প্রিয় চাকরিপ্রার্থী ভাই ও বোনেরা, আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আজ ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের ‘অফিস সহায়ক’ পদের লিখিত পরীক্ষা। আপনারা যারা এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন বা ভবিষ্যতে সরকারি চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য আজকের এই আয়োজনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক এবং প্রশ্ন বিশ্লেষক হিসেবে আমি আজকের প্রশ্নের প্রতিটি অংশের গভীর ব্যাখ্যা ও সঠিক সমাধান তুলে ধরছি। বিশেষ করে (২৪.০১.২০২৬ আজকের) জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের অফিস সহায়ক লিখিত প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ চান, তারা এখান থেকে শতভাগ নির্ভুল ব্যাখ্যা পাবেন। চলুন, প্রশ্নের ক্রম অনুযায়ী বিস্তারিত আলোচনায় যাওয়া যাক।

অফিস সহায়ক লিখিত প্রশ্ন সমাধান ২০২৬
(২৪.০১.২০২৬ আজকের) জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের অফিস সহায়ক লিখিত প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ সকল বিষয় এখানে তুলে ধরা হলো।
আরো পড়ুনঃ আজকে (২৪.০১.২০২৬) অনুষ্ঠিত রেলওয়ের ট্রেন এক্সামিনার প্রশ্ন সমাধান ২০২৬
অফিস সহায়ক লিখিত প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ (বাংলা অংশ)
আজ (২৪.০১.২০২৬) অনুষ্ঠিত জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষার বাংলা অংশের অফিস সহায়ক লিখিত প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এখানে নির্ভুল ব্যাখ্যাসহ তুলে ধরা হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণ, বানান, সমার্থক শব্দ ও অনুচ্ছেদভিত্তিক প্রশ্নগুলো সহজভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। প্রতিটি উত্তরের পেছনের যুক্তি পরিষ্কারভাবে বোঝানো হয়েছে। যারা পরীক্ষার পর নিজেকে যাচাই করতে চান, তাদের জন্য এই বাংলা প্রশ্ন সমাধান হবে ভরসার জায়গা। পড়তে সহজ। বুঝতে দ্রুত।
১. প্রবন্ধ লিখন:
ক. দুর্নীতি : কারণ ও প্রতিকার
অথবা
খ. মাদকাসক্তির কুফল ও প্রতিকার
উত্তর: পরীক্ষার্থীকে যেকোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ লিখতে বলা হয়েছে।
ব্যাখ্যা:
জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন বিশ্লেষণ ২০২৬ করলে দেখা যায়, এই পদের জন্য সাধারণত সামাজিক সমসাময়িক সমস্যাগুলোই প্রবন্ধের বিষয় হিসেবে নির্বাচিত হয়। এখানে ‘দুর্নীতি’ এবং ‘মাদকাসক্তি’—দুটি বিষয়ই বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক এবং জ্বলন্ত সমস্যা। এই ধরনের পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়ার মূল মন্ত্র হলো গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে তথ্যভিত্তিক লেখা উপস্থাপন করা। যখন আপনি ‘দুর্নীতি: কারণ ও প্রতিকার’ বিষয়টি নির্বাচন করবেন, তখন শুধুমাত্র দুর্নীতির সংজ্ঞা না দিয়ে এর আর্থ-সামাজিক প্রভাব, প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রিতা এবং নৈতিক অবক্ষয়ের দিকগুলো তুলে ধরতে হবে। একইভাবে ‘মাদকাসক্তি’ নিয়ে লেখার সময় যুবসমাজের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব ও পারিবারিক ভাঙনের চিত্র ফুটিয়ে তুলতে হয়।
পরীক্ষায় এমন টপিক দেওয়ার মূল উদ্দেশ্য হলো প্রার্থীর চিন্তাশক্তি এবং সমাজ সচেতনতা যাচাই করা। আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে চাকরি করতে হলে প্রার্থীর মধ্যে ন্যায়বোধ ও সামাজিক ব্যাধি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকা আবশ্যক। ভবিষ্যতে যারা পরীক্ষা দেবেন, তাদের মনে রাখা উচিত যে, রচনা বা প্রবন্ধ লেখার সময় পয়েন্ট আকারে লেখা, যেমন—ভূমিকা, সমস্যার কারণ, বর্তমান পরিস্থিতি (পরিসংখ্যানসহ), প্রতিকার এবং উপসংহার—এই কাঠামো অনুসরণ করলে নম্বর বেশি আসে। Lawjusticediv job question solution 2026 খুঁজছেন যারা, তাদের জন্য পরামর্শ হলো, রচনায় আবশ্যই সাম্প্রতিক কোনো ডেটা বা মনীষীদের উক্তি ব্যবহার করবেন, এতে পরীক্ষকের কাছে খাতার গ্রহণযোগ্যতা বাড়ে। মূলত, আপনার লেখার উপস্থাপনা ও বানান সতর্কতাই আপনাকে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রাখবে।
২. নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দিন:
প্রশ্ন: ক. ‘আমাদের সেনারা সাহসে দুর্জয়, যুদ্ধে অপরাজয়।’— এখানে ‘যুদ্ধে’ কোন কারকের উদাহরণ?
