{আজকের ১০০% নির্ভুল সমাধান} বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ । Bangladesh Railway Job Question Solution 2026

হ্যালো বন্ধুরা! কেমন আছেন সবাই? আশা করছি আপনাদের প্রস্তুতি একদম তুঙ্গে। আপনারা যারা দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ রেলওয়ের চাকরির জন্য হাড়ভাঙা পরিশ্রম করছেন, তাদের জন্য আজ নিয়ে এসেছি বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রশ্ন সমাধান। আমরা সবাই জানি, রেলওয়ের চাকরি মানেই সোনার হরিণ। আর এই সোনার হরিণ ধরতে হলে চাই সঠিক দিকনির্দেশনা এবং স্মার্ট প্রস্তুতি।

আজকের এই ব্লগে আমরা কথা বলব আগামী ২৩ ও ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বাংলাদেশ রেলওয়ের ট্রেন এক্সামিনার, ট্রেন কন্ট্রোলার, ট্রেড এ্যাপ্রেন্টিস এবং ট্রাফিক এ্যাপ্রেন্টিস পদের পরীক্ষা নিয়ে। বিশেষ করে পরীক্ষার পর আপনারা যাতে সবার আগে বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ বা Bangladesh Railway Job Question Solution 2026 হাতে পান, তার ব্যবস্থা আমরাই করব। তাই এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য বুকমার্ক করে রাখা মাস্ট। 

বাংলাদেশে সরকারি চাকরির কথা উঠলেই যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নাম সবার আগে আসে, তার মধ্যে বাংলাদেশ রেলওয়ে অন্যতম। স্থায়ী চাকরি, সম্মানজনক পদ, নিয়মিত বেতন, প্রমোশন ও পেনশনের নিশ্চয়তা- সব মিলিয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের নিয়োগ পরীক্ষা মানেই লাখো চাকরিপ্রার্থীর স্বপ্নের এক বড় ধাপ।

বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ । Bangladesh Railway Job Question Solution 2026
বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ । Bangladesh Railway Job Question Solution 2026

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ রেলওয়ের ট্রেন এক্সামিনার, ট্রেন কন্ট্রোলার, ট্রেড এ্যাপ্রেন্টিস ও ট্রাফিক এ্যাপ্রেন্টিস পদের লিখিত পরীক্ষা২৩ ও ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্কুল ও কলেজে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই পরীক্ষাকে কেন্দ্র করেই আজকের এই পূর্ণাঙ্গ, আগাম প্রস্তুতিমূলক গাইডলাইন।

চলুন, আর দেরি না করে মূল আলোচনায় আসি।

Table of Contents

আজকে অনুষ্ঠিত রেলওয়ের ট্রেন এক্সামিনার পদের পরীক্ষার Full প্রশ্নের সমাধান।

আজকে অনুষ্ঠিত রেলওয়ের ট্রেন এক্সামিনার পদের পরীক্ষার Full প্রশ্নের সমাধান দেখে নিন।

প্রিয় পাঠক, আজ রাতে আজকে অনুষ্ঠিত রেলওয়ের ট্রেন এক্সামিনার প্রশ্নের সমাধান ২০২৬ পাবেন ব্যাখ্যাসহ। আপডেট করার পর আপনাদের জানিয়ে দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ।

disclaimer: নিম্নের সমাধানটি অগ্রদূত থেকে নেওয়া হয়েছে।

আজকে অনুষ্ঠিত রেলওয়ের ট্রেন এক্সামিনার পদের পরীক্ষার Full প্রশ্নের সমাধান।

আজকে অনুষ্ঠিত রেলওয়ের ট্রেন এক্সামিনার পদের পরীক্ষার Full প্রশ্নের সমাধান।

আজকে অনুষ্ঠিত রেলওয়ের ট্রেন এক্সামিনার পদের পরীক্ষার Full প্রশ্নের সমাধান।

আজকে অনুষ্ঠিত রেলওয়ের ট্রেন এক্সামিনার পদের পরীক্ষার Full প্রশ্নের সমাধান।

আজকে অনুষ্ঠিত রেলওয়ের ট্রেন এক্সামিনার পদের পরীক্ষার Full প্রশ্নের সমাধান।

আরো পড়ুনঃ ট্রেন কন্ট্রোলার এর কাজ কি? রেলওয়ের নেপথ্যদের আসল দায়িত্ব

আজকে অনুষ্ঠিতঃ {এইমাত্র পাওয়া-২৩.০১.২০২৬} বাংলাদেশ রেলওয়ে ট্রেন কন্ট্রোলার প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ পরিপূর্ণ ব্যাখ্যাসহ

আজকে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ রেলওয়ে নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬ প্রশ্ন সমাধান ব্যাখ্যাসহ

আজকে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ রেলওয়ে নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬ প্রশ্ন সমাধান ব্যাখ্যাসহ পেশ করা হলো।

পুরো প্রশ্ন সমাধান দেখুন এখানেঃ আজকে অনুষ্ঠিত {এইমাত্র পাওয়া-২৩.০১.২০২৬} বাংলাদেশ রেলওয়ে ট্রেন কন্ট্রোলার প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ পরিপূর্ণ ব্যাখ্যাসহ

বাংলাদেশ রেলওয়ে ট্রেন কন্ট্রোলার প্রশ্ন সমাধান ২০২৬
বাংলাদেশ রেলওয়ে ট্রেন কন্ট্রোলার প্রশ্ন সমাধান ২০২৬

১. Spelling: collateral

সঠিক উত্তর: Collateral

ব্যাখ্যা:
ইংরেজি শব্দভাণ্ডারে ‘Collateral’ শব্দটি ব্যাংকিং, আইন এবং সাধারণ যোগাযোগে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর বাংলা অর্থ হলো ‘জামানত’ বা ‘পাশাপাশি’। বিশেষ করে ঋণ (Loan) নেওয়ার সময় ব্যাংক যে সম্পত্তি গ্যারান্টি হিসেবে রাখে, তাকেই Collateral বলে।

  • কেন এটি সঠিক: বানানটির মূল কাঠামো হলো Col + later + al। এখানে লক্ষ্য করুন, শব্দটিতে দুটি ‘l’ (double l) রয়েছে মাঝখানে—ll। অনেক পরীক্ষার্থী ভুল করে একটি ‘l’ ব্যবহার করেন (Colateral) যা ভুল। ল্যাটিন শব্দ ‘Collateralis’ থেকে এটি এসেছে, যেখানে ‘Com’ (together) এবং ‘Latus’ (side) মিলে তৈরি হয়েছে। তাই এর অর্থ ‘Side by side’ বা পাশাপাশি।
  • ভুল হওয়ার জায়গা: অনেকে শেষে ‘el’ (collaterel) বা মাঝখানে একটি ‘l’ দেন। মনে রাখবেন, শব্দটিতে A আছে দুটি (Collateral), কোনো ‘E’ নেই শেষের দিকে।
  • পরীক্ষায় যেভাবে আসে: সাধারণত চারটি অপশন দেওয়া হয় যেমন: (a) Colateral (b) Collataral (c) Collateral (d) Colatteral.
  • মনে রাখার কৌশল: শব্দটিকে ভেঙে নিন—Call (কল) + At (এট) + Era (ইরা – যুগ) + L। অথবা মনে রাখুন, ব্যাংকে লোন নিতে গেলে Colla (গলা) পর্যন্ত ঋণে ডুবে না যেতে চাইলে Double L (L = Loan) বা জামানত লাগে। অর্থাৎ, Collateral-এ Double L থাকবে।

২. Spelling: affidavit

সঠিক উত্তর: Affidavit

ব্যাখ্যা:
‘Affidavit’ একটি আইনি শব্দ, যার বাংলা অর্থ ‘হলফনামা’। আদালতে বা সরকারি কাজে নিজের কোনো বক্তব্য সত্য বলে লিখিতভাবে ঘোষণা দেওয়াকে এফিডেভিট বলে।

  • কেন এটি সঠিক: বানানটিতে শুরুতে Double ‘f’ (ff) আছে, কিন্তু মাঝখানে একটি ‘d’ এবং শেষে ‘vit’। এর গঠন হলো: Af + fi + da + vit। এটি একটি মধ্যযুগীয় ল্যাটিন শব্দ, যার অর্থ “he has stated on oath” (সে শপথ করে বলেছে)।
  • ভুল হওয়ার জায়গা: পরীক্ষার্থীরা প্রায়ই দুটি ভুল করেন—হয় শুরুতে একটি ‘f’ দেন (Afidavit), অথবা মাঝখানে ডাবল ‘d’ (Affidda…) ভাবেন। আবার অনেকে শেষে ‘vet’ বা ‘bit’ মনে করেন। সঠিক হলো vit
  • পরীক্ষায় যেভাবে আসে: বানানটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় খুবই কমন। অপশন থাকতে পারে: (a) Affidvit (b) Afidavit (c) Affidavit (d) Affidavet.
  • মনে রাখার কৌশল: একটি মজার লাইন মনে রাখুন— “Afia (Af) ফিরলো (fi) ঢাকায় (da) ভিটামিন (vit) খেতে।”
    • Af = শুরুতে Af
    • fi = তারপর fi (এখানেই ডাবল f হয়ে গেল Af+fi)
    • da = এরপর da
    • vit = শেষে vit.
      এই টেকনিকটি মনে রাখলে বানান আর ভুল হবে না। মনে রাখবেন, হলফনামা (Affidavit) খুব শক্তপোক্ত হতে হয়, তাই শুরুতে জোর দেওয়ার জন্য দুটি F লাগে!

৩. Synonym of bellicose : belligerent

সঠিক উত্তর: Belligerent

ব্যাখ্যা:
‘Bellicose’ শব্দটির অর্থ হলো ‘যুদ্ধংদেহী’, ‘ঝগড়াটে’ বা ‘মারমুখী’। এমন ব্যক্তি বা রাষ্ট্র যে সবসময় যুদ্ধ বা ঝগড়া করতে প্রস্তুত থাকে। এর সঠিক সমার্থক শব্দ (Synonym) হলো Belligerent

  • শব্দের ব্যবচ্ছেদ: ল্যাটিন শব্দ ‘Bellum’ মানে হলো যুদ্ধ (War)। এই ‘Bellum’ থেকেই Bellicose এবং Belligerent—দুটি শব্দই এসেছে। তাই দুটির অর্থই যুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত।
  • কেন অন্যান্য অপশন ভুল: পরীক্ষায় অপশনে থাকতে পারে Peaceful (শান্তপূর্ণ – এটি বিপরীত শব্দ বা Antonym), Beautiful (সুন্দর), বা Cooperative (সহযোগী)। এগুলোর কোনোটিই মারমুখী স্বভাব বোঝায় না। একমাত্র Belligerent মানেই হলো আক্রমণাত্মক বা শত্রুভাবাপন্ন।
  • ব্যবহার: ধরুন, দুটি দেশের সীমান্তে উত্তেজনা চলছে, তখন বলা হয়—”They have a bellicose attitude.” ঠিক একইভাবে, কেউ যদি সবসময় মারামারি করতে চায়, তাকে বলা হয় Belligerent.
  • মনে রাখার কৌশল: শব্দ দুটির শুরুতেই ‘Bell’ আছে। ছোটবেলায় স্কুলে Bell (ঘণ্টা) বাজলে যেমন সবাই হুড়োহুড়ি বা ‘যুদ্ধ’ করে বের হতো, তেমনি Bellicose বা Belligerent মানেই যারা সবসময় ফাইট করতে চায়। আরেকটি উপায়: Bell (বেল) + Cos (কস/কষ্ট)। যুদ্ধের ঘণ্টা বাজলে কষ্ট হয়। আর Belligerent মনে রাখুন “Belli (বেলি) ফুল ছিঁড়লে Ants (পিপঁড়া) কামড়াবে”—মানে ঝগড়া করবে।

৪. Father of humanism?

সঠিক উত্তর: Francesco Petrarch (ফ্রান্সেসকো পেত্রার্ক)

ব্যাখ্যা:
ইতিহাস ও সাহিত্যের ছাত্ররা জানেন যে, রেনেসাঁস বা নবজাগরণের মূলমন্ত্র ছিল ‘মানবতাবাদ’ (Humanism)। আর এই মানবতাবাদের জনক বলা হয় ইতালীয় কবি ও পণ্ডিত ফ্রান্সেসকো পেত্রার্ক-কে।

  • মূল ধারণা: পেত্রার্ক চতুর্দশ শতাব্দীর একজন মহান দার্শনিক ছিলেন। তিনি মধ্যযুগের অন্ধবিশ্বাস থেকে মানুষকে বের করে এনে মানুষের মেধা, আবেগ এবং ইহজাগতিক জীবনের ওপর গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তিনি প্রাচীন রোমান ও গ্রিক সাহিত্য পুনরায় অধ্যয়ন করার ওপর জোর দেন, যা তাকে ‘ফাদার অফ হিউম্যানিজম’ খেতাব এনে দেয়।
  • কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ: অনেক সময় অপশনে দান্তে (Dante) বা বোকাচ্চিও (Boccaccio) থাকে। দান্তে মহান কবি হলেও মানবতাবাদের তাত্ত্বিক ভিত্তি পেত্রার্কই গড়েছিলেন। তার সনেটগুলোও বিশ্বখ্যাত।
  • পরীক্ষায় বিভ্রান্তি: অনেকে শেক্সপিয়র বা চসার উত্তর মনে করতে পারেন, কিন্তু তারা পেত্রার্কের পরবর্তী প্রজন্মের এবং তার দ্বারা প্রভাবিত। সঠিক উত্তর সর্বদা পেত্রার্ক হবে।
  • মনে রাখার কৌশল: Human (মানুষ) + Pet (পোষা প্রাণী)। মানুষ যেমন পোষা প্রাণীকে (Pet) ভালোবাসে, তেমনি পেত্রার্ক (Petrarch) মানুষকে ভালোবাসতেন। নামটা মনে রাখুন: “পেত্রার্ক = পেট্রোল”। রেনেসাঁসের গাড়িতে তিনি প্রথম পেট্রোল (Petrarch) ভরেছিলেন বলেই মানবতাবাদের যাত্রা শুরু হয়েছিল।

