আজ ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ রেলওয়ের ট্রেন এক্সামিনার বা Train Examiner পদের লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের বিস্তারিত সমাধান নিয়ে আমাদের আজকের এই আয়োজন। আপনারা যারা আজকের এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন, তাদের জন্য এই নির্ভুল সমাধানটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক হিসেবে আমি প্রতিটি প্রশ্নের গভীর বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা প্রদান করছি যাতে আপনারা শুধু উত্তর নয়, বরং উত্তরের পেছনের যুক্তিগুলোও স্পষ্টভাবে বুঝতে পারেন। চলুন, ট্রেন এক্সামিনার প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এর বিস্তারিত আলোচনায় প্রবেশ করা যাক।

সকল বিষয় এর রেলওয়ের ট্রেন এক্সামিনার প্রশ্ন সমাধান ২০২৬
আজকে (২৪.০১.২০২৬) অনুষ্ঠিত সকল বিষয় এর রেলওয়ের ট্রেন এক্সামিনার প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ নিম্নে প্রদান করা হলো।
ট্রেন এক্সামিনার ইংরেজি প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ | Grammar ও Vocabulary
আজকের পরীক্ষার ট্রেন এক্সামিনার প্রশ্ন সমাধান ২০২৬–এর ইংরেজি অংশে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে Grammar ও Vocabulary-তে। Synonym, Antonym, Fill in the blanks এবং Sentence correction- সব প্রশ্নের সহজ ও যুক্তিসংগত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। সাধারণ ভুলগুলো আলাদা করে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেন ভবিষ্যতে একই ভুল না হয়। ইংরেজিতে দুর্বল প্রার্থীদের জন্য এই অংশটি হবে একটি নির্ভরযোগ্য সমাধান।
১. Who wrote the following sentence– “Humanity is the solid foundation of all virtues”
ক. Aristotle
খ. Socrates
গ. Plato
ঘ. Confucius
সঠিক উত্তর: ঘ. Confucius
ব্যাখ্যা:
এই উক্তিটি বিশ্ববিখ্যাত চীনা দার্শনিক কনফুসিয়াসের (Confucius)। “Humanity is the solid foundation of all virtues” বা “মানবতাই সকল গুণের বা সদগুণের সুদৃঢ় ভিত্তি”—এই কথাটি কনফুসিয়াসের দর্শনের মূল সুর। ট্রেন এক্সামিনার বা Train Examiner প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে প্রথমেই দর্শনের এই প্রশ্নটি আমাদের সামনে আসে। কনফুসিয়াস মূলত নৈতিকতা, সামাজিক সম্পর্ক, ন্যায়বিচার এবং সততার ওপর জোর দিতেন। তাঁর মতে, মানুষের মধ্যে যদি মানবিকতা বা ‘Ren’ (Confucianism-এর মূল স্তম্ভ) না থাকে, তবে অন্য কোনো গুণই স্থায়ী হতে পারে না।
কেন অন্য অপশনগুলো ভুল? অ্যারিস্টটল (Aristotle) ছিলেন গ্রিক দার্শনিক, যিনি যুক্তিবিদ্যা ও বিজ্ঞানের জনক হিসেবে পরিচিত। সক্রেটিস (Socrates) ছিলেন পশ্চিমা দর্শনের জনক, কিন্তু তাঁর কোনো লিখিত বই নেই। প্লেটো (Plato) ছিলেন সক্রেটিসের ছাত্র এবং ‘The Republic’ গ্রন্থের রচয়িতা। তাঁদের দর্শন ভিন্নমুখী। কিন্তু মানবিকতাকে সকল গুণের ভিত্তি হিসেবে দাঁড় করানোর ধারণাটি কনফুসিয়াসের। পরীক্ষায় এমন উক্তিভিত্তিক প্রশ্ন প্রায়ই আসে। মনে রাখার সহজ কৌশল হলো, কনফুসিয়াস বা প্রাচ্য দর্শনে ‘মানবতা’ ও ‘পারিবারিক বন্ধন’কে সবসময় প্রাধান্য দেওয়া হয়। ভবিষ্যতে রেলওয়ের পরীক্ষায় উক্তি সংক্রান্ত প্রশ্নের জন্য বিখ্যাত দার্শনিকদের ‘Key Quotes’ গুলো পড়ে রাখা জরুরি। এই প্রশ্নটি চাকরিপ্রার্থীদের সাধারণ জ্ঞান ও সাহিত্যিক গভীরতা যাচাই করার জন্য দেওয়া হয়েছে।
৯. A person who is always dissatisfied is called–
ক. felon
খ. herotic
গ. malcontent
ঘ. surrogate
সঠিক উত্তর: গ. malcontent
ব্যাখ্যা:
এটি ইংরেজি এককথায় প্রকাশ বা One Word Substitution-এর একটি প্রশ্ন। ‘Malcontent’ শব্দটির অর্থ হলো এমন ব্যক্তি যে সর্বদা অসন্তুষ্ট বা বিদ্রোহী স্বভাবের। শব্দটি ভাঙলে আমরা পাই ‘Mal’ (Bad/Poor) + ‘Content’ (Satisfied)। অর্থাৎ যার সন্তুষ্টি নেই বা যে পরিস্থিতির সাথে খাপ খাওয়াতে পারে না।
ট্রেন এক্সামিনার বা Train Examiner পদের প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এ ভোকাবুলারির গুরুত্ব অপরিসীম।
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল?
- Felon: এর অর্থ হলো গুরুতর অপরাধী (Criminal)।
- Herotic: ইংরেজিতে এমন কোনো প্রচলিত শব্দ নেই (হয়তো Heroic বা Erotic বোঝাতে চাওয়া হয়েছে, যা এখানে অপ্রাসঙ্গিক)।
- Surrogate: এর অর্থ হলো প্রতিনিধি বা বিকল্প (Substitute)।
সুতরাং, যিনি সবসময় অসন্তুষ্ট থাকেন, তাকে ইংরেজিতে Malcontent বলা হয়। মনে রাখার কৌশল হলো, Content মানে সন্তুষ্ট, আর তার আগে Mal (নেগেটিভ প্রিফিক্স) বসালে হয় অসন্তুষ্ট। ট্রেন এক্সামিনার লিখিত পরীক্ষার সমাধান ২০২৬ এ ভালো করার জন্য Root Word দিয়ে শব্দ মনে রাখার টেকনিকটি খুবই কার্যকর।
১০. The word ‘herbivorous’ means: eating-
ক. all types of food
খ. only meal
গ. grass and plants
ঘ. only flowers
সঠিক উত্তর: গ. grass and plants
ব্যাখ্যা:
‘Herbivorous’ শব্দটি জীববিজ্ঞানের সাথে সম্পর্কিত হলেও ইংরেজি ভোকাবুলারিতে বহুল ব্যবহৃত। শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ ‘Herba’ (Plant/Grass) এবং ‘Vorare’ (To eat/Devour) থেকে। তাই Herbivorous বা তৃণভোজী প্রাণী তারাই, যারা ঘাস, লতাপাতা বা উদ্ভিদ খেয়ে জীবন ধারণ করে। যেমন—গরু, ছাগল, হরিণ।
কেন অন্যগুলো ভুল?
- All types of food যারা খায় তাদের বলা হয় Omnivorous (সর্বভুক), যেমন মানুষ।
- মাংস বা Meat যারা খায় তাদের বলা হয় Carnivorous (মাংসাশী), যেমন বাঘ।
- শুধুমাত্র ফুল (Flowers) খায় এমন প্রাণীর নির্দিষ্ট শ্রেণিবিন্যাস সাধারণ ভোকাবুলারিতে এভাবে আসে না।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো grass and plants। ট্রেন এক্সামিনার প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এর ইংরেজি অংশে এই ধরনের সায়েন্টিফিক টার্ম প্রায়ই দেখা যায়। চাকরিপ্রার্থীদের উচিত -vorous সাফিক্স যুক্ত শব্দগুলো (যেমন: Insectivorous – পতঙ্গভুক) একনজরে দেখে নেওয়া। এটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো ‘Herb’ মানেই ভেষজ বা উদ্ভিদ, তাই Herbivorous মানে উদ্ভিদভোজী।
১২. Which is the correct spelling of the following?
ক. greatfulness
খ. gratefulness
গ. gratefulness
ঘ. greatfollness
সঠিক উত্তর: গ. gratefulness (তবে অপশন খ এবং গ হুবহু একই দেখা যাচ্ছে, সঠিক বানান gratefulness)
ব্যাখ্যা:
বানান বা Spelling-এর ক্ষেত্রে এটি একটি অত্যন্ত বিভ্রান্তিকর শব্দ। অনেকেই ভুল করে ‘Great’ (মহান) শব্দের সাথে মিলিয়ে ‘Greatfulness’ ভাবেন। কিন্তু কৃতজ্ঞতা অর্থে মূল শব্দটি হলো ‘Grateful’। এখানে Root word হলো ‘Grate’ যা ল্যাটিন ‘Gratus’ (Pleasing/Thankful) থেকে এসেছে।
সঠিক বানান বিশ্লেষণ: G-R-A-T-E (Grate) + F-U-L (ful) + N-E-S-S (ness) = Gratefulness.
লক্ষ্য করুন, ‘ful’ সাফিক্সে একটি ‘l’ থাকে, কিন্তু ‘ness’ সাফিক্সে দুটি ‘s’ থাকে।
কেন অন্যগুলো ভুল?
- Greatfulness: ‘Great’ দিয়ে বানান শুরু হয় না।
- Greatfollness: এটি সম্পূর্ণ ভুল বানান।
অপশন ‘খ’ এবং ‘গ’ তে যদি একই বানান থাকে, তবে যেকোনো একটি ভরাট করলেই হবে। তবে মূল ফোকাস হলো বানানে ‘Grate’ এবং ‘ful’ ঠিক আছে কি না। ট্রেন এক্সামিনার বা Train Examiner প্রশ্ন উত্তর ২০২৬ এ স্পেলিং মিসটেক থেকে ১-২টি প্রশ্ন থাকেই। মনে রাখার টেকনিক: আপনি কারও প্রতি “Great” (মহান) নন, বরং “Grate” (কৃতজ্ঞ)। এই ছোট পার্থক্যটি মনে রাখলে আর ভুল হবে না।
১৯. I don’t mind … with the cooking but I am not going to wash the dishes.
ক. to help
খ. help
গ. helping
ঘ. for helping
সঠিক উত্তর: গ. helping
ব্যাখ্যা:
ইংরেজি গ্রামারের ‘Right form of verbs’ বা ‘Gerund’ এর নিয়ম অনুযায়ী এই প্রশ্নটি করা হয়েছে। ইংরেজিতে কিছু নির্দিষ্ট শব্দ বা ফ্রেজ আছে যেগুলোর পর সর্বদা ভার্বের সাথে ‘ing’ যুক্ত হয় (Gerund)। ‘Mind’ বা ‘Would you mind’ হলো এমন একটি শব্দ।
নিয়ম: Mind + Verb + ing.
তাই এখানে ‘help’ ভার্বটি ‘helping’ এ রূপান্তরিত হবে। বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায়: “রান্নায় সাহায্য করতে আমার আপত্তি নেই, কিন্তু আমি থালাবাসন ধুতে পারব না।”
কেন অন্যগুলো ভুল?
- ‘to help’ (Infinitive) বসে না Mind-এর পর। যেমন- I want to help হয়, কিন্তু I don’t mind to help হয় না।
- ‘help’ (Base form) সরাসরি বসে না।
- ‘for helping’ এখানে গ্রামাটিক্যালি ভুল কনস্ট্রাকশন।
ভবিষ্যতে মনে রাখার সহজ কৌশল: Mind, Enjoy, Avoid, Finish, Keep—এই শব্দগুলোর পর সবসময় চোখ বন্ধ করে (verb+ing) বসাবেন। Train Examiner job question solution 2026-এ ইংরেজির বেসিক গ্রামারের এই রুলটি খুবই কমন।
২৫. Who is considered to be the father of English prose?
ক. P.B. Shelly
খ. Francis Bacon
গ. Geoffrey Chaucer
ঘ. King Alfred the Great
সঠিক উত্তর: ঘ. King Alfred the Great (আধুনিক গদ্যের ক্ষেত্রে ফ্রান্সিস বেকন, কিন্তু প্রাচীনত্বের বিচারে আলফ্রেড)
ব্যাখ্যা:
ইংরেজি সাহিত্যের এই প্রশ্নটি একটু ট্রিকি কারণ ‘Father of English Prose’ উপাধিটি প্রেক্ষাপট ভেদে দুজনকে দেওয়া হয়।
১. King Alfred the Great: তিনি প্রাচীন ইংরেজি (Old English) যুগে ল্যাটিন থেকে ইংরেজিতে বিভিন্ন বই অনুবাদ করে ইংরেজি গদ্যের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। তাই ঐতিহাসিকভাবে তাঁকেই ‘Father of English Prose’ বলা হয়। প্রশ্নের উত্তরে ‘ঘ’ সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
২. Francis Bacon: তাঁকে বলা হয় ‘Father of Modern English Prose’। তাঁর প্রবন্ধগুলো সংক্ষিপ্ত ও যুক্তিপূর্ণ গদ্যের উৎকৃষ্ট নিদর্শন।
৩. John Wycliffe: তাঁকেও অনেকে এই উপাধি দেন বাইবেল অনুবাদের জন্য।
কেন উত্তর কিং আলফ্রেড? কারণ অপশনে আলফ্রেড এবং বেকন দুজনেই আছেন, কিন্তু সাহিত্যের ইতিহাসে আলফ্রেড অনেক আগের। তিনি নবম শতাব্দীতে ইংরেজি গদ্যের সূচনা করেন। ট্রেন এক্সামিনার লিখিত পরীক্ষার সমাধান ২০২৬-এ সাহিত্যের ইতিহাস থেকে এমন প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক। জিওফ্রে চসার (Geoffrey Chaucer) হলেন ‘Father of English Poetry’, গদ্যের নন। পি.বি. শেলি একজন রোমান্টিক কবি। তাই সঠিক উত্তর কিং আলফ্রেড দ্য গ্রেট।
২৬. Dogs bark what do asses do?
ক. hum
খ. hiss
গ. croak
ঘ. bray
সঠিক উত্তর: ঘ. bray
ব্যাখ্যা:
এটি একটি Analogy বা সাদৃশ্যমূলক প্রশ্ন। এখানে প্রাণীর ডাক (Sound of animals) জানতে চাওয়া হয়েছে। কুকুরের (Dog) ডাককে বলা হয় ‘Bark’ (ঘেউ ঘেউ করা)। ঠিক তেমনি, গাধার (Ass/Donkey) ডাককে ইংরেজিতে বলা হয় ‘Bray’।
অন্য অপশনগুলোর অর্থ:
- Hum: গুনগুন করা (মৌমাছি বা মানুষের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত)।
- Hiss: ফোঁস করা (সাপের ডাক)।
- Croak: ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ করা (ব্যাঙের ডাক)।
সুতরাং, সঠিক শব্দটি হলো Bray। ট্রেন এক্সামিনার বা Train Examiner প্রশ্ন উত্তর ২০২৬-এর ইংরেজি অংশে Vocabulary-র এই পার্টটি বেশ কমন। বিভিন্ন প্রাণীর ডাক (যেমন: Lion-Roar, Elephant-Trumpet) জেনে রাখা খুবই জরুরি।
২৯. A climax is–
ক. A crisis in a drama
খ. Point of great intensity
গ. Climbing apparatus
ঘ. The last scene in a drama
সঠিক উত্তর: খ. Point of great intensity
ব্যাখ্যা:
সাহিত্য বা নাটকের পরিভাষায় ‘Climax’ বলতে বোঝায় গল্পের বা ঘটনার চূড়ান্ত উত্তেজনাকর মুহূর্ত। এটি প্লটের এমন একটি পর্যায় যেখানে সংঘাত বা আবেগ সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌঁছায় এবং এরপর গল্পের মোড় ঘুরে যায় (Falling action শুরু হয়)। তাই সঠিক সংজ্ঞা হলো “Point of great intensity” বা সর্বোচ্চ তীব্রতার বিন্দু।
কেন অন্যগুলো ভুল?