উত্তর: অধিকরণ কারক।
ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণের কারক অধ্যায়টি যেকোনো সরকারি চাকরির পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যটিতে ‘যুদ্ধে’ শব্দটির নিচে দাগ দেওয়া বা নির্দেশ করা হয়েছে। ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধার (স্থান)-কে অধিকরণ কারক বলে। এখানে ‘যুদ্ধ’ একটি স্থান বা ক্ষেত্র বা পরিস্থিতির নির্দেশক যেখানে সেনারা অপরাজয়। আমরা যদি ক্রিয়াকে ‘কোথায়’ বা ‘কিসে’ দিয়ে প্রশ্ন করি এবং উত্তর পাওয়া যায়, তবে সেটি অধিকরণ কারক হয়। সেনারা কোথায় অপরাজয়? উত্তর হলো—যুদ্ধে। যেহেতু এটি একটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্র বা বিষয়কে বোঝাচ্ছে, তাই এটি বিষয়াধিকরণ বা ভাবাধিকরণ কারকের অন্তর্ভুক্ত, যা মূলত অধিকরণ কারকেরই একটি প্রকারভেদ।
জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের অফিস সহায়ক প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এর ব্যাকরণ অংশের এই প্রশ্নটি বেশ স্ট্যান্ডার্ড। অনেক পরীক্ষার্থী ভুল করে একে কর্ম কারক বা করণ কারক ভাবতে পারেন। কিন্তু মনে রাখার সহজ কৌশল হলো—স্থান, কাল বা পাত্র বোঝালে এবং সপ্তম বিভক্তি (এ, য়, তে) যুক্ত থাকলে সেটি নির্দ্বিধায় অধিকরণ কারক। এখানে ‘যুদ্ধ’ শব্দের সাথে ‘এ’ বিভক্তি যুক্ত হয়ে ‘যুদ্ধে’ হয়েছে। Office Support Staf প্রশ্ন উত্তর ২০২৬ এর বিশ্লেষণে দেখা যায়, কারক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ব্যাকরণের এই মৌলিক নিয়মগুলো বারংবার পরীক্ষায় ফিরে আসে। তাই কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ের সময় ক্রিয়াকে প্রশ্ন করার কৌশলটি ভালোভাবে রপ্ত করতে হবে।
প্রশ্ন: খ. বাংলাদেশ একটি উন্নতশীল রাষ্ট্র।— বাক্যটি শুদ্ধ করে লিখুন।
উত্তর: বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল রাষ্ট্র।
ব্যাখ্যা:
বাক্য শুদ্ধিকরণ অংশে প্রায়ই এমন সব শব্দ দেওয়া হয় যা দেখতে বা শুনতে সঠিক মনে হলেও ব্যাকরণগত বা অর্থগতভাবে ভুল। এখানে ‘উন্নতশীল’ শব্দটি একটি ভুল প্রয়োগ। কোনো দেশ বা রাষ্ট্র যখন উন্নতির পথে ধাবমান থাকে কিন্তু এখনো পুরোপুরি উন্নত বা ‘Developed’ হয়ে ওঠেনি, তখন তাকে ‘Developing’ বা ‘উন্নয়নশীল’ বলা হয়। ‘উন্নত’ মানে যা ইতিমধ্যে শিখরে পৌঁছেছে, আর ‘উন্নয়নশীল’ মানে যা এখনো প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, তাই এর সঠিক বিশেষণ হবে উন্নয়নশীল। উন্নতশীল শব্দটি বাংলা ব্যাকরণ বা শব্দভাণ্ডারে সেভাবে গ্রহণযোগ্য বা প্রচলিত নয়, এটি একটি অপপ্রয়োগ।
জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের অফিস সহায়ক লিখিত পরীক্ষার সমাধান ২০২৬ এ এই ধরনের শুদ্ধিকরণ আসার কারণ হলো প্রার্থীর শব্দচয়ন দক্ষতা যাচাই করা। সরকারি দপ্তরে অফিশিয়াল নথিপত্রে সঠিক শব্দ ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। ভুল শব্দ ব্যবহারের ফলে বাক্যের অর্থের বিভ্রান্তি ঘটতে পারে। মনে রাখার সহজ নিয়ম হলো—‘শীল’ প্রত্যয়টি সাধারণত চলমান প্রক্রিয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যেমন—গতিশীল, প্রগতিশীল। তাই উন্নতির প্রক্রিয়ায় থাকা রাষ্ট্র হলো উন্নয়নশীল। যারা lawjusticediv job question solution 2026 এর প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তারা মনে রাখবেন, বাক্যের অর্থ বুঝে সঠিক পারিভাষিক শব্দ ব্যবহার করাটাই শুদ্ধিকরণের মূল চাবিকাঠি।
প্রশ্ন: গ. ‘সাক্ষী গোপাল’ বাগধারাটির অর্থ উল্লেখ করে বাক্য রচনা করুন।
উত্তর: সাক্ষী গোপাল (নিষ্ক্রিয় দর্শক) = কিছুই যখন বলতে পারবে না তাহলে সাক্ষী গোপাল মতো এখানে বসে আছো কেন?
ব্যাখ্যা:
‘সাক্ষী গোপাল’ বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত বাগধারা। এর আক্ষরিক অর্থ বা উৎস হলো এক পৌরাণিক কাহিনি যেখানে গোপাল বিগ্রহ বা মূর্তি সাক্ষী দিতে এসেছিলেন। কিন্তু বর্তমানে বাগধারা হিসেবে এর অর্থ দাঁড়িয়েছে এমন ব্যক্তি যিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকেন কিন্তু কোনো ভূমিকা পালন করেন না বা কোনো প্রতিবাদ করেন না; সহজ কথায় ‘নিষ্ক্রিয় দর্শক’। অফিস আদালতের কাজে প্রায়ই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় যেখানে কাউকে সাক্ষী বা উপস্থিত থাকতে হয়, কিন্তু তাদের কোনো সক্রিয় ভূমিকা থাকে না। সেই প্রেক্ষাপট থেকেই এই বাগধারাটি চাকরির পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ।
জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের অফিস সহায়ক প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এ বাগধারাটি দেওয়ার মাধ্যমে পরীক্ষকের উদ্দেশ্য হলো প্রার্থী বাংলা ভাষার আলঙ্কারিক প্রয়োগ জানে কিনা তা দেখা। বাক্য রচনার ক্ষেত্রে এমন বাক্য তৈরি করতে হবে যা বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থকে স্পষ্ট করে। যেমন উত্তরে দেওয়া বাক্যটি—”কিছুই যখন বলতে পারবে না তাহলে সাক্ষী গোপাল মতো এখানে বসে আছো কেন?”—এটি দিয়ে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে ব্যক্তিটি উপস্থিত থেকেও কোনো কাজে আসছে না। Office Support Staf প্রশ্ন উত্তর ২০২৬ এর জন্য বাগধারা ও প্রবাদ-প্রবচন অংশটি সবসময়ই হাই-স্কোরিং। মনে রাখার কৌশল হিসেবে মনে রাখবেন, গোপাল যেমন মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে থাকে, তেমনি কোনো ব্যক্তি যখন মূর্তির মতো নিষ্ক্রিয় থাকে, তাকেই সাক্ষী গোপাল বলা হয়।
প্রশ্ন: ঘ. বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক কে?