আজকে অনুষ্ঠিতঃ {এইমাত্র পাওয়া-২৩.০১.২০২৬} বাংলাদেশ রেলওয়ে ট্রেন কন্ট্রোলার প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ পরিপূর্ণ ব্যাখ্যাসহ

৫. Barren age

সঠিক উত্তর: 1400 – 1485 AD (খ্রিস্টাব্দ)

ব্যাখ্যা:
ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাসে Barren Age বা ‘বন্ধ্যা যুগ’ বলতে ১৪০০ সাল (জিওফ্রে চসারের মৃত্যুর বছর) থেকে ১৪৮৫ সাল (রাজা সপ্তম হেনরির সিংহাসন আরোহণ বা রেনেসাঁসের পূর্বলক্ষণ) পর্যন্ত সময়কে বোঝায়।

  • কেন এমন নাম: ‘Barren’ শব্দের অর্থ হলো অনুর্বর বা ফলনহীন। মহাকবি চসারের মৃত্যুর পর এই ৮৫ বছরে ইংল্যান্ডে এমন কোনো উচ্চমানের বা কালজয়ী সাহিত্যিক জন্ম নেননি যারা বিশ্বসাহিত্যে দাগ কাটতে পারেন। সাহিত্যচর্চা ছিল, কিন্তু তা ছিল মানহীন বা চসারের অনুকরণ মাত্র। তাই সমালোচকরা এই যুগকে সাহিত্যের ‘অন্ধকার যুগ’ বা ‘Barren Age’ বলেন।
  • কেন অপশনগুলো ভুল হয়: পরীক্ষায় অপশনে ১৪০০-১৫০০ বা ১৩৫০-১৪০০ থাকতে পারে। সঠিক সময়কাল ১৪০০ থেকে ১৪৮৫। ১৪৮৫ সালে টিউডর রাজবংশের প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আসে এবং এরপর থেকে রেনেসাঁসের প্রস্তুতি শুরু হয়।
  • মনে রাখার কৌশল: চসার মারা গেলেন ১৪০০ সালে। এরপর সাহিত্য জগত শূন্য (00) হয়ে গেল। এই শূন্যতা চলল প্রায় এক শতাব্দী। মনে রাখুন, “Fourteen Hundred (1400) to Fourteen Eighty-Five (1485), no poet was alive!” (আক্ষরিক অর্থে নয়, ভালো কবির অর্থে)। এই সময়টা সাহিত্যের জমিতে কোনো ফসল ফলেনি, তাই এটি Barren বা অনুর্বর।

৬. The power of reading the thought with others – telepathy

সঠিক উত্তর: Telepathy

ব্যাখ্যা:
প্রশ্নটি হলো “One word substitution” বা এক কথায় প্রকাশ। যখন কোনো ব্যক্তি কোনো মাধ্যম (যেমন কথা বলা, ইশারা বা লেখা) ছাড়াই অন্যের মনের কথা বুঝতে পারেন বা নিজের চিন্তা অন্যের মনে পাঠিয়ে দিতে পারেন, সেই অলৌকিক ক্ষমতাকে বলা হয় Telepathy

  • শব্দের উৎপত্তি: গ্রিক শব্দ ‘Tele’ (দূরে) এবং ‘Pathos’ (অনুভূতি/আবেগ) থেকে এটি এসেছে। অর্থাৎ দূর থেকে অনুভূতি বা চিন্তা শেয়ার করা।
  • অন্যান্য অপশন কেন ভুল:
    • Psychology: এটি হলো মনস্তত্ত্ব বা মন নিয়ে বিজ্ঞান, মনের কথা পড়ার ক্ষমতা নয়।
    • Sixth Sense: এটি হলো ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় বা পূর্বানুমান, কিন্তু সরাসরি চিন্তা পড়া বা ট্রান্সফার করা হলো টেলিপ্যাথি।
    • Clairvoyance: এটি হলো ভবিষ্যতের বা দূরের জিনিস দেখার ক্ষমতা, চিন্তা পড়ার নয়।
  • বাস্তব উদাহরণ: অনেক সময় আপনি আপনার বন্ধুর কথা ভাবছেন আর ঠিক তখনই সে আপনাকে ফোন দিল—আমরা মজা করে বলি, “তোর সাথে আমার টেলিপ্যাথি হয়েছে!” যদিও বিজ্ঞানে এর প্রমাণ সীমিত, কিন্তু সাহিত্যে ও কল্পকাহিনিতে এটি জনপ্রিয়।
  • মনে রাখার কৌশল: Telephone (টেলিফোন) দিয়ে যেমন দূরে কথা বলা যায়, তেমনি Telepathy দিয়ে দূরে চিন্তা পাঠানো যায়। ফোনে লাগে তার বা নেটওয়ার্ক, আর টেলিপ্যাথিতে লাগে ব্রেইন। Tele (দূর) + Pathy (পথ/আবেগ) = দূরের আবেগের পথ।

৭. George Orwell কোন দেশের

সঠিক উত্তর: ইংল্যান্ড (British/English)

ব্যাখ্যা:
জর্জ অরওয়েল (George Orwell) একজন বিশ্বখ্যাত সাহিত্যিক, যার আসল নাম ছিল এরিক আর্থার ব্লেয়ার। তিনি মূলত একজন ব্রিটিশ বা ইংরেজ লেখক। তার বিখ্যাত উপন্যাসগুলো হলো ‘Animal Farm’ এবং ‘1984’।

  • বিভ্রান্তির কারণ: জর্জ অরওয়েলের জন্ম হয়েছিল ১৯০৩ সালে ব্রিটিশ ভারতের মতিহারিতে (বর্তমানে বিহার, ভারত)। একারণে অনেকে ভুল করে তাকে ‘ভারতীয়’ বা ‘ইন্ডিয়ান’ মনে করতে পারেন। কিন্তু তিনি ছিলেন জাতিতে ব্রিটিশ এবং তার পড়াশোনা ও সাহিত্যজীবন কেটেছে ইংল্যান্ডে। তিনি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের পুলিশ অফিসার হিসেবেও বার্মায় (মিয়ানমার) কাজ করেছেন।
  • পরীক্ষার ট্রিক: পরীক্ষায় অপশনে ‘India’ এবং ‘England’ দুটোই থাকতে পারে। মনে রাখবেন, জন্মস্থান ভারত হলেও তার নাগরিকত্ব এবং সাহিত্যিক পরিচয় হলো ব্রিটিশ
  • মনে রাখার কৌশল: তার নাম George (জর্জ)। ইংল্যান্ডের রাজাদের নাম সাধারণত জর্জ হয় (যেমন: কিং জর্জ ফাইভ, সিক্স)। তাই নাম দেখেই বুঝবেন তিনি ইংল্যান্ডের বা ব্রিটেনের লোক। তাছাড়া ইংরেজি সাহিত্যে তার অবদান অসামান্য, তিনি ইংরেজি ভাষার লেখক।

৮. The last supper কার চিত্রকর্ম

সঠিক উত্তর: লিওনার্দো দা ভিঞ্চি (Leonardo da Vinci)

ব্যাখ্যা:
‘The Last Supper’ (দ্য লাস্ট সাপার) বিশ্বের অন্যতম বিখ্যাত একটি দেয়ালচিত্র (Mural painting)। এটি এঁকেছেন ইতালীয় রেনেসাঁস যুগের কিংবদন্তি শিল্পী লিওনার্দো দা ভিঞ্চি

  • চিত্রের বিষয়বস্তু: যিশুখ্রিস্ট তার ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার আগের রাতে তার বারোজন শিষ্যের সাথে শেষ যে ভোজ (Supper) খেয়েছিলেন, সেই দৃশ্যটিই এখানে আঁকা হয়েছে। বিশেষ করে সেই মুহূর্তটি, যখন যিশু ঘোষণা করেন যে, “তোমাদের মধ্যেই একজন আমার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করবে।”
  • কেন ভুল হয়: অনেকে মাইকেলেঞ্জেলো বা রাফায়েলের সাথে গুলিয়ে ফেলেন। মাইকেলেঞ্জেলো বিখ্যাত ‘দ্য লাস্ট জাজমেন্ট’ (The Last Judgment)-এর জন্য, যা ভ্যাটিকানে অবস্থিত। আর ‘লাস্ট সাপার’ মিলান শহরের একটি গির্জার দেয়ালে আঁকা।
  • মনে রাখার কৌশল: Leonardo (লিওনার্দো) শুরু হয় L দিয়ে, Last Supper শুরু হয় L দিয়ে। অর্থাৎ, L = L। লিওনার্দো = লাস্ট সাপার। তাছাড়া লিওনার্দো দা ভিঞ্চি ছিলেন ‘মোনালিসা’র স্রষ্টা। যিনি মোনালিসার হাসি এঁকেছেন, তিনিই যিশুর শেষ ভোজ এঁকেছেন।

৯. প্রাচীন সাহিত্যের বাঙ্গালি মুসলমান কবি?

সঠিক উত্তর: শাহ মুহম্মদ সগীর (Shah Muhammad Sagir)

ব্যাখ্যা:
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মধ্যযুগের (পরীক্ষায় অনেক সময় ‘প্রাচীন’ শব্দটি শিথিল অর্থে পুরনো বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যদিও বিশুদ্ধ প্রাচীন যুগ হলো চর্যাপদের কাল) প্রথম মুসলিম কবি হিসেবে স্বীকৃত হলেন শাহ মুহম্মদ সগীর

  • প্রেক্ষাপট: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ (৬৫-১২০০ খ্রি.) পর্যন্ত কোনো মুসলিম কবির নিদর্শন পাওয়া যায় না। মুসলিম শাসন ও সাহিত্যের বিকাশ ঘটে মধ্যযুগে। শাহ মুহম্মদ সগীর সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে (১৩৯৩-১৪১১ খ্রি.) তার বিখ্যাত কাব্য ‘ইউসুফ-জুলেখা’ রচনা করেন।
  • প্রশ্নের ধরণ: প্রশ্নটিতে যদি “প্রাচীন যুগের” কথা নির্দিষ্ট করে বলে এবং অপশনে শাহ মুহম্মদ সগীর থাকে, তবে তিনিই উত্তর হবেন কারণ তিনি মুসলমানদের মধ্যে ‘সবচেয়ে প্রাচীন’ বা আদি কবি।
  • কেন তিনি সেরা: তিনি ধর্মীয় গোঁড়ামি ভেঙে প্রথমবারের মতো প্রেমের উপাখ্যান নিয়ে কাব্য রচনা করেন। তার আগে সাহিত্য ছিল দেব-দেবী নির্ভর। তিনি মানুষের ভালোবাসাকে সাহিত্যে এনেছিলেন।
  • মনে রাখার কৌশল: মুসলমানদের মধ্যে যিনি সবার আগে (First), তিনি হলেন সগীর। যদিও ‘সগীর’ মানে ছোট, কিন্তু কাজে তিনি ছিলেন সবার বড় বা প্রথম। মনে রাখবেন: “সবার আগে সগীর এল, ইউসুফ-জুলেখা হাতে নিল।”

১০. পরানের গহীন ভিতর

সঠিক উত্তর: সৈয়দ শামসুল হক (Syed Shamsul Haque)

ব্যাখ্যা:
‘পরানের গহীন ভিতর’ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় এবং বহুল পঠিত একটি কাব্যগ্রন্থ। এর রচয়িতা সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক

  • বিষয়বস্তু: এই কাব্যের কবিতাগুলো মূলত আঞ্চলিক ভাষায় বা মানুষের মুখের ভাষায় লেখা প্রেমের কবিতা। গ্রামবাংলার সহজ-সরল মানুষের প্রেম, আবেগ এবং বিরহ এই কাব্যে অসাধারণভাবে ফুটে উঠেছে। “তুই কি আমার দুঃখের মত, তুই কি আমার সুখের মত” – এমন লাইনগুলো মানুষের মুখে মুখে ফেরে।
  • লেখক পরিচিতি: সৈয়দ শামসুল হককে ‘সব্যসাচী লেখক’ বলা হয় কারণ তিনি কবিতা, নাটক, উপন্যাস, ছোটগল্প—সব শাখায় সমান পারদর্শী ছিলেন। কিন্তু ‘পরানের গহীন ভিতর’ তাকে সাধারণ পাঠকের হৃদয়ের (পরানের) একদম গভীরে পৌঁছে দিয়েছে।
  • মনে রাখার কৌশল: ‘হক’ (Haque) মানে সত্য বা অধিকার। পরানের গহীন ভিতরের কথা একমাত্র হক (সত্য) কথা যিনি বলেন, তিনিই লিখতে পারেন। তাই পরানের কথা = সৈয়দ শামসুল হক। অথবা মনে রাখুন, “শামসুল (সূর্য) যেমন আলো দেয়, তেমনি এই বই পরানের ভিতরে আলো ফেলে।”

১১. সেজুতি কাব্যগ্রন্থ

সঠিক উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (Rabindranath Tagore)

ব্যাখ্যা:
‘সেজুতি’ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনের শেষদিকের একটি কাব্যগ্রন্থ। এটি প্রকাশিত হয় ১৯৩৮ সালে (রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুর মাত্র ৩ বছর আগে)।

