজন ছাত্র। টরেসিলি পারদ পূর্ণ একটি কাচের নলের মাধ্যমে প্রমাণ করেন যে বায়ুমণ্ডলের ওজন আছে এবং তা চাপ প্রয়োগ করে। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি ২০২৬ এর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অংশে আবিষ্কার ও আবিষ্কারকের নাম মনে রাখা খুব জরুরি।

অপশনগুলোর মধ্যে টমাস আলভা এডিসন বৈদ্যুতিক বাতি, গ্রামোফোনসহ হাজারো জিনিসের আবিষ্কারক। গ্যালিলিও গ্যালিলি দূরবীক্ষণ যন্ত্র বা টেলিস্কোপের উন্নতির জন্য বিখ্যাত। কিন্তু বাতাসের চাপ মাপার যন্ত্র বা ব্যারোমিটারের জনক হলেন টরেসিলি। আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিতে এই যন্ত্রটি আজও অপরিহার্য। Primary Head Teacher Question Solution 2026 এর বিজ্ঞান নোটে বিভিন্ন পরিমাপক যন্ত্রের তালিকাটি অবশ্যই পড়ে রাখবেন।

মনে রাখার উপায়: টরেসিলি = প্রেসার-চেলি। অর্থাৎ যিনি প্রেশার মাপার যন্ত্র বানিয়েছেন। আর ব্যারোমিটার নামটির সাথে বাতাসের বার বা চাপ জড়িত। Primary Head Teacher Previous Question 2026 এ এই তথ্যটি বিজ্ঞান অংশের একটি বেসিক প্রশ্ন হিসেবে গণ্য হয়।

৭৭. বিদ্যুৎ প্রবাহের একক-
(ক) ভোল্ট
(খ) জুল
(গ) ওয়াট
(ঘ) এম্পেয়ার

উত্তর: (ঘ) এম্পেয়ার

ব্যাখ্যা:
পদার্থবিজ্ঞানে বিদ্যুৎ বা তড়িৎ প্রবাহের আন্তর্জাতিক একক (SI Unit) হলো এম্পেয়ার (Ampere)। কোনো পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ চার্জ বা আধান প্রবাহিত হয়, তাকেই বিদ্যুৎ প্রবাহ বলে। ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী আঁদ্রে-মারি এম্পিয়ারের নামানুসারে এই এককের নামকরণ করা হয়েছে। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এর বিজ্ঞান অংশে এই এককগুলো বা Units থেকে প্রশ্ন আসবেই।

অন্য অপশনগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়: ‘ভোল্ট’ হলো বিভব পার্থক্য বা ভোল্টেজের একক। ‘জুল’ হলো কাজ বা শক্তির একক। ‘ওয়াট’ হলো ক্ষমতার একক। কিন্তু কারেন্ট বা প্রবাহের একক হলো এম্পেয়ার। আমরা যখন ফিউজ বা সার্কিট ব্রেকার কিনি, তখন ৫ এম্পেয়ার বা ১০ এম্পেয়ার দেখেই কিনি। Primary Head Teacher Exam Question 2026 এ এই দৈনন্দিন বিজ্ঞানের বিষয়গুলো খুব গুরুত্ব পায়।

মনে রাখার টিপস: কারেন্ট ফ্লো মানেই অ্যাম্প ফ্লো। প্রবাহ মাপতে এম্পেয়ার লাগে। “এম্পিয়ারের কারেন্ট”। Head Teacher Previous Question Solution 2026 এর জন্য ভোল্ট, ওয়াট ও এম্পেয়ারের পার্থক্যটি স্পষ্ট থাকা চাই।

৭৮. ক্যান্সার রোগের কারণ —
(ক) কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি
(খ) কোষের অস্বাভাবিক মৃত্যু
(গ) কোষের জমাট বাধা
(ঘ) উপরের সবকটিই

উত্তর: (ক) কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি

ব্যাখ্যা:
মানবদেহের কোষ বিভাজন একটি সুশৃঙ্খল ও নিয়ন্ত্রিত প্রক্রিয়া। কিন্তু কোনো কারণে যদি এই নিয়ন্ত্রণ নষ্ট হয়ে যায় এবং কোষগুলো অনিয়ন্ত্রিতভাবে ও অস্বাভাবিক হারে বিভাজিত হতে শুরু করে, তবে তাকে ক্যান্সার বা টিউমার বলা হয়। অর্থাৎ ক্যান্সারের মূল কারণই হলো ‘কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি’ (Abnormal Cell Growth)। এই অতিরিক্ত কোষগুলো পিণ্ড বা টিউমার তৈরি করে যা শরীরের স্বাভাবিক কাজকর্মে বাধা দেয়। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন ও উত্তর ২০২৬ এর স্বাস্থ্য ও রোগব্যাধি অংশে এটি একটি ফান্ডামেন্টাল কনসেপ্ট।