উত্তর: মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
ব্যাখ্যা:
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মাইকেল মধুসূদন দত্ত এক অবিস্মরণীয় নাম। তিনি বাংলা কবিতায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসেন, যার প্রধান হাতিয়ার ছিল ‘অমিত্রাক্ষর ছন্দ’। এর আগে বাংলা কবিতা ছিল মূলত পয়ার ছন্দে রচিত, যেখানে চরণের শেষে অন্তমিল থাকত। মধুসূদন দত্ত সেই প্রথা ভেঙে চরণের শেষের মিল বর্জন করেন এবং ভাবের প্রবাহকে পরবর্তী চরণে নিয়ে যাওয়ার স্বাধীনতা তৈরি করেন। একেই বলা হয় অমিত্রাক্ষর ছন্দ (Blank Verse)। ১৮৬০ সালে প্রকাশিত তাঁর ‘পদ্মাবতী’ নাটকে তিনি প্রথম এই ছন্দের পরীক্ষামূলক ব্যবহার করেন এবং পরবর্তীতে ‘মেঘনাদবধ’ কাব্যে এর সার্থক ও মহাকাব্যিক রূপ দেন।
জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন বিশ্লেষণ ২০২৬ এ সাহিত্যের এই প্রশ্নটি আসার কারণ হলো বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ভিত্তি সম্পর্কে প্রার্থীর জ্ঞান যাচাই করা। মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা কবিতার জনক হিসেবে স্বীকৃত। এই প্রশ্নটি বিসিএস থেকে শুরু করে যেকোনো সরকারি চাকরির পরীক্ষায় অত্যন্ত কমন। মনে রাখার সহজ উপায় হলো—যিনি বাংলা কবিতায় ‘মিত্রতা’ বা ‘মিল’ ভেঙে দিয়েছিলেন, তিনিই অমিত্রাক্ষর ছন্দের জনক, আর তিনি হলেন বিদ্রোহী স্বভাবের মাইকেল মধুসূদন দত্ত। lawjusticediv job question solution 2026 এর সাহিত্য অংশে ভালো করতে হলে পিএসসি নির্ধারিত ১১ জন সাহিত্যিক সম্পর্কে বিস্তারিত জানা জরুরি।
প্রশ্ন: ঙ. ‘ঘাতক’ এর বিপরীত শব্দ কী?
উত্তর: পালক।
ব্যাখ্যা:
‘ঘাতক’ শব্দটির অর্থ হলো যে হত্যা করে বা আঘাত করে। এর বিপরীতার্থক শব্দ খুঁজতে হলে আমাদের এমন একটি শব্দ বের করতে হবে যা জীবন রক্ষা বা লালন-পালন করার অর্থ বহন করে। সেই হিসেবে ‘পালক’ শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত। ‘পালক’ অর্থ হলো যিনি লালন-পালন করেন বা রক্ষা করেন। যেমন পিতা-মাতা সন্তানের পালক। অন্যদিকে ঘাতক হলো ধ্বংসকারী। সৃষ্টি ও ধ্বংস, জীবন ও মৃত্যু—এই দ্বান্দ্বিক সম্পর্কের মতোই ঘাতক ও পালক একে অপরের সম্পূর্ণ বিপরীত। সরকারি চাকরির পরীক্ষায় বিপরীত শব্দ অংশে সাধারণত এমন শব্দ দেওয়া হয় যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এবং অফিশিয়াল শব্দচয়নে ব্যবহৃত হতে পারে।
জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের অফিস সহায়ক লিখিত পরীক্ষার সমাধান ২০২৬ এর এই অংশটি বেশ সহজ মনে হলেও অনেক সময় পরীক্ষার্থীরা বিভ্রান্ত হয়ে ‘রক্ষক’ শব্দটি লিখতে পারেন। যদিও ‘রক্ষক’ শব্দটি ভুল নয়, তবে ‘ঘাতক’ এর সাথে ‘পালক’ শব্দটি ওজনে ও অর্থে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ (যেমন—রাজা ও প্রজা, শোষক ও পালক)। ব্যাকরণগতভাবে তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ তৎসম হওয়াই বাঞ্ছনীয়। তাই ‘ঘাতক’ (তৎসম) এর বিপরীতে ‘পালক’ (তৎসম) ব্যবহার করাই শ্রেয়। Office Support Staf প্রশ্ন উত্তর ২০২৬ এ শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার জন্য বিপরীত শব্দ, সমার্থক শব্দ ও এককথায় প্রকাশ নিয়মিত চর্চা করা প্রয়োজন।
প্রশ্ন: চ. কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থে প্রকাশিত হয়?