  • নামকরণ ও ভাব: ‘সেজুতি’ শব্দের অর্থ হলো ‘সন্ধ্যাপ্রদীপ’। কবি তার জীবনের সায়াহ্নে বা সন্ধ্যায় পৌঁছে এই কাব্যটি লিখেছিলেন বলে এর নাম দিয়েছেন সেজুতি। এতে কবির বার্ধক্যের স্মৃতিচারণ, বিষণ্ণতা এবং জগতকে বিদায় জানানোর সুর ধ্বনিত হয়েছে।
  • কেন গুরুত্বপূর্ণ: রবীন্দ্রনাথের অনেক কাব্যগ্রন্থের ভিড়ে ‘সেজুতি’ প্রায়ই পরীক্ষায় আসে কারণ এটি তার গোধূলি বেলার সৃষ্টি। ‘জন্মদিনে’, ‘প্রান্তিক’, ‘সেজুতি’—এগুলো সব শেষ পর্যায়ের লেখা।
  • মনে রাখার কৌশল: সন্ধ্যাবেলায় আমরা যেমন সেজুতি (সন্ধ্যাপ্রদীপ) জ্বালাই, রবীন্দ্রনাথও তার জীবনের সন্ধ্যায় এই কাব্যটি লিখেছিলেন। রবি (সূর্য) যখন ডুবে যায়, তখন সেজুতি জ্বলে। রবি (রবীন্দ্রনাথ) = সেজুতি।

১২. বানান: কনীনিকা

সঠিক উত্তর: কনীনিকা

ব্যাখ্যা:
বাংলা বানান শুদ্ধিকরণে ‘কনীনিকা’ শব্দটি প্রায়ই আসে। এর অর্থ হলো চোখের মণি বা চোখের পুতুলি।

  • বানান বিশ্লেষণ: শব্দটি সংস্কৃত মূল থেকে এসেছে। এর গঠন হলো: + (দীর্ঘ ঈ-কার) + (হ্রস্ব ই-কার) + + । অর্থাৎ ক-নী-নি-কা
    • প্রথম ‘ন’-এ দীর্ঘ ঈ-কার (ী)
    • দ্বিতীয় ‘ন’-এ হ্রস্ব ই-কার (ি)
    • ব্যাকরণের ‘ণত্ব বিধান’ অনুযায়ী এখানে মূর্ধন্য-ণ হবে না, দুটিই দন্ত্য-ন।
  • ভুল হওয়ার জায়গা: অনেকে ‘কনিনিকা’ (দুটিই ই-কার) বা ‘কণিনিকা’ (মূর্ধন্য-ণ) লেখেন। মনে রাখবেন, সংস্কৃতে ‘কনীন’ মানে ছোট, সেখান থেকে কনীনিকা।
  • মনে রাখার কৌশল: একটি ছন্দ মনে রাখুন: “বড় ই আগে, ছোট ই পরে”। অর্থাৎ প্রথমে দীর্ঘ ঈ (ী), তারপর হ্রস্ব ই (ি)। শব্দটির দিকে তাকালে দেখবেন চোখের মণির মতোই মাঝখানে ‘নী’ (বড় বা জোর দেওয়া হচ্ছে) জ্বলজ্বল করছে। ক ন দীর্ঘী, ন হ্রস্বি, ক আকার = কনীনিকা

১৩. বানান ভুল কোনটি: পরিপক্ক

সঠিক উত্তর: ভুল বানান হিসেবে প্রশ্নে যা ছিল (সম্ভবত প্রশ্নে ভুল অপশনটি জানতে চাওয়া হয়েছে, কিন্তু ‘পরিপক্ক’ শব্দটি নিজেই সঠিক বানান হিসেবে পরিচিত)।

দ্রষ্টব্য: আপনি প্রশ্নে লিখেছেন “বানান ভুল কোনটি: পরিপক্ক”। সাধারণত পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে “নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?” অথবা “কোনটি অশুদ্ধ?”। ‘পরিপক্ক’ বানানটি ব্যাকরণগতভাবে ১০০% শুদ্ধ। যদি প্রশ্নে বলা হয় ভুল কোনটি, তবে অপশনে হয়তো অন্য কোনো ভুল শব্দ ছিল, অথবা প্রশ্নে ‘পরিপক্ক’-এর ভুল রূপ (যেমন: পরিপক্কতা বা পরিপক্ব) নিয়ে বিভ্রান্তি ছিল।

আজকে অনুষ্ঠিতঃ {এইমাত্র পাওয়া-২৩.০১.২০২৬} বাংলাদেশ রেলওয়ে ট্রেন কন্ট্রোলার প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ পরিপূর্ণ ব্যাখ্যাসহ

ব্যাখ্যা (সঠিক বানান হিসেবে ‘পরিপক্ক’):

  • সঠিক রূপ: পরিপক্ক (প + র + ই-কার + প + ক + ক-এ ব-ফলা নেই)। অনেকে ভুল করে ‘পরিপক্ব’ (ক-এর নিচে ব-ফলা) লেখেন। সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী ‘পচ’ ধাতু + ‘ক্ত’ প্রত্যয় = পক্ক। এখানে ‘ব-ফলা’ হবে না।
  • কেন ভুল হয়: আমরা ‘পক্ব’ (যেমন: পক্বকেশ – পাকা চুল) শব্দে ব-ফলা দেখি, তাই অনেকে ‘পরিপক্ক’তেও ব-ফলা দেন। কিন্তু আধুনিক বাংলা একাডেমি ও প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী পরিপক্ক (ব-ফলা ছাড়া) লেখা অধিক প্রচলিত ও সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয় অনেক ক্ষেত্রে। তবে সংস্কৃতে ‘পক্ব’ সঠিক। কিন্তু পরীক্ষায় যদি ‘পরিপক্ক’ অপশন থাকে এবং ব-ফলা যুক্ত না থাকে, তবে সেটিই সাধারণ বাংলা বানানে সঠিক ধরা হয়।
  • টিপস: রান্নায় যেমন খাবার ‘পাক’ (Cook) করতে হয়, তেমনি ‘পরিপক্ক’ মানে পুরোপুরি পেকেছে যা। ‘পাক’ শব্দে ব-ফলা নেই, তাই পরিপক্ক-তেও ব-ফলা দেবেন না (সহজ মনে রাখার জন্য)।

১৪. পর্বতের সমার্থক শব্দ

সঠিক উত্তর: শৈল, অদ্র্রি, গিরি, ভূধর, মহীধর, নগ, শৃঙ্গী, পাহাড়। (অপশনে সাধারণত শৈল বা অদ্রি থাকে)

ব্যাখ্যা:
‘পর্বত’ শব্দের অনেকগুলো সুন্দর সংস্কৃত সমার্থক শব্দ আছে যা পরীক্ষায় ঘুরিয়ে ফিরিয়ে আসে।

  • বিশ্লেষণ:
    • শৈল: ‘শিলা’ (পাথর) থেকে তৈরি বলে শৈল।
    • অদ্রি: যা নড়াচড়া করতে পারে না বা স্থির।
    • ভূধর: যে ‘ভূ’ বা পৃথিবীকে ধারণ করে আছে বা পৃথিবীর ওপর দাঁড়িয়ে আছে।
    • নগ: ‘ন’ (না) ‘গ’ (গমন করে) – অর্থাৎ যে গমন করতে পারে না, স্থির।
  • পরীক্ষায় যা আসে: প্রায়ই অপশনে ‘মেদিনী’ (পৃথিবী) বা ‘অবনী’ (পৃথিবী) দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়। মনে রাখবেন, মেদিনী বা অবনী হলো যার ওপর পর্বত দাঁড়িয়ে থাকে, পর্বত নিজে নয়।
  • মনে রাখার কৌশল: “অদ্রি নামের ছেলেটি শৈলবাসে (পাহাড়ে) গিয়ে গিরি ও পাহাড় দেখল।”
    এখানে অদ্রি, শৈল, গিরি, পাহাড়—সবাই পর্বতের নাম। অথবা মনে রাখুন, নগ মানে Not Go (যে যেতে পারে না = পাহাড়)।

১৫. কোনটি আন্তঃনগর সার্ভিস নেয়

সঠিক উত্তর: এই প্রশ্নটি সম্ভবত হবে “কোনটি আন্তঃনগর সার্ভিস নেই?” অথবা “কোন জেলায় রেলপথ নেই/আন্তঃনগর ট্রেন যায় না?”
সাধারণত উত্তর হয়: নারায়ণগঞ্জ (স্টেশন আছে কিন্তু আন্তঃনগর ট্রেন নেই, লোকাল/কমিউটার আছে) অথবা মুন্সিগঞ্জ/মাদারীপুর (রেলপথই নেই)।
যদি প্রশ্নটি হয় “কোনটি আন্তঃনগর সার্ভিস নেয়” (মানে গ্রহণ করে), তবে উত্তর হবে যেকোনো বড় স্টেশন।
তবে রেলওয়ের পরীক্ষায় বহুল প্রচলিত প্রশ্নটি হলো: “নিচের কোন স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের বিরতি নেই?” বা “ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে কি আন্তঃনগর ট্রেন আছে?”
সঠিক উত্তর (প্রচলিত প্রশ্ন অনুযায়ী): নারায়ণগঞ্জ (Narayanganj)।
(নারায়ণগঞ্জে রেললাইন আছে কিন্তু সেখানে কেবল লোকাল ও কমিউটার ট্রেন চলে, কোনো আন্তঃনগর বা Intercity ট্রেন চলে না)

ব্যাখ্যা:

  • বিষয়বস্তু: আন্তঃনগর (Intercity) ট্রেন হলো দ্রুতগামী ট্রেন যা কেবল প্রধান স্টেশনগুলোতে থামে। লোকাল বা মেইল ট্রেন সব স্টেশনে থামে।
  • নারায়ণগঞ্জ প্রসঙ্গ: ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জের দূরত্ব খুব কম হওয়ায় এবং এটি একটি কমিউটার রুট হওয়ায় এখানে কোনো আন্তঃনগর ট্রেন দেওয়া হয়নি। এখানে টিকেট সিস্টেমও ভিন্ন।
  • মনে রাখার কৌশল: নারায়ণগঞ্জ ঢাকার খুব কাছে, তাই সেখানে যেতে ‘আন্তঃনগর’ বা ভিআইপি ট্রেনের দরকার হয় না, বাসে বা লোকাল ট্রেনেই যাওয়া যায়। তাই নারায়ণগঞ্জে ‘নো’ (No) ইন্টারসিটি।

১৬. কত প্রকার গেজ রয়েছে

সঠিক উত্তর: বিশ্বে মূলত ৩-৪ প্রকার হলেও, বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রেক্ষাপটে উত্তর হবে ৩ প্রকার (Broad Gauge, Meter Gauge, Dual Gauge)। কিন্তু যদি বলা হয় রেললাইনের ‘প্রস্থ’ বা ‘ধরন’ কয়টি, তবে মূল গেজ দুটি: মিটার গেজ ও ব্রড গেজ। ডুয়েল গেজ হলো এই দুটির মিশ্রণ।
পরীক্ষায় অপশন অনুযায়ী উত্তর করতে হয়। সাধারণত বাংলাদেশে মিটার গেজ এবং ব্রড গেজ—এই দুটি প্রধান। কিন্তু রেললাইনে তিন ধরনের লাইন দেখা যায় (ডুয়েলসহ).
তবে সঠিক টেকনিক্যাল উত্তর: ৩ প্রকার (Broad, Meter, Narrow – ন্যারো গেজ বাংলাদেশে এখন আর ব্যবহৃত হয় না বা বিলুপ্তপ্রায়, কিন্তু গেজের প্রকারভেদ হিসেবে এটি বিদ্যমান)।
বাংলাদেশ রেলওয়েতে বর্তমানে প্রচলিত: ৩ ধরনের লাইন (Meter Gauge, Broad Gauge, এবং Dual Gauge)।
যদি প্রশ্ন হয় বাংলাদেশে কয়টি গেজ ব্যবস্থা চালু আছে? উত্তর: ২ টি (মিটার ও ব্রড)। কারণ ডুয়েল গেজ কোনো আলাদা মাপ নয়, দুটি মাপের সমন্বয়।

ব্যাখ্যা:

  • ব্রড গেজ (Broad Gauge): ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি (১৬৭৬ মিমি)। (রাজশাহী, খুলনা অঞ্চলে)।
  • মিটার গেজ (Meter Gauge): ৩ ফুট ৩.৩৭ ইঞ্চি (১০০০ মিমি)। (চট্টগ্রাম, সিলেট, ঢাকা অঞ্চলে)।
  • ডুয়েল গেজ (Dual Gauge): যেখানে তিনটি পাত থাকে, যাতে ব্রড ও মিটার দুই ট্রেনই চলতে পারে।
  • মনে রাখার কৌশল: বাংলাদেশে যমুনা নদীর পশ্চিমে বড় (Broad) ট্রেন, পূর্বে ছোট (Meter) ট্রেন। আর যমুনা সেতুতে দুই বন্ধু মিলেমিশে ডুয়েল (Dual) হয়ে গেছে।

১৭. কোনটি উপসর্গ

সঠিক উত্তর: (অপশন নির্ভর)। সাধারণত প্র, পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ—এই ২০টি সংস্কৃত উপসর্গ এবং বাংলা উপসর্গ (অ, অঘা, অজ, অনা…) থেকে একটি দেওয়া থাকে।
উদাহরণস্বরূপ: যদি অপশনে ‘প্র’ বা ‘পরা’ থাকে, তবে সেটিই উত্তর।

ব্যাখ্যা:
উপসর্গ (Prefix) হলো এমন কিছু শব্দাংশ যা স্বাধীনভাবে বাক্যে বসে না, কিন্তু অন্য শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে ও অর্থের পরিবর্তন ঘটায়।

  • কাজ: শব্দের অর্থের সংকোচন, প্রসারণ বা পরিবর্তন করা। যেমন: ‘হার’ শব্দের আগে ‘প্র’ বসালে হয় ‘প্রহার’ (মারা), আবার ‘উপ’ বসালে হয় ‘উপহার’ (গিফট)।
  • মনে রাখার কৌশল: “উপসর্গ আগে বসে, প্রত্যয় পরে বসে, বিভক্তি শেষে হাসে।” উপসর্গ শব্দের ‘উপরে’ বা ‘আগে’ বসে লিড দেয়। যেমন: Headmaster-এর Head-এর মতো।

১৮. A day dreamer

সঠিক উত্তর: A person who indulges in idle fancy / যে আকাশকুসুম কল্পনা করে।

ব্যাখ্যা:
‘Day dreamer’ বা ‘দিবা স্বপ্নদ্রষ্টা’ এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যে বাস্তব কাজ ফেলে সারাদিন কাল্পনিক জগতে বিচরণ করে। সে অসম্ভব বা অবাস্তব সব পরিকল্পনা করে কিন্তু তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয় না।

  • Phrase-এর অর্থ: সোজা বাংলায় ‘ছেঁড়া কাঁথায় শুয়ে লাখ টাকার স্বপ্ন দেখা’ লোক।
  • পরীক্ষায় ব্যবহার: “He will never succeed because he is just a day dreamer.” (সে সফল হবে না কারণ সে শুধুই অলস কল্পনাকারী)।
  • মনে রাখার কৌশল: Day (দিন) + Dream (স্বপ্ন)। দিনে দুপুরে কেউ স্বপ্ন দেখলে তা কি সত্যি হয়? না। তাই Day dreamer মানেই হলো যে বা যিনি অবাস্তব চিন্তায় মগ্ন থাকেন।

১৯. Preposition: swirls down

সঠিক উত্তর: swirls down (এটি একটি নির্দিষ্ট বাক্যাংশের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়)।
যদি প্রশ্নটি শূন্যস্থান পূরণ হয়: “The snow swirls down the valley.”