অনেকে মনে করতে পারেন কোষের মৃত্যু বা জমাট বাঁধা কারণ হতে পারে, কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞান মতে, অনিয়ন্ত্রিত মাইটোসিস কোষ বিভাজনই ক্যান্সারের সূত্রপাত। কোষের মৃত্যু (Apoptosis) না হওয়াটাই বরং সমস্যার কারণ, কারণ পুরনো কোষ না মরে নতুন কোষ জমতে থাকে। Primary Head Teacher Past Paper 2026 এ জীববিজ্ঞানের এই রোগতত্ত্ব বিষয়ক প্রশ্নগুলো খুব মনোযোগ দিয়ে পড়তে হয়।

মনে রাখার উপায়: ক্যান্সার মানেই হলো শরীরের ভেতর কোষের ট্রাফিক জ্যাম। কোষগুলো থামতে চায় না, শুধু বাড়তেই থাকে। এই “অস্বাভাবিক বাড়বাড়ন্ত”ই হলো ক্যান্সার। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক মডেল প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ অনুশীলনে এই বিষয়টি পরিষ্কার থাকা জরুরি।

৭৯. কোনটি একবীজপত্রী উদ্ভিদ?
(ক) আম
(খ) ধান
(গ) জাম
(ঘ) কাঁঠাল

উত্তর: (খ) ধান

ব্যাখ্যা:
উদ্ভিদজগতকে বীজের ওপর ভিত্তি করে দুই ভাগে ভাগ করা হয়: একবীজপত্রী ও দ্বিবীজপত্রী। যেসব উদ্ভিদের বীজে মাত্র একটি বীজপত্র (Cotyledon) থাকে, তাদের একবীজপত্রী উদ্ভিদ বলে। ধান, গম, ভুট্টা, আখ, নারিকেল, সুপারি—এগুলো সব একবীজপত্রী উদ্ভিদ। অঙ্কুরোদগমের সময় এদের একটি মাত্র পাতা বের হয়। Primary Head Teacher Question Paper 2026 এর উদ্ভিদবিজ্ঞান অংশে এই শ্রেণিবিন্যাস থেকে প্রশ্ন থাকে।

অন্যদিকে আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু—এগুলোর বীজে দুটি বীজপত্র থাকে (আঁটি ভাঙলে দুটি ভাগ দেখা যায়), তাই এরা দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ। ধানের খোসা ছাড়ালে চাল পাওয়া যায় যা ভাঙলে সমান দুই ভাগ হয় না, বরং গুঁড়ো হয়ে যায়। এটিই একবীজপত্রীর বৈশিষ্ট্য। Primary Head Teacher Previous Question Solution 2026 এর প্রশ্নে এই উদাহরণগুলো খুব কমন।

মনে রাখার উপায়: ঘাস জাতীয় সব গাছই একবীজপত্রী। ধান, গম, বাঁশ—সবাই ঘাস পরিবারের সদস্য এবং এদের পাতা সরু ও লম্বা হয়। আর আম-কাঁঠালের পাতা চওড়া হয়। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এ এই ভিজুয়্যাল পার্থক্য মনে রাখলে উত্তর করা সহজ।

৮০. স্বাভাবিক অবস্থায় একজন মানুষের উপর প্রতি বর্গ ইঞ্চিতে বায়ুর চাপ পড়ে প্রায় —
(ক) ১৩ পাউন্ড
(খ) ১০ পাউন্ড
(গ) ১৫ পাউন্ড
(ঘ) ১৬ পাউন্ড

উত্তর: (গ) ১৫ পাউন্ড

ব্যাখ্যা:
আমরা বায়ুসমুদ্রে ডুবে আছি এবং বাতাস আমাদের শরীরের ওপর সবসময় প্রচণ্ড চাপ দিচ্ছে। বিজ্ঞানের হিসেবে, সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ হলো প্রতি বর্গ ইঞ্চিতে প্রায় ১৪.৭ পাউন্ড (psi)। এই সংখ্যাটিকে পূর্ণসংখ্যায় ধরলে প্রায় ১৫ পাউন্ড হয়। অর্থাৎ আমাদের শরীরের প্রতিটি বর্গ ইঞ্চি চামড়ার ওপর বাতাস ১৫ পাউন্ড বা প্রায় ৭ কেজির মতো চাপ দিচ্ছে। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন বিশ্লেষণ ২০২৬ অনুযায়ী, বায়ুমণ্ডলীয় চাপের এই মানটি মুখস্থ রাখা আবশ্যক।