উত্তর: অগ্নিবীণা।
ব্যাখ্যা:
কাজী নজরুল ইসলাম, আমাদের জাতীয় কবি, বাংলা সাহিত্যে ধূমকেতুর মতো আবির্ভূত হয়েছিলেন। তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত এবং কালজয়ী সৃষ্টি হলো ‘বিদ্রোহী’ কবিতা। এই কবিতাটি ১৯২১ সালের ডিসেম্বর মাসে রচিত হয় এবং ১৯২২ সালে প্রকাশিত তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’য় স্থান পায়। ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া একটি গ্রন্থ। এই কাব্যে মোট ১২টি কবিতা রয়েছে, যার মধ্যে ‘বিদ্রোহী’ অন্যতম। এই কবিতার মাধ্যমেই নজরুল ‘বিদ্রোহী কবি’ হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন এবং বাঙালির জাগরণে এই কবিতা ও কাব্যগ্রন্থের ভূমিকা অপরিসীম।
জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের অফিস সহায়ক প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এ নজরুলের সাহিত্যকর্ম থেকে প্রশ্ন আসাটা খুবই স্বাভাবিক। কারণ, সরকারি চাকরিতে দেশপ্রেম ও জাতীয় চেতনার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। অনেক পরীক্ষার্থী ভুল করে ‘বিষের বাঁশি’ বা ‘সাম্যবাদী’ কাব্যগ্রন্থের নাম দাগিয়ে আসেন। কিন্তু মনে রাখার সহজ কৌশল হলো—নজরুলের আগুনের মতো তেজ যে বইতে, সেটাই ‘অগ্নিবীণা’, আর সেখানেই আছে তাঁর সবচেয়ে তেজি কবিতা ‘বিদ্রোহী’। lawjusticediv job question solution 2026 বা যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, উপন্যাস ও গল্পগ্রন্থের নাম ঠোঁস্থ রাখা জরুরি।
প্রশ্ন: ছ. শুধুমাত্র তুমি গেলেই হবে।— বাক্যটি শুদ্ধ করে লিখুন।
উত্তর: শুধু তুমি গেলেই হবে।
ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণের বাক্য শুদ্ধিকরণ অধ্যায়ে ‘বাহুল্যতা দোষ’ বা ‘অতিরিক্ত শব্দের ব্যবহার’ একটি সাধারণ ভুল। এই বাক্যে ‘শুধুমাত্র’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। ‘শুধু’ এবং ‘মাত্র’—উভয় শব্দই সীমাবদ্ধতা বা এককত্ব প্রকাশ করে। একই বাক্যে, এমনকি একই পদের সাথে দুটি সমার্থক শব্দ ব্যবহার করা বাহুল্য দোষের পর্যায়ে পড়ে। হয় বলতে হবে ‘শুধু তুমি’, না হয় বলতে হবে ‘তুমি মাত্র’। কিন্তু ‘শুধুমাত্র’ শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। আধুনিক বাংলা প্রমিত রীতি অনুযায়ী, ‘কেবলমাত্র’, ‘শুধুমাত্র’—এই শব্দগুলো পরিহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের অফিস সহায়ক পরীক্ষার প্রশ্ন বিশ্লেষণ ২০২৬ এ দেখা যায়, পরীক্ষক প্রার্থীর সূক্ষ্ম ব্যাকরণ জ্ঞান যাচাই করতে চেয়েছেন। আমরা দৈনন্দিন কথাবার্তায় অহরহ ‘শুধুমাত্র’ বলে থাকি, কিন্তু লিখিত বাংলায় এটি ভুল। সঠিক বাক্যটি হবে ‘শুধু তুমি গেলেই হবে’। এটি অনেক বেশি শ্রুতিমধুর এবং ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল। Office Support Staf প্রশ্ন উত্তর ২০২৬ এ যারা ভালো করতে চান, তাদের বচন, লিঙ্গ এবং বাহুল্য দোষজনিত অশুদ্ধিগুলো সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। মনে রাখবেন, ‘Less is more’—অপ্রয়োজনীয় শব্দ বাদ দেওয়াই শুদ্ধ ভাষা ব্যবহারের প্রথম শর্ত।
অফিস সহায়ক লিখিত প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ (English Part)
ইংরেজি অংশের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে নির্ভুল অফিস সহায়ক লিখিত প্রশ্ন সমাধান ২০২৬। Grammar, Vocabulary, Sentence correction ও Translation প্রশ্নগুলো সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে। প্রতিটি উত্তরের পেছনের নিয়ম সংক্ষেপে তুলে ধরা হয়েছে। যারা ইংরেজিতে ভয় পান, তাদের জন্য এই সমাধান বিশেষ উপকারী। পরীক্ষার ধরণ বুঝতেও সাহায্য করবে এই ইংরেজি প্রশ্ন বিশ্লেষণ।
৩. বাংলায় অনুবাদ করুন:
প্রশ্ন: Health is wealth. The sound condition of body means health. A good health is guarantee for happiness. A healthy day labourer also can enjoy a sound sleep at night with his entire satisfaction of mind. A healthy man is an asset to his family. On the other hand, a sick man is a liability to all.
উত্তর:
স্বাস্থ্যই সম্পদ। শরীরের সুস্থ বা নিরোগ অবস্থাকেই স্বাস্থ্য বলে। ভালো স্বাস্থ্য সুখের নিশ্চয়তা। একজন সুস্থ দিনমজুরও মনের পূর্ণ সন্তুষ্টি নিয়ে রাতে গভীর বা শান্তির ঘুম উপভোগ করতে পারেন। একজন স্বাস্থ্যবান ব্যক্তি তার পরিবারের জন্য সম্পদ। অন্যদিকে, একজন অসুস্থ ব্যক্তি সবার জন্যই বোঝা বা দায়।
ব্যাখ্যা:
অনুবাদ অংশের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রার্থী ইংরেজি ভাষা কতটা বোঝেন এবং তা নিজের মাতৃভাষায় কতটা সাবলীলভাবে উপস্থাপন করতে পারেন তা যাচাই করা। এই অনুচ্ছেদটি ‘স্বাস্থ্য’ বিষয়ক একটি চিরাচরিত প্যারাগ্রাফ থেকে নেওয়া।
১. “Health is wealth”—এটি একটি প্রবাদ, যার সর্বজনীন বাংলা হলো “স্বাস্থ্যই সম্পদ”।
২. “The sound condition of body means health”—এখানে ‘Sound condition’ অর্থ শব্দের অবস্থা নয়, বরং ‘সুস্থ’ বা ‘ত্রুটিমুক্ত’ অবস্থা। তাই অনুবাদে ‘শরীরের সুস্থ অবস্থা’ লেখা হয়েছে।
৩. “A good health is guarantee for happiness”—এখানে ‘Guarantee’ শব্দের অর্থ নিশ্চয়তা। অর্থাৎ সুখের পূর্বশর্তই হলো ভালো শরীর।
৪. “A healthy day labourer also can enjoy a sound sleep”—এখানে ‘Day labourer’ অর্থ দিনমজুর। আর ‘Sound sleep’ এর ভাবানুবাদ হলো ‘গভীর ঘুম’ বা ‘শান্তির ঘুম’। আক্ষরিক অনুবাদের চেয়ে ভাবানুবাদ এখানে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
৫. “A healthy man is an asset to his family”—’Asset’ শব্দের অর্থ সম্পদ। একজন কর্মক্ষম মানুষ পরিবারের শক্তি।
৬. “Liability to all”—’Liability’ শব্দটি অর্থনৈতিক বা আইনি ভাষায় ‘দায়’ বা ‘ঋণ’ বোঝালেও, এখানে সামাজিকভাবে ‘বোঝা’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের অফিস সহায়ক লিখিত পরীক্ষার সমাধান ২০২৬ এ অনুবাদের জন্য এমন টপিক বেছে নেওয়া হয়েছে যা সহজবোধ্য কিন্তু ভাব প্রকাশে দক্ষ হতে হয়। আক্ষরিক অনুবাদ করলে বাক্যগুলো রোবটিক শোনাবে। যেমন “শব্দময় ঘুম” না লিখে “গভীর ঘুম” লেখাটাই একজন দক্ষ প্রার্থীর পরিচয়। lawjusticediv job question solution 2026 এর এই অনুবাদ অংশটি আমাদের শিক্ষা দেয় যে, ইংরেজি শব্দের আভিধানিক অর্থের চেয়ে প্রাসঙ্গিক অর্থ (Contextual Meaning) বোঝা বেশি জরুরি।
আপনাদের প্রস্তুতির সুবিধার্থে এখন আমি প্রশ্নপত্রের পরবর্তী অংশ অর্থাৎ ৫ থেকে ৬ নং প্রশ্নের পূর্ণাঙ্গ সমাধান ও ব্যাখ্যা তুলে ধরছি। লক্ষ্য করুন, আপলোডকৃত প্রশ্নপত্রে ৪ নং প্রশ্নটি দৃশ্যমান নয়, তাই সরাসরি ৫ ও ৬ নং প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেওয়া হলো। একজন পরীক্ষক হিসেবে আমি প্রতিটি অংশের খুঁটিনাটি এমনভাবে বিশ্লেষণ করব যেন আপনারা সহজেই বিষয়গুলো আত্মস্থ করতে পারেন।