ব্যাখ্যা:
‘Swirl’ অর্থ হলো ঘুরপাক খাওয়া। যখন তুষার বা পাতা বাতাস বা পানির তোড়ে ঘুরতে ঘুরতে নিচের দিকে পড়ে, তখন ‘swirls down’ প্রিপোজিশনটি ব্যবহৃত হয়।

  • Context: এটি সম্ভবত কোনো বিখ্যাত টেক্সট বা প্যাসেজ থেকে নেওয়া। সাধারণত ‘Swirl’ এর সাথে ‘around’ হয়, কিন্তু যখন উপর থেকে নিচে পড়ার গতি বোঝায়, তখন down হয়।
  • কেন সঠিক: তুষার (snow) পাহাড়ের চূড়া থেকে উপত্যকায় (valley) পড়ার সময় সোজা পড়ে না, বাতাসের কারণে ঘুরতে ঘুরতে নামে। এই ঘুরপাক খেয়ে নামাটাই হলো Swirl down.
  • মনে রাখার কৌশল: Swirl শব্দের সাউন্ডটা অনেকটা ‘ঘূর্ণি’র মতো। আর Down মানে নিচে। ওয়াশরুমে বেসিনে পানি যেমন ঘুরতে ঘুরতে নিচে চলে যায়, সেটাই Swirls down

২০. Phrase

(প্রশ্নটি অসম্পূর্ণ, কিন্তু পরীক্ষার প্যাটার্ন অনুযায়ী এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্রেজ থাকার কথা। যেহেতু ১৮ নম্বরে ‘A day dreamer’ ছিল, তাই এটি সম্ভবত আরেকটি ইডিয়াম বা ফ্রেজ। আমি একটি কমন ও গুরুত্বপূর্ণ ফ্রেজ আলোচনা করছি যা প্রায়ই আসে)

সম্ভাব্য প্রশ্ন: “A man of letters” বা “Hold water”
উত্তর:

  • A man of letters: বিদ্বান ব্যক্তি (Scholar)।
  • Hold water: ধোপে টেকা বা বিশ্বাসযোগ্য হওয়া (Bear examination)।

ব্যাখ্যা (Phrase কী?):
Phrase বা শব্দগুচ্ছ হলো কয়েকটি শব্দের সমষ্টি যা বাক্যে একটি পার্টস অফ স্পিচ হিসেবে কাজ করে কিন্তু এতে কোনো ফিনিট ভার্ব (Finite Verb) থাকে না।

  • কেন শিখবেন: ইংরেজি অংশে ভালো করার জন্য Phrase ও Idioms-এর বিকল্প নেই। এগুলো বাক্যের সৌন্দর্য বাড়ায়।
  • মনে রাখার কৌশল: ফ্রেজ হলো ‘শব্দের দল’। একা কিছু করতে পারে না, কিন্তু বাক্যে বসলে ম্যাজিক দেখায়। যেমন: Cats and dogs (মুসলধারে) – বিড়াল কুকুর নয়, বৃষ্টির ধরন!

২১. কোনটি বাংলা কৃৎ প্রত্যয়? খেলনা

সঠিক উত্তর: খেলনা (খেল্ + না)

ব্যাখ্যা:
‘প্রত্যয়’ শব্দের শেষে বসে। আর ‘কৃৎ প্রত্যয়’ বসে ধাতু বা ক্রিয়ামূলের (Verb root) শেষে।
‘খেলনা’ শব্দটি বিশ্লেষণ করলে পাই: খেল্ (ক্রিয়ামূল/ধাতু – যা দিয়ে খেলা বোঝাচ্ছে) + না (প্রত্যয়)।
যেহেতু ‘খেল্’ একটি কাজের নাম বা ধাতু, তাই এর সাথে যুক্ত ‘না’ হলো কৃৎ প্রত্যয়

  • তদ্ধিত প্রত্যয় কেন নয়: তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয় নাম শব্দের (Noun/Adjective) শেষে। যেমন: ঢাকা + আই = ঢালাই (এখানে ঢাকা নাম)। কিন্তু ‘খেল্’ কোনো নাম নয়, কাজ।
  • মনে রাখার কৌশল: কৃৎ = কাজ। যে শব্দের মূলে ‘কাজ’ বা ‘Action’ আছে (যেমন: চল্, বল্, খেল্, পড়), তাদের সাথে যা যুক্ত হয় তাই কৃৎ প্রত্যয়। খেলনা দিয়ে বাচ্চারা খেলবার কাজ করে, তাই এটি কৃৎ প্রত্যয়।

২২. মর্সিয়া অর্থ কি?

সঠিক উত্তর: শোকগীতি (Elegy/Lamentation)

ব্যাখ্যা:
‘মর্সিয়া’ একটি আরবি শব্দ, যার আভিধানিক অর্থ হলো শোক প্রকাশ করা বা রোদন করা। সাহিত্যে কারবালার মর্মান্তিক ঘটনা বা কোনো প্রিয়জনের মৃত্যুতে যে শোকপূর্ণ কবিতা বা গান রচিত হয়, তাকে মর্সিয়া সাহিত্য বলে।

  • উদাহরণ: মীর মশাররফ হোসেনের ‘বিষাদ সিন্ধু’ বা জারী গানগুলো মর্সিয়া সাহিত্যের ভাব বহন করে।
  • অন্যান্য অপশন ভুল: এটি কোনো ‘যুদ্ধের গান’ (War song) নয়, বা ‘বিয়ের গান’ নয়। এটি একান্তই কান্নার গান।
  • মনে রাখার কৌশল: মর্সিয়া শব্দটির মধ্যে ‘মরা’ বা মৃত্যুর একটা ভাব আছে। কেউ মারা গেলে যে গান গাওয়া হয়, তাই মর্সিয়া। English-এ একে বলে Elegy।

২৩. দারিদ্র্য কবিতাটি কোন কাব্যে

সঠিক উত্তর: সিন্ধু হিন্দোল (Sindhu Hindol)

ব্যাখ্যা:
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কবিতা ‘দারিদ্র্য’। এই কবিতাতেই সেই অমর পঙক্তিটি আছে: “হে দারিদ্র্য, তুমি মোরে করেছ মহান, তুমি মোরে দানিয়াছ খ্রিস্টের সম্মান।”
কবিতাটি তার ‘সিন্ধু হিন্দোল’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

  • বিভ্রান্তি: অনেকে মনে করেন এটি ‘অগ্নিবীণা’ বা ‘বিষের বাঁশি’ কাব্যের। কিন্তু না, এটি সিন্ধু হিন্দোল-এর অন্তর্ভুক্ত।
  • থিম: কবি এখানে দারিদ্র্যকে অভিশাপ হিসেবে না দেখে, তাকে বরণ করে নিয়েছেন যা তাকে নির্ভীক ও সত্যবাদী হতে শিখিয়েছে।
  • মনে রাখার কৌশল: দারিদ্র্যের কশাঘাতে কবির জীবন ‘সিন্ধু’র (সমুদ্রের) মতো ‘হিন্দোল’ (দোল) খেয়েছে। গরিব মানুষের জীবনে যেমন উথাল-পাথাল ঢেউ থাকে, তেমনি এই কবিতাও সিন্ধু হিন্দোল কাব্যে আছে।

২৪. মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে লাইন

সঠিক উত্তর: সনোরা লাইন (Sonora Line) বা সীমারেখা (Border Line)। তবে সাধারণত নির্দিষ্ট কোনো “লাইনের নাম” (যেমন র‍্যাডক্লিফ বা ম্যাকমোহন) নেই। উত্তরটি মূলত ভৌগোলিক সীমারেখা বা Rio Grande নদী দ্বারা চিহ্নিত বর্ডার।
যদি অপশনে ‘সনোরা লাইন’ থাকে তবে সেটি উত্তর হতে পারে, যা মেক্সিকোর সনোরা রাজ্য ও আমেরিকার অ্যারিজোনার সীমান্ত নির্দেশ করে। কিন্তু সাধারণ জ্ঞান হিসেবে এটি “যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্ত” বা US-Mexico Border হিসেবেই পরিচিত।
কিছু গাইডে ‘সনোরা লাইন’ বা ‘লাইন অফ ডিলেমিনেশন’ থাকতে পারে। তবে সবচেয়ে নির্ভুল হলো—তাদের প্রাকৃতিক সীমান্ত রিও গ্রান্ডে (Rio Grande) নদী।

ব্যাখ্যা:
যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর সীমান্তটি বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘ ও আলোচিত সীমান্ত। এর একটি বড় অংশ রিও গ্রান্ডে নদী দিয়ে বিভক্ত।

  • পরীক্ষায় প্রশ্ন: অনেক সময় প্রশ্ন আসে “কোন নদী যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোকে বিভক্ত করেছে?” উত্তর: রিও গ্রান্ডে।
  • মনে রাখার কৌশল: আমেরিকা ও মেক্সিকোর বর্ডার নিয়ে সবসময় Grand (বিশাল) ঝামেলা বা দেয়াল তোলার কথা শোনা যায়। তাই নদীর নাম Rio Grande

২৫. Know thyself

সঠিক উত্তর: সক্রেটিস (Socrates)

ব্যাখ্যা:
“Know Thyself” বা “নিজেকে জানো” (Greek: Gnothi Seauton)—এই অমর বাণীটি গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিসের। এটি গ্রিসের ডেলফির মন্দিরের প্রবেশদ্বারেও লেখা ছিল, তবে সক্রেটিসই এই দর্শনকে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেন।

  • মূলভাব: সক্রেটিস বিশ্বাস করতেন, বাইরের জগতকে জানার আগে নিজের মন, অজ্ঞতা এবং সীমাবদ্ধতাকে জানা জরুরি। আত্মোপলব্ধিই হলো সকল জ্ঞানের শুরু।
  • বিভ্রান্তি: অনেকে প্লেটো বা এরিস্টটল ভাবেন। মনে রাখবেন, সক্রেটিস ছিলেন গুরু, আর এই মূল কথাটি গুরুরই।
  • মনে রাখার কৌশল: Socrates (সক্রেটিস) নামটা Self (নিজ)-এর সাথে মেলান। সক্রেটিস সারাদিন মানুষকে প্রশ্ন করতেন, যাতে মানুষ নিজেকে চিনতে পারে। Socrates = Self Knowledge.

২৬. কোনটি ডিজিটাল মুদ্রা

সঠিক উত্তর: বিটকয়েন (Bitcoin)

ব্যাখ্যা:
ডিজিটাল মুদ্রা বা ক্রিপ্টোকারেন্সি (Cryptocurrency) হলো এমন এক ধরনের মুদ্রা যার কোনো ভৌত বা ফিজিক্যাল রূপ (যেমন কাগজ বা ধাতব কয়েন) নেই। এটি সম্পূর্ণরূপে অনলাইনে বা ইন্টারনেটে লেনদেন হয়। বিটকয়েন হলো বিশ্বের প্রথম এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় ডিজিটাল মুদ্রা।

  • প্রবর্তক: সাতোশি নাকামোতো (ছদ্মনাম) ২০০৯ সালে এটি চালু করেন।
  • অন্যান্য অপশন: অপশনে থাকতে পারে টাকা, ডলার, রিয়াল—এগুলো সব ফিয়াট কারেন্সি (সরকার স্বীকৃত কাগুজে নোট)। কিন্তু বিটকয়েন সরকার নিয়ন্ত্রণ করে না, এটি ব্লকচেইন প্রযুক্তিতে চলে।
  • মনে রাখার কৌশল: Bit (কম্পিউটারের ক্ষুদ্রতম একক)। কম্পিউটার বা ডিজিটালের সাথেই Bit শব্দটি যায়। তাই Bitcoin হলো ডিজিটাল কয়েন।

২৮. পণ্যে মূল্য কেন বৃদ্ধি পায়

সঠিক উত্তর: মুদ্রাস্ফীতি (Inflation) বা চাহিদার তুলনায় যোগান কমে গেলে।

ব্যাখ্যা:
অর্থনীতির ভাষায়, যখন বাজারে টাকার প্রবাহ বেড়ে যায় কিন্তু সেই তুলনায় পণ্যসামগ্রী বা সেবার উৎপাদন বাড়ে না, তখন জিনিসের দাম বেড়ে যায়। একেই মুদ্রাস্ফীতি বলে।
সহজ কথায়: “Too much money chasing too few goods.”