- A crisis in a drama: ক্রাইসিস ক্লাইমেক্সের দিকে নিয়ে যায়, কিন্তু ক্লাইমেক্স নিজেই ক্রাইসিস নয়, বরং ক্রাইসিসের চূড়ান্ত রূপ।
- The last scene: শেষ দৃশ্যকে সাধারণত ‘Catastrophe’ (ট্র্যাজেডিতে) বা ‘Denouement’ (কমেডিতে) বলা হয়, ক্লাইমেক্স সাধারণত শেষের একটু আগে ঘটে।
- Climbing apparatus: এটি আক্ষরিক অর্থ (মই বা আরোহণের যন্ত্র), যা সাহিত্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
Train Examiner job question solution 2026-এ লিটারেচার টার্মিনোলজির এই প্রশ্নটি প্রমাণ করে যে বেসিক সাহিত্য জ্ঞান থাকা দরকার। মনে রাখবেন, সিনেমার যে দৃশ্যে নায়ক ভিলেনের মুখোমুখি হয় এবং টানটান উত্তেজনা থাকে—সেটাই ক্লাইমেক্স।
৩০. ‘Felicitation’ means–
ক. feeling bad
খ. reading books
গ. expression of good wish
ঘ. conduct something
সঠিক উত্তর: গ. expression of good wish
ব্যাখ্যা:
ইংরেজি ভোকাবুলারির এই প্রশ্নটি বেশ চমৎকার। ‘Felicitation’ শব্দটির অর্থ হলো অভিনন্দন, শুভেচ্ছা বা শুভকামনা জানানো। যখন আমরা কারও সাফল্যে খুশি হয়ে তাকে উইশ করি, সেটাই হলো Felicitation। তাই এর ইংরেজি অর্থ দাঁড়ায় “expression of good wish” বা “congratulations”। শব্দটি ল্যাটিন ‘Felicitas’ (happiness) থেকে এসেছে।
কেন অন্যগুলো ভুল?
- Feeling bad: অর্থ খারাপ লাগা, যা সম্পূর্ণ বিপরীত।
- Reading books: অর্থ বই পড়া, যা অপ্রাসঙ্গিক।
- Conduct something: অর্থ কোনো কিছু পরিচালনা করা।
ট্রেন এক্সামিনার বা Train Examiner প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এর ইংরেজি অংশে সিনোনিম বা অর্থের এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই দেখা যায়। মনে রাখার টিপস: কারও জন্মদিনে বা জয়ে আমরা যে ‘Facilitate’ (সহজ করা) নয় বরং ‘Felicitate’ (অভিনন্দন জানানো) করি—এই শব্দ দুটির পার্থক্য মনে রাখলেই উত্তর করা সহজ।
৪৪. “Jaws of Death” is an example of–
ক. Personification
খ. Metaphor
গ. Satire
ঘ. Simile
সঠিক উত্তর: খ. Metaphor
ব্যাখ্যা:
“Jaws of Death” বা ‘মৃত্যুর চোয়াল’—এখানে মৃত্যুকে একটি হিংস্র প্রাণীর সাথে তুলনা করা হয়েছে যার চোয়াল আছে। কিন্তু ‘Like’ বা ‘As’ শব্দ ব্যবহার করা হয়নি। যখন প্রচ্ছন্নভাবে তুলনা করা হয়, তখন তাকে Metaphor (রূপক) বলে। যদি বলা হতো “Death is like a monster”, তবে হতো Simile। এখানে সরাসরি মৃত্যুকে চোয়ালবিশিষ্ট সত্তা হিসেবে কল্পনা করা হয়েছে।
৪৭. Which pair of word is different?
ক. calendar, calender
খ. love, affection
গ. sharp, blunt
ঘ. fair, fare
সঠিক উত্তর: গ. sharp, blunt
ব্যাখ্যা:
- Calendar (পঞ্জিকা) এবং Calender (ইস্ত্রি করার মেশিন)—এরা Homophone (উচ্চারণ এক, অর্থ ভিন্ন)।
- Fair (সুন্দর/মেলা) এবং Fare (ভাড়া)—এরা Homophone.
- Love এবং Affection—এরা সমার্থক (Synonym)।
- Sharp (ধারালো) এবং Blunt (ভোঁতা)—এরা বিপরীতার্থক (Antonym)।
এখানে ক, খ, ঘ—এগুলোর মধ্যে উচ্চারণের বা অর্থের মিল আছে, কিন্তু ‘গ’ অপশনটি সম্পূর্ণ বিপরীতার্থক জোড়া। আবার যদি Homophone এর লজিকে ধরি, তবে ক এবং ঘ হোমফোন, কিন্তু খ এবং গ নয়। তবে ‘Odd one out’ হিসেবে ‘Sharp-Blunt’ (বিপরীত শব্দ) এবং ‘Love-Affection’ (সমার্থক শব্দ) এর মধ্যে দ্বন্দ্ব হতে পারে। সাধারণত প্রশ্নের প্যাটার্ন অনুযায়ী ‘Love, Affection’ ছাড়া বাকিগুলো কনফিউজিং পেয়ার হতে পারত। কিন্তু এখানে সঠিক উত্তর ‘গ’ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি কারণ এটি একমাত্র Antonym Pair। অথবা ‘খ’ হতে পারে কারণ এটি একমাত্র Synonym Pair। তবে প্রশ্নের ধরন দেখে মনে হচ্ছে পরীক্ষক Homophone এর বাইরে কোনটি সেটা জানতে চেয়েছেন, সেক্ষেত্রে খ ও গ দুটোই হয়। কিন্তু অপশন ‘sharp, blunt’ সবচেয়ে বেশি ডিস্টিংক্ট বা আলাদা ক্যাটাগরি (বিপরীত)।
৪৮. ‘Invidious’ is opposite to-
ক. envious
খ. charitable
গ. offensive
ঘ. hateful
সঠিক উত্তর: খ. charitable
ব্যাখ্যা:
‘Invidious’ শব্দটি নেতিবাচক অর্থ বহন করে। এর মানে হলো যা ঘৃণা বা বিদ্বেষ তৈরি করে, আপত্তিকর বা অন্যায়। যেমন: Invidious comparison (কুৎসিত তুলনা)।
বিপরীত শব্দ খুঁজতে হলে আমাদের ইতিবাচক শব্দ বাছতে হবে।
- Charitable: অর্থ হলো উদার, সদয় বা দানশীল। যা Invidious (বিদ্বেষপূর্ণ)-এর ঠিক উল্টো।
- Envious (ঈর্ষান্বিত), Offensive (আক্রমণাত্মক), Hateful (ঘৃণ্য)—এগুলো সবই Invidious-এর সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থের শব্দ।
তাই সঠিক বিপরীত শব্দ বা Antonym হলো Charitable। ট্রেন এক্সামিনার প্রশ্ন উত্তর ২০২৬-এর ভোকাবুলারি অংশের জন্য এই শব্দগুলো বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
৪৯. A song embodying religion and sacred emotions-
ক. lyrics
খ. ode
গ. hymn
ঘ. ballad
সঠিক উত্তর: গ. hymn
ব্যাখ্যা:
সাহিত্যের পরিভাষায়, যে গান বা কবিতায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ঈশ্বরের বন্দনা বা পবিত্র আবেগ প্রকাশ পায়, তাকে Hymn (স্তোত্র বা ধর্মসংগীত) বলে।
অন্যগুলো কেন নয়?
- Lyric: গীতি কবিতা, যা ব্যক্তিগত আবেগ প্রকাশ করে, ধর্মীয় হতেও পারে নাও পারে।
- Ode: কোনো বিশেষ ব্যক্তি বা বিষযকে উদ্দেশ্য করে লেখা দীর্ঘ কবিতা।
- Ballad: গীতিকা বা লোকগাথা, যাতে কোনো কাহিনী বর্ণিত হয়।
ধর্মীয় উপাসনার জন্য Hymn শব্দটিই নির্দিষ্ট। ট্রেন এক্সামিনার পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ প্রস্তুতির ক্ষেত্রে লিটারেচার টার্মসগুলো জানা জরুরি।
৫৩. ‘Lucy’ is a poem written by-
ক. William Wordsworth
খ. Lord Byron
গ. P.B. Shelley
ঘ. S.T. Coleridge
সঠিক উত্তর: ক. William Wordsworth
ব্যাখ্যা:
রোমান্টিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের লেখা একগুচ্ছ কবিতাকে ‘Lucy Poems’ বলা হয়। লুসি নামের এক কাল্পনিক বা রহস্যময়ী গ্রামীণ কিশোরীকে নিয়ে তিনি এই কবিতাগুলো লিখেছেন। এর মধ্যে “She dwelt among the untrodden ways” সবচেয়ে বিখ্যাত। প্রকৃতির কোলেই লুসির বেড়ে ওঠা ও মৃত্যু—এই আবেগী বিষয়গুলোই কবিতায় ফুটে উঠেছে। Train Examiner job question solution 2026-এর সাহিত্য অংশে ওয়ার্ডসওয়ার্থের নাম অপরিহার্য।
৫৪. Please look … the word in the dictionary-
ক. to
খ. for
গ. into
ঘ. up
সঠিক উত্তর: ঘ. up
ব্যাখ্যা:
এটি একটি Group Verb বা Phrasal Verb-এর ব্যবহার। ডিকশনারিতে কোনো শব্দের অর্থ খোঁজা বা কোনো তথ্য রেফারেন্স বইতে খোঁজাকে ইংরেজিতে ‘Look up’ বলা হয়।
- Look for: কোনো হারানো জিনিস খোঁজা।
- Look at: কোনো কিছুর দিকে তাকানো।
- Look into: তদন্ত করা।
যেহেতু ডিকশনারিতে শব্দ খোঁজার কথা বলা হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর হবে ‘Look up’। মনে রাখার কৌশল: ডিকশনারিতে শব্দগুলো উপরে-নিচে (up-down) সাজানো থাকে, তাই ‘Look up’।
৫৮. The word ‘tormentor’ is an/an-
ক. Adverb
খ. Noun
গ. Pronoun
ঘ. Verb
সঠিক উত্তর: খ. Noun
ব্যাখ্যা:
যে শব্দের শেষে -or, -er, -ist, -ian ইত্যাদি সাফিক্স থাকে, সেগুলো সাধারণত Noun বা বিশেষ্য হয় এবং কোনো ব্যক্তিকে নির্দেশ করে। ‘Tormentor’ অর্থ হলো নিপীড়ক বা যে যন্ত্রণা দেয় (One who torments)। যেহেতু এটি কোনো ব্যক্তির পরিচয় বা নাম বোঝাচ্ছে, তাই এটি একটি Noun। Verb হলো Torment (যন্ত্রণা দেওয়া)।
৫৯. The plural of ‘Aquarium’ is-
ক. Aqua
খ. Aquariums
গ. Aquaria
ঘ. None of the above (সঠিক উত্তর আসলে খ এবং গ দুটোই হতে পারে, তবে ল্যাটিন নিয়মে গ বেশি শুদ্ধ)
সঠিক উত্তর: উত্তরপত্রে সাধারণত গ. Aquaria এবং খ. Aquariums দুটোই সঠিক ধরা হয়। তবে ল্যাটিন শব্দের শেষে ‘um’ থাকলে প্লুরালে ‘a’ হয় (যেমন: Datum > Data)। সেই হিসেবে Aquaria বেশি ফরমাল। কিন্তু আধুনিক ইংরেজিতে Aquariums-ও বহুল প্রচলিত। যদি অপশনে দুটোই থাকে এবং একটি বাছতে হয়, তবে ল্যাটিন নিয়ম মেনে Aquaria দেওয়াটাই নিরাপদ, অথবা আধুনিক নিয়মে Aquariums। এখানে সম্ভবত গ বা খ যেকোনো একটিকে সঠিক ধরা হবে। (ছবিতে টিক চিহ্ন খ ও গ দুটোর মাঝখানে বিভ্রান্তিকর, তবে গ্রামার বই অনুযায়ী ‘Aquaria’ ক্লাসিকাল প্লুরাল)।
৬৩. He went to … hospital because he had … heart attack.
ক. the, no article
খ. no article, a
গ. the, a
ঘ. no article, have
সঠিক উত্তর: খ. no article, a
ব্যাখ্যা:
১ম অংশ: যখন চিকিৎসার জন্য কেউ হাসপাতালে যায়, তখন Hospital-এর আগে Article বসে না (Primary purpose)। তাই “He went to hospital”। (তবে আমেরিকান ইংরেজিতে ‘the’ বসে, ব্রিটিশ ইংরেজিতে বসে না। বাংলাদেশে ব্রিটিশ স্টাইল ফলো করা হয়)।
২য় অংশ: রোগের নামের আগে সাধারণত আর্টিকেল বসে না, কিন্তু “Heart attack”-এর আগে ‘a’ বসে। যেমন: He had a heart attack, a headache, a cold.
তাই সঠিক কম্বিনেশন: no article, a। (went to hospital… had a heart attack)।
৬৬. Which of the following is plural-
ক. News
খ. Cries
গ. Mathematics
ঘ. Economics
সঠিক উত্তর: খ. Cries
ব্যাখ্যা:
ইংরেজি গ্রামারের Number (বচন) অধ্যায়ের একটি ক্লাসিক প্রশ্ন এটি। এখানে জানতে চাওয়া হয়েছে কোনটি বহুবচন বা Plural form।
- Cries: শব্দটি ‘Cry’ (কান্না/চিৎকার) শব্দের বহুবচন। নিয়ম অনুযায়ী, শব্দের শেষে যদি ‘y’ থাকে এবং তার আগে Consonant থাকে, তবে ‘y’ উঠে গিয়ে ‘ies’ যুক্ত হয়। তাই Cry > Cries। এটিই একমাত্র Plural শব্দ।
কেন অন্যগুলো ভুল?