৫. Read the text below and fill in the blanks from the box. Make grammatical changes if necessary.
Words in the box: modern, satisfied, utensil, counterparts, traditional, vigour, separate, naive, energy, full, assume, lack.
Text: In a (k)…. society like ours little boys and girls and given (kh) … sets of toys. While toys for boys include cars, guns or footballs, girls have to be (g) … with dolls or miniature cooking (gh)…. The underlying (ng) … is that boys are active and full of (ch) …, but girls are (chh) … and (j) … the intelligence or (jh) … to match their male (n) …
সঠিক উত্তর:
(k) traditional
(l) separate
(m) satisfied
(n) utensils
(o) assumption
(p) vigor
(q) naive
(r) lack
(s) energy
(t) counterparts
ব্যাখ্যা:
জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের অফিস সহায়ক প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এর ইংরেজি অংশের এই ‘Cloze Test with Clues’ বা শূন্যস্থান পূরণটি পরীক্ষার্থীদের ইংরেজি গ্রামার এবং শব্দভাণ্ডার (Vocabulary) যাচাইয়ের জন্য অত্যন্ত চমৎকার একটি প্রশ্ন। প্রশ্নটি আমাদের সমাজের চিরায়ত লিঙ্গ বৈষম্য বা Gender Discrimination-এর ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
প্রথমেই (k) তে ‘traditional’ শব্দটি ব্যবহার হয়েছে কারণ ‘society’ বা সমাজ শব্দটি নাউন, আর একে মডিফাই করার জন্য একটি অ্যাডজেক্টিভ প্রয়োজন। আমাদের সমাজব্যবস্থা যেহেতু প্রাচীন ধ্যানধারণা লালন করে, তাই এখানে ‘Modern’ না হয়ে ‘Traditional’ শব্দটি উপযুক্ত। (kh) তে ‘separate’ বসেছে কারণ ছেলে ও মেয়েদের খেলনার তালিকা ভিন্ন ভিন্ন, তাই তাদের ‘আলাদা’ বা ‘separate’ সেট দেওয়া হয়। (g) তে ‘satisfied’ বা সন্তুষ্ট শব্দটি এসেছে কারণ মেয়েদের পুতুল খেলেই খুশি থাকতে বাধ্য করা হয়, এটি একটি প্যাসিভ সেন্স তৈরি করছে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো গ্রামাটিক্যাল পরিবর্তনগুলো লক্ষ্য করা। যেমন বক্সে ছিল ‘utensil’ (একবচন), কিন্তু (gh) তে উত্তর হয়েছে ‘utensils’ (বহুবচন), কারণ রান্নার সরঞ্জামাদি বোঝাচ্ছে। একইভাবে (ng) তে ‘assume’ (ভার্ব) পরিবর্তিত হয়ে ‘assumption’ (নাউন) হয়েছে, কারণ ‘The underlying…’ এর পর একটি নাউন বসা আবশ্যক। (ch) তে ‘vigour’ শব্দটি আমেরিকান স্পেলিং-এ ‘vigor’ হিসেবে বা সরাসরি ‘vigour’ হিসেবেও বসানো যায়, যা ছেলেদের প্রাণশক্তি বা উদ্যম বোঝায়। মেয়েদের ক্ষেত্রে (chh) তে ‘naive’ বা সরল/বোকা শব্দটি ব্যবহার করে সমাজের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দেখানো হয়েছে। (j) তে ‘lack’ ভার্বটি বসেছে কারণ সাবজেক্ট (girls) এর পর মূল ভার্ব প্রয়োজন। সবশেষে (n) এ ‘counterparts’ শব্দটি দিয়ে বোঝানো হয়েছে যে মেয়েদের তাদের পুরুষ ‘সমকক্ষ’ বা সঙ্গীদের সাথে তুলনা করা হচ্ছে।
Office Support Staf প্রশ্ন উত্তর ২০২৬ বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই ধরনের প্রশ্নে ভালো করতে হলে শুধুমাত্র শব্দের অর্থ জানলেই হয় না, বাক্যে শব্দের অবস্থান (Parts of Speech) এবং প্রসঙ্গ (Context) বোঝার দক্ষতা থাকতে হয়। যারা lawjusticediv job question solution 2026 খুঁজছেন, তাদের জন্য পরামর্শ হলো—আগামীতে এমন প্যাসেজ সলভ করার সময় আগে পুরো প্যাসেজটি একবার রিডিং পড়ে মূল ভাবটি বোঝার চেষ্টা করবেন। এতে সঠিক শব্দ নির্বাচন সহজ হয়।
৬. Translate into English:
ক. শোনা কথায় বিশ্বাস করো না।
খ. কুয়াশার কারণে আমরা বাইরে যেতে পারিনি।
গ. আমার যদি পাখির মত ডানা থাকতো!
ঘ. সে এতো দুর্বল যে নড়াচড়া করতে পারে না।
সঠিক উত্তর:
ক. Don’t believe hearsay.
খ. Due to the fog, we couldn’t go out.
গ. Had I the wings of a bird.
ঘ. He is so weak that he cannot move.
ব্যাখ্যা:
বাংলা থেকে ইংরেজি অনুবাদ বা Translation অংশটি সরকারি চাকরির পরীক্ষায় প্রার্থীর ভাষাগত দক্ষতা প্রমাণের অন্যতম জায়গা। এখানে আক্ষরিক অনুবাদের চেয়ে ভাবানুবাদ এবং সঠিক টেন্স ও স্ট্রাকচার ব্যবহার করাটা মুখ্য।
প্রথম বাক্য, “শোনা কথায় বিশ্বাস করো না।”—এখানে ‘শোনা কথা’র সঠিক ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো ‘Hearsay’। অনেকেই ভুল করে ‘Listened word’ বা অন্য কিছু লিখতে পারেন, যা সম্পূর্ণ ভুল। এটি একটি উপদেশমূলক বা Imperative sentence, তাই ‘Don’t’ দিয়ে বাক্য শুরু হয়েছে। জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের অফিস সহায়ক লিখিত পরীক্ষার সমাধান ২০২৬ এ এমন ইডিম্যাটিক বা প্রবাদধর্মী বাক্য প্রায়ই দেখা যায়।
দ্বিতীয় বাক্য, “কুয়াশার কারণে আমরা বাইরে যেতে পারিনি।”—এখানে ‘কারণে’ বোঝাতে ‘Due to’ বা ‘Because of’ ব্যবহার করা যায়। বাক্যটি অতীতকালের (পারিনি), তাই ‘cannot’ না হয়ে ‘could not’ বা ‘couldn’t’ ব্যবহার করা হয়েছে। ‘Due to the fog’ অংশটি বাক্যের শুরুতে বা শেষে—উভয় জায়গাতেই বসানো যেতে পারে।
তৃতীয় বাক্য, “আমার যদি পাখির মত ডানা থাকতো!”—এটি একটি অসম্ভব ইচ্ছা বা Subjunctive Mood প্রকাশ করছে। সাধারণ নিয়মে ‘If I had the wings of a bird’ লেখা যায়। কিন্তু সাহিত্যের ভাষায় বা জোর দিতে ‘Had I…’ স্ট্রাকচারটি বেশি স্মার্ট এবং গ্রামাটিক্যালি সঠিক। এই ধরনের বাক্যে ‘Had’ শুরুতে বসালে ‘If’ এর কাজ করে। Office Support Staf প্রশ্ন উত্তর ২০২৬ এর মানবণ্টন অনুযায়ী এই ধরনের স্মার্ট ট্রান্সলেশন পরীক্ষকের নজর কাড়ে।
চতুর্থ বাক্য, “সে এতো দুর্বল যে নড়াচড়া করতে পারে না।”—এটি ‘So…that’ এর নিয়ম। যখন কোনো কারণ ও তার ফলাফল এত তীব্র হয় যে নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ পায়, তখন এই স্ট্রাকচার ব্যবহৃত হয়। ‘He is so weak’ (সে এতটাই দুর্বল) ‘that’ (যে) ‘he cannot move’ (সে নড়তে পারে না)। এটি একটি কমপ্লেক্স সেন্টেন্স। যারা lawjusticediv job question solution 2026 এর প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তারা মনে রাখবেন—‘Too…to’ (He is too weak to move) নিয়মটিও এখানে সঠিক হতো, তবে প্রশ্নে ‘যে’ শব্দটি থাকায় ‘that’ যুক্ত ক্লজ ব্যবহার করাটাই অধিক যুক্তিযুক্ত।
প্রিয় পরীক্ষার্থী বন্ধুরা, আমাদের ধারাবাহিক প্রশ্ন সমাধানের এ পর্যায়ে আমরা আলোচনা করব ৭ নং গণিত এবং ৮ নং সাধারণ জ্ঞান অংশ নিয়ে। এই অংশটি সরকারি চাকরির পরীক্ষায় ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে কাজ করে। গণিতে পূর্ণ নম্বর পাওয়া মানেই মেধাতালিকায় অনেকটা এগিয়ে যাওয়া। আর সাধারণ জ্ঞান অংশটি আপনার সমসাময়িক বিশ্ব ও বাংলাদেশ সম্পর্কে ধারণার গভীরতা প্রমাণ করে। চলুন, একজন অভিজ্ঞ শিক্ষকের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এই প্রশ্নগুলোর ‘পোস্টমর্টেম’ বা গভীর বিশ্লেষণ করা যাক।
অফিস সহায়ক লিখিত প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ (গণিত অংশ)
গণিত অংশে আসা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো নিয়ে সাজানো হয়েছে এই অফিস সহায়ক লিখিত প্রশ্ন সমাধান ২০২৬। শতকরা, লাভ-ক্ষতি, সাধারণ যোগ-বিয়োগ ও সময়ভিত্তিক অংকগুলো ধাপে ধাপে সমাধান করা হয়েছে। কোথায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, সেটাও আলাদা করে দেখানো হয়েছে। কম সময়ে সঠিক উত্তর বের করার কৌশল রাখা হয়েছে। নতুন ও পুরোনো পরীক্ষার্থীদের জন্য এই গণিত বিশ্লেষণ হবে দারুণ সহায়ক।
৭. নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দিন: (মান: ৪ x ৫ = ২০)
প্রশ্ন: ক. দুই অংকবিশিষ্ট কোন সংখ্যার সমষ্টি ১২ এবং সংখ্যাটির অংকদ্বয়ের গুণফল ৩২ হলে সংখ্যাটি কত?
উত্তর: ৪৮ (অথবা ৮৪)।
ব্যাখ্যা:
গণিত অংশের এই প্রশ্নটি সংখ্যাতত্ত্ব বা Number System-এর একটি ক্লাসিক উদাহরণ। এখানে পরীক্ষকের উদ্দেশ্য হলো প্রার্থীর সমীকরণ সাজানোর দক্ষতা যাচাই করা।
প্রশ্নে বলা হয়েছে অংকদ্বয়ের সমষ্টি ১২, অর্থাৎ $x + y = 12$ এবং গুণফল ৩২, অর্থাৎ $xy = 32$।
এখানে আমরা বীজগণিতের $(x – y)^2 = (x + y)^2 – 4xy$ সূত্রটি ব্যবহার করে সহজেই অংক দুটির পার্থক্য বের করতে পারি।
মান বসালে পাই: $(12)^2 – 4(32) = 144 – 128 = 16$।
সুতরাং, $x – y = 4$।
এখন, $(x + y) = 12$ এবং $(x – y) = 4$ যোগ করলে পাই $2x = 16$ বা $x = 8$। তাহলে $y = 4$।
সংখ্যাটি গঠনের নিয়ম হলো: $(10 \times \text{দশক স্থানীয় অংক}) + \text{একক স্থানীয় অংক}$।
যদি দশক স্থানীয় অংক ৪ ধরি তবে $48$, আর ৮ ধরলে $84$। তবে অপশনে বা সাধারণ নিয়মে ছোট থেকে বড় ক্রমে সাজানো হয়, বা যেকোনো একটি উত্তরই সঠিক। জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের অফিস সহায়ক প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এ এই ধরনের অংকে শর্টকাট টেকনিক হলো—মনে মনে এমন দুটি সংখ্যা ভাবা যাদের যোগ করলে ১২ হয় (যেমন: ৬+৬, ৮+৪, ৭+৫) এবং গুণ করলে ৩২ হয়। ৮ এবং ৪ ই একমাত্র জুটি যা এই শর্ত পূরণ করে।
প্রশ্ন: খ. সরল কর: $\frac{x^2}{ab} + \frac{(x+a)^2}{a(a-b)} – \frac{(x+b)^2}{b(a-b)}$
উত্তর: ১
ব্যাখ্যা:
বীজগণিতের সরলীকরণের এই অংকটি লসাগু (LCM) এবং উৎপাদকে বিশ্লেষণের চমৎকার সমন্বয়। প্রথমে হরগুলোর লসাগু $ab(a-b)$ নির্ণয় করতে হয়। এরপর লবগুলোর সাথে হরের সম্পর্ক স্থাপন করে গুণ করতে হয়।
এখানে মূল ট্রিকটি হলো চিহ্নের সঠিক ব্যবহার। মাইনাস চিহ্ন থাকার কারণে ব্র্যাকেটের ভেতরের চিহ্নগুলো পরিবর্তন হয়ে যায়, যা অনেক পরীক্ষার্থী তাড়াহুড়োয় ভুল করেন। বিস্তারের পর দেখা যায় $ax^2, bx^2$ এবং $2abx$ এর মতো বড় পদগুলো একে অপরের সাথে কাটাকাটি হয়ে যায় (Cancel out)।
অবশেষে লবে থাকে $a^2b – ab^2$, যা থেকে $ab$ কমন নিলে দাঁড়ায় $ab(a-b)$।
নিচেও একই মান $ab(a-b)$ থাকায় ভাগফল হয় $1$।
Office Support Staf প্রশ্ন উত্তর ২০২৬ এর গণিত অংশে এমন বড় সরলের উত্তর সাধারণত ০ বা ১ হয়, তবে মুখস্থ না করে লজিক দিয়ে মেলানোই বুদ্ধিমানের কাজ।
প্রশ্ন: গ. ১০০ টাকায় ৪টি কমলা এবং ১২টি আপেল ক্রয় করা যায় অথবা ১০টি কমলা এবং ৫টি আপেল ক্রয় করা যায়। একটি কমলা এবং একটি আপেলের মূল্য নির্ণয় করুন।
উত্তর: একটি কমলার মূল্য ৭ টাকা ও একটি আপেলের মূল্য ৬ টাকা।
ব্যাখ্যা:
এটি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সরল সমীকরণ বা System of Linear Equations-এর বাস্তব প্রয়োগ।
ধরি, ১টি কমলার দাম $x$ টাকা এবং ১টি আপেলের দাম $y$ টাকা।
প্রথম শর্তমতে: $4x + 12y = 100$
দ্বিতীয় শর্তমতে: $10x + 5y = 100$
এখানে অপনয়ন (Elimination) পদ্ধতি ব্যবহার করা সবচেয়ে সুবিধাজনক। সমীকরণগুলোর সহগ (Coefficient) সমান করার জন্য প্রথমটিকে ৫ দিয়ে এবং দ্বিতীয়টিকে ১২ দিয়ে গুণ করে বিয়োগ করলে $x$-এর মান বের হয়ে আসে।
হিসাব করে দেখা যায়, $x = 7$ এবং $y = 6$।
অর্থাৎ, কমলার দাম ৭ টাকা এবং আপেলের দাম ৬ টাকা।
lawjusticediv job question solution 2026 এর মতো পরীক্ষায় সময়ের সঠিক ব্যবহারের জন্য এই গুণগুলো দ্রুত করার অভ্যাস থাকতে হবে। অনেক সময় অপশন টেস্ট করেও (যেমন ৭ ও ৬ বসিয়ে দেখা ১০০ মেলে কিনা) দ্রুত উত্তর বের করা যায়।
প্রশ্ন: ঘ. একটি আয়তকার বাগানের দৈর্ঘ্য ৩২ মিটার এবং প্রস্থ ২৪ মিটার। বাগানের ভিতরে চারিদিকে ২ মিটার একটি চওড়া রাস্তা আছে। রাস্তার ক্ষেত্রফল কত?
উত্তর: ২০৮ বর্গমিটার।
ব্যাখ্যা:
পরিমিতি বা Mensuration অংশের এই অংকটি খুবই কমন কিন্তু ট্রিকি। এখানে মূল বিষয়টি হলো ‘ভিতরে’ নাকি ‘বাইরে’ রাস্তা—তা খেয়াল করা। প্রশ্নে ‘ভিতরে’ বলা হয়েছে।
১. প্রথমে পুরো বাগানের (রাস্তাসহ) ক্ষেত্রফল বের করতে হবে: $৩২ \times ২৪ = ৭৬৮$ বর্গমিটার।
২. এরপর রাস্তা বাদে বাগানের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ বের করতে হবে। যেহেতু রাস্তা দুই পাশেই আছে, তাই দৈর্ঘ্য থেকে $(২+২) = ৪$ মিটার এবং প্রস্থ থেকে $(২+২) = ৪$ মিটার বাদ যাবে।
নতুন দৈর্ঘ্য: $২৮$ মি., নতুন প্রস্থ: $২০$ মি.।
৩. রাস্তা বাদে ক্ষেত্রফল: $২৮ \times ২০ = ৫৬০$ বর্গমিটার।
৪. রাস্তার ক্ষেত্রফল = মোট ক্ষেত্রফল – রাস্তা বাদে ক্ষেত্রফল = $৭৬৮ – ৫৬০ = ২০৮$ বর্গমিটার।
জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের অফিস সহায়ক লিখিত পরীক্ষার সমাধান ২০২৬ এ যারা ভুল করেন, তারা অনেকেই দৈর্ঘ্য থেকে শুধু ২ মিটার বিয়োগ করেন, যা ভুল। দুই পাশ থেকেই রাস্তা বাদ দিতে হয়।
অফিস সহায়ক লিখিত প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ (GK অংশ)
সাধারণ জ্ঞান অংশে আসা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়গুলো নিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই অফিস সহায়ক লিখিত প্রশ্ন সমাধান ২০২৬। বাংলাদেশ বিষয়াবলি, সাম্প্রতিক ঘটনা ও মৌলিক তথ্যগুলো স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। কোন প্রশ্ন কেন গুরুত্বপূর্ণ, সেটাও সংক্ষেপে উল্লেখ আছে। যারা ভবিষ্যৎ পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য এই GK অংশ হবে একটি কার্যকর রিভিশন গাইড।
৮. নিম্নের প্রশ্নগুলোর উত্তর দিন: (মান: ২০ x ১ = ২০)
এখানে সাধারণ জ্ঞান অংশের ১০টি প্রশ্নের সঠিক উত্তর ও বিশ্লেষণ দেওয়া হলো:
- ক. বাংলাদেশের একমাত্র উপকূলীয় নদীবন্দর কোনটি?
- উত্তর: সন্দ্বীপ (২য় উপকূলীয় নদীবন্দর হাতিয়া, নোয়াখালী)।
- বিশ্লেষণ: সাধারণত নদীমাতৃক বাংলাদেশে অনেক নদীবন্দর থাকলেও ‘উপকূলীয়’ বা Coastal River Port হিসেবে সন্দ্বীপের গুরুত্ব আলাদা। এটি চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত একটি দ্বীপ উপজেলা।
- খ. বাংলাদেশে সর্বশেষ গণভোট অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
- উত্তর: ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৯১ সালে।
- বিশ্লেষণ: বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৩ বার গণভোট হয়েছে। ১৯৯১ সালের এই গণভোটটি ছিল অত্যন্ত ঐতিহাসিক, যার মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা থেকে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় প্রত্যাবর্তন করা হয়। দ্বাদশ সংশোধনী পাসের জন্য এই গণভোট হয়েছিল।
- গ. জাতীয় পরিচয়পত্র (স্মার্ট কার্ড) এর মাধ্যমে কত ধরনের সেবা পাওয়া যাবে?
- উত্তর: ২২।
- বিশ্লেষণ: স্মার্ট কার্ড নিছক পরিচয়পত্র নয়, এটি নাগরিকের ডিজিটাল চাবি। ড্রাইভিং লাইসেন্স, পাসপোর্ট, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা থেকে শুরু করে সরকারি ২২টি জরুরি সেবা পেতে এটি ব্যবহৃত হয়।
- ঘ. দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল কোন জেলায় অবস্থিত?
- উত্তর: লালমনিরহাট।
- বিশ্লেষণ: তিন বিঘা করিডরের সাথে সম্পর্কিত দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত। এটি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের এক ঐতিহাসিক স্মারক।
- ঙ. আয়তন অনুযায়ী বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম জেলা কোনটি?
- উত্তর: নারায়ণগঞ্জ।
- বিশ্লেষণ: আগে মেহেরপুরকে ক্ষুদ্রতম বলা হলেও, সাম্প্রতিক সরকারি গেজেট ও পরিসংখ্যান অনুযায়ী আয়তনে সবচেয়ে ছোট জেলা হলো নারায়ণগঞ্জ (৭৫৯ বর্গ কিমি)। একে ‘প্রাচ্যের ডান্ডি’ও বলা হয়।
- চ. কোন দেশকে ইউরোপের ককপিট বলা হয়?
- উত্তর: বেলজিয়াম।
- বিশ্লেষণ: ইতিহাসে ইউরোপের বড় বড় অনেক যুদ্ধ (যেমন ওয়াটারলু যুদ্ধ) বেলজিয়ামের মাটিতে সংঘটিত হয়েছে। তাই রণক্ষেত্রের উপমা হিসেবে একে ‘ইউরোপের ককপিট’ বলা হয়।
- ছ. জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
- উত্তর: সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- বিশ্লেষণ: সাভারে অবস্থিত আমাদের অহংকার জাতীয় স্মৃতিসৌধের নকশা করেন স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন। ৭টি স্তম্ভের মাধ্যমে তিনি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত ৭টি পর্যায়কে মূর্ত করেছেন।
- জ. বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অভিন্ন নদীর সংখ্যা কত?
- উত্তর: ৫৪টি।
- বিশ্লেষণ: বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে মোট ৫৪টি নদী প্রবাহিত। এর মধ্যে গঙ্গা, তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র প্রধান। পানি বণ্টন চুক্তির ক্ষেত্রে এই ৫৪টি নদীর পরিসংখ্যান জানা জরুরি।
- ঝ. বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ কোনটি?
- উত্তর: সেন্টমার্টিন।
- বিশ্লেষণ: কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত সেন্টমার্টিন দ্বীপটি চুনাপাথর ও প্রবাল দিয়ে গঠিত। একে ‘নারিকেল জিঞ্জিরা’ও বলা হয়। পর্যটন ও জীববৈচিত্র্যের জন্য এটি অনন্য।
- ঞ. বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির নাম কী?
- উত্তর: জুবায়ের রহমান চৌধুরী।
- বিশেষ দ্রষ্টব্য: (প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তর অনুযায়ী)। ২০২৬ সালের প্রেক্ষাপটে প্রশ্নপত্রে এই নাম উল্লেখ করা হয়েছে। বর্তমান সময়ে (বাস্তবে) পরিবর্তন হতে পারে, কিন্তু পরীক্ষার খাতায় বা প্রশ্নপত্রে যা দেওয়া থাকবে বা সেই সময়ের যিনি দায়িত্বে থাকবেন, তাঁর নামই দিতে হবে।
আশা করি, এই ব্যাখ্যাগুলো আপনাদের প্রস্তুতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে। প্রতিটি তথ্যের পেছনের গল্প জানলে তা মনে রাখা সহজ হয়। শুভকামনা সবার জন্য।