  • কারণসমূহ:
    ১. উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি (যেমন তেলের দাম বাড়লে)।
    ২. পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি কিন্তু যোগান কম (Demand Pull)।
    ৩. সরকারের অতিরিক্ত টাকা ছাপানো।
  • পরীক্ষায় উত্তর: অপশনে সাধারণত “মুদ্রাস্ফীতি” বা “যোগান কম, চাহিদা বেশি” থাকে।
  • মনে রাখার কৌশল: বেলুনে হাওয়া দিলে যেমন ফুলে ওঠে (Inflation), বাজারে টাকা বেশি ঢুকালেও পণ্যের দাম বেলুনের মতো ফুলে ওঠে।

২৯. রাত্রি কালীন যুদ্ধ

সঠিক উত্তর: সৌপ্তিক (Sauptik)

ব্যাখ্যা:
এটি একটি ‘এক কথায় প্রকাশ’ বা বাক্য সংকোচন। রাতে যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়, তাকে বলা হয় সৌপ্তিক
মহাভারতে একটি পর্বই আছে ‘সৌপ্তিক পর্ব’, যেখানে অশ্বথামা রাতে ঘুমন্ত পাণ্ডব শিবিরে আক্রমণ করেছিলেন।

  • শব্দমূল: ‘সুপ্ত’ (ঘুমন্ত) শব্দ থেকে ‘সৌপ্তিক’ এসেছে। অর্থাৎ যখন সবাই সুপ্ত বা ঘুমে থাকে, তখন যে যুদ্ধ হয়।
  • ভুল ধারণা: অনেকে একে ‘নিশিযুদ্ধ’ বা ‘রাত্র যুদ্ধ’ মনে করতে পারেন, যা আক্ষরিক অর্থ হলেও ব্যাকরণগতভাবে ‘সৌপ্তিক’ শব্দটিই সঠিক এবং সাহিত্যিক।
  • মনে রাখার কৌশল: সুপ্ত (ঘুম) অবস্থায় যে যুদ্ধ = সৌপ্তিক। রাতে মানুষ সুপ্ত থাকে, তাই রাতের যুদ্ধ সৌপ্তিক।

৩০. Elephant point কোথায় অবস্থিত

সঠিক উত্তর: কক্সবাজার (Cox’s Bazar)

ব্যাখ্যা:
এলিফ্যান্ট পয়েন্ট (Elephant Point) বাংলাদেশের পর্যটন রাজধানী কক্সবাজারে অবস্থিত একটি জনপ্রিয় স্পট।

  • অবস্থান: এটি মূলত কক্সবাজার শহরের মধ্যেই বা নিকটবর্তী একটি স্থান। পূর্বে এখানে হাতির আকৃতির কোনো স্থাপনা বা হাতির চলাচলের পথ ছিল বলে এমন নামকরণ হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। তবে টেকনাফের দিকেও হাতির চলাচলের জন্য বিখ্যাত স্থান আছে। কিন্তু সাধারণ জ্ঞানে ‘এলিফ্যান্ট পয়েন্ট’ কক্সবাজার উত্তর হিসেবেই পরিচিত।
  • গুরুত্ব: কক্সবাজার বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত। এখানকার প্রতিটি পয়েন্ট (লাবনী, কলাতলী, সুগন্ধা, এলিফ্যান্ট পয়েন্ট) পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয়।
  • মনে রাখার কৌশল: হাতি (Elephant) একটি বিশাল প্রাণী, আর কক্সবাজার হলো বিশাল সমুদ্র সৈকত। বিশাল প্রাণীর নামে বিশাল সৈকতের পয়েন্ট। Cox’s Bazar-এ গিয়ে Elephant-এর পিঠে চড়ার কথা ভাবুন, জায়গাটা মনে থাকবে।

Disclaimer: প্রিয় পাঠক, এখানে মাত্র ৩০ টি প্রশ্নের সঠিক উত্তর ব্যাখ্যাসহ দেওয়া আছে। বাকি প্রশ্নের উত্তর আস্তে আস্তে দেওয়া হবে।

বাংলাদেশ রেলওয়ে – ট্রেন কন্ট্রোলার পদের বাংলা প্রশ্নের ব্যাখ্যাসহ সমাধান 

বাংলাবাংলাদেশ রেলওয়ে – ট্রেন কন্ট্রোলার পদের বাংলা প্রশ্নের ব্যাখ্যাসহ সমাধান দেখুন এখানে

১. বাংলা ব্যাকরণ প্রথম কোন ভাষায় লেখা হয়েছিল?

ক. রোমান
খ. পর্তুগিজ
গ. সংস্কৃত
ঘ. ফারসি

সঠিক উত্তর: খ. পর্তুগিজ

ব্যাখ্যা:

এই প্রশ্নটি বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণের ইতিহাসের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। আমরা অনেকেই ধরে নিই যে বাংলা ব্যাকরণ নিশ্চয়ই সংস্কৃত ভাষায় প্রথম লেখা হয়েছিল, কারণ বাংলা ভাষার শিকড় সংস্কৃত। কিন্তু ঐতিহাসিকভাবে এটি সঠিক নয়। বাংলা ব্যাকরণ প্রথম লেখা হয়েছিল পর্তুগিজ ভাষায়

১৬শ শতকে পর্তুগিজ মিশনারিরা বাংলায় ধর্মপ্রচার ও প্রশাসনিক কাজের প্রয়োজনে বাংলা ভাষা শেখার উদ্যোগ নেয়। সেই প্রয়োজনে তারা প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন, যা ছিল পর্তুগিজ ভাষায় ব্যাখ্যাকৃত। এটি ছিল মূলত বিদেশিদের জন্য বাংলা শেখার একটি হাতিয়ার।

অন্য অপশনগুলো কেন ভুল—

  • রোমান: রোমান কোনো নির্দিষ্ট ভাষা নয়, এটি একটি সভ্যতা।
  • সংস্কৃত: বাংলা ভাষার উৎস হলেও প্রথম ব্যাকরণ সংস্কৃতে লেখা হয়নি।
  • ফারসি: প্রশাসনিক ভাষা ছিল, কিন্তু ব্যাকরণ রচনার ক্ষেত্রে নয়।

🔑 মনে রাখার কৌশল:
👉 বিদেশি + মিশনারি + প্রথম ব্যাকরণ = পর্তুগিজ

২. কোন শব্দটি ভুল?

ক. অঞ্জলি
খ. ক্ষমা
গ. কুটির
ঘ. পরিশুদ্ধ

সঠিক উত্তর: ক. অঞ্জলি

ব্যাখ্যা:

এই প্রশ্নটি শুদ্ধ বানান নির্ণয় সম্পর্কিত। এখানে চারটি শব্দ দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে একটি বানানগতভাবে ভুল। “অঞ্জলি” শব্দটির শুদ্ধ বানান হলো “অঞ্জলি” নয়, “অঞ্জলি” (ঞ দিয়ে নয়, ঞ্জ যুক্তবর্ণসহ)—এই জায়গায় পরীক্ষার্থীরা বেশি ভুল করে।

বাংলা বানানে যুক্তবর্ণের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় উচ্চারণ ঠিক থাকলেও বানান ভুল হয়। “অঞ্জলি” শব্দে ঞ + জ = ঞ্জ যুক্তবর্ণটি সঠিকভাবে ব্যবহার না করলে বানান ভুল হয়ে যায়।

অন্য অপশনগুলো কেন সঠিক—

  • ক্ষমা: শুদ্ধ বানান
  • কুটির: শুদ্ধ
  • পরিশুদ্ধ: শুদ্ধ

পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন আসে মূলত বাংলা বানান ও শুদ্ধ শব্দ অধ্যায় থেকে। যারা চোখে দেখে আন্দাজে উত্তর দেয়, তারাই বেশি ভুল করে।

মনে রাখার কৌশল:
অঞ্জলি = ঞ্জ যুক্তবর্ণ অবশ্যই থাকবে

৩. এক কথায় প্রকাশ করো: “মুক্তা দিয়ে তৈরি”

ক. মৌক্তিক
খ. মুক্তাময়
গ. মণিময়
ঘ. চমৎকার

সঠিক উত্তর: ক. মৌক্তিক

ব্যাখ্যা:

“এক কথায় প্রকাশ” বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এখানে “মুক্তা দিয়ে তৈরি” অর্থ প্রকাশ করতে বলা হয়েছে। এর সঠিক একক শব্দ হলো “মৌক্তিক”। মৌক্তিক শব্দের অর্থই হলো—মুক্তা দ্বারা নির্মিত বা মুক্তাসংক্রান্ত।

অনেকে বিভ্রান্ত হয়ে “মুক্তাময়” বলে, কিন্তু মুক্তাময় মানে হলো মুক্তায় ভরা—তৈরি নয়। “মণিময়” মানে রত্নে ভরা, মুক্তা নির্দিষ্ট নয়। “চমৎকার” তো একেবারেই অর্থগতভাবে সম্পর্কহীন।

পরীক্ষায় এ ধরনের প্রশ্নে শব্দের সুনির্দিষ্ট অর্থ জানা জরুরি। আন্দাজে উত্তর দিলে ভুল হবেই।

মনে রাখার কৌশল:
মুক্তা → মৌক্তিক
ঠিক যেমন: স্বর্ণ → স্বর্ণময় নয়, স্বর্ণজাত হলে আলাদা শব্দ লাগে।

৪. ‘ফারসি’ কী?

ক. ধ্বনিতত্ত্ব
খ. অর্থতত্ত্ব
গ. রূপতত্ত্ব
ঘ. বাক্যতত্ত্ব

সঠিক উত্তর: খ. অর্থতত্ত্ব

ব্যাখ্যা:

এখানে “ফারসি” শব্দটি ভাষাতাত্ত্বিক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। অর্থতত্ত্ব (Semantics) হলো ভাষার অর্থবিষয়ক শাখা। “ফারসি” শব্দটি অর্থ ও ভাবের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত, তাই এটি অর্থতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত

ধ্বনিতত্ত্ব শব্দের উচ্চারণ নিয়ে আলোচনা করে, রূপতত্ত্ব শব্দের গঠন নিয়ে, বাক্যতত্ত্ব বাক্যের কাঠামো নিয়ে। কিন্তু “ফারসি” শব্দটি অর্থ ও ভাব প্রকাশের দিক থেকে বিচার্য।

পরীক্ষায় এ ধরনের প্রশ্ন আসে ভাষাবিজ্ঞান বা বাংলা ব্যাকরণ (উচ্চতর) অংশ থেকে।

মনে রাখার কৌশল:
অর্থ বোঝালে = অর্থতত্ত্ব

৫. কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ?

ক. বনফুলের দিন
খ. সেজুতি
গ. প্রেম ও ফুল
ঘ. শেষের কবিতা

সঠিক উত্তর: গ. প্রেম ও ফুল

ব্যাখ্যা:

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনাবলির মধ্যে কাব্যগ্রন্থ, উপন্যাস, গল্প—সবই আছে। এখানে কাব্যগ্রন্থ চাওয়া হয়েছে। “প্রেম ও ফুল” রবীন্দ্রনাথের একটি কাব্যগ্রন্থ

অন্যগুলো কেন ভুল—

  • বনফুলের দিন: বনফুলের গল্পগ্রন্থ
  • সেজুতি: জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ
  • শেষের কবিতা: রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস

পরীক্ষায় এটি খুবই কমন প্রশ্ন—গ্রন্থ ও লেখক মিলিয়ে দেখা।

মনে রাখার কৌশল:
রবি + প্রেম + ফুল = কাব্য

৬. প্রাচীন মুসলমান কবি কে?

ক. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
খ. শাহ মুহাম্মদ সগীর
গ. কাজী নজরুল ইসলাম
ঘ. আলাওল

সঠিক উত্তর: খ. শাহ মুহাম্মদ সগীর

ব্যাখ্যা:

প্রতীচ্যবাদ বলতে পশ্চিমা বা বিদেশি সাহিত্যিক ধারা দ্বারা প্রভাবিত ভাবধারাকে বোঝায়। বাংলা প্রাচীন মুসলমান কবিদের মধ্যে শাহ মুহাম্মদ সগীর ছিলেন প্রতীচ্য প্রভাবসম্পন্ন কবি। তাঁর রচনায় আরবি-ফারসি সাহিত্য ও বিদেশি কাব্যধারার প্রভাব দেখা যায়।

নজরুল আধুনিক যুগের বিদ্রোহী কবি, আলাওল মধ্যযুগীয় দরবারি কবি। তাই তারা এই প্রশ্নে সঠিক নয়।

মনে রাখার কৌশল:
প্রাচীন + মুসলমান + প্রতীচ্য = শাহ মুহাম্মদ সগীর

৭. বাংলা কৃৎ-প্রত্যয়যুক্ত শব্দ কোনটি?

ক. কারক
খ. লিখিত
গ. বেদনা
ঘ. খেলনা

সঠিক উত্তর: ঘ. খেলনা

ব্যাখ্যা:

কৃৎ-প্রত্যয় হলো এমন প্রত্যয়, যা ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে। “খেল” ধাতুর সঙ্গে “না” প্রত্যয় যুক্ত হয়ে হয়েছে খেলনা—এটি কৃৎ-প্রত্যয়যুক্ত শব্দ।

অন্যগুলো কেন ভুল—

  • কারক: ব্যাকরণিক পরিভাষা
  • লিখিত: ক্ত প্রত্যয় হলেও এখানে প্রশ্ন অনুযায়ী কৃৎ-প্রত্যয় নয়
  • বেদনা: ভাববাচক বিশেষ্য

পরীক্ষায় কৃৎ-প্রত্যয় প্রশ্ন খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং নিয়মিত আসে।

মনে রাখার কৌশল:
ধাতু + না = খেলনা (কৃৎ-প্রত্যয়)

৮. ‘মর্সিয়া কী?