আমাদের শরীরের ভেতরের রক্তচাপ এই বাইরের বাতাসের চাপকে ব্যালেন্স বা প্রতিহত করে, তাই আমরা এই বিশাল চাপ অনুভব করি না বা চ্যাপ্টা হয়ে যাই না। মহাকাশে বা চাঁদে এই চাপ নেই বলেই নভোচারীদের বিশেষ স্পেস স্যুট পরতে হয়। Primary Head Teacher Question Solution 2026 এর বিজ্ঞান অংশে এই মজার তথ্যটি প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।

মনে রাখার টিপস: “১৫ পাউন্ডের বোঝা”। বাতাসের চাপ মানেই প্রতি ইঞ্চিতে ১৫ পাউন্ডের বাটখারা বসানো আছে। ১৪.৭ কে রাউন্ড ফিগারে ১৫ ধরা হয়। প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক বিগত প্রশ্ন pdf ২০২৬ ফাইলে এমন সংখ্যাবাচক তথ্যগুলো হাইলাইট করে পড়া উচিত।

ভাইভা প্রস্তুতি: 

লিখিত পরীক্ষায় টেকার পর আপনার পরবর্তী ধাপ হলো ভাইভা। Primary Head Teacher Viva Preparation 2026 কেবল জ্ঞানের পরীক্ষা নয়, এটি আপনার ব্যক্তিত্বের পরীক্ষা।

  • নিজ জেলা: আপনার জেলার ইতিহাস, বিখ্যাত ব্যক্তি এবং দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে জানুন।
  • বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ: এই বিষয়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর যেন ভুল না হয়।
  • আত্মবিশ্বাস: ভাইভা বোর্ডে চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলুন। উত্তর জানা না থাকলে বিনয়ের সাথে ‘দুঃখিত’ বলুন, কিন্তু আমতা-আমতা করবেন না।
  • ড্রেস কোড: মার্জিত ও ফর্মাল পোশাক পরুন। মনে রাখবেন, ‘আগে দর্শনধারী, পরে গুণবিচারী’।

মানসিক চাপ সামলানো ও সুস্থ থাকা

চাকরির প্রস্তুতি একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া। এই সময়ে হতাশা আসা স্বাভাবিক। অনেক সময় মনে হবে, “আমার দ্বারা হবে না”। কিন্তু বিশ্বাস করুন, যারা টিকে থাকে, তারাই দিনশেষে হাসে।

  • পর্যাপ্ত ঘুমান (অন্তত ৬-৭ ঘণ্টা)।
  • নেতিবাচক মানুষের সঙ্গ ত্যাগ করুন।
  • সৃষ্টিকর্তার ওপর ভরসা রাখুন এবং নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করুন।

উপসংহার

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি ২০২৬ কোনো স্প্রিন্ট দৌড় নয়, এখানে ধৈর্য, অধ্যবসায় এবং সঠিক কৌশলের সমন্বয় ঘটাতে হবে। আজ আপনি যে পরিশ্রম করছেন, তা হয়তো কেউ দেখছে না, কিন্তু সাফল্যের নিয়োগপত্রটি যেদিন হাতে পাবেন, সেদিন এই নির্ঘুম রাতগুলোর কথা ভেবে গর্ববোধ করবেন।

নিজেকে কখনো ছোট ভাববেন না। আপনিও পারেন একজন আদর্শ প্রধান শিক্ষক হিসেবে জাতি গড়ার কারিগর হতে। আপনার জন্য রইল অনেক অনেক শুভকামনা।

কিছু প্রশ্ন

১. আমি কি অনার্স ২য় বর্ষে থাকা অবস্থায় আবেদন করতে পারব?
উত্তর: সাধারণত না। আবেদনের শেষ তারিখের মধ্যে আপনার স্নাতক বা সমমানের ফল প্রকাশিত হতে হবে। অ্যাপেয়ার্ড (Appeared) দিয়ে আবেদনের সুযোগ সাধারণত থাকে না।

২. প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন প্রস্তুতি ২০২৬ এর জন্য বিসিএস প্রশ্ন কতটা গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পিএসসির যেকোনো পরীক্ষার জন্য ১০ম থেকে ৪৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারির প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ পড়া থাকলে আপনি অন্তত ৩০-৪০% প্রশ্ন কমন পেতে পারেন বা প্যাটার্ন বুঝতে পারবেন।

৩. প্রাইমারি সহকারী শিক্ষক এবং প্রধান শিক্ষকের সিলেবাস কি এক?
উত্তর: অনেকটা কাছাকাছি হলেও গভীরতায় ভিন্নতা আছে। প্রধান শিক্ষক পদটি ২য় শ্রেণির হওয়ায় এর প্রশ্নের মান সহকারী শিক্ষকের চেয়ে কঠিন এবং বিসিএস স্ট্যান্ডার্ডের হয়ে থাকে।