- News: দেখতে Plural মনে হলেও (শেষে s আছে), এটি আসলে Singular Uncountable Noun। খবর কখনো গোনা যায় না।
- Mathematics & Economics: এগুলো বিষয়ের নাম। বিষয়ের নাম দেখতে Plural-এর মতো হলেও (ICS বা S দিয়ে শেষ হলে) এরা সর্বদা Singular হিসেবে গণ্য হয়। যেমন: Physics, Statistics।
ভবিষ্যতে মনে রাখার কৌশল: পড়াশোনার বিষয় (Subject) এবং খবর (News)—এদের শেষে ‘s’ থাকলেও এরা একবচন। একমাত্র ‘Cries’ শব্দটিই এখানে বহুবচন। ট্রেন এক্সামিনার বা Train Examiner প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ প্রস্তুতির জন্য Noun-এর এই ব্যতিক্রমী নিয়মগুলো ঠোঁটস্থ রাখা জরুরি।
৭০. They suffered much … tornado had hit their village.
ক. as if
খ. when
গ. since
ঘ. let alone
সঠিক উত্তর: গ. since
ব্যাখ্যা:
এই বাক্যটি একটি Cause and Effect (কারণ ও ফলাফল) সম্পর্ক প্রকাশ করছে।
বাক্য: They suffered much (তারা অনেক ভুগেছিল) … tornado had hit their village (টর্নেডো তাদের গ্রামে আঘাত করেছিল)।
এখানে ‘ভোগা’-র কারণ হলো ‘টর্নেডো’। ইংরেজিতে কারণ দর্শাতে Since বা As ব্যবহৃত হয়।
সম্পূর্ণ বাক্য: “They suffered much since the tornado had hit their village.” (যেহেতু টর্নেডো তাদের গ্রামে আঘাত করেছিল, তাই তারা অনেক ভুগেছিল)।
কেন অন্যগুলো ভুল?
- As if: অর্থ ‘যেন’। এটি অবাস্তব কল্পনা বোঝাতে বসে। (সে এমন ভাব করে যেন সে রাজা)। এখানে তা খাটবে না।
- When: সময় নির্দেশ করে। যদিও ‘when’ ব্যবহার করা যেত, কিন্তু ‘suffered much’ (ফলাফল) এবং ‘had hit’ (কারণ) এর মধ্যে কার্যকারণ সম্পর্ক বোঝাতে ‘since’ বেশি উপযুক্ত বা Strong connector হিসেবে কাজ করে।
- Let alone: অর্থ ‘তো দূরের কথা’। এটি নেতিবাচক বাক্যে বসে।
ট্রেন এক্সামিনার পরীক্ষার প্রশ্ন বিশ্লেষণ ২০২৬ অনুযায়ী, Conjunction-এর সঠিক ব্যবহার ইংরেজিতে ভালো করার মূল চাবিকাঠি।
ট্রেন এক্সামিনার গণিত প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ | শর্ট ট্রিক
এই পর্বে রয়েছে আজকের পরীক্ষার ট্রেন এক্সামিনার প্রশ্ন সমাধান ২০২৬–এর গণিত অংশের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ। লাভ-ক্ষতি, শতকরা, সময় ও কাজ, গড় এবং সাধারণ অংকগুলো ধাপে ধাপে সমাধান করা হয়েছে। কোথায় শর্ট ট্রিক ব্যবহার করা যাবে এবং কোন প্রশ্নে সাধারণ নিয়ম প্রযোজ্য-সবই পরিষ্কারভাবে তুলে ধরা হয়েছে। নিয়মিত অনুশীলনের জন্য এই গণিত অংশটি রেলওয়ে পরীক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।
২. $a^4 + a^2b^2 + b^4 = 3$ এবং $a^2 + ab + b^2 = 3$ হলে $2(a^2 + b^2)$ এর মান কত?
ক. 4
খ. 2
গ. 1
ঘ. 8
সঠিক উত্তর: ক. 4
ব্যাখ্যা:
এটি বীজগণিতের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্যাটার্ন, যা ট্রেন এক্সামিনার পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এ আমরা দেখতে পাচ্ছি। অংকটি সমাধানের জন্য আমাদের একটি বিশেষ সূত্র জানতে হবে। সূত্রটি হলো: $a^4 + a^2b^2 + b^4 = (a^2 + ab + b^2)(a^2 – ab + b^2)$।
প্রশ্নে দেওয়া আছে:
১) $a^4 + a^2b^2 + b^4 = 3$
২) $a^2 + ab + b^2 = 3$
আমরা জানি,
$3 = 3 \times (a^2 – ab + b^2)$
সুতরাং, $(a^2 – ab + b^2) = 3 / 3 = 1$।
এখন আমাদের হাতে দুটি সমীকরণ আছে:
i) $a^2 + ab + b^2 = 3$
ii) $a^2 – ab + b^2 = 1$
এই দুটি সমীকরণ যোগ করলে আমরা পাই:
$2a^2 + 2b^2 = 4$
বা, $2(a^2 + b^2) = 4$
প্রশ্নে ঠিক এই মানটিই জানতে চাওয়া হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হলো ৪।
কেন অন্যগুলো ভুল? কারণ গাণিতিক প্রক্রিয়ায় একমাত্র ৪ মানটিই সঠিক হিসেবে বেরিয়ে আসে। পরীক্ষায় সময় বাঁচানোর জন্য এই সূত্রটি $(a^4+a^2b^2+b^4)$ মুখস্থ রাখা জরুরি। প্রায়ই রেলওয়ের পরীক্ষায় এই ফরম্যাটের অংক মান পরিবর্তন করে দেওয়া হয়। Train Examiner job question solution 2026 এর ক্ষেত্রে যারা বীজগণিতের এই সূত্রটি জানতেন, তাদের জন্য এটি ছিল মাত্র ১০ সেকেন্ডের কাজ। গণিতের এই অংশটি প্রমাণ করে যে, পরীক্ষক আপনাদের বেসিক বা মৌলিক জ্ঞান যাচাই করতে চেয়েছেন।
৪. একটি শ্রেণীকক্ষে প্রতি বেঞ্চে ৪ জন করে বসালে ৩টি বেঞ্চ খালি থাকে, আবার প্রতি বেঞ্চে ৩ জন করে বসালে ৬ জন ছাত্রকে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। ঐ শ্রেণীর ছাত্র সংখ্যা কত জন?
ক. ৫০
খ. ৬০
গ. ৭০
ঘ. ৮০
সঠিক উত্তর: খ. ৬০
ব্যাখ্যা:
এই অংকটি ঐকিক নিয়ম বা সমীকরণ গঠন করে সমাধান করা যায়। এটি ট্রেন এক্সামিনার বা Train Examiner পদের প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এর গণিত অংশের অন্যতম ট্রিকি প্রশ্ন। চলুন, সহজভাবে সমাধান করি।
ধরি, বেঞ্চ সংখ্যা = $x$
প্রথম শর্তমতে ছাত্রসংখ্যা: $4(x – 3)$ [কারণ ৩টি বেঞ্চ খালি থাকে]
দ্বিতীয় শর্তমতে ছাত্রসংখ্যা: $3x + 6$ [কারণ ৬ জন দাঁড়িয়ে থাকে]
যেহেতু ছাত্রসংখ্যা সমান, তাই আমরা লিখতে পারি:
$4(x – 3) = 3x + 6$
বা, $4x – 12 = 3x + 6$
বা, $4x – 3x = 6 + 12$
বা, $x = 18$
অর্থাৎ, বেঞ্চের সংখ্যা ১৮টি।
এখন ছাত্রসংখ্যা বের করি: $3x + 6 = 3 \times 18 + 6 = 54 + 6 = 60$ জন।
অথবা প্রথম শর্তে বসালে: $4(18 – 3) = 4 \times 15 = 60$ জন।
কেন এটি সঠিক? কারণ উভয় শর্তেই ছাত্রসংখ্যা ৬০ মিলে যায়। অপশন টেস্ট মেথড ব্যবহার করেও এটি করা যেত। যেমন—৬০ জন ছাত্র হলে, ৪ জন করে বসালে ১৫টি বেঞ্চ লাগে। আবার ৩ জন করে বসালে ২০ জন বসার জায়গা পায় (কিন্তু বেঞ্চ তো ১৮টি, তাই ৬ জন দাঁড়িয়ে থাকবে)। এভাবে চিন্তা করলে সময় বাঁচে। ট্রেন এক্সামিনার পরীক্ষার প্রশ্ন বিশ্লেষণ ২০২৬ এ দেখা যায়, এ ধরনের বাস্তবধর্মী অঙ্ক প্রায়ই আসে। পরীক্ষক এখানে আপনার লজিক্যাল রিজনিং বা যৌক্তিক অনুধাবন ক্ষমতা যাচাই করেছেন।
৮. দুটি সংখ্যার ল.সা.গু ৬০ এবং গ.সা.গু ১০। একটি সংখ্যা অপর সংখ্যার $\frac{২}{৩}$ অংশ হলে, ছোট সংখ্যাটি কত?
ক. ২০
খ. ৩০
গ. ১০
ঘ. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর: ক. ২০
ব্যাখ্যা:
এই অংকটি করার জন্য আমরা ল.সা.গু ও গ.সা.গু-এর একটি মৌলিক সূত্র ব্যবহার করব। সূত্রটি হলো: দুটি সংখ্যার গুণফল = ল.সা.গু $\times$ গ.সা.গু।
এখানে, ল.সা.গু = ৬০ এবং গ.সা.গু = ১০।
সুতরাং, সংখ্যা দুটির গুণফল = $৬০ \times ১০ = ৬০০$।
এখন ধরি, বড় সংখ্যাটি = $x$।
প্রশ্নমতে, ছোট সংখ্যাটি = $x$-এর $\frac{২}{৩}$ অংশ = $\frac{2x}{3}$।
শর্তমতে, $x \times \frac{2x}{3} = 600$
বা, $\frac{2x^2}{3} = 600$
বা, $2x^2 = 1800$
বা, $x^2 = 900$
বা, $x = 30$।
অর্থাৎ, বড় সংখ্যাটি ৩০।
তাহলে ছোট সংখ্যাটি = $৩০ \times \frac{২}{৩} = ২০$।
কেন সঠিক উত্তর ২০? কারণ ৩০ এবং ২০-এর ল.সা.গু ৬০ এবং গ.সা.গু ১০, যা প্রশ্নের শর্তের সাথে হুবহু মিলে যায়। এটি ট্রেন এক্সামিনার পরীক্ষার প্রশ্ন বিশ্লেষণ ২০২৬ এর গণিত অংশের একটি স্ট্যান্ডার্ড প্রশ্ন। অনেকেই তাড়াহুড়ো করে ‘৩০’ উত্তর দাগিয়ে ফেলেন, কিন্তু প্রশ্নে ‘ছোট সংখ্যাটি’ চাওয়া হয়েছে। এই ছোটখাটো ভুলগুলোই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পার্থক্য গড়ে দেয়। Train Examiner প্রশ্ন উত্তর ২০২৬ এ ভালো করার জন্য প্রশ্নের শেষ শব্দটি পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়া উচিত।
১১. কোন একটি সংখ্যার অর্ধেকের সঙ্গে ৬ যোগ করলে যে ফল পাওয়া যায় অপর সংখ্যাটির দ্বিগুণ থেকে ২১ বিয়োগ করলে একই ফল পাওয়া যায়। সংখ্যাটি কত?
ক. 18
খ. 20
গ. 22
ঘ. 24
সঠিক উত্তর: ক. 18
ব্যাখ্যা:
প্রশ্নে একটি ছোট টাইপিং অস্পষ্টতা থাকতে পারে (“অপর সংখ্যা” নাকি “ওই সংখ্যা”), কিন্তু অপশন এবং প্রশ্নের ধরন দেখে বোঝা যায় এটি একটি সংখ্যার কথাই বলছে। চলুন সমীকরণ গঠন করি।
ধরি, সংখ্যাটি $x$।
প্রথম শর্ত: সংখ্যার অর্ধেক + ৬ = $\frac{x}{2} + 6$
দ্বিতীয় শর্ত: সংখ্যার দ্বিগুণ – ২১ = $2x – 21$
প্রশ্নমতে, এই দুটি ফল সমান।
$\frac{x}{2} + 6 = 2x – 21$
বা, $6 + 21 = 2x – \frac{x}{2}$
বা, $27 = \frac{4x – x}{2}$
বা, $27 = \frac{3x}{2}$
বা, $3x = 54$
বা, $x = 18$
শুদ্ধি পরীক্ষা (Verification):
সংখ্যাটি ১৮ হলে, এর অর্ধেক ৯। ৯-এর সাথে ৬ যোগ করলে হয় ১৫।
আবার, ১৮-এর দ্বিগুণ ৩৬। ৩৬ থেকে ২১ বিয়োগ করলে হয় ১৫।
উভয় পাশ মিলে গেছে। তাই সঠিক উত্তর ১৮।
ট্রেন এক্সামিনার পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এ এই ধরনের গানিতিক ধাঁধা পরীক্ষার্থীর সময় নষ্ট করার জন্য দেওয়া হয়। কিন্তু ঠান্ডা মাথায় সমীকরণ সাজালে এটি খুবই সহজ। Train Examiner job question solution 2026 এর ক্ষেত্রে এই ধরনের অঙ্কে অপশন টেস্ট মেথডটি জাদুর মতো কাজ করে। সরাসরি ১৮ নিয়ে শর্তগুলো মিলিয়ে দেখলেই উত্তর পাওয়া যেত।
১৩. ৩টি ঘোড়ার দাম ৫টি গরুর দামের সমান এবং ৩টি গরুর দাম ৫টি গাধার দামের সমান। ১৫টি ঘোড়ার দাম মোট ৯০০০ টাকা হলে ১০টি ঘোড়া, ১০টি গরু ও ১০টি গাধার দাম একত্রে কত?
ক. ৯৬০০ টাকা
খ. ১০০৪০ টাকা
গ. ১১৭৬০ টাকা
ঘ. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: গ. ১১৭৬০ টাকা
ব্যাখ্যা:
এই অংকটি ঐকিক নিয়মের একটি চমৎকার উদাহরণ, যা ট্রেন এক্সামিনার পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান ২০২৬-এর গণিত অংশের অন্যতম সময়সাপেক্ষ প্রশ্ন। তবে ধাপে ধাপে সমাধান করলে এটি খুব সহজেই মেলানো সম্ভব। এখানে চেইন রুল (Chain Rule) ব্যবহার করে প্রতিটি প্রাণীর একক মূল্য বের করতে হবে।
ধাপ-১: ঘোড়ার দাম বের করা।
প্রশ্নে দেওয়া আছে, ১৫টি ঘোড়ার দাম ৯০০০ টাকা।
সুতরাং, ১টি ঘোড়ার দাম = ৯০০০ / ১৫ = ৬০০ টাকা।
ধাপ-২: গরুর দাম বের করা।
শর্তমতে, ৩টি ঘোড়ার দাম = ৫টি গরুর দাম।
৩টি ঘোড়ার দাম = ৩ × ৬০০ = ১৮০০ টাকা।
তাহলে, ৫টি গরুর দাম ১৮০০ টাকা হলে, ১টি গরুর দাম = ১৮০০ / ৫ = ৩৬০ টাকা।
ধাপ-৩: গাধার দাম বের করা।
শর্তমতে, ৩টি গরুর দাম = ৫টি গাধার দাম।
৩টি গরুর দাম = ৩ × ৩৬০ = ১০৮০ টাকা।
তাহলে, ৫টি গাধার দাম ১০৮০ টাকা হলে, ১টি গাধার দাম = ১০৮০ / ৫ = ২১৬ টাকা।
ধাপ-৪: চূড়ান্ত হিসাব।
এখন আমাদের ১০টি করে প্রতিটি প্রাণীর মোট দাম বের করতে হবে।
১০টি ঘোড়া = ১০ × ৬০০ = ৬০০০ টাকা।
১০টি গরু = ১০ × ৩৬০ = ৩৬০০ টাকা।
১০টি গাধা = ১০ × ২১৬ = ২১৬০ টাকা।
মোট দাম = ৬০০০ + ৩৬০০ + ২১৬০ = ১১৭৬০ টাকা।
কেন অন্য অপশন ভুল? অনেকেই ক্যালকুলেশনে ভুল করে ১০৮০ বা ৩৬০ এর গুণিতকে গোলমাল পাকিয়ে ফেলে, ফলে ৯৬০০ বা ১০০৪০ এর মতো ভুল উত্তরে পৌঁছায়। কিন্তু ধাপে ধাপে একক মূল্য বের করলে ১১৭৬০ টাকাই সঠিক উত্তর। ভবিষ্যতে মনে রাখার জন্য এই ধরনের ‘চেইন রুল’ অংকে সবসময় বড় প্রাণী থেকে ছোট প্রাণীর দিকে (ঘোড়া -> গরু -> গাধা) একক মূল্য বের করে আগাবেন। ট্রেন এক্সামিনার বা Train Examiner প্রশ্ন সমাধান ২০২৬-এর মতো পরীক্ষায় মাথা ঠান্ডা রেখে এই গুণ-ভাগগুলো করাই সাফল্যের চাবিকাঠি।
১৭. $a – \frac{6}{a} = 1$ হলে $\frac{6}{a^2 – a + 1}$ এর মান কত?
ক. $\frac{3}{7}$
খ. $\frac{6}{7}$
গ. $\frac{5}{6}$
ঘ. $\frac{7}{6}$
সঠিক উত্তর: খ. $\frac{6}{7}$
ব্যাখ্যা:
বীজগণিতের এই অংকটি একটু কৌশলী, কিন্তু খুবই সহজ। প্রথমে আমাদের দেওয়া সমীকরণটি একটু সাজিয়ে নিতে হবে।
দেওয়া আছে,
$a – \frac{6}{a} = 1$
বা, $\frac{a^2 – 6}{a} = 1$ [লসাগু করে]
বা, $a^2 – 6 = a$ [আড়গুণন করে]
বা, $a^2 – a = 6$ [পক্ষান্তর করে]
এখন আমাদের যে রাশির মান বের করতে হবে তা হলো:
$\frac{6}{a^2 – a + 1}$
এখানে হরে (denominator) আমরা $(a^2 – a)$ অংশটি দেখতে পাচ্ছি।
আমরা আগেই বের করেছি, $a^2 – a = 6$।
এই মানটি বসিয়ে পাই:
= $\frac{6}{6 + 1}$
= $\frac{6}{7}$
কেন এই ব্যাখ্যাটি গুরুত্বপূর্ণ? অনেক পরীক্ষার্থী $a$-এর মান আলাদা করে বের করার চেষ্টা করেন (মিডল টার্ম করে), যা সময়সাপেক্ষ। $a^2 – a – 6 = 0$ থেকে $a = 3, -2$ বের করা যায়। যদি $a=3$ বসান, তাহলেও $(3^2 – 3 + 1) = 7$, উপরে ৬। অর্থাৎ ৬/৭। কিন্তু সরাসরি মান বসানো বা ‘Substite method’ সবচেয়ে দ্রুত। ট্রেন এক্সামিনার বা Train Examiner প্রশ্ন সমাধান ২০২৬-এর গণিত অংশে সময় বাঁচাতে এই কৌশলগুলো জানতে হবে। সঠিক উত্তর তাই ৬/৭।
১৮. $4a^2bc, 8ab^2c$ ও $6a^2b^2c$ এর গ.সা.গু কত?
ক. $32a^2b^2c$
খ. $24a^2b^2c$
গ. $24a^2b^2c^2$
ঘ. $48a^2bc$
সঠিক উত্তর: খ. $24a^2b^2c$ (লক্ষণীয়: প্রশ্নে ‘গ.সা.গু’ চাওয়া হয়েছে, কিন্তু অপশন ও উত্তর ‘ল.সা.গু’ নির্দেশ করছে)
ব্যাখ্যা:
এই প্রশ্নটিতে একটি মারাত্মক টাইপিং বিভ্রাট বা ভুল রয়েছে, যা সরকারি চাকরির পরীক্ষায় মাঝে মাঝে ঘটে। একজন বিশ্লেষক হিসেবে বিষয়টি ধরিয়ে দেওয়া জরুরি।
যদি আমরা গ.সা.গু (HCF – Highest Common Factor) বের করি:
সংখ্যাগুলো ৪, ৮, ৬ এর গ.সা.গু = ২।
চলকগুলোর সর্বনিম্ন পাওয়ার: $a, b, c$।
সঠিক গ.সা.গু হওয়ার কথা: $2abc$। কিন্তু অপশনে এমন কিছুই নেই।
পক্ষান্তরে, যদি আমরা ল.সা.গু (LCM – Least Common Multiple) বের করি:
সংখ্যাগুলো ৪, ৮, ৬ এর ল.সা.গু = ২৪।
চলকগুলোর সর্বোচ্চ পাওয়ার: $a^2, b^2, c$ (সবার মধ্যে c এর সর্বোচ্চ পাওয়ার ১)।
তাহলে ল.সা.গু হয়: $24a^2b^2c$।
এই মানটি অপশন ‘খ’-তে হুবহু রয়েছে এবং উত্তরপত্রেও এটি নির্দেশ করা হয়েছে। তাই বুঝতে হবে, প্রশ্নে ভুলবশত ‘গ.সা.গু’ লেখা হয়েছে, আসলে জানতে চাওয়া হয়েছে ‘ল.সা.গু’।
ট্রেন এক্সামিনার পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ প্রস্তুতির সময় মনে রাখবেন, যদি দেখেন গাণিতিক ফলাফলের সাথে প্রশ্নের মিল নেই, তখন বিপরীত অপারেশনটি (গসাগু এর বদলে লসাগু) করে দেখবেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অপশন দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়াটা স্মার্টনেসের পরিচয়।
২২. একটি ত্রিভুজের বাহুগুলোর অনুপাত $1 : 2\sqrt{2} : 3$ হলে এর বৃহত্তম কোণটির মান কত?
ক. $30^\circ$
খ. $60^\circ$
গ. $90^\circ$
ঘ. $45^\circ$
সঠিক উত্তর: গ. $90^\circ$
ব্যাখ্যা:
এটি জ্যামিতির একটি অত্যন্ত চমৎকার প্রশ্ন। ত্রিভুজের বাহুর অনুপাত দেখে আমাদের প্রথমে যাচাই করতে হবে এটি সমকোণী ত্রিভুজ (Right-angled triangle) কি না। পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী, লম্ব$^২$ + ভূমি$^২$ = অতিভুজ$^২$।
এখানে বাহুগুলো: $a = 1$, $b = 2\sqrt{2}$, $c = 3$।
বর্গ করে দেখি:
$a^2 = 1^2 = 1$
$b^2 = (2\sqrt{2})^2 = 4 \times 2 = 8$
$c^2 = 3^2 = 9$
আমরা দেখতে পাচ্ছি, $1 + 8 = 9$, অর্থাৎ $a^2 + b^2 = c^2$।
যেহেতু এটি পিথাগোরাসের সূত্র মেনে চলছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই একটি সমকোণী ত্রিভুজ। আর সমকোণী ত্রিভুজের বৃহত্তম কোণটি সর্বদাই $90^\circ$ (সমকোণ) হয়, কারণ বাকি দুটি কোণের সমষ্টি $90^\circ$।
কেন সঠিক উত্তর ৯০ ডিগ্রি? কারণ বৃহত্তম বাহুর (এখানে ৩) বিপরীত কোণটিই বৃহত্তম হয়। আর পিথাগোরাসের সূত্র মেলায় বৃহত্তম বাহুটি অতিভুজ, যার বিপরীত কোণ সমকোণ। ট্রেন এক্সামিনার বা Train Examiner প্রশ্ন সমাধান ২০২৬-এর জ্যামিতি অংশে এই লজিকটি জানা থাকলে পেন-পেনসিল ছাড়াই উত্তর করা সম্ভব।
৩৫. একটি বাক্সের দৈর্ঘ্য ২ মিটার, প্রস্থ ১ মিটার ৫০ সে.মি. এবং উচ্চতা ১ মিটার। বাক্সটির আয়তন কত?
ক. ১ ঘনমিটার
খ. ২ ঘনমিটার
গ. ৩ ঘনমিটার
ঘ. ৪ ঘনমিটার
সঠিক উত্তর: গ. ৩ ঘনমিটার
ব্যাখ্যা:
আয়তন বের করার সূত্র: দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × উচ্চতা।
তবে গুণ করার আগে সবগুলোর একক একই হতে হবে।
দেওয়া আছে:
দৈর্ঘ্য = ২ মিটার
প্রস্থ = ১ মিটার ৫০ সে.মি. = ১.৫ মিটার (কারণ ৫০ সে.মি. = ০.৫০ মিটার)
উচ্চতা = ১ মিটার
সুতরাং, আয়তন = ২ × ১.৫ × ১ ঘনমিটার
= ৩ ঘনমিটার।
কেন ভুল হয়? অনেকেই ১ মিটার ৫০ সে.মি.-কে ১.০৫ বা ১.৫ এর বদলে ভুল দশমিকে রূপান্তর করেন। কিন্তু ৫০ সে.মি. মানে অর্ধেক মিটার বা ০.৫ মিটার। তাই ১.৫ হবে। ট্রেন এক্সামিনার বা Train Examiner প্রশ্ন সমাধান ২০২৬-এর গণিত অংশের এটি একটি বেসিক পরিমিতির অংক।
৩৬. রুনা ১ $\frac{১}{২}$ ঘণ্টায় ৫ কি.মি. হাঁটে এবং রুনি ৫ মিনিটে ২৫০ মিটার হাঁটে। রুনা এবং রুনির গতিবেগের অনুপাত কত?
ক. ১০ : ৯
খ. ৯ : ১০
গ. ২০ : ৯
ঘ. ১৮ : ৫
সঠিক উত্তর: ক. ১০ : ৯
ব্যাখ্যা:
অনুপাত বের করতে হলে দুজনের গতিবেগ একই এককে (যেমন: মিটার/মিনিট বা কি.মি./ঘণ্টা) আনতে হবে। আমরা মিটার/মিনিটে বের করি।
রুনার ক্ষেত্রে:
সময় = ১.৫ ঘণ্টা = ৯০ মিনিট (১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট)
দূরত্ব = ৫ কি.মি. = ৫০০০ মিটার
গতিবেগ = ৫০০০ / ৯০ = ৫-০০ / ৯ মিটার/মিনিট
রুনির ক্ষেত্রে:
সময় = ৫ মিনিট
দূরত্ব = ২৫০ মিটার
গতিবেগ = ২৫০ / ৫ = ৫০ মিটার/মিনিট
অনুপাত (রুনা : রুনি) = $\frac{৫০০}{৯} : ৫০$
উভয় পক্ষকে ৫০ দিয়ে ভাগ করি: $\frac{১০}{৯} : ১$
উভয় পক্ষকে ৯ দিয়ে গুণ করি: ১০ : ৯
সুতরাং, সঠিক অনুপাত ১০ : ৯।
ট্রেন এক্সামিনার পরীক্ষার প্রশ্ন বিশ্লেষণ ২০২৬ অনুযায়ী এই অংকটি সময়ের সঠিক কনভার্সন বা রূপান্তরের ওপর নির্ভর করে।
৪১. ৫৬৭২৮ জন সৈন্য থেকে কমপক্ষে কত জন সৈন্য সরিয়ে রাখলে সৈন্য দলকে বর্গাকারে সাজানো যায়?
ক. ৪২ জন
খ. ৮৪ জন
গ. ১৬৮ জন
ঘ. ১২৬ জন
সঠিক উত্তর: খ. ৮৪ জন
ব্যাখ্যা:
এই অংকটি বর্গমূলের ভাগের নিয়মে করতে হবে। ৫৬৭২৮ সংখ্যাটির বর্গমূল করার চেষ্টা করি।
২৩৮ $\times$ ২৩৮ = ৫৬৬৪৪
এখন, ৫৬৭২৮ – ৫৬৬৪৪ = ৮৪
অর্থাৎ, ৮৪ জন সৈন্য অবশিষ্ট থাকে। যদি এই ৮৪ জনকে সরিয়ে ফেলা হয়, তবে বাকি সৈন্য সংখ্যা (৫৬৬৪৪) একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা হবে এবং তাদের বর্গাকারে সাজানো যাবে।
শর্টকাট: ক্যালকুলেটরে $\sqrt{56728} = 238.17$… আসে। এরপর $238^2$ করে মূল সংখ্যা থেকে বিয়োগ করলেই উত্তর পাওয়া যায়।
৪২. একটি প্রতিষ্ঠানের ৪০% কর্মচারী নিরক্ষর। অবশিষ্ট কর্মচারীর ৫০% এসএসসি পাশ এবং অবশিষ্ট ১০ জনন গ্রাজুয়েট। প্রতিষ্ঠানের কতজন কর্মচারী এসএসসি পাশ?
ক. ১৮০ জন
খ. ৯০ জন
গ. ৪৫ জন
ঘ. সঠিক উত্তর নেই
সঠিক উত্তর: ঘ. সঠিক উত্তর নেই (প্রশ্নের তথ্য অনুযায়ী ১০ জন এসএসসি পাশ হওয়ার কথা, যা অপশনে নেই বা প্রশ্নটিতে অস্পষ্টতা আছে)
ব্যাখ্যা:
ধরি মোট কর্মচারী = ১০০x
নিরক্ষর = ৪০x
অবশিষ্ট (সাক্ষর) = ৬০x
এই ৬০x এর ৫০% এসএসসি পাশ = ৩০x
অবশিষ্ট থাকে = ৬০x – ৩০x = ৩০x
প্রশ্নে বলা আছে, এই অবশিষ্ট অংশটিই গ্রাজুয়েট এবং তাদের সংখ্যা ১০ জন।
অর্থাৎ, ৩০x = ১০
বা, x = ১০/৩০ = ১/৩
জানতে চাওয়া হয়েছে এসএসসি পাশ কতজন?
এসএসসি পাশ = ৩০x = ৩০ $\times$ (১/৩) = ১০ জন।
কিন্তু অপশনে ১০ নেই। অপশনে আছে ১৮০, ৯০, ৪৫। তাই সঠিক উত্তর ‘ঘ’। যদি প্রশ্নে গ্রাজুয়েটের সংখ্যা ৯০ জন বলা থাকত, তবে উত্তর হতো ৯০ জন। যেহেতু প্রশ্নে সংখ্যা ১০, তাই উত্তর মিলছে না।
৪৩. একটি বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ১০০ বর্গমিটার। এই ক্ষেত্রের প্রতিটি বাহু ১০% বৃদ্ধি করা হলে ক্ষেত্রফল শতকরা কত ভাগ বৃদ্ধি পাবে?
ক. ১২১%
খ. ২১%
গ. ২০%
ঘ. ১০০%
সঠিক উত্তর: খ. ২১%
ব্যাখ্যা:
শর্টকাট সূত্র: $A + B + \frac{A \times B}{100}$
এখানে বাহু বৃদ্ধির হার ১০%, তাই $A=10, B=10$
বৃদ্ধি = $10 + 10 + \frac{10 \times 10}{100}$
= ২০ + ১ = ২১%।
ম্যানুয়াল পদ্ধতি: ক্ষেত্রফল ১০০ হলে বাহু ১০। ১০% বাড়লে বাহু হয় ১১। নতুন ক্ষেত্রফল $১১ \times ১১ = ১২১$। বৃদ্ধি = ১২১ – ১০০ = ২১%।
৬২. একটি ছাগল ১০% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হল। বিক্রয়মূল্য ৪৫ টাকা বেশি হলে ৫% লাভ হয়। ছাগলটির ক্রয়মূল্য কত?
ক. ২০০ টাকা
খ. ২৫০ টাকা
গ. ৩৫০ টাকা
ঘ. ৩০০ টাকা
সঠিক উত্তর: ঘ. ৩০০ টাকা
ব্যাখ্যা:
এই অংকটি করার সুপার শর্টকাট টেকনিক:
ক্ষতি ও লাভ থাকলে দুটি শতকরা হার যোগ করতে হয়।
এখানে, ১০% ক্ষতি + ৫% লাভ = ১৫% ব্যবধান।
এই ১৫% ব্যবধানের মানই হলো ৪৫ টাকা (কারণ ৪৫ টাকা বেশি পেলে লাভ হতো)।
শর্তমতে,
ক্রয়মূল্যের ১৫% = ৪৫ টাকা
ক্রয়মূল্যের ১% = ৪৫/১৫ = ৩ টাকা
ক্রয়মূল্যের ১০০% = ৩ × ১০০ = ৩০০ টাকা।
সুতরাং, ছাগলটির ক্রয়মূল্য ৩০০ টাকা। মুখে মুখেই করা সম্ভব!
৬৪. কোন আসলে ৩ বছরের মুনাফা-আসলে ১৫৭৮ টাকা এবং ৫ বছরের মুনাফা-আসলে ১৮৩০ টাকা হয়। আসল ও মুনাফার হার নির্ণয় করুন।
ক. আসল ১০০০ টাকা, মুনাফা ১০%
খ. আসল ১০০০ টাকা, মুনাফা ১২%
গ. আসল ১২০০ টাকা, মুনাফা ১০.৫%
ঘ. আসল ১১০০ টাকা, মুনাফা ১০%
সঠিক উত্তর: গ. আসল ১২০০ টাকা, মুনাফা ১০.৫%
ব্যাখ্যা:
৫ বছরের মুনাফা-আসল = ১৮৩০ টাকা
৩ বছরের মুনাফা-আসল = ১৫৭৮ টাকা
বিয়োগ করলে, ২ বছরের মুনাফা = ১৮৩০ – ১৫৭৮ = ২৫২ টাকা
১ বছরের মুনাফা = ২৫২ / ২ = ১২৬ টাকা
৩ বছরের মুনাফা = ১২৬ × ৩ = ৩৭৮ টাকা।
এখন আসল বের করি:
আসল = ৩ বছরের মুনাফা-আসল – ৩ বছরের মুনাফা
আসল = ১৫৭৮ – ৩৭৮ = ১২০০ টাকা।
মুনাফার হার বের করি:
আমরা জানি, $I = Pnr$
এখানে, $I$ (১ বছরের সুদ) = ১২৬ টাকা
$P$ (আসল) = ১২০০ টাকা
$n$ = ১ বছর
$r = \frac{I}{Pn} \times 100$
$r = \frac{126}{1200 \times 1} \times 100$
$r = \frac{126}{12} = 10.5%$
সুতরাং, আসল ১২০০ টাকা এবং মুনাফার হার ১০.৫%।
ট্রেন এক্সামিনার সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ | সাম্প্রতিক তথ্যসহ
এখানে তুলে ধরা হয়েছে আজকের ট্রেন এক্সামিনার প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এর সাধারণ জ্ঞান অংশ। বাংলাদেশ বিষয়াবলি, আন্তর্জাতিক ঘটনা, রেলওয়ে সংক্রান্ত তথ্য ও সাম্প্রতিক আপডেট সব প্রশ্ন নির্ভুল তথ্যসহ ব্যাখ্যা করা হয়েছে। কেন উত্তরটি সঠিক এবং অন্যগুলো কেন ভুল, তা পরিষ্কারভাবে বোঝানো হয়েছে। যারা বিসিএস ও অন্যান্য সরকারি চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য এই সাধারণ জ্ঞান অংশটি বাড়তি সুবিধা দেবে।
৩. দেশে তৃতীয় লিঙ্গের মোট ভোটার কতজন?
ক. ১২০৪ জন
খ. ১৫২০ জন
গ. ১৯২৭ জন
ঘ. ১৩২০ জন
সঠিক উত্তর: ক. ১২০৪ জন
ব্যাখ্যা:
এটি একটি সাধারণ জ্ঞানমূলক প্রশ্ন যা সাম্প্রতিক তথ্যের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে। ট্রেন এক্সামিনার প্রশ্ন উত্তর ২০২৬ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, নির্বাচন কমিশনের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে নিবন্ধিত তৃতীয় লিঙ্গের মোট ভোটার সংখ্যা হলো ১২০৪ জন (তথ্যটি প্রশ্নপত্রের রেফারেন্স বা নির্দিষ্ট সময়কাল অনুযায়ী সঠিক)। বাংলাদেশে ২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো তৃতীয় লিঙ্গের মানুষকে ‘লিঙ্গ পরিচয়’ দিয়ে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এটি তাদের সামাজিক স্বীকৃতি ও নাগরিক অধিকারের একটি বড় ধাপ।
কেন এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ? কারণ রেলওয়ে বা সরকারি চাকরিতে অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজব্যবস্থা সম্পর্কে পরীক্ষার্থীর ধারণা থাকা আবশ্যক। অপশনগুলোতে কাছাকাছি সংখ্যা দিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে। যেমন—১৫২০ বা ১৯২৭ সংখ্যাগুলো ভুল। মনে রাখার কৌশল হলো, সংখ্যাটি ১২০০-এর সামান্য বেশি, অর্থাৎ ১২০৪। সাধারণ জ্ঞানে ভালো করতে হলে নির্বাচন কমিশন, আদমশুমারি এবং জনশুমারির সর্বশেষ রিপোর্টগুলো নখদর্পণে রাখতে হবে। ট্রেন এক্সামিনার পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এ এই ধরনের ডেটা-বেজড প্রশ্ন প্রমাণ করে যে, পরীক্ষার্থীদের সাম্প্রতিক বাংলাদেশ বিষয়াবলি সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। বিশেষ করে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর পরিসংখ্যান সরকারি চাকরির পরীক্ষার জন্য হট টপিক।
৬. বাংলাদেশের দীর্ঘতম একক রেলসেতু কোনটি?
ক. মধুমতি রেলসেতু
খ. রূপসা রেলসেতু
গ. যমুনা রেলসেতু
ঘ. হার্ডিঞ্জ ব্রিজ
সঠিক উত্তর: গ. যমুনা রেলসেতু
ব্যাখ্যা:
এই প্রশ্নটি সাধারণ জ্ঞানের এবং সাম্প্রতিক উন্নয়নের সাথে সম্পর্কিত। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু বা যমুনা রেলসেতু হলো বাংলাদেশের দীর্ঘতম ডেডিকেটেড রেলসেতু। এটির দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার। আগে বঙ্গবন্ধু সেতু (মাল্টিপারপাস) দিয়ে রেল চলাচল করত, কিন্তু সেখানে গতি ও ওজনের সীমাবদ্ধতা ছিল। তাই যমুনা নদীর ওপর আলাদাভাবে এই রেলসেতু নির্মাণ করা হয়েছে, যা ২০২৬ সালের প্রেক্ষাপটে দেশের রেল যোগাযোগে বিপ্লব ঘটিয়েছে।
কেন অন্যগুলো ভুল? হার্ডিঞ্জ ব্রিজ একসময় দীর্ঘতম ছিল (১.৮ কিমি), কিন্তু এখন আর নেই। রূপসা ও মধুমতি রেলসেতু গুরুত্বপূর্ণ হলেও দৈর্ঘ্যে যমুনা রেলসেতুর ধারেকাছেও নেই। ট্রেন এক্সামিনার পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এ রেলওয়ে সম্পর্কিত প্রশ্ন থাকাটা খুবই স্বাভাবিক। পরীক্ষার্থীদের মনে রাখতে হবে, রেলওয়ের নিজস্ব স্থাপনা, দীর্ঘতম সেতু, বৃহত্তম স্টেশন—এগুলো ভাইভা এবং লিখিত উভয় পরীক্ষার জন্যই সুপার ইম্পর্টেন্ট। এই সেতুর মাধ্যমে উত্তরবঙ্গের সাথে ঢাকার রেল যোগাযোগ অত্যন্ত দ্রুত হয়েছে। মনে রাখবেন, প্রশ্নটি যদি ‘সড়ক সেতু’ হতো তবে উত্তর হতো পদ্মা সেতু, কিন্তু ‘রেলসেতু’ বলায় উত্তর হবে যমুনা রেলসেতু। Train Examiner job question solution 2026 এর জন্য এই পার্থক্যটা বোঝা খুব জরুরি।
১৪. ‘ওপেক প্লাস’-এ যুক্ত হওয়া মোট দেশ কতটি?
ক. ৮টি
খ. ৯টি
গ. ১০টি
ঘ. ১১টি
সঠিক উত্তর: গ. ১০টি (বি:দ্র: প্রশ্নের উত্তরপত্রে ‘গ’ বা ১১টি দেওয়া থাকলেও প্রেক্ষাপট অনুযায়ী ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো)
ব্যাখ্যা:
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলির এই প্রশ্নটি বেশ কৌতূহলোদ্দীপক। ওপেক প্লাস (OPEC+) হলো তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর একটি জোট, যা মূল ওপেক (OPEC) দেশগুলোর সাথে সহযোগী হিসেবে কাজ করে। এই জোটটি ২০১৬ সালে গঠিত হয়। মূল ওপেকের সদস্য সংখ্যা বর্তমানে ১২টি (নিরক্ষীয় গিনি বা অ্যাঙ্গোলার ত্যাগের পর সংখ্যা পরিবর্তিত হতে পারে)। কিন্তু ‘ওপেক প্লাস’ বলতে মূলত ওপেকের বাইরের সেই ১০টি দেশকে বোঝায় যারা রাশিয়ার নেতৃত্বে তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণে ওপেকের সাথে কাজ করে। এই ১০টি দেশ হলো: রাশিয়া, কাজাখস্তান, আজারবাইজান, বাহরাইন, ব্রুনেই, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, ওমান, সুদান এবং দক্ষিণ সুদান।
প্রশ্নে যদি ‘গ’ উত্তর বা ১১টি সঠিক ধরা হয়, তবে এটি ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ব্রাজিলের ওপেক প্লাসে যোগদানের ঘোষণার প্রেক্ষিতে হতে পারে। ব্রাজিল ২০২৪ সালে পর্যবেক্ষক বা সহযোগী হিসেবে যুক্ত হওয়ার কথা ছিল, যা সংখ্যাটিকে ১১ তে উন্নীত করে। ট্রেন এক্সামিনার প্রশ্ন উত্তর ২০২৬ বিশ্লেষণের সময় এই সাম্প্রতিক তথ্যের আপডেট থাকা জরুরি। তবে প্রচলিত বা স্ট্যাটিক জিকে অনুযায়ী সহযোগী দেশ ১০টি। পরীক্ষায় আসা প্রশ্নের অপশন ও সাম্প্রতিক ঘটনার ওপর ভিত্তি করে উত্তর করতে হয়। এই প্রশ্নটি প্রমাণ করে যে, আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য সংখ্যা সবসময় পরিবর্তনশীল এবং পরীক্ষার্থীদের সর্বশেষ পত্রিকার তথ্যে চোখ রাখতে হবে। Train Examiner job question solution 2026-এ এই ধরনের কনফিউজিং প্রশ্নে সতর্ক থাকা বাঞ্ছনীয়।
১৫. ‘ম্যাকাও’ কোন দেশের উপনিবেশ ছিল?
ক. ইংল্যান্ড
খ. ফ্রান্স
গ. ডেনমার্ক
ঘ. পর্তুগাল
সঠিক উত্তর: ঘ. পর্তুগাল
ব্যাখ্যা:
ইতিহাস ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের একটি ক্লাসিক প্রশ্ন এটি। ম্যাকাও (Macau) চীনের একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল, যা দীর্ঘ সময় ধরে ইউরোপীয় শক্তির শাসনে ছিল। এটি ছিল এশিয়ায় সর্বশেষ ইউরোপীয় উপনিবেশ। ১৫৫৭ সালে মিং রাজবংশের সময় পর্তুগিজরা এখানে বসতি স্থাপন করে এবং বাণিজ্য কুঠি গড়ে তোলে। দীর্ঘ ৪৪২ বছর পর্তুগিজ শাসনের পর ১৯৯৯ সালের ২০ ডিসেম্বর পর্তুগাল আনুষ্ঠানিকভাবে ম্যাকাওকে চীনের কাছে হস্তান্তর করে।
কেন সঠিক উত্তর পর্তুগাল? ইংল্যান্ডের উপনিবেশ ছিল হংকং (যা ১৯৯৭ সালে হস্তান্তরিত হয়), ফ্রান্সের ছিল ইন্দোচীন এলাকা, আর ডেনমার্কের ছিল ভারতের শ্রীরামপুর। কিন্তু ম্যাকাওয়ের সাথে পর্তুগালের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ম্যাকাওয়ের স্থাপত্য, খাবার এবং সংস্কৃতিতে এখনো পর্তুগিজ প্রভাব স্পষ্ট। ট্রেন এক্সামিনার পরীক্ষার প্রশ্ন বিশ্লেষণ ২০২৬ করলে দেখা যায়, এশিয়ায় ইউরোপীয় উপনিবেশ নিয়ে প্রশ্ন প্রায়ই আসে। মনে রাখার কৌশল হলো: হংকং = ব্রিটেন (ব্রিটিশ), ম্যাকাও = পর্তুগাল (পর্তুগিজ)। দুটি শহরই পার্ল রিভার ডেল্টায় অবস্থিত হলেও এদের ঔপনিবেশিক প্রভু ছিল ভিন্ন। ট্রেন এক্সামিনার পদের প্রশ্ন সমাধান ২০২৬-এর জন্য এই পার্থক্যটুকু মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
১৬. সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেছেন-
ক. পার্ল এস বাক
খ. জঁ পল সাত্রে
গ. সল বেলো
ঘ. কাহলিল জিবরান
সঠিক উত্তর: খ. জঁ পল সাত্রে
ব্যাখ্যা:
সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারের ইতিহাসে স্বেচ্ছায় পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করার ঘটনা বিরল এবং এর মধ্যে জঁ পল সাত্রের (Jean-Paul Sartre) নাম সবচেয়ে বিখ্যাত। তিনি ছিলেন ফরাসি অস্তিত্ববাদী দার্শনিক, নাট্যকার ও সাহিত্যিক। ১৯৬৪ সালে তাঁকে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়, কিন্তু তিনি তা গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান। সাত্রের মতে, একজন লেখককে কোনো প্রতিষ্ঠানের বা প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতির গণ্ডিতে আবদ্ধ হওয়া উচিত নয়, এতে তার লেখার স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হয়। তিনি সব ধরনের সরকারি সম্মাননা প্রত্যাখ্যান করতেন।
কেন অন্য অপশন ভুল? পার্ল এস বাক (আমেরিকান লেখিকা), সল বেলো (কানাডিয়ান-আমেরিকান লেখক)—তাঁরা সবাই নোবেল পুরস্কার গ্রহণ করেছেন। কাহলিল জিবরান নোবেল পাননি। নোবেল প্রত্যাখ্যানকারী আরেকজন বিখ্যাত ব্যক্তি হলেন বরিস পাস্তারনাক (Boris Pasternak), কিন্তু তাঁকে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন সরকারের চাপে বাধ্য হয়ে প্রত্যাখ্যান করতে হয়েছিল। কিন্তু স্বেচ্ছায় ও নীতিগত কারণে প্রত্যাখ্যানের জন্য জঁ পল সাত্রেই বিখ্যাত। ট্রেন এক্সামিনার লিখিত পরীক্ষার সমাধান ২০২৬-এ সাধারণ জ্ঞানের এই অংশে পরীক্ষার্থীর গভীরতা যাচাই করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: “সাত্রে সব সম্মান ‘ছেড়ে’ (Sartre) দিয়েছিলেন।”
২০. ‘তিতাস’ নদীর তীরে কোন শহর?
ক. কুমিল্লা
খ. ভৈরব
গ. কিশোরগঞ্জ
ঘ. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
সঠিক উত্তর: ঘ. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্যাখ্যা:
তিতাস নদী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা যেন একসূত্রে গাঁথা। অদ্বৈত মল্লবর্মণের বিখ্যাত উপন্যাস ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ এই নদীর তীরবর্তী মালো সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রা নিয়েই লেখা। ভৌগোলিকভাবে তিতাস নদী মেঘনা নদী থেকে উৎপন্ন হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পুনরায় মেঘনায় পতিত হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরটি তিতাস নদীর পাড়েই অবস্থিত।
কেন অন্যগুলো ভুল? ভৈরব মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী। কুমিল্লা গোমতী নদীর তীরে অবস্থিত (যাকে কুমিল্লার দুঃখ বলা হতো)। কিশোরগঞ্জ পুরাতন ব্রহ্মপুত্র ও নরসুন্দা নদীর অববাহিকায়। কিন্তু তিতাস বললেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে ব্রাহ্মণবাড়িয়া। ট্রেন এক্সামিনার প্রশ্ন উত্তর ২০২৬-এ বাংলাদেশ বিষয়াবলির নদী ও জনপদ অংশ থেকে এই প্রশ্নটি এসেছে। চাকরিপ্রার্থীদের নদীর তীরবর্তী শহরগুলোর তালিকা মুখস্থ রাখা বাঞ্ছনীয়। যেমন—সুরমার তীরে সিলেট, কর্ণফুলীর তীরে চট্টগ্রাম, আর তিতাসের তীরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
২৮. ‘পেঁয়াজ’ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা-
ক. ফরিদপুর
খ. পাবনা
গ. রাজবাড়ী
ঘ. রাজশাহী
সঠিক উত্তর: খ. পাবনা
ব্যাখ্যা:
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ এবং সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে পেঁয়াজ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা হলো পাবনা। দেশের মোট পেঁয়াজের একটি বিশাল অংশ উৎপাদিত হয় পাবনা জেলায়, বিশেষ করে সাঁথিয়া ও সুজানগর উপজেলায়। একে বাংলাদেশের ‘পেঁয়াজের ভাণ্ডার’ বলা হয়।
কেন কনফিউশন হয়? ফরিদপুর ও রাজবাড়ীতেও প্রচুর পেঁয়াজ হয় এবং তারা তালিকার ওপরের দিকেই থাকে। কিন্তু উৎপাদনের পরিমাণে পাবনা দীর্ঘদিন ধরে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। ট্রেন এক্সামিনার পরীক্ষার প্রশ্ন বিশ্লেষণ ২০২৬-এ দেখা যায়, কৃষি সম্পদ ও জেলাভিত্তিক উৎপাদনের তথ্য বা ‘District Branding’ থেকে প্রশ্ন আসে। তাই কোন জেলায় কী ভালো জন্মে (যেমন: আম-চাঁপাইনবাবগঞ্জ/নওগাঁ, ধান-ময়মনসিংহ) তা জেনে রাখা আবশ্যক।
৩১. ৬ষ্ঠ আদমশুমারি অনুযায়ী কোন জেলায় সাক্ষরতার হার বেশি?
ক. পিরোজপুর
খ. চুয়াডাঙ্গা
গ. রাজশাহী
ঘ. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর: ক. পিরোজপুর
ব্যাখ্যা:
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ (৬ষ্ঠ আদমশুমারি) এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে সর্বোচ্চ সাক্ষরতার হার পিরোজপুর জেলায়। এই জেলায় সাক্ষরতার হার ৮৮.৭%। এটি বরিশাল বিভাগের অন্তর্গত। এর আগে দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা বা ঝালকাঠি এই তালিকার শীর্ষে থাকত, কিন্তু সাম্প্রতিক তথ্যে পিরোজপুর প্রথম স্থানে উঠে এসেছে।
কেন এই প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ? কারণ আদমশুমারির ডেটা সরকারি চাকরির পরীক্ষার জন্য ‘বাইবেল’ সদৃশ। ট্রেন এক্সামিনার প্রশ্ন উত্তর ২০২৬ বিশ্লেষণের সময় এই আপডেটেড তথ্যটি মনে রাখা জরুরি। সর্বনিম্ন সাক্ষরতার হার বান্দরবান বা জামালপুর অঞ্চলের দিকে হতে পারে, কিন্তু শীর্ষস্থানটি পিরোজপুরের দখলে। পরীক্ষার্থীদের উচিত নিজ জেলা এবং জাতীয় পর্যায়ের শীর্ষ ও সর্বনিম্ন সূচকগুলো মুখস্থ রাখা।
৩৮. কত সালে Dacca বানানকে Dhaka বানানে রূপান্তর করা হয়?
ক. ১৯৭৬
খ. ১৯৮২
গ. ১৯৮৫
ঘ. ১৯৮৮
সঠিক উত্তর: খ. ১৯৮২
ব্যাখ্যা:
জেনারেল এরশাদের শাসনামলে প্রশাসনিক সংস্কারের অংশ হিসেবে ১৯৮২ সালের ৫ অক্টোবর ইংরেজি বানান ‘Dacca’ পরিবর্তন করে ‘Dhaka’ করা হয়। এটি করা হয়েছিল বাংলা উচ্চারণের সাথে ইংরেজি বানানের সামঞ্জস্য রাখার জন্য। একই সময়ে গঙ্গা (Ganges) ছাড়া আরও কিছু নামও পরিবর্তন করা হয়। ট্রেন এক্সামিনার লিখিত পরীক্ষার সমাধান ২০২৬ এ ইতিহাসের এই তারিখগুলো মনে রাখা জরুরি।
৩৯. বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের ‘ব্লাক বেঙ্গল’ ছাগলের চামড়া কী নামে পরিচিত?
ক. মেহেরপুর গ্রেড
খ. চুয়াডাঙ্গা গ্রেড
গ. ঝিনাইদহ গ্রেড
ঘ. কুষ্টিয়া গ্রেড
সঠিক উত্তর: ঘ. কুষ্টিয়া গ্রেড
ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশের ‘ব্ল্যাক বেঙ্গল’ ছাগলের চামড়া বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত উন্নতমানের হিসেবে সমাদৃত। আন্তর্জাতিক বাজারে এটি ‘Kushtia Grade’ বা ‘কুষ্টিয়া গ্রেড’ নামে পরিচিত। এর কারণ হলো কুষ্টিয়া ও এর আশেপাশের অঞ্চলে উৎপাদিত ছাগলের চামড়ার গুণগত মান, বুনন ও টেক্সচার সেরা। এটি দিয়ে উচ্চমানের জুতা ও ব্যাগ তৈরি হয়। ট্রেন এক্সামিনার প্রশ্ন উত্তর ২০২৬ এ বাণিজ্যের এই তথ্যটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
৪০. সিন্ধু অভিযানে মুসলিম সেনাপতি কে ছিলেন-
ক. হাজ্জাজ বিন ইউসুফ
খ. মুহাম্মদ বিন কাসেম
গ. সুলতান মাহমুদ
ঘ. খান জাহান আলী
সঠিক উত্তর: খ. মুহাম্মদ বিন কাসেম
ব্যাখ্যা:
৭১২ খ্রিস্টাব্দে মাত্র ১৭ বছর বয়সী তরুণ সেনাপতি মুহাম্মদ বিন কাসেম সিন্ধু অভিযান করেন এবং রাজা দাহিরকে পরাজিত করে সিন্ধু বিজয় করেন। এটি ছিল ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম শাসনের বা ইসলামের আগমনের প্রথম বড় রাজনৈতিক বিজয়। হাজ্জাজ বিন ইউসুফ ছিলেন ইরাকের গভর্নর যিনি কাসেমকে পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু সেনাপতি ছিলেন কাসেম নিজেই। Train Examiner job question solution 2026 এ ইতিহাসের এই অধ্যায়টি সবসময়ের জন্য হট টপিক।
৪৫. আনুষ্ঠানিকভাবে গণভোট শুরু হয় কোন দেশে?
ক. আয়ারল্যান্ডে
খ. সুইজারল্যান্ডে
গ. ফিনল্যান্ডে
ঘ. গ্রিনল্যান্ডে
সঠিক উত্তর: খ. সুইজারল্যান্ডে
ব্যাখ্যা:
সুইজারল্যান্ড হলো প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রের দেশ। এখানে ১৮৪৮ সাল থেকে বা আধুনিক গণতন্ত্রের শুরু থেকেই গণভোট (Referendum) একটি নিয়মিত চর্চা। যেকোনো আইন পাস বা বাতিলের জন্য সেখানে জনগণের সরাসরি ভোট নেওয়া হয়। তাই আনুষ্ঠানিকভাবে বা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে গণভোটের জনক বা সূতিকাগার বলা হয় সুইজারল্যান্ডকে।
৪৬. বাংলাদেশের তৈরি জাহাজ ‘স্টেলা মেরিস’ রপ্তানি হয়েছে-
ক. ডেনমার্কে
খ. নরওয়েতে
গ. ফিনল্যান্ডে
ঘ. সুইডেনে
সঠিক উত্তর: ক. ডেনমার্কে
ব্যাখ্যা:
আনন্দ শিপইয়ার্ড নির্মিত ‘স্টেলা মেরিস’ (Stella Maris) জাহাজটি ডেনমার্কে রপ্তানি করা হয়েছিল। এটি ছিল বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি করা প্রথম পূর্ণাঙ্গ সমুদ্রগামী জাহাজ। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ জাহাজ রপ্তানিকারক দেশের তালিকায় নাম লেখায়। ঘটনাটি ঘটে ২০০৮ সালে। ট্রেন এক্সামিনার পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এ অর্জনের এই ইতিহাসগুলো গুরুত্বপূর্ণ।
৫৭. বিশ্বের বৃহত্তম আইসবার্গের (হিমশৈল) নাম কী?
ক. A23a
খ. B-15a
গ. B-15
ঘ. C-19
সঠিক উত্তর: ক. A23a
ব্যাখ্যা:
সাম্প্রতিক তথ্য (২০২৪-২০২৬ প্রেক্ষাপট) অনুযায়ী, বিশ্বের বৃহত্তম ভাসমান হিমশৈল বা আইসবার্গের নাম হলো A23a। এটি অ্যান্টার্কটিকা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে সমুদ্রে ভাসছে। এর আয়তন প্রায় ৪০০০ বর্গকিলোমিটার (লন্ডন শহরের দ্বিগুণেরও বেশি)। এটি ১৯৮৬ সালেই ভেঙেছিল কিন্তু দীর্ঘকাল আটকে থাকার পর সম্প্রতি এটি আবার নড়াচড়া শুরু করেছে। তাই এটি এখন বৃহত্তম। B-15 অতীতে বৃহত্তম ছিল, কিন্তু এখন তা ভেঙে ছোট হয়ে গেছে।
৬০. ২০২৫ সালে নিউজিল্যান্ড কোন পর্বতকে ‘মানুষ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়?
ক. Mount Tasman
খ. Malie Brun
গ. Mount Taranaki
ঘ. Mount Haast
সঠিক উত্তর: গ. Mount Taranaki
ব্যাখ্যা:
নিউজিল্যান্ডের মাওরি আদিবাসীদের কাছে মাউন্ট তারানাকি (Mount Taranaki) অত্যন্ত পবিত্র এবং জীবন্ত সত্তা হিসেবে গণ্য। পরিবেশ রক্ষা ও আদিবাসী অধিকারের অংশ হিসেবে নিউজিল্যান্ড সরকার এই আগ্নেয়গিরিটিকে আইনিভাবে ‘ব্যক্তিসত্তা’ বা ‘Legal Person’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এর মানে হলো, পর্বতটির ক্ষতি করা আর একজন মানুষের ক্ষতি করা আইনের চোখে সমান অপরাধ। এর আগে হোয়াঙ্গানুই নদীকেও (Whanganui River) একই মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল। ট্রেন এক্সামিনার প্রশ্ন উত্তর ২০২৬-এ পরিবেশ ও আইন সংক্রান্ত এই যুগান্তকারী ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ট্রেন এক্সামিনার বাংলা প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ | নির্ভুল ব্যাখ্যাসহ
আপনাদের জন্য এখানে নির্ভুল ব্যাখ্যাসহ আজকে (২৪.০১.২০২৬) অনুষ্ঠিত ট্রেন এক্সামিনার প্রশ্ন সমাধান ২০২৬–এর বাংলা অংশ উপস্থাপন করা হলো। এই অংশে ছিল সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ, বাক্য সংশোধন ও অনুচ্ছেদভিত্তিক প্রশ্ন। প্রতিটি প্রশ্ন সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে, যেন আপনি কেবল মুখস্থ নয়, বরং বিষয়টি বুঝে নিতে পারেন। রেলওয়ে চাকরির প্রস্তুতিতে বাংলা অংশে ভালো নম্বর নিশ্চিত করতে এই বিশ্লেষণ আপনার জন্য ভীষণ সহায়ক হবে।
৫. কোনটি সমার্থক নয়?
ক. বারিধি
খ. বারীশ
গ. সুধাকর
ঘ. রত্নাকর
সঠিক উত্তর: গ. সুধাকর
ব্যাখ্যা:
বাংলা শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দের এই প্রশ্নটি বেশ চমৎকার। এখানে চারটি শব্দের মধ্যে তিনটি একই অর্থ বহন করে, কিন্তু একটি ভিন্ন। চলুন শব্দগুলোর ব্যবচ্ছেদ করি। ‘বারিধি’, ‘বারীশ’ এবং ‘রত্নাকর’—এই তিনটি শব্দই ‘সমুদ্র’ বা ‘সাগর’-এর সমার্থক শব্দ।
- বারিধি: বারি (জল) ধারণ করে যে।
- বারীশ: বারির (জলের) ঈশ বা রাজা।
- রত্নাকর: রত্নের আকর বা খনি (সমুদ্রকে রত্নের আকর বলা হয়)।
কিন্তু ‘সুধাকর’ শব্দটির অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন। ‘সুধা’ অর্থ অমৃত বা জ্যোৎস্না, আর ‘কর’ অর্থ যে করে বা দেয়। সুধাকর হলো ‘চাঁদ’ বা ‘চন্দ্র’-এর সমার্থক শব্দ।
কেন সঠিক উত্তর গ? কারণ বাকি তিনটি (ক, খ, ঘ) সমুদ্রের প্রতিশব্দ, কিন্তু ‘সুধাকর’ চাঁদের প্রতিশব্দ। তাই এটিই বেমানান বা সমার্থক নয়। ট্রেন এক্সামিনার লিখিত পরীক্ষার সমাধান ২০২৬ এ বাংলা অংশে শব্দভাণ্ডারের দখল থাকাটা জরুরি। মনে রাখার সহজ নিয়ম হলো, ‘কর’ বা ‘ধর’ যুক্ত শব্দগুলোর মূল অর্থ ভাঙার চেষ্টা করা। যেমন—শশধর (চাঁদ), ভূধর (পাহাড়)। পরীক্ষায় এই ধরনের ‘Odd one out’ বা ‘বেমানান শব্দ বাছাই’ প্রশ্ন প্রায়ই আসে। এটি পরীক্ষার্থীর শব্দার্থের গভীরতা যাচাই করে। তাই, ট্রেন এক্সামিনার বা Train Examiner প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ প্রস্তুত করার সময় সমার্থক শব্দের তালিকাটি ভালো করে ঝালিয়ে নেওয়া উচিত।
৭. ‘বাগধারা’ কোথায় আলোচিত হয়?
ক. ধ্বনিতত্ত্বে
খ. রূপতত্ত্বে
গ. শব্দতত্ত্বে
ঘ. বাক্যতত্ত্বে
সঠিক উত্তর: ঘ. বাক্যতত্ত্বে
ব্যাখ্যা:
ব্যাকরণের এই প্রশ্নটি নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায়ই বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। বাগধারা হলো বিশিষ্টার্থক শব্দগুচ্ছ। অর্থাৎ, সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে যখন কোনো শব্দগুচ্ছ বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে বাগধারা বলে। যেহেতু বাগধারা মূলত একটি বাক্যাংশ বা একাধিক শব্দের সমষ্টি হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে অর্থের পরিবর্তন ঘটায়, তাই প্রথাগত বাংলা ব্যাকরণ (যেমন: মুনীর চৌধুরী ও মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরীর পাঠ্যবই) অনুযায়ী এটি বাক্যতত্ত্বের (Syntax) আলোচ্য বিষয়।
কেন বিভ্রান্তি হয়? অনেক আধুনিক ব্যাকরণবিদ বা গাইডে দাবি করা হয় এটি অর্থতত্ত্বের (Semantics) বিষয়, কারণ বাগধারার মূল কাজ অর্থের পরিবর্তন। প্রশ্নের ছবিতে দেওয়া গাইডের রেফারেন্সে ‘অর্থতত্ত্ব’ উল্লেখ থাকলেও, অপশনে যদি অর্থতত্ত্ব না থাকে বা প্রথাগত ব্যাকরণ অনুসরণ করা হয়, তবে সঠিক উত্তর হবে ‘বাক্যতত্ত্ব’। প্রদত্ত প্রশ্নে অপশন ‘ঘ’-তে বাক্যতত্ত্ব আছে। বাগধারা বাক্যের অংশ হিসেবে বসে এবং বাক্যের প্রকাশভঙ্গিকে বলিষ্ঠ করে, তাই এর অবস্থান বাক্যতত্ত্বে। ধ্বনিতত্ত্ব আলোচনা করে ধ্বনি নিয়ে, রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্ব আলোচনা করে শব্দের গঠন নিয়ে। ট্রেন এক্সামিনার প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এ ব্যাকরণের এই মৌলিক অধ্যায়গুলো সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকা আবশ্যক। পরীক্ষার্থীদের উচিত বোর্ড বই অনুসরণ করা, যেখানে স্পষ্টভাবে বাগধারাকে বাক্যতত্ত্বের অধীনে রাখা হয়েছে।
২১. কোনটি সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজীর রচনা?
ক. রায়নন্দিনী
খ. অগ্নিপ্রবাহ
গ. বহ্নিপ্রবাহ
ঘ. অগ্রপথিক
সঠিক উত্তর: ক. রায়নন্দিনী
ব্যাখ্যা:
সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ছিলেন মুসলিম রেনেসাঁ বা জাগরণের কবি। তাঁর সাহিত্যকর্মের মূল উদ্দেশ্য ছিল মুসলিম সমাজকে জাগিয়ে তোলা এবং দেশপ্রেমের মন্ত্রে দীক্ষিত করা। ‘রায়নন্দিনী’ (১৯১৫) তাঁর রচিত একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস। এই উপন্যাসে তিনি ইতিহাস ও রোমান্সের সংমিশ্রণ ঘটিয়েছেন।
কেন অন্যগুলো ভুল? ‘অগ্নিপ্রবাহ’ বা ‘বহ্নিপ্রবাহ’ নামে তাঁর কোনো বিখ্যাত রচনা নেই (তবে তাঁর কাব্যগ্রন্থের নাম ‘অনল-প্রবাহ’, যা ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল)। পরীক্ষক এখানে নামের মিল দিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছেন। ‘অগ্রপথিক’ তাঁর রচনা নয়। সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজীর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘স্পেন বিজয় কাব্য’, ‘তাজউদ্দিন’, ‘নূরউদ্দীন’ ইত্যাদি। ট্রেন এক্সামিনার লিখিত পরীক্ষার সমাধান ২০২৬-এ সাহিত্যিকদের কর্ম নিয়ে এমন প্রশ্ন আসে। মনে রাখার উপায়: সিরাজী মানেই ‘অনল’ বা আগুন (অনল-প্রবাহ), আর তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস হলো ‘রায়নন্দিনী’।
২৩. মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের সেরা কবি আব্দুল হাকিমের জন্মস্থান কোথায়?
ক. সন্দ্বীপ
খ. কুতুবদিয়া
গ. খুলনা
ঘ. রাজশাহী
সঠিক উত্তর: ক. সন্দ্বীপ
ব্যাখ্যা:
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী কবি আব্দুল হাকিম, যিনি তাঁর গভীর মাতৃভাষা প্রেমের জন্য অমর হয়ে আছেন। তাঁর বিখ্যাত পঙক্তি “যে সবে বঙ্গেত জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী, সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি”—আজও প্রাসঙ্গিক। কবি আব্দুল হাকিম ১৬২০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে নোয়াখালী জেলার (বর্তমান চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তর্গত) সন্দ্বীপে সুধারামপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
কেন এই প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ? কারণ আব্দুল হাকিম শুধু একজন কবি নন, তিনি বাংলা ভাষার স্বপক্ষে এক বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। তাঁর জন্মস্থান নিয়ে বিসিএসসহ বিভিন্ন পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। সন্দ্বীপ একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হলেও বাংলা সাহিত্যে এর অবদান অনস্বীকার্য। ট্রেন এক্সামিনার পরীক্ষার প্রশ্ন বিশ্লেষণ ২০২৬-এ দেখা যায়, সাহিত্যিকদের জন্মস্থান বা পৈতৃক নিবাস মনে রাখাটা জরুরি। অপশনগুলোতে কুতুবদিয়া বা অন্যান্য জায়গার নাম দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়েছে, কিন্তু সঠিক উত্তর সন্দ্বীপ।
২৪. ‘কোথা থেকে আসা হচ্ছে?’- উক্ত উদাহরণটি কোন বাচ্যের?
ক. কর্তৃবাচ্য
খ. ভাববাচ্য
গ. কর্মবাচ্য
ঘ. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর: খ. ভাববাচ্য
ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে বাচ্য (Voice) পরিবর্তন একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। যখন কোনো বাক্যে কর্ম থাকে না এবং ক্রিয়াপদই বাক্যের প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তখন তাকে ভাববাচ্য (Impersonal Voice) বলে। “কোথা থেকে আসা হচ্ছে?”—এই বাক্যটিতে কোনো নির্দিষ্ট কর্তা (Subject) নেই (যেমন: আপনি কোথা থেকে আসছেন? এমন বলা হয়নি)। এখানে ‘আসা’ ক্রিয়াটিই মুখ্য। ক্রিয়ার ভাবই এখানে প্রধান।
চেনার উপায়: ভাববাচ্যের ক্রিয়াপদ সাধারণত নামপুরুষের হয় এবং ‘হচ্ছে’, ‘যাচ্ছে’—এ ধরনের ক্রিয়া বিভক্তি যুক্ত থাকে। যেমন: “আমার খাওয়া হয়েছে”, “তোমাকে দেখা যাচ্ছে না”। ট্রেন এক্সামিনার পদের প্রশ্ন সমাধান ২০২৬-এ ব্যাকরণের এই সূক্ষ্ম বিষয়গুলো এসেছে। কর্তৃবাচ্যে কর্তা প্রধান থাকে (তুমি কোথা থেকে আসছ?), কর্মবাচ্যে কর্ম প্রধান থাকে (চোরটি ধৃত হয়েছে), কিন্তু ভাববাচ্যে ক্রিয়াই সব। তাই এটি ভাববাচ্য।
২৭. সনেটের আদি কবি কে?
ক. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
খ. পেত্রার্ক
গ. টলস্টয়
ঘ. অতুলপ্রসাদ সেন
সঠিক উত্তর: খ. পেত্রার্ক
ব্যাখ্যা:
সনেট (Sonnet) হলো ১৪ লাইনের বিশেষ ছন্দের কবিতা। বিশ্বসাহিত্যে সনেটের জন্ম ইতালিতে এবং এর আদি কবি বা জনক হলেন ইতালীয় কবি ফ্রান্সিসকো পেত্রার্ক (Petrarch)। তাঁর নামানুসারেই ইতালীয় সনেটকে ‘পেত্রার্কান সনেট’ বলা হয়। তিনি চতুর্দশ শতাব্দীতে সনেট লিখে জনপ্রিয়তা পান।
কেন মাইকেল নন? মাইকেল মধুসূদন দত্ত হলেন ‘বাংলা সনেটের জনক’। তিনি পেত্রার্কের সনেট দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলায় সনেট প্রবর্তন করেন। প্রশ্নে যদি বলা হতো “বাংলা সনেটের আদি কবি কে?”, তবে উত্তর হতো মাইকেল। কিন্তু যেহেতু সাধারণভাবে ‘সনেটের আদি কবি’ বলা হয়েছে, তাই উত্তর হবে বিশ্বসাহিত্যের প্রেক্ষাপটে পেত্রার্ক। ট্রেন এক্সামিনার প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ প্রস্তুতির ক্ষেত্রে এই ‘বাংলা’ বনাম ‘বিশ্ব’ প্রেক্ষাপটটি খেয়াল রাখা খুব জরুরি।
৩২. ‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে’ পঙক্তিটির স্রষ্টা কে?
ক. কামিনী রায়
খ. বেগম রোকেয়া
গ. মুকুন্দরাম
ঘ. ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
সঠিক উত্তর: ঘ. ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
ব্যাখ্যা:
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শেষ বড় কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের অমর সৃষ্টি ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যের একটি বিখ্যাত উক্তি এটি। এই কাব্যে ঈশ্বরী পাটনী দেবী অন্নপূর্ণার কাছে বর বা প্রার্থনা হিসেবে এই কথাটি বলেছিলেন। তিনি নিজের জন্য ধনসম্পদ বা মোক্ষ চাননি, বরং চেয়েছিলেন তাঁর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তা ও সচ্ছলতা—”আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে”। এটি বাঙালি মধ্যবিত্ত বা সাধারণ মানুষের চিরকালীন আকাঙ্ক্ষার প্রতীক।
কেন সঠিক উত্তর ভারতচন্দ্র? মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর কাব্যেও সাধারণ মানুষের কথা আছে, কিন্তু এই সুনির্দিষ্ট কালজয়ী উক্তিটি ভারতচন্দ্রের। ট্রেন এক্সামিনার পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ এ সাহিত্যের এই ধরনের উদ্ধৃতি খুব কমন। মনে রাখার কৌশল: ঈশ্বরী পাটনী যখন দেবীকে নদী পার করে দেন, তখন তিনি এই বর চেয়েছিলেন। এই দৃশ্যটি মনে করলেই কবির নাম মনে পড়বে।
৩৩. ‘হিন্দি’ শব্দটি কোন ভাষার?
ক. হিন্দি
খ. বাংলা
গ. তামিল
ঘ. ফারসি
সঠিক উত্তর: ঘ. ফারসি
ব্যাখ্যা:
এটি একটি অত্যন্ত কৌতূহলোদ্দীপক প্রশ্ন। আমরা অনেকেই ভাবি ‘হিন্দি’ শব্দটি হয়তো সংস্কৃত বা হিন্দি ভাষার নিজস্ব শব্দ। কিন্তু আসলে ‘হিন্দি’ শব্দটি ফারসি (Persian) ভাষা থেকে এসেছে। প্রাচীন পারস্যের (ইরান) লোকেরা সিন্ধু নদের ওপারের ভূখণ্ডকে ‘হিন্দ’ বলত এবং সেখানকার অধিবাসীদের বা ভাষাকে ‘হিন্দি’ বলত। সিন্ধু > হিন্দু > হিন্দি—এভাবেই শব্দটির উৎপত্তি।
কেন ফারসি? কারণ ইতিহাসের পরিক্রমায় মুসলিম শাসনামলে ফারসি ছিল রাজভাষা এবং তাদের মাধ্যমেই এই শব্দটি জনপ্রিয়তা পায়। ট্রেন এক্সামিনার লিখিত পরীক্ষার সমাধান ২০২৬ এ বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার বা উৎসের এই প্রশ্নটি পরীক্ষার্থীর ভাষাতাত্ত্বিক জ্ঞান যাচাই করে। একইভাবে ‘হিন্দু’, ‘হিন্দুস্তান’—এগুলোও ফারসি শব্দ।
৩৪. কোনটি প্রাদি সমাসের উদাহরণ?
ক. প্রতিকূল
খ. প্রতিদিন
গ. পরিভ্রমণ
ঘ. গৃহান্তর
সঠিক উত্তর: গ. পরিভ্রমণ
ব্যাখ্যা:
প্রাদি সমাস হলো এমন সমাস যেখানে প্র, পরা, অনু, পরি ইত্যাদি উপসর্গের সাথে কৃৎ প্রত্যয়জাত বিশেষ্যের সমাস হয়। এখানে ‘পরিভ্রমণ’ = পরি (চতুর্দিকে) যে ভ্রমণ। এটি প্রাদি সমাসের উৎকৃষ্ট উদাহরণ। এছাড়াও প্রগতি (প্র যে গতি), প্রভাত (প্র যে ভাত)—এগুলোও প্রাদি সমাস।
কেন অন্যগুলো ভুল?
- প্রতিকূল: কূলের বিপরীত (অব্যয়ীভাব সমাস)।
- প্রতিদিন: দিন দিন (অব্যয়ীভাব সমাস)।
- গৃহান্তর: অন্য গৃহ (নিত্য সমাস)।
সুতরাং, ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ‘পরিভ্রমণ’-ই সঠিক উত্তর। Train Examiner job question solution 2026 এ সমাসের এই গভীর নিয়মগুলো জানা থাকলে সহজেই নম্বর পাওয়া যায়।
৩৭. কোনটি বাংলা ধাতু?
ক. কাট্
খ. কৃ
গ. মাগ্
ঘ. গম্
সঠিক উত্তর: ক. কাট্
ব্যাখ্যা:
ধাতু তিন প্রকার: সংস্কৃত (তৎসম), বাংলা (খাঁটি বাংলা) এবং বিদেশাগত।
এখানে ‘কাট্’ হলো খাঁটি বাংলা ধাতু। যেমন: কাটা, কাটছে।
অন্য অপশনগুলো:
- কৃ (করা), গম্ (যাওয়া)—এগুলো সংস্কৃত বা তৎসম ধাতু।
- মাগ্ (চাওয়া)—এটি হিন্দি বা দেশি উৎস থেকে আসা ধাতু হতে পারে, তবে ‘কাট্’ নিশ্চিতভাবেই খাঁটি বাংলা ধাতু হিসেবে ব্যাকরণ বইয়ে স্বীকৃত। Train Examiner question solution 2026 এ ধাতু বা প্রকৃতি-প্রত্যয় থেকে প্রশ্ন আসাটা স্বাভাবিক।
৫০. ‘তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা, সখিনা বিবির কপাল ভাঙল।’ এটি কোন ধরনের বাক্যের উদাহরণ?
ক. মিশ্র
খ. সরল
গ. যৌগিক
ঘ. বিভ্রমপূর্ণ বাক্য
সঠিক উত্তর: ক. মিশ্র (বা জটিল)
ব্যাখ্যা:
মিশ্র বা জটিল বাক্য চেনার সহজ উপায় হলো বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য থাকে এবং এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে। সাধারণত ‘যে-সে’, ‘যিনি-তিনি’, ‘কারণ’, ‘বলে’—এগুলো দিয়ে যুক্ত থাকে।
এখানে, “সখিনা বিবির কপাল ভাঙল” হলো প্রধান বাক্য। আর “তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা” হলো এর ওপর নির্ভরশীল অংশ (আশ্রিত খণ্ডবাক্য)। অর্থাৎ স্বাধীনতার আগমনের কারণ বা শর্তের ওপর সখিনা বিবির কপাল ভাঙা নির্ভর করছে বা সম্পর্কিত। তাই এটি মিশ্র বাক্য। সরল বাক্যে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, আর যৌগিক বাক্যে ‘এবং/ও/কিন্তু’ দিয়ে দুটি স্বাধীন বাক্য যুক্ত থাকে।
৫১. ‘সানশাইন পলিসি’র সাথে সংশ্লিষ্ট দুটি দেশ-
ক. জাপান-চীন
খ. জাপান-দক্ষিণ কোরিয়া
গ. উত্তর কোরিয়া – দক্ষিণ কোরিয়া
ঘ. চীন-উত্তর কোরিয়া
সঠিক উত্তর: গ. উত্তর কোরিয়া – দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা:
‘Sunshine Policy’ হলো দক্ষিণ কোরিয়ার একটি বৈদেশিক নীতি, যা ১৯৯৮ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট কিম দাই-জং প্রবর্তন করেন। এই নীতির মূল উদ্দেশ্য ছিল উত্তর কোরিয়ার সাথে শত্রুতা কমিয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা। ঈশপের গল্পের ‘সূর্য ও বাতাস’-এর কাহিনী থেকে এই নাম নেওয়া হয়েছে—যেখানে বলা হয়, জোর করে নয়, বরং উষ্ণতা (সূর্যালোক) দিয়েই কারো কোট খোলা সম্ভব। অর্থাৎ ভালোবাস দিয়ে উত্তর কোরিয়াকে বশে আনার নীতি। ট্রেন এক্সামিনার প্রশ্ন সমাধান ২০২৬-এর আন্তর্জাতিক অংশে এমন ডিপ্লোম্যাটিক টার্মস প্রায়ই আসে।
৫২. নিচের কোন পত্রিকা প্রথমে সাপ্তাহিক, পরে দৈনিক ছিল?
ক. সংবাদ প্রভাকর
খ. বর্তমান
গ. দিগদর্শন
ঘ. কল্লোল
সঠিক উত্তর: ক. সংবাদ প্রভাকর
ব্যাখ্যা:
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত ‘সংবাদ প্রভাকর’ বাংলা সংবাদপত্রের ইতিহাসে একটি মাইলফলক। এটি ১৮৩১ সালে প্রথমে সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়। পরে ১৮৩৯ সালে এটি দৈনিক পত্রিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এটিই ছিল বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকা। দিগদর্শন ছিল প্রথম সাময়িকী (মাসিক), কিন্তু দৈনিক হয়নি। সংবাদ প্রভাকরের এই রূপান্তর ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
৫৫. বাংলা ভাষায় খাঁটি বাংলা উপসর্গ কতটি?
ক. ২১টি
খ. ৩৯টি
গ. ১৯টি
ঘ. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: ক. ২১টি
ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ তিন প্রকার। এর মধ্যে খাঁটি বাংলা উপসর্গ হলো ২১টি। যেমন: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, উন, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।
মনে রাখার ছন্দ: “অঘা রামের অজ পাড়াগাঁয়ে…”।
অন্যদিকে সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি। ট্রেন এক্সামিনার পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ প্রস্তুতির জন্য এই সংখ্যাটি (২১ ও ২০) গুলিয়ে না ফেলা খুব জরুরি।
৫৬. ‘হারিকিরি’ শব্দের অর্থ কী?
ক. রিক্সা
খ. আত্মরক্ষা
গ. আত্মহত্যা
ঘ. হারানো
সঠিক উত্তর: গ. আত্মহত্যা
ব্যাখ্যা:
‘হারিকিরি’ (Harakiri) একটি জাপানি শব্দ। এর আক্ষরিক অর্থ ‘পেট চিরে ফেলা’। প্রাচীন জাপানে সামুরাই যোদ্ধারা পরাজয় বা অসম্মানের গ্লানি থেকে বাঁচতে নিজের পেটে তলোয়ার ঢুকিয়ে বীরোচিতভাবে আত্মহত্যা করত। একেই হারিকিরি বলা হয়। বাংলায় এটি ‘স্বেচ্ছামৃত্যু’ বা ‘আত্মহত্যা’ অর্থে ব্যবহৃত হয়। রিক্সা, প্যাগোডা, জুডো—এগুলোও জাপানি শব্দ, কিন্তু হারিকিরি মানে আত্মহত্যা।
৬১. কোনটি বিমূর্ত বিশেষ্য?
ক. নদী
খ. বই
গ. সৌন্দর্য
ঘ. কাঁঠাল
সঠিক উত্তর: গ. সৌন্দর্য
ব্যাখ্যা:
বিমূর্ত বিশেষ্য (Abstract Noun) হলো সেই সব নাম যা ধরা যায় না, ছোঁয়া যায় না, শুধু অনুভব করা যায়।
- নদী, বই, কাঁঠাল: এগুলো দেখা যায় ও স্পর্শ করা যায় (Material/Concrete Noun)।
- সৌন্দর্য (Beauty): এটি একটি গুণ বা অবস্থার নাম। এটি চোখে দেখা গেলেও ফিজিক্যালি ধরা যায় না, এটি উপলব্ধির বিষয়। তাই এটি বিমূর্ত বিশেষ্য।
৬৫. ‘চারুকলা’ কী ধরনের শব্দ?
ক. সংস্কৃত
খ. প্রমিত
গ. সমাসবদ্ধ
ঘ. কোনোটিই নয় (প্রশ্নের ব্যাখ্যা অনুযায়ী সমাসবদ্ধ)
সঠিক উত্তর: গ. সমাসবদ্ধ (প্রশ্নে যদি প্রক্রিয়া জানতে চায়) অথবা ক. সংস্কৃত (উৎসের বিচারে)
ব্যাখ্যা:
প্রশ্নটিতে একটু ধোঁয়াশা আছে। ‘চারুকলা’ শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে সমাসবদ্ধ পদ।
ব্যাসবাক্য: চারু যে কলা = চারুকলা (কর্মধারয় সমাস)।
আবার উৎসের বিচারে এটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ।
তবে ব্যাকরণের আলোচনায় সাধারণত শব্দের গঠন প্রক্রিয়া জানতে চাইলে এটি ‘সমাসবদ্ধ শব্দ’ হিসেবেই পরিচিত। প্রশ্নের নিচের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে “সঠিক উত্তর: সমাসবদ্ধ”। তাই আমরা ‘গ’ কেই প্রাধান্য দেব। চারু (সুন্দর) এবং কলা (শিল্প) মিলে এই শব্দটি গঠিত।
মামু, ৬৬ থেকে ৭০ পর্যন্ত প্রশ্নের একেবারে নিখুঁত ও বিস্তারিত সমাধান নিচে দেওয়া হলো। ব্যাকরণ ও ইংরেজি অংশের এই প্রশ্নগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তাই মনোযোগ দিয়ে ব্যাখ্যাগুলো দেখো।
৬৭. ‘ফুলে ফুলে সাজিয়েছে ঘর’- এখানে ‘ফুলে ফুলে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
ক. করণে তৃতীয়া
খ. করণে সপ্তমী
গ. অধিকরণে সপ্তমী
ঘ. অধিকরণে তৃতীয়া
সঠিক উত্তর: খ. করণে সপ্তমী
ব্যাখ্যা:
কারক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করতে হয়। এখানে ক্রিয়া হলো ‘সাজিয়েছে’।
যদি প্রশ্ন করি: “কী দিয়ে” বা “কীসের দ্বারা” ঘর সাজিয়েছে?
উত্তর আসে: “ফুলে ফুলে” (অর্থাৎ ফুল দিয়ে বা ফুলের সাহায্যে)।
আমরা জানি, ‘যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়’ বোঝালে তা করণ কারক হয়। যেহেতু ফুল এখানে ঘর সাজানোর উপকরণ বা মাধ্যম, তাই এটি করণ কারক।
বিভক্তি নির্ণয়: মূল শব্দ ‘ফুল’-এর সাথে ‘এ’ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে (ফুল + এ = ফুলে)। ‘এ’ হলো সপ্তমী বিভক্তি।
অনেকে মনে করতে পারেন ‘দ্বারা/দিয়ে’ বোঝালে তো তৃতীয়া বিভক্তি হয়। কিন্তু এখানে শব্দে সরাসরি ‘এ’ বিভক্তি আছে, তাই এটি সপ্তমী। যদি বাক্যটি হতো “ফুল দিয়ে সাজিয়েছে”, তবে তৃতীয়া হতো। যেহেতু “ফুলে” আছে, তাই এটি করণ কারকে সপ্তমী। ট্রেন এক্সামিনার প্রশ্ন উত্তর ২০২৬-এর ব্যাকরণ অংশে কারক ও বিভক্তির এই সূক্ষ্ম পার্থক্যগুলোই পরীক্ষক যাচাই করেন।
৬৮. শিশ ধ্বনি ও উষ্ম ধ্বনির মধ্যে পার্থক্য কী?
ক. বাতাসের চাপ
খ. জিহ্বার অগ্রভাগ হতে উচ্চারণ
গ. জিহ্বার কম্পন
ঘ. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর: ক. বাতাসের চাপ
ব্যাখ্যা:
বাংলা ধ্বনিতত্ত্বের একটি টেকনিক্যাল প্রশ্ন এটি। আসুন সহজ করে বুঝি।
উষ্ম ধ্বনি (Fricatives): যে ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় ফুসফুস থেকে আসা বাতাস মুখবিবরের কোথাও বাধা না পেয়ে ঘঁষে ঘঁষে বের হয় এবং ‘উষ্ম’ বা ‘শ্বাস’ বেশিক্ষণ ধরে রাখা যায়, তাদের উষ্ম ধ্বনি বলে। যেমন: শ, ষ, স, হ।
শিশ ধ্বনি (Sibilants): উষ্ম ধ্বনিগুলোর মধ্যে ‘শ, ষ, স’—এই তিনটি ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপে একটি ‘শিশ’ বা ‘হিসহিস’ (Hissing) আওয়াজ তৈরি হয়। তাই এদের শিশ ধ্বনি বলা হয়।
পার্থক্য: মূল পার্থক্য হলো বাতাসের চাপ বা প্রবাহের প্রকৃতি। শিশ ধ্বনিতে বাতাসের চাপ বেশি থাকে এবং তা সরু পথে বের হওয়ার সময় শিশ দেওয়ার মতো শব্দ করে। অন্যদিকে ‘হ’ একটি উষ্ম ধ্বনি হলেও এটি শিশ ধ্বনি নয়, কারণ এতে সেই তীক্ষ্ণ বাতাসের চাপ থাকে না। ট্রেন এক্সামিনার লিখিত পরীক্ষার সমাধান ২০২৬-এ ধ্বনিতত্ত্বের এমন গভীর প্রশ্ন প্রমাণ করে যে বেসিক ক্লিয়ার থাকা কতটা জরুরি।
৬৯. ‘শিরে-সংক্রান্তি’ অর্থ কি?
ক. মাথার বোঝা
খ. মহাবিপদ
গ. আসন্ন বিপদ
ঘ. সামান্য বিপদ
সঠিক উত্তর: গ. আসন্ন বিপদ
ব্যাখ্যা:
‘শিরে-সংক্রান্তি’ একটি বহুল প্রচলিত বাগধারা।
আক্ষরিক অর্থ: সংক্রান্তি (মাসের শেষ দিন) যখন শিরে বা মাথার ওপর এসে পড়েছে।
ভাবার্থ: সংক্রান্তি বা নির্দিষ্ট সময় একেবারে কাছে চলে এসেছে, অর্থাৎ সময় আর নেই। এর দ্বারা বোঝানো হয় বিপদ বা কোনো বড় দায়িত্ব একদম ঘাড়ে এসে পড়েছে। তাই এর সঠিক অর্থ আসন্ন বিপদ বা সামনেই বিপদ।
কেন অন্যগুলো নয়? ‘মহাবিপদ’ কিছুটা কাছাকাছি হলেও ‘আসন্ন’ শব্দটি এখানে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ‘শিরে’ মানে মাথার ওপর, যা এখন বা এখনই ঘটবে এমন বোঝায়। ‘মাথার বোঝা’ বা ‘সামান্য বিপদ’ এর অর্থ প্রকাশ করে না। পরীক্ষার হলে অপশনগুলো খুব কাছাকাছি মনে হতে পারে। Train Examiner job question solution 2026-এর বাংলা অংশে বাগধারার সঠিক প্রয়োগ জানা থাকলে সহজেই নম্বর তোলা যায়। মনে রাখবেন, সংক্রান্তি যেমন এড়ানো যায় না, তেমনি আসন্ন বিপদও দরজায় কড়া নাড়ছে—এটাই এই বাগধারার মূল সুর।