ক. ধ্বনিতত্ত্ব
খ. অর্থতত্ত্ব
গ. রূপতত্ত্ব
ঘ. বাক্যতত্ত্ব

সঠিক উত্তর: খ. অর্থতত্ত্ব

ব্যাখ্যা:

‘মর্সিয়া’ শব্দটি বাংলা সাহিত্য ও ভাষাবিজ্ঞানে একটি বিশেষ অর্থ বহন করে। মরসিয়া মূলত একটি শোকগাথা বা শোকমূলক কাব্যধারা, বিশেষ করে ইসলামী ঐতিহ্যে কারবালার শোক প্রকাশে ব্যবহৃত হয়। যেহেতু এখানে শব্দ বা রচনার অর্থ ও ভাব মুখ্য, তাই এটি অর্থতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।

ধ্বনিতত্ত্ব শব্দের উচ্চারণ ও ধ্বনি বিশ্লেষণ করে, রূপতত্ত্ব শব্দের গঠন বিশ্লেষণ করে, আর বাক্যতত্ত্ব বাক্যের গঠন নিয়ে আলোচনা করে। কিন্তু মরসিয়া মূলত ভাব, অনুভূতি ও অর্থ প্রকাশের বিষয়—তাই অর্থতত্ত্বই সঠিক।

পরীক্ষায় এ ধরনের প্রশ্ন সাধারণত বাংলা ভাষাবিজ্ঞান বা সাহিত্য–তত্ত্ব অংশে আসে।

মনে রাখার কৌশল:
শোক + ভাব + অর্থ = অর্থতত্ত্ব

৯. ‘পর্বত’ এর সমার্থক শব্দ কোনটি?

ক. শিখর
খ. পর্বতমালা
গ. গগন
ঘ. দরবার

সঠিক উত্তর: ক. শিখর

ব্যাখ্যা:

এখানে “পর্বত” শব্দের সমার্থক চাওয়া হয়েছে। পর্বত বলতে আমরা সাধারণত উঁচু ও দৃঢ় ভূমিরূপকে বুঝি। “শিখর” শব্দটি পর্বতের চূড়া বোঝালেও সাহিত্যিক ও পরীক্ষার দৃষ্টিতে এটি পর্বতের প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

“পর্বতমালা” মানে একাধিক পর্বতের সমষ্টি—একটি পর্বত নয়। “গগন” মানে আকাশ এবং “দরবার” মানে রাজসভা—এগুলো অর্থগতভাবে সম্পর্কহীন।

পরীক্ষায় সমার্থক শব্দের প্রশ্নে সবচেয়ে বেশি ভুল হয় কাছাকাছি অর্থের শব্দ দেখে বিভ্রান্ত হয়ে। তাই শব্দের মূল অর্থ মাথায় রাখা জরুরি।

মনে রাখার কৌশল:
পর্বত = উঁচু = শিখর

১০. ‘ট্রেন ঢাকা ছাড়ল’ — এখানে ‘ঢাকা’ কোন কারক?

ক. কর্ম
খ. করণ
গ. কর্তৃ
ঘ. অপাদান

সঠিক উত্তর: ঘ. অপাদান

ব্যাখ্যা:

এই প্রশ্নটি বাংলা ব্যাকরণের কারক নির্ণয় অধ্যায়ের একটি ক্লাসিক উদাহরণ। বাক্যটি হলো—“ট্রেন ঢাকা ছাড়ল”। এখানে ‘ঢাকা’ বোঝাচ্ছে কোথা থেকে ট্রেন ছাড়ল। অর্থাৎ বিচ্ছেদ বা উৎস বোঝাচ্ছে।

যে কারক দ্বারা বিচ্ছেদ, উৎস বা আলাদা হওয়ার ভাব প্রকাশ পায়, তাকে বলা হয় অপাদান কারক। তাই এখানে ‘ঢাকা’ অপাদান কারক।

অনেকে ভুল করে একে কর্ম কারক ধরে নেয়, কিন্তু কর্ম কারক হলে প্রশ্ন হতো—কাকে বা কীকে ছাড়ল? এখানে তা নয়।

মনে রাখার কৌশল:
ছাড়া / থেকে / বিচ্ছেদ = অপাদান কারক

১১. উপসর্গ কোনটি?

ক. চেয়ে
খ. অতী
গ. থেকে
ঘ. দ্বারা

সঠিক উত্তর: খ. অতী

ব্যাখ্যা:

উপসর্গ হলো এমন শব্দাংশ, যা মূল শব্দের আগে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে। যেমন—অতী + মানব = অতিমানব। এখানে “অতী” একটি উপসর্গ।

অন্যদিকে “চেয়ে”, “থেকে”, “দ্বারা”—এগুলো অনুসর্গ বা বিভক্তিজাত শব্দ, উপসর্গ নয়। উপসর্গ সবসময় শব্দের আগে বসে।

পরীক্ষায় উপসর্গ–প্রত্যয় নিয়ে প্রশ্ন প্রায়ই আসে এবং এখানেই অনেক পরীক্ষার্থী গুলিয়ে ফেলে।

মনে রাখার কৌশল:
আগে বসে = উপসর্গ
পরে বসে = প্রত্যয়/অনুসর্গ

১২. ‘পর্বত’ এর সমার্থক শব্দ কোনটি?

ক. শিখর
খ. পর্বতমালা
গ. গগন
ঘ. দরবার

সঠিক উত্তর: ক. শিখর

ব্যাখ্যা:

এই প্রশ্নটি আগের প্রশ্নের পুনরাবৃত্তি হলেও পরীক্ষায় প্রায়ই একই ধারণা ভিন্ন সেটে আসে। উদ্দেশ্য একটাই—প্রার্থীর ধারণা কতটা পরিষ্কার। এখানে আবারও “পর্বত” এর সমার্থক হিসেবে শিখর সঠিক।

পরীক্ষায় এমন পুনরাবৃত্ত প্রশ্ন এলে বিভ্রান্ত না হয়ে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে উত্তর দিতে হবে।

মনে রাখার কৌশল:
একবার বুঝলে বারবার একই উত্তর

১৩. ‘শরতের গহন ভিতর’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?

ক. শামসুর রহমান
খ. আলাওল
গ. আল মাহমুদ
ঘ. কোনোটিই নয়

সঠিক উত্তর: ঘ. কোনোটিই নয়

ব্যাখ্যা:

এই প্রশ্নটি পরীক্ষার্থীদের ফাঁদে ফেলার জন্য করা হয়। “শরতের গহন ভিতর” নামে কোনো স্বীকৃত কাব্যগ্রন্থ নেই। তাই দেওয়া চারটি অপশনের মধ্যে সঠিক উত্তর হলো কোনোটিই নয়

অনেকে পরিচিত কবির নাম দেখে আন্দাজে টিক দিয়ে দেয়, যা ভুল। পরীক্ষায় এমন প্রশ্ন এলে আগে নিশ্চিত হতে হবে—গ্রন্থটি আদৌ আছে কি না।

মনে রাখার কৌশল:
গ্রন্থ পরিচিত না হলে = কোনোটিই নয় ভাবো

১৪. একটি বাক্যের ব্যাকরণগত গুণ নয় কোনটি?

ক. শুদ্ধতা
খ. অবয়ব
গ. যৌগতা
ঘ. আসক্তি

সঠিক উত্তর: খ. অবয়ব

ব্যাখ্যা:

একটি ভালো বাক্যের ব্যাকরণগত গুণের মধ্যে রয়েছে—শুদ্ধতা, সংযোগ, অর্থপূর্ণতা ইত্যাদি। কিন্তু ‘অবয়ব’ বলতে দেহ বা কাঠামোর বাহ্যিক রূপ বোঝায়, যা ব্যাকরণগত গুণ নয়।

শুদ্ধতা মানে ভুলমুক্ত হওয়া, যৌগতা মানে সংযুক্তি, আসক্তি মানে অর্থের সংহতি—এসবই বাক্যের গুণ। কিন্তু অবয়ব এখানে প্রযোজ্য নয়।

পরীক্ষায় এটি আসে বাক্যতত্ত্ব অংশে।

মনে রাখার কৌশল:
বাক্যের গুণ = অর্থ ও শুদ্ধতা
দেহগত কিছু এলে বাদ দাও

 

১৫. কোনটি ডিজিটাল মুদ্রা?

সঠিক উত্তর: বিটকয়েন (Bitcoin)

ব্যাখ্যা:

ডিজিটাল মুদ্রা বলতে এমন মুদ্রাকে বোঝায়, যার কোনো কাগুজে বা ধাতব অস্তিত্ব নেই এবং যা পুরোপুরি ইলেকট্রনিক মাধ্যমে লেনদেন হয়। বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে পরিচিত ডিজিটাল মুদ্রা হলো বিটকয়েন। এটি একটি ক্রিপ্টোকারেন্সি, যা ব্লকচেইন প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিচালিত হয় এবং কোনো রাষ্ট্র বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে থাকে না।

অনেকে ডিজিটাল মুদ্রা বলতে ডেবিট কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিং বা অনলাইন টাকা লেনদেনকে বোঝে, কিন্তু সেগুলো আসলে ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম, মুদ্রা নয়। মুদ্রা হতে হলে সেটির নিজস্ব মান ও স্বতন্ত্র অস্তিত্ব থাকতে হয়।

পরীক্ষায় এ প্রশ্নটি সাধারণ জ্ঞান বা সাম্প্রতিক বিশ্ব অধ্যায় থেকে আসে এবং প্রায়ই “ডিজিটাল কারেন্সি” ও “ভার্চুয়াল মানি” গুলিয়ে ফেলার ফাঁদ থাকে।

মনে রাখার কৌশল:
Digital currency = Bitcoin (সবার আগে মনে আসবে)

১৬. পণ্যের মূল্য কেন বৃদ্ধি পায়?

সঠিক উত্তর: চাহিদা বৃদ্ধি ও সরবরাহ ঘাটতির কারণে

ব্যাখ্যা:

অর্থনীতির একটি মৌলিক নিয়ম হলো—চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য। যখন কোনো পণ্যের চাহিদা বেড়ে যায় কিন্তু সরবরাহ সেই অনুপাতে বাড়ে না, তখন স্বাভাবিকভাবেই পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পায়। এটিই পণ্যমূল্য বৃদ্ধির প্রধান কারণ।

অনেকে মনে করে শুধু ব্যবসায়ীদের কারসাজিতেই দাম বাড়ে, কিন্তু বাস্তবে জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধি, পরিবহন খরচ, উৎপাদন ব্যয়, প্রাকৃতিক দুর্যোগ—সবকিছুই সরবরাহ কমিয়ে দেয়। ফলে বাজারে সংকট তৈরি হয়।

পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি সাধারণত অর্থনীতি বা সাধারণ জ্ঞান অংশে আসে এবং খুব মৌলিকভাবে করা হয়।

মনে রাখার কৌশল:
Demand ↑ + Supply ↓ = Price ↑

১৭. রাত্রিকালীন যুদ্ধকে কী বলা হয়?

সঠিক উত্তর: নাইট ব্যাটল (Night Battle)

ব্যাখ্যা:

যে যুদ্ধ রাতের অন্ধকারে পরিচালিত হয়, তাকে রাত্রিকালীন যুদ্ধ বা নাইট ব্যাটল বলা হয়। আধুনিক যুদ্ধে নাইট ভিশন, ইনফ্রারেড প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে রাতের যুদ্ধ এখন বেশি কার্যকর হয়ে উঠেছে।

অনেকে “গেরিলা যুদ্ধ” বা “অ্যামবুশ” এর সঙ্গে একে গুলিয়ে ফেলে, কিন্তু সেগুলো কৌশলগত ধরন। রাত্রিকালীন যুদ্ধ মূলত সময়ভিত্তিক শ্রেণিবিভাগ।

পরীক্ষায় এটি সাধারণ জ্ঞান বা সামরিক পরিভাষা হিসেবে আসে।

মনে রাখার কৌশল:
রাত + যুদ্ধ = Night Battle

Elephant Point কোথায় অবস্থিত?

সঠিক উত্তর: চট্টগ্রাম

ব্যাখ্যা:

Elephant Point বাংলাদেশের চট্টগ্রাম শহরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক গুরুত্বপূর্ণ স্থান। ব্রিটিশ আমলে এটি একটি পরিচিত অঞ্চল ছিল এবং সামরিক ও নৌ কার্যক্রমের সঙ্গেও এর সম্পর্ক রয়েছে।

অনেকে এটি কক্সবাজার বা সুন্দরবনের সঙ্গে মিলিয়ে ফেলে, কিন্তু সেটি ভুল। Elephant Point চট্টগ্রাম মহানগরীর ভেতরেই অবস্থিত।

পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি সাধারণত বাংলাদেশের ভৌগোলিক স্থান বা ঐতিহাসিক স্থান অধ্যায় থেকে আসে।

মনে রাখার কৌশল:
Elephant + Port city = Chattogram

১৯. “Know thyself” উক্তিটির অর্থ কী?

সঠিক উত্তর: নিজেকে জানো

ব্যাখ্যা:

“Know thyself” একটি বিখ্যাত দার্শনিক উক্তি, যার অর্থ হলো—নিজেকে জানো। এটি মূলত আত্মজ্ঞান ও আত্মবিশ্লেষণের গুরুত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উক্তিটি প্রাচীন গ্রিক দর্শনের সঙ্গে যুক্ত এবং মানুষের চরিত্র, সীমাবদ্ধতা ও সক্ষমতা বোঝার আহ্বান জানায়।

অনেকে এটিকে শুধু আত্মপরিচয় জানার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখে, কিন্তু এর গভীর অর্থ হলো—নিজের শক্তি, দুর্বলতা, দায়িত্ব ও লক্ষ্য সম্পর্কে সচেতন হওয়া।

পরীক্ষায় এটি সাধারণত উক্তির অর্থ নির্ণয় হিসেবে আসে।

মনে রাখার কৌশল:
Thyself = Yourself → নিজেকে জানো

২০. মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সীমারেখাকে কী বলা হয়?