৪. প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক সাজেশন ২০২৬ কোথায় পাব?
উত্তর: নির্দিষ্ট কোনো সাজেশন ফলো না করে সিলেবাস ধরে পড়াই উত্তম। তবে পরীক্ষার আগে বিভিন্ন জনপ্রিয় প্রকাশনী বা কোচিং সেন্টার শর্ট সাজেশন বের করে, যা রিভিশনে সাহায্য করতে পারে।

৫. কোনো কোচিং সেন্টারে ভর্তি হওয়া কি জরুরি?
উত্তর: একদমই না। সঠিক গাইডলাইন এবং বই থাকলে বাসায় বসেই প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব। তবে আপনি যদি একা পড়তে একঘেয়েমি বোধ করেন বা রুটিন মানতে না পারেন, তবে কোচিং বা স্টাডি গ্রুপে যুক্ত হতে পারেন।

৬. লিখিত পরীক্ষায় পাস নম্বর কত?
উত্তর: পিএসসি নির্দিষ্ট কোনো পাস নম্বর ঘোষণা করে না। এটি নির্ভর করে পদের সংখ্যা এবং প্রশ্নের কঠিন্যতার ওপর। তবে নিরাপদ জোনে থাকতে হলে ২০০ এর মধ্যে ১২০+ নম্বর টার্গেট করা উচিত।

৭. প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক পরীক্ষার গাইড ২০২৬ হিসেবে কোন বইটি সেরা?
উত্তর: কোনো একক বই সেরা নয়। তবে ‘প্রফেসরস’, ‘ওরাকল’ বা ‘অগ্রদূত’ সিরিজের গাইডগুলো বেশ জনপ্রিয় এবং নির্ভরযোগ্য।

৮. নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে কত সময় লাগে?
উত্তর: এটি পিএসসির ওপর নির্ভর করে। তবে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ থেকে চূড়ান্ত নিয়োগ পর্যন্ত সাধারণত ১ থেকে ১.৫ বছর সময় লাগতে পারে। ধৈর্য ধরা এই প্রস্তুতিরই একটি অংশ।

৯. এই চাকরিতে প্রমোশনের সুযোগ কেমন?
উত্তর: প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদানের পর নির্দিষ্ট অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে উপজেলা শিক্ষা অফিসার বা সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে প্রমোশনের সুযোগ থাকে, যা ক্যারিয়ারের জন্য দারুণ।

১০. মেয়েদের জন্য কি আলাদা কোটা আছে?
উত্তর: সরকারি বিধি মোতাবেক মহিলা কোটা অনুসরণ করা হয়। তবে মেধায় টিকলে কোটার প্রয়োজন হয় না। তাই কোটার আশায় না থেকে ভালো প্রস্তুতির দিকে নজর দিন।

এই আর্টিকেলটি যদি আপনার প্রস্তুতিতে কাজে আসে, তাহলে একটি রিভিউ দিন এবং পেজটি বুকমার্ক করে রাখুন—কারণ পরীক্ষার পর প্রশ্ন সমাধান এখানেই আপডেট হবে।

Author

  • Daily ICT News Reporter

    dailyictpost.com টিম চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি চাকরির প্রশ্ন সমাধান, সরকারি পদের কার্যক্রম এবং প্রযুক্তি–ভিত্তিক তথ্য সহজ ও বাস্তব ভাষায় উপস্থাপন করে। পাশাপাশি আমরা আইসিটি, মোবাইল, কম্পিউটার, অ্যাপস, অনলাইন ইনকাম, ডিজিটাল টুলস ও সাইবার নিরাপত্তা–সংক্রান্ত বিষয়গুলো এমনভাবে ব্যাখ্যা করি, যেন পাঠক বুঝতে বুঝতেই শিখে ফেলেন।

    আমরা বিশ্বাস করি—প্রযুক্তি শেখা কঠিন নয়, যদি সেটি সঠিকভাবে বোঝানো যায়। তাই নতুন সফটওয়্যার ব্যবহার, মোবাইল সেটিংস কিংবা ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মতো জটিল বিষয়গুলো ধাপে ধাপে এমন ভাষায় তুলে ধরি, যেন মনে হয় আপনার পাশেই কেউ বসে সহজ করে বুঝিয়ে দিচ্ছে।

    আমাদের লক্ষ্য একটাই—পাঠক যেন নির্ভুল তথ্য পায়, আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে শেখে এবং বাস্তব জীবনে সেই জ্ঞান কাজে লাগাতে পারে।

Visited 115 times, 2 visit(s) today