হ্যালো প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, আসসালামু আলাইকুম। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আপনাদের সরকারি চাকরির প্রস্তুতির যাত্রাকে আরও সহজ ও সুগম করতে আজ আমি আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সমাধান নিয়ে।
আজ ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (GDA)-এর অধীনে হিসাব সহকারী / বেঞ্চ সহকারী (Account Assistant) পদের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আপনারা যারা এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন কিংবা ভবিষ্যতে এমন পদের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য আজকের এই হিসাব সহকারী প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ বা GDA Account Assistant job question solution 2026 নিয়ে আমার এই বিস্তারিত আলোচনা।
একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক ও মেন্টর হিসেবে আমি প্রতিটি প্রশ্নের চুলচেরা বিশ্লেষণ করব। আমার লক্ষ্য শুধু উত্তর বলে দেওয়া নয়, বরং কেন এই উত্তরটি সঠিক এবং কীভাবে আপনারা পরীক্ষার হলে সেরাটা দিতে পারেন, তা হাতে-কলমে শিখিয়ে দেওয়া। চলুন, Bench Assistant প্রশ্ন উত্তর ২০২৬-এর গভীরে প্রবেশ করি এবং প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক ব্যাখ্যা জেনে নিই।

হিসাব সহকারী প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ বা GDA Account Assistant job question solution 2026
নিচে গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (GDA)-এর অধীনে হিসাব সহকারী / বেঞ্চ সহকারী (Account Assistant) পদের লিখিত পরীক্ষার হিসাব সহকারী প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ বা GDA Account Assistant job question solution 2026 এর প্রতিটি বিষয় ব্যাখ্যাসহ তুলে ধরা হলো।
বাংলা অংশ হিসাব সহকারী প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ বা GDA Account Assistant job question solution 2026
নিচে গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (GDA)-এর অধীনে হিসাব সহকারী / বেঞ্চ সহকারী (Account Assistant) পদের লিখিত পরীক্ষার হিসাব সহকারী প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ বা GDA Account Assistant job question solution 2026 এর বাংলা বিষয় ব্যাখ্যাসহ তুলে ধরা হলো।
প্রশ্ন ১.ক: মায়ামৃগ (অর্থ লিখুন)
সঠিক উত্তর: ইন্দ্রজালের বা মায়ার দ্বারা সৃষ্ট হরিণ।
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
‘মায়ামৃগ’ শব্দটি বাংলা সাহিত্য এবং বাগধারার ক্ষেত্রে একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে। শব্দটির আক্ষরিক অর্থ বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই— ‘মায়া’ অর্থ হলো যা বাস্তব নয় বা ইন্দ্রজাল, এবং ‘মৃগ’ অর্থ হরিণ। অর্থাৎ, যে হরিণ প্রকৃত নয় বরং মায়ার মাধ্যমে সৃষ্টি করা হয়েছে, তাকেই মায়ামৃগ বলা হয়। এই শব্দটির উৎস রামায়ণ মহাকাব্য। সেখানে রাক্ষস মারীচ সীতাদেবীকে প্রলুব্ধ করার জন্য একটি স্বর্ণহরিণের রূপ ধারণ করেছিলেন, যা ছিল মূলত একটি মায়া বা ছলনা। সীতা সেই হরিণের জাদুকরী সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে রামচন্দ্রকে সেটি ধরে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন, যা শেষ পর্যন্ত তাদের বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
চাকরির পরীক্ষায় বাগধারা বা শব্দার্থ অংশে এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসতে দেখা যায়। এর রূপক অর্থ হলো— এমন কোনো বস্তু বা লক্ষ্য যা বাস্তবে অধরা বা যা মানুষকে বিভ্রান্ত করে। আমাদের বাস্তব জীবনেও আমরা অনেক সময় এমন কিছুর পেছনে ছুটতে থাকি যা আসলে মায়ামৃগের মতোই ছলনাময়ী। পরীক্ষার হলে অনেক সময় অপশনে ‘সোনার হরিণ’ বা ‘অলিক বস্তু’ থাকতে পারে, তবে ‘ইন্দ্রজালের বা মায়ার দ্বারা সৃষ্ট হরিণ’ উত্তরটিই সবচেয়ে সঠিক এবং আভিধানিক। হিসাব সহকারী লিখিত পরীক্ষার সমাধান ২০২৬-এ যারা এই আভিধানিক অর্থটি লিখেছেন, তারা পূর্ণ নম্বর পাবেন। মনে রাখার জন্য রামায়ণের স্বর্ণহরিণের কথাটি মাথায় রাখবেন, তাহলেই ‘মায়ামৃগ’ শব্দের অর্থ আর ভুল হবে না।
প্রশ্ন ১.খ: কেঁচো গণ্ডূষ (বাক্য রচনা করুন)
সঠিক উত্তর: (নতুন করে আরম্ভ করা): অংকটির শুরুতেই ভুল করেছো, এখন কেঁচো গণ্ডূষ করতে হবে।
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
‘কেঁচো গণ্ডূষ’ একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা। এখানে ‘কেঁচো’ শব্দটি তো আমরা সবাই চিনি, আর ‘গণ্ডূষ’ শব্দের অর্থ হলো এক মুখ জল বা কোনো কিছুর সূচনা। বাগধারাটির শাব্দিক উৎপত্তি কিছুটা কৌতূহলোদ্দীপক হলেও এর ব্যবহারিক অর্থ হলো— কোনো কাজ শুরু করার পর তাতে ভুলত্রুটি ধরা পড়লে বা ভেস্তে গেলে, পুনরায় একেবারে গোড়া থেকে কাজটি শুরু করা। অর্থাৎ ‘পুনারম্ভ’ বা ‘নতুন করে শুরু করা’।
ধরুন, আপনি একটি দীর্ঘ অংক করছেন বা কোনো জটিল রিপোর্ট তৈরি করছেন। মাঝপথে গিয়ে দেখলেন গোড়াতেই একটি বড় ভুল হয়েছে, যার ফলে পুরো পরিশ্রমটাই বৃথা। তখন আপনাকে বাধ্য হয়ে আবার প্রথম থেকে শুরু করতে হয়। এই পরিস্থিতিকেই বাংলায় বলা হয় ‘কেঁচো গণ্ডূষ করা’। Account Assistant job question solution 2026 এর প্রেক্ষাপটে বাক্য রচনার ক্ষেত্রে এমন একটি বাক্য নির্বাচন করা উচিত যা বাগধারার অর্থকে স্পষ্ট করে। যেমন— “পুরো প্রজেক্টের নকশাতেই গলদ ছিল, তাই বস বললেন আবার কেঁচো গণ্ডূষ করে কাজ শুরু করতে।” পরীক্ষার খাতায় বাক্যটি লেখার সময় অবশ্যই বাগধারার অর্থটি ব্র্যাকেটে লিখে দেবেন, এতে পরীক্ষকের বুঝতে সুবিধা হয় এবং খাতার মান বৃদ্ধি পায়। ভবিষ্যতে মনে রাখার জন্য ‘সাপলুডু খেলা’র কথা ভাবতে পারেন— যেখানে সাপের মুখে পড়লে আবার নিচে নেমে শূন্য থেকে শুরু করতে হয়, অনেকটা তেমনই হলো কেঁচো গণ্ডূষ।
প্রশ্ন ১.গ: কৃপমন্ডুক (শুদ্ধরূপ লিখুন)
সঠিক উত্তর: কুপমণ্ডুক (তবে প্রমিত বানানরীতি ও অভিধান মতে সঠিক বানানটি হলো: কূপমণ্ডুক)।
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
বাংলা বানানের ক্ষেত্রে ‘কৃপমন্ডুক’ শব্দটি প্রায়ই অশুদ্ধ হিসেবে পরীক্ষায় দেওয়া হয়। এখানে মূল শব্দটি হলো ‘কূপ’ (যার অর্থ কুয়া) এবং ‘মণ্ডূক’ (যার অর্থ ব্যাঙ)। অর্থাৎ, কুয়োর ব্যাঙ, যে বাইরের বিশাল পৃথিবীর খবর রাখে না। অশুদ্ধ শব্দটিতে ‘কৃপ’ লেখা হয়েছে যা ভুল, কারণ ‘কৃপ’ বলে বাংলায় কোনো প্রাসঙ্গিক শব্দ নেই, সঠিকটি হবে ‘কূপ’ (দীর্ঘ ঊ-কার দিয়ে)। আবার ‘মন্ডুক’ অংশেও বানানের সতর্কতা প্রয়োজন। সংস্কৃত মূল অনুযায়ী ‘মণ্ডূক’ বানানে মূর্ধন্য-ণ এবং দীর্ঘ ঊ-কার (ূ) ব্যবহৃত হয়। তবে আধুনিক বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান রীতিতে তৎসম শব্দে দীর্ঘ-ঊ কারের ব্যবহার শিথিলযোগ্য হলেও, ‘কূপমণ্ডূক’ বা ‘কূপমণ্ডুক’—উভয়ই প্রচলিত।
প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তরে ‘কুপমণ্ডুক’ (হ্রস্ব উ-কার) দেওয়া হয়েছে, যা চলিত রীতিতে গ্রহণযোগ্য হতে পারে, কিন্তু ব্যাকরণগতভাবে ‘কূপমণ্ডুক’ (দীর্ঘ ঊ-কার) অধিকতর বিশুদ্ধ। হিসাব সহকারী পরীক্ষার প্রশ্ন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান এবং ই-কার/ঈ-কার জনিত ভুলগুলোই বেশি আসে। তাই পরীক্ষার হলে বানানের প্রতিটি বর্ণের দিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখা জরুরি। এই বাগধারাটির অর্থ ‘সীমাবদ্ধ জ্ঞানের অধিকারী’ বা ‘ঘরকুনো ব্যক্তি’। মনে রাখার কৌশল: ‘কূপ’ মানে কুয়া, আর কুয়া গভীর হয়, তাই বানানে ‘দীর্ঘ-ঊ’ (কূপ) বসবে।
প্রশ্ন ১.ঘ: যে ক্রমাগত রোদন করছে (এক কথায় প্রকাশ করুন)
সঠিক উত্তর: রোরুদ্যমান।
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
এক কথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ‘যে ক্রমাগত রোদন করছে’ বা ‘যাকে কাঁদতে দেখা যাচ্ছে’—এর এক কথায় প্রকাশ হলো ‘রোরুদ্যমান’। শব্দটি একটি সংস্কৃত প্রত্যয়জাত শব্দ। ‘রুদ’ ধাতু (যার অর্থ কাঁদা) থেকে এটি এসেছে। যখন কোনো ক্রিয়া ক্রমাগত বা বারবার ঘটছে বোঝায়, তখন তাকে ‘যঙন্ত’ পদ বলা হয় এবং সেখান থেকেই ‘রোরুদ্যমান’ শব্দটির উৎপত্তি।
শব্দটি একটু জটিল মনে হতে পারে, কিন্তু এর গঠনশৈলী খুবই চমৎকার। এটি একটি বিশেষণ পদ। কোনো শিশু যদি অনেকক্ষণ ধরে কাঁদতে থাকে, তখন আমরা বলি, “শিশুটিকে রোরুদ্যমান অবস্থায় পাওয়া গেল।” Bench Assistant প্রশ্ন উত্তর ২০২৬-এর জন্য যারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের মনে রাখতে হবে যে, পরীক্ষায় ‘ক্রমাগত হাসছে’ (জাজ্বল্যমান – না, এটি নয়, হাসছে হবে ‘হাস্যমান’ বা ‘দেদীপ্যমান’ আলোর ক্ষেত্রে) বা ‘ক্রমাগত জ্বলছে’ (জাজ্বল্যমান) এ ধরনের শব্দগুলোও আসে। ‘রোরুদ্যমান’ শব্দটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো ‘রোদন’ শব্দের সাথে মিল রাখা। ‘রোদন’ মানে কান্না, আর যে তা অনবরত করছে সে-ই রোরুদ্যমান। বানানটির দিকে বিশেষ খেয়াল রাখবেন— র-তে ও-কার, র-তে হ্রস্ব উ-কার, দ-তে য-ফলা, ম-তে আকার এবং দন্ত-ন। বানান ভুল হলে পুরো নম্বর কাটা যাবে।
প্রশ্ন ১.ঙ: ৎ (বাংলা একাডেমি অভিধান মতে বর্ণটির আগের এবং পরের বর্ণ লিখুন)
সঠিক উত্তর: ত, ৎ, দ (প্রশ্নপত্রের উত্তর অনুযায়ী)। তবে ভাষাতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো।
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
এটি একটি অত্যন্ত টেকনিক্যাল এবং বুদ্ধিবৃত্তিক প্রশ্ন। বাংলা বর্ণমালায় ‘ৎ’ (খণ্ড-ত) কোনো স্বতন্ত্র বর্ণ নয়, বরং এটি ‘ত’ বর্ণের একটি রূপভেদ মাত্র। ‘ত’-এর নিচে হসন্ত (্) দিলে যে ধ্বনি উচ্চারিত হয়, সেটিই ‘ৎ’। বাংলা একাডেমি ব্যবহারিক বাংলা অভিধানে বর্ণানুক্রমিক সাজানোর ক্ষেত্রে ‘ৎ’ কে সাধারণত ‘ত’-এর পরে এবং ‘থ’-এর আগে স্থান দেওয়া হয় না; বরং ‘ত’ বর্ণের এন্ট্রিগুলোর শেষ দিকে বা ‘ত’-এর সাথেই এর অবস্থান বিবেচনা করা হয়।
তবে প্রশ্নপত্রে প্রদত্ত উত্তর ‘ত, ৎ, দ’ দেখে বোঝা যাচ্ছে, এখানে হয়তো একটি নির্দিষ্ট ক্রম অনুসরণ করা হয়েছে যা সাধারণ বর্ণমালার (ত, থ, দ, ধ) ক্রমের চেয়ে ভিন্ন। সাধারণ বর্ণমালায় ‘ত’-এর পরে ‘থ’ আসে। কিন্তু অনেক পুরনো ব্যাকরণ বা নির্দিষ্ট কিছু অভিধানের ইনডেক্সিং সিস্টেমে ‘ৎ’-কে ‘ত’-এর পরপরই এবং অন্য ব্যঞ্জনের আগে স্থান দেওয়া হতে পারে। তবে পরীক্ষার্থীর জন্য পরামর্শ হলো— বাংলা বর্ণমালার স্ট্যান্ডার্ড ক্রম হলো: ত, থ, দ, ধ…। ‘ৎ’ যেহেতু ‘ত’-এরই খণ্ডরূপ, তাই এটি ‘ত’ পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। যদি পরীক্ষার অপশনে বা উত্তরমালায় এমনটা থাকে, তবে বুঝতে হবে এটি অভিধানের ভুক্তি (Entry) ক্রম নিয়ে প্রশ্ন করেছে, বর্ণমালার ক্রম নয়। অভিধানে অনেক সময় ‘ত’ দিয়ে শুরু শব্দের পর ‘ৎ’ যুক্ত শব্দ এবং তারপর অন্য বর্ণ আসতে পারে। তবে এটি বেশ বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন। সঠিক উত্তর হিসেবে ‘ত’-এর পরে এবং ‘থ’-এর আগের অবস্থানটিই যৌক্তিক হতো, কিন্তু প্রদত্ত উত্তরে ‘দ’ থাকায় বোঝা যাচ্ছে ‘থ’ উহ্য রাখা হয়েছে বা এটি একটি বিশেষ বিন্যাস।
প্রশ্ন ১.চ: হাতি (দুটি প্রতিশব্দ লিখুন)
সঠিক উত্তর: গজ, হস্তী।
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ জানা থাকলে শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ হয় এবং লেখার মান বাড়ে। ‘হাতি’ একটি বিশাল আকৃতির প্রাণী এবং বাংলা সাহিত্যে এর অনেকগুলো সুন্দর নাম রয়েছে। সবচেয়ে পরিচিত দুটি প্রতিশব্দ হলো ‘গজ’ এবং ‘হস্তী’।
১. গজ: সংস্কৃত ‘গজ’ শব্দ থেকে এটি এসেছে। দাবা খেলায় আমরা যে ‘হাতি’ বা ‘বিশপ’ দেখি, তাকেও সংস্কৃতে ‘গজ’ বলা হয়। ‘গজদন্ত’ (হাতির দাঁত) বা ‘গজকচ্ছপ’ (হাতি ও কচ্ছপের লড়াই) শব্দগুলো এখান থেকেই এসেছে।
২. হস্তী: ‘হস্ত’ মানে হাত। হাতির শুঁড়কে তার হাতের সাথে তুলনা করা হয় বলেই তাকে ‘হস্তী’ বলা হয়। অর্থাৎ যার হস্ত (শুঁড়) আছে।
এছাড়াও হাতির আরও কিছু চমৎকার প্রতিশব্দ আছে যা আপনাদের জেনে রাখা ভালো, যেমন— মাতঙ্গ, করি, দন্তী, দ্বিপ (দুইবার পান করে যে—শুঁড় ও মুখ দিয়ে), বারণ, এবং নাগ। হিসাব সহকারী লিখিত পরীক্ষার সমাধান ২০২৬-এর মতো পরীক্ষায় সাধারণত দুটি প্রতিশব্দই চাওয়া হয়। তাই সহজ ও বানান ভুলের সম্ভাবনা কম এমন দুটি শব্দ (যেমন: গজ, হস্তী) বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। এই শব্দগুলো বিভিন্ন বাগধারাতেও ব্যবহৃত হয়, যেমন ‘হস্তীমূর্খ’ বা ‘গজখাদক’।
প্রশ্ন ১.ছ: যজ্ঞ (সন্ধি-বিচ্ছেদ করুন)
সঠিক উত্তর: যজ + ন।
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
সন্ধি বিচ্ছেদ বাংলা ব্যাকরণের অন্যতম ভিত্তি। ‘যজ্ঞ’ শব্দটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি ক্লাসিক উদাহরণ। এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো: যজ + ন = যজ্ঞ।
এখানে ‘যজ’ হলো ধাতু এবং ‘ন’ হলো প্রত্যয়। নিয়মটি হলো: চ-বর্গীয় ধ্বনির (চ, ছ, জ, ঝ) পরে যদি নাসিক্য ধ্বনি ‘ন’ থাকে, তবে সেই ‘ন’ পরিবর্তিত হয়ে ‘ঞ’ (ইও) হয় এবং পূর্ববর্তী ধ্বনির সাথে যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ গঠন করে। এখানে ‘জ’ (চ-বর্গীয় ধ্বনি) এর পরে ‘ন’ যুক্ত হওয়ায়, ‘ন’ টি ‘ঞ’-তে রূপান্তরিত হয়েছে এবং ‘জ + ঞ’ মিলে ‘জ্ঞ’ (যাকে আমরা ‘গিয়’ বা ‘জ্ঞ’ বলি) যুক্তবর্ণটি তৈরি করেছে।
আমরা অনেকেই ‘জ্ঞ’ যুক্তবর্ণটিকে ‘গ+ঞ’ বা অন্য কিছু মনে করি, কিন্তু এর সঠিক গঠন হলো ‘জ + ঞ’। পরীক্ষার হলে এই সূক্ষ্ম নিয়মটি মনে রাখা জরুরি। অনুরূপ আরও কিছু শব্দ হলো: যাচ্ + না = যাচঞা, রাজ্ + নী = রাজ্ঞী। হিসাব সহকারী প্রশ্ন সমাধান ২০২৬-এর প্রস্তুতির জন্য ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি (চ-বর্গের পর ন-এর পরিবর্তন) খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি মনে রাখার সহজ উপায়— ‘যজ’ মানে যজন করা বা পূজা করা, আর তার সাথে ‘ন’ যুক্ত হয়েই যজ্ঞ হয়।
প্রশ্ন ১.জ: বাড়ি থেকে নদী দেখা যায় (কারক ও বিভক্তি লিখুন)
সঠিক উত্তর: অধিকরণে ৫ম।
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
কারক ও বিভক্তি নির্ণয় করতে হলে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করতে জানতে হয়। এখানে বাক্যটি হলো: “বাড়ি থেকে নদী দেখা যায়।”
অনেকেই ‘থেকে’ শব্দটি দেখে চট করে অপাদান কারক ভেবে ফেলতে পারেন, কারণ ‘হইতে, থেকে, চেয়ে’ থাকলে সাধারণত পঞ্চমী বিভক্তি এবং অপাদান কারক হয় (যেমন: গাছ থেকে পাতা পড়ে—এখানে বিচ্যুতি বোঝাচ্ছে)। কিন্তু ব্যাকরণের গভীর নিয়ম হলো— ক্রিয়াটি কোথা থেকে সম্পাদিত হচ্ছে বা স্থানটি কী? এখানে ‘বাড়ি থেকে’ বলতে বোঝানো হচ্ছে যে কর্তা বাড়িতে অবস্থান করে নদী দেখছে। অর্থাৎ ‘বাড়ি’ হলো দেখার স্থান বা আধার। ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান বা কালকে অধিকরণ কারক বলা হয়