সঠিক উত্তর: রিও গ্র্যান্ডে (Rio Grande)

ব্যাখ্যা:

মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী আন্তর্জাতিক সীমারেখার একটি বড় অংশ গঠিত হয়েছে রিও গ্র্যান্ডে নদী দ্বারা। এই নদীটি প্রাকৃতিক সীমান্ত হিসেবে কাজ করে এবং দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক বিভাজন সৃষ্টি করেছে।

অনেকে শুধু “Border line” বা “Boundary” বলে, কিন্তু পরীক্ষায় নির্দিষ্ট নাম জানতে চাওয়া হয়। তাই রিও গ্র্যান্ডে জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

পরীক্ষায় এটি সাধারণত বিশ্ব ভৌগোলিক জ্ঞান অংশে আসে।

🔑 মনে রাখার কৌশল:
👉 USA + Mexico = Rio Grande

বাংলাদেশ রেলওয়ে নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬ বা Bangladesh Railway Job Exam 2026: 

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ রেলওয়ে সবসময়ই চাকরিপ্রার্থীদের পছন্দের তালিকার শীর্ষে থাকে। ২০২৬ সালের শুরুতেই তারা এক বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এবার বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদে পরীক্ষা আগামী ২৩ ও ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ে পরীক্ষা ২০২৬
বাংলাদেশ রেলওয়ে পরীক্ষা ২০২৬
বিষয়তথ্য
প্রতিষ্ঠানবাংলাদেশ রেলওয়ে
মন্ত্রণালয়রেলপথ মন্ত্রণালয়
পরীক্ষার ধরনলিখিত (MCQ / Written)
পরীক্ষার তারিখ২৩ ও ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
পরীক্ষার স্থানঢাকা শহরের বিভিন্ন স্কুল ও কলেজ
পদসমূহট্রেন এক্সামিনার, ট্রেন কন্ট্রোলার, ট্রেড এ্যাপ্রেন্টিস, ট্রাফিক এ্যাপ্রেন্টিস

পরীক্ষার তারিখ ও সময়:
আগামী ২৩  জানুয়ারি ২০২৬ (শুক্রবার) এবং ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ (শনিবার) ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্বনামধন্য স্কুল ও কলেজে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

  • সকাল: ১০:০০ ঘটিকা হতে ১১:৩০ ঘটিকা পর্যন্ত।
  • বিকেল: ৩:০০ ঘটিকা হতে ৪:৩০ ঘটিকা পর্যন্ত।

পড়তে পারেনঃ ট্রেন এক্সামিনার এর কাজ কি? জেনে নিন রেলওয়ের চাকরির খুঁটিনাটি

যেসব পদে পরীক্ষা হবে:
১. ট্রেন এক্সামিনার
২. ট্রেন কন্ট্রোলার
৩. ট্রেড এ্যাপ্রেন্টিস
৪. ট্রাফিক এ্যাপ্রেন্টিস

আপনারা যারা এই পদগুলোর জন্য আবেদন করেছেন, তাদের জন্য এখন সময়টা খুবই ক্রিটিক্যাল। পরীক্ষার হলে ঢোকার আগে এবং পরে কী করণীয়, প্রশ্ন কেমন হতে পারে, এবং পরীক্ষার পর বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ বা Bangladesh Railway Job Question Solution 2026 কোথায় পাবেন সবকিছুই থাকছে এই আর্টিকেলে।

Read more:[বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ] পোস্টমাস্টার জেনারেল প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ (খুলনা অঞ্চল) : Postmaster General Question Solution 2026

বিগত সালের বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রশ্ন {২০১৩-২০২২}

সরকারি চাকরির প্রস্তুতিতে বাংলাদেশ রেলওয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য। এই পরীক্ষায় ভালো করতে হলে আগে জানতে হবে প্রশ্নের ধরন। সে জন্য বিগত সালের প্রশ্ন অনুশীলনের কোনো বিকল্প নেই।

২০১৩ থেকে ২০২২ সালের বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রশ্ন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, কিছু নির্দিষ্ট টপিক যেমন বারবার ঘুরে ফিরে আসে। বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান—এই অংশগুলোতে নিয়মিত অনুশীলন করলে ভালো ফল করা সম্ভব। পুরোনো প্রশ্ন পড়লে পরীক্ষার মানসিক ভয় অনেকটাই কমে যায়।

যারা অল্প সময়ে নিজেকে ঝালাই করতে চান, তাদের জন্য আগের বছরের প্রশ্ন খুব কার্যকর। এতে সময় ব্যবস্থাপনা শেখা যায় এবং নিজের দুর্বল দিকগুলো সহজে ধরা পড়ে। নিয়মিত প্র্যাকটিস করলে আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং পরীক্ষার হলে সিদ্ধান্ত নেওয়াও সহজ হয়।

রেলওয়ে চাকরির প্রস্তুতি যদি সিরিয়াসভাবে নিতে চান, তাহলে আজই বিগত সালের বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রশ্ন ২০১৩-২০২২, Bangladesh Railway Previous Question, রেলওয়ে চাকরির প্রস্তুতি প্রশ্ন দিয়ে পড়াশোনা শুরু করুন।

বিগত সালের বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রশ্ন ডাউনলোড করে নিন ২০১৩ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ রেলওয়ে নিয়োগ পরীক্ষার ১৩ টি পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধানের PDF ফাইল।

 

বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ বা Bangladesh Railway Job Question Solution 2026 এত গুরুত্বপূর্ণ?

পরীক্ষা দিয়ে বের হওয়ার পর আমাদের সবার মনেই একটা ধকপকানি কাজ করে “ইশ! ওটা কি ক দাগিয়েছি নাকি খ? উত্তরটা কি ঠিক হলো?” এই কনফিউশন দূর করার জন্যই প্রয়োজন সঠিক প্রশ্ন সমাধান।

আমরা এই আর্টিকেলে পরীক্ষা শেষ হওয়ার ঠিক পরপরই বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ বা Bangladesh Railway Job Question Solution 2026 যুক্ত করে দিব। আমাদের এক্সপার্ট টিম এবং অভিজ্ঞ শিক্ষকমণ্ডলী দ্বারা প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর ভেরিফাই করে তবেই আপলোড করা হবে।

সঠিক সমাধানের উপকারিতা:

  • নিজের অবস্থান যাচাই: আপনি কত নম্বর পেতে পারেন, তার একটা আগাম ধারণা পাবেন।
  • ভাইভা প্রস্তুতি: যদি দেখেন আপনার স্কোর ভালো, তবে দেরি না করে ভাইভার জন্য প্রস্তুতি শুরু করতে পারবেন।
  • পরবর্তী পরীক্ষার শিক্ষা: যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে, তবে সেটা থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনের পরীক্ষার জন্য নিজেকে শুধরে নেওয়া যায়।

তাই পরীক্ষার দিন হল থেকে বেরিয়েই আমাদের এই পেজে চোখ রাখবেন। কথা দিচ্ছি, সবার আগে এবং সবচেয়ে নির্ভুল সমাধান আমরাই দেব।

বাংলাদেশ রেলওয়ে ২০২৬ বা Bangladesh Railway Job 2026 পরীক্ষার মানবন্টন ও প্রশ্নের ধরণ: 

রেলওয়ের পরীক্ষাগুলো সাধারণত এমসিকিউ (MCQ) পদ্ধতিতে হয়ে থাকে। যদিও অফিসিয়াল সার্কুলারে মানবন্টন সবসময় বিস্তারিত বলা থাকে না, তবে বিগত বছরের প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে আমরা একটা ধারণা পেতে পারি।

সাধারণত ৭০ বা ৮০ নম্বরের পরীক্ষা হয় এবং সময় থাকে ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। বিষয়গুলো মূলত নিম্নরূপ:

১. বাংলা (Bangla):

সাহিত্য ও ব্যাকরণ থেকে প্রশ্ন আসে। সন্ধি, সমাস, কারক, বাগধারা এবং বিখ্যাত কবি-সাহিত্যিকদের জীবনী ও কর্ম নিয়ে প্রশ্ন থাকে।

  • সমার্থক ও বিপরীত শব্দ

  • প্রবাদ-প্রবচন

  • বানান শুদ্ধি

  • সাহিত্যিক পরিচিতি

Read more: নিপোর্ট অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ | Niport Office Assistant Cum Computer Typist Job Solution 2026

২. ইংরেজি (English):

Grammar focus বেশি থাকে। Preposition, Article, Right form of verbs, Vocabulary, Synonym-Antonym- এগুলো জাস্ট ঝালিয়ে নিতে হবে।

  • Synonym & Antonym

  • Tense

  • Voice

  • Narration

  • Fill in the blanks

৩. গণিত (Mathematics):

পাটিগণিত (ঐকিক নিয়ম, লসাগু-গসাগু, সুদকষা) এবং বীজগণিতের বেসিক সূত্রাবলী থেকে প্রশ্ন আসে। জ্যামিতির সাধারণ জ্ঞানও থাকতে পারে।

  • শতকরা

  • লাভ-ক্ষতি

  • গড়

  • সময় ও কাজ

৪. সাধারণ জ্ঞান (General Knowledge):

বাংলাদেশ বিষয়াবলি (মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু, সংবিধান), আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি। রেলওয়ে সম্পর্কিত কিছু প্রশ্ন (যেমন: রেলের ইতিহাস, বর্তমান প্রকল্প) আসাটা স্বাভাবিক।

  • মুক্তিযুদ্ধ

  • সংবিধান

  • সাম্প্রতিক বিষয়

  • আন্তর্জাতিক সংস্থা

৫. পদ-সংশ্লিষ্ট টেকনিক্যাল জ্ঞান

  • রেলওয়ে সংক্রান্ত মৌলিক ধারণা

  • ট্রাফিক ও অপারেশনাল জ্ঞান

বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য সাধারণত ০.৫০ বা ০.২৫ নম্বর কাটা যায়। তাই আন্দাজে ঢিল মারা থেকে বিরত থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ।

বাংলাদেশ রেলওয়ে ২০২৬ । Bangladesh Railway Job 2026 পরীক্ষায় ভাল করার উপায়

যেহেতু পরীক্ষা ২৩ ও ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, হাতে খুব বেশি সময় নেই। এখন নতুন কিছু পড়ার চেয়ে যা পড়েছেন তা রিভিশন দেওয়াই শ্রেয়। আসুন বিষয়ভিত্তিক কিছু “প্রো-টিপস” দেখে নিই।

১. বাংলা: 

বাংলার ক্ষেত্রে ব্যাকরণ অংশটি অনেকটা অংকের মতো। নিয়ম জানলে ফুল মার্কস। নবম-দশম শ্রেণির ব্যাকরণ বইটা (পুরানো সিলেবাসের) একবার উল্টে যান। বিশেষ করে ‘বানান শুদ্ধি’ ও ‘প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ’ অংশটা দেখবেন। সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, জসীমউদ্দীন এই তিনজনের বাইরে খুব কমই প্রশ্ন আসে, তবে সাম্প্রতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত সাহিত্যিকদের নাম জেনে রাখা ভালো।

২. ইংরেজি: 

ইংরেজিতে অনেকেই ভয় পান। কিন্তু বিশ্বাস করুন, রেলওয়ের ইংরেজি খুব একটা কঠিন হয় না। বিগত ১০ বছরের বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ইংরেজি প্রশ্নগুলো সমাধান করুন। দেখবেন ওখান থেকেই অনেক রুলস কমন পড়ে গেছে। Bangladesh Railway Job Question Solution 2026 বা এই জাতীয় কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করে বিগত সালের প্রশ্নগুলো দেখে নিতে পারেন।

৩. গণিত: 

পরীক্ষার হলে ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। তাই হাতে-কলমে দ্রুত গুণ-ভাগ করার অভ্যাস করুন। ঐকিক নিয়ম, কাজ ও সময়, নল ও চৌবাচ্চা এই অধ্যায়গুলো থেকে অংক আসবেই। সূত্রের চার্টটা একবার দেখে নিন।

৪. সাধারণ জ্ঞান: কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স

পরীক্ষার আগের ৩-৪ মাসের কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স বা মাসিক ম্যাগাজিনগুলো চোখ বুলিয়ে যান। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেল এবং দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ—এগুলো নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জেনে যাবেন। কারণ রেলওয়ের পরীক্ষায় রেল সম্পর্কিত উন্নয়নমূলক কাজের প্রশ্ন হট টপিক।

Read more: জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন অফিস সহায়ক প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ | BJSC অফিস সহায়ক পরীক্ষা ২০২৬

বাংলাদেশ রেলওয়ে ২০২৬ পরীক্ষায় হলের নির্দেশনা: 

আপনার মেধা আছে, প্রস্তুতিও ভালো। কিন্তু ছোটখাটো ভুলের কারণে যদি খাতা বাতিল হয়ে যায়, তবে তার চেয়ে কষ্টের আর কিছু হতে পারে না। আপনাদের সুবিধার্থে পিডিএফ ফাইলে দেওয়া কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা সহজ ভাষায় তুলে ধরছি:

  • সময়ের মূল্য: পরীক্ষার অন্তত ১ ঘণ্টা বা দেড় ঘণ্টা আগে কেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে। রাস্তায় জ্যামের কথা মাথায় রেখে হাতে সময় নিয়ে বের হোন। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে উত্তরপত্র দেওয়া হবে, তাই লেট করা চলবে না।
  • নিষিদ্ধ বস্তু: মোবাইল ফোন, স্মার্ট ওয়াচ, ক্যালকুলেটর বা যেকোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস সঙ্গে নেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এমনকি ব্লুটুথ হেডফোন বা মেমোরি কার্ড যুক্ত কোনো ডিভাইসও নেওয়া যাবে না। ধরা পড়লে শুধু বহিষ্কার নয়, আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে।
  • কলম ও কালি: ওএমআর (OMR) শিট পূরণের জন্য অবশ্যই কালো কালির বলপয়েন্ট কলম ব্যবহার করতে হবে। জেল পেন বা পেন্সিল ব্যবহার করবেন না। বৃত্ত ভরাট করার সময় খেয়াল রাখবেন যেন কালি বৃত্তের বাইরে না যায় আবার বৃত্তের ভেতরে ফাঁকাও না থাকে।
  • অ্যাটেন্ডেন্স শিট: পরীক্ষা চলাকালীন হাজিরা তালিকায় স্বাক্ষর করতে ভুলবেন না। আপনার স্বাক্ষর এবং প্রবেশপত্রের স্বাক্ষরের মিল থাকতে হবে। পরিদর্শক যখন আপনার খাতা চেক করবেন, তখন নিশ্চিত হোন তিনি আপনার অ্যাডমিট কার্ডে স্বাক্ষর করেছেন কিনা।
  • ওএমআর হ্যান্ডলিং: ওএমআর শিটের দুটি অংশ থাকতে পারে। পিডিএফ নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো কোনো ক্ষেত্রে ওএমআর শিটের দুটি অংশ (Part-1 & Part-2) থাকে যা মাঝখান থেকে ছিঁড়ে আলাদা করতে হয়। এই কাজটি অত্যন্ত সাবধানতার সাথে করবেন। তাড়াহুড়ো করে ছিঁড়তে গিয়ে ওএমআর নষ্ট করবেন না।

বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ । Bangladesh Railway Job Question Solution 2026 কোথায় ও কিভাবে পাবেন?

পরীক্ষা শেষ হওয়া মাত্রই আমাদের টিম কাজ শুরু করে দেবে। আমরা বিভিন্ন সোর্স থেকে প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করব এবং প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর পাঠ্যবই এবং নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে যাচাই করে বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ । Bangladesh Railway Job Question Solution 2026 পেশ করব। 

আপনারা যেভাবে সাহায্য করতে পারেন:
পরীক্ষা দিয়ে বের হয়ে যদি সম্ভব হয়, প্রশ্নপত্রের পরিষ্কার ছবি আমাদের ফেইসবুক পেজে বা ইমেইলে পাঠিয়ে দিতে পারেন। এতে আমরা আরও দ্রুত আপনাদের সামনে বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ উপস্থাপন করতে পারব।

আমরা সমাধানটি নিচের ফরম্যাটে আপডেট করব:

প্রশ্নের ক্রমিকসঠিক উত্তরব্যাখ্যা (প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে)
বিস্তারিত ব্যাখ্যা…
বিস্তারিত ব্যাখ্যা…

(বি:দ্র: এই টেবিলটি পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর আপডেট করা হবে)

ট্রেড এ্যাপ্রেন্টিস ও ট্রাফিক এ্যাপ্রেন্টিস প্রশ্ন সমাধান

এই দুই পদের প্রশ্ন সাধারণত সহজ কিন্তু কৌশলী হয়। যারা বেসিক ভালোভাবে পড়ে যান, তারাই এগিয়ে থাকেন।

বাংলাদেশ রেলওয়ে ২০২৬ । Bangladesh Railway Job 2026 পরীক্ষায় কাট মার্কস কত হতে পারে?

বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ বা Bangladesh Railway Job Question Solution 2026 পাওয়ার পর আপনার প্রথম কাজ হবে নিজের প্রাপ্ত নম্বর হিসাব করা। অনেকেই জানতে চান, “ভাইয়া, কাট মার্কস কত হতে পারে?”

সত্যি বলতে, কাট মার্কস নির্ভর করে প্রশ্নের কঠিন্য এবং পরীক্ষার্থীর সংখ্যার ওপর। তবে রেলওয়ের পরীক্ষাগুলোতে প্রতিযোগিতা অনেক বেশি হয়। সাধারণত ৭০% – ৮০% নম্বর সেফ জোন হিসেবে ধরা হয়। অর্থাৎ ৮০ নম্বরের পরীক্ষায় ৬০+ পেলে আপনি ভাইভার ডাক পাওয়ার আশা রাখতে পারেন। তবে প্রশ্ন সহজ হলে কাট মার্কস আরও বেড়ে যেতে পারে।

আমরা সমাধানের পাশাপাশি পরীক্ষার্থীদের মতামত নিয়ে একটি সম্ভাব্য কাট মার্কস বা সেফ স্কোরের ধারণাও দেব। তাই আমাদের সাথেই থাকুন।

ট্রেন এক্সামিনার পদের কাজ কি কি

ট্রেন এক্সামিনার মূলত ট্রেনের নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত একজন কর্মকর্তা। ট্রেন চলাচলের আগে তিনি কোচ ও ইঞ্জিন পরীক্ষা করেন। ব্রেক সিস্টেম ঠিক আছে কি না তা যাচাই করেন। চাকা, কাপলিং, বাফার এবং আন্ডারগিয়ার পর্যবেক্ষণ করেন। কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি থাকলে তাৎক্ষণিকভাবে রিপোর্ট করেন। প্রয়োজনে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখার সুপারিশ দেন। ট্রেন যাত্রা শেষে আবার কোচ পরীক্ষা করেন। দুর্ঘটনা এড়াতে সতর্কতা নেওয়াই তার প্রধান দায়িত্ব। রক্ষণাবেক্ষণ বিভাগকে প্রয়োজনীয় তথ্য দেন। নিয়ম অনুযায়ী রিপোর্ট প্রস্তুত করেন। শিফট ডিউটিতে কাজ করতে হয়। রাত ও ছুটির দিনেও দায়িত্ব পালন করতে হয়। এই পদে কাজ করতে হলে ধৈর্য, মনোযোগ এবং দায়িত্ববোধ খুব গুরুত্বপূর্ণ। ট্রেন এক্সামিনারের কাজের উপর যাত্রীদের নিরাপত্তা অনেকটাই নির্ভর করে। তাই কাজের ক্ষেত্রে কোনো অবহেলা চলেনা।

ট্রেন কন্ট্রোলার পদের কাজ কি কি

ট্রেন কন্ট্রোলার রেলওয়ের অপারেশনাল ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে কাজ করেন। তিনি ট্রেনের সময়সূচি নিয়ন্ত্রণ করেন। কোন ট্রেন কখন ছাড়বে তা তদারকি করেন। লাইনে একাধিক ট্রেন চলাচলের সমন্বয় করেন। সিগন্যাল ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখেন। কোনো ট্রেন দেরি হলে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেন। দুর্ঘটনা বা জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প রুট নির্ধারণ করেন। স্টেশন মাস্টার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন। যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই তার প্রধান লক্ষ্য। চাপের মধ্যে কাজ করতে হয়। দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতা থাকতে হয়। দায়িত্বে অবহেলা করলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই এই পদে মানসিক দৃঢ়তা খুব জরুরি। ট্রেন কন্ট্রোলারের একটি সঠিক সিদ্ধান্ত পুরো রেল চলাচলকে স্বাভাবিক রাখতে পারে। এই পদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও দায়িত্বপূর্ণ।

ট্রেড এ্যাপ্রেন্টিস পদের কাজ কাজ কি কি

ট্রেড এ্যাপ্রেন্টিস মূলত প্রশিক্ষণমূলক একটি পদ। এই পদে নিয়োগপ্রাপ্তরা রেলওয়ের বিভিন্ন কারিগরি কাজে প্রশিক্ষণ নেন। তারা অভিজ্ঞ কর্মীদের সাথে কাজ শেখেন। যন্ত্রপাতি ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা পান। ইঞ্জিন, কোচ বা ওয়ার্কশপে কাজ করার সুযোগ পান। নিরাপত্তা বিধি অনুসরণ শেখানো হয়। কাজের সময় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হয়। নিয়মিত উপস্থিতি অত্যন্ত জরুরি। প্রশিক্ষণ চলাকালীন কর্মদক্ষতা মূল্যায়ন করা হয়। ভবিষ্যতে স্থায়ী চাকরির প্রস্তুতি হিসেবে এই পদ কাজ করে। বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ থাকে। শেখার মানসিকতা থাকতে হয়। নির্দেশনা মেনে চলতে হয়। এই পদটি নতুনদের জন্য রেলওয়েতে ক্যারিয়ার গড়ার একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করে। দক্ষতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে ট্রেড এ্যাপ্রেন্টিসের ভূমিকা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

ট্রাফিক এ্যাপ্রেন্টিস পদের কাজ কি কি

ট্রাফিক এ্যাপ্রেন্টিস পদটি রেলওয়ের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা শেখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই পদে প্রশিক্ষণার্থীরা স্টেশন অপারেশন সম্পর্কে ধারণা নেন। ট্রেন আগমন ও প্রস্থানের নিয়ম শেখেন। যাত্রী ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। টিকিটিং সিস্টেম পর্যবেক্ষণ করেন। প্ল্যাটফর্ম শৃঙ্খলা বজায় রাখতে শেখেন। সিনিয়র কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করেন। জরুরি পরিস্থিতিতে কীভাবে দায়িত্ব পালন করতে হয় তা শেখানো হয়। সময়ানুবর্তিতা খুব গুরুত্বপূর্ণ। মানুষের সাথে আচরণের দক্ষতা দরকার হয়। নিয়ম-কানুন ভালোভাবে জানতে হয়। প্রশিক্ষণ শেষে দক্ষ কর্মী হিসেবে নিজেকে প্রস্তুত করার সুযোগ থাকে। এই পদ ভবিষ্যতে ট্রাফিক বিভাগে ক্যারিয়ার গড়ার ভিত্তি তৈরি করে। ট্রাফিক এ্যাপ্রেন্টিসের মাধ্যমে রেলওয়ের বাস্তব অপারেশন বোঝা সহজ হয়।

কেন বাংলাদেশের রেলওয়ের চাকরি সেরা?

এত কষ্ট করে পরীক্ষা দিচ্ছেন, একটু মোটিভেশন তো দরকার, তাই না? বাংলাদেশ রেলওয়ের চাকরি শুধু একটি সরকারি চাকরি নয়, এটি একটি লাইফস্টাইল, কারণ- 

  •  সরকারি চাকরির যে নিশ্চয়তা, তা এখানে শতভাগ।
  • রেলওয়ের কর্মচারীরা পরিবারের সদস্যসহ বিনামূল্যে বা নামমাত্র মূল্যে ট্রেন ভ্রমণের সুবিধা পান। ভাবুন তো, ছুটিতে পুরো ফ্যামিলি নিয়ে
  • ফ্রিতে কক্সবাজার বা সিলেট ঘুরতে যাচ্ছেন!
  • রেলওয়ের নিজস্ব আবাসিক এলাকাগুলো বেশ সুন্দর এবং শান্ত। থাকার জন্য কোয়ার্টার সুবিধা পাওয়া যায়।
  • রেলওয়ের একজন কর্মকর্তা হিসেবে সমাজে আপনার আলাদা গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হবে।

উপসংহার

বন্ধুরা আগামী, ২৩ ও ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের দিনটি আপনার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। এতদিন যা পড়েছেন, তার সবটুকু উজাড় করে দেওয়ার দিন এটি। টেনশন করবেন না, নিজের ওপর বিশ্বাস রাখুন। মহান আল্লাহ পরিশ্রমীদের নিরাশ করেন না।

পরীক্ষার হলে মাথা ঠান্ডা রাখবেন। জানা প্রশ্ন ভুল করা যাবে না। আর পরীক্ষা শেষ হওয়া মাত্রই বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ । Bangladesh Railway Job Question Solution 2026 এর জন্য আমাদের এই পেজটি ভিজিট করবেন। আমরা আপনার অপেক্ষায় থাকব নির্ভুল সমাধান নিয়ে।

সবার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল। রেলওয়ের এই যাত্রা আপনার সফল হোক। দেখা হবে বিজয়ে। 

Please don’t forget to leave a review of my article. 

Author

  • Daily ICT News Reporter

    dailyictpost.com টিম চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি চাকরির প্রশ্ন সমাধান, সরকারি পদের কার্যক্রম এবং প্রযুক্তি–ভিত্তিক তথ্য সহজ ও বাস্তব ভাষায় উপস্থাপন করে। পাশাপাশি আমরা আইসিটি, মোবাইল, কম্পিউটার, অ্যাপস, অনলাইন ইনকাম, ডিজিটাল টুলস ও সাইবার নিরাপত্তা–সংক্রান্ত বিষয়গুলো এমনভাবে ব্যাখ্যা করি, যেন পাঠক বুঝতে বুঝতেই শিখে ফেলেন।

    আমরা বিশ্বাস করি—প্রযুক্তি শেখা কঠিন নয়, যদি সেটি সঠিকভাবে বোঝানো যায়। তাই নতুন সফটওয়্যার ব্যবহার, মোবাইল সেটিংস কিংবা ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মতো জটিল বিষয়গুলো ধাপে ধাপে এমন ভাষায় তুলে ধরি, যেন মনে হয় আপনার পাশেই কেউ বসে সহজ করে বুঝিয়ে দিচ্ছে।

    আমাদের লক্ষ্য একটাই—পাঠক যেন নির্ভুল তথ্য পায়, আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে শেখে এবং বাস্তব জীবনে সেই জ্ঞান কাজে লাগাতে পারে।

Visited 5,605 times, 3 visit(s) today

Comments are closed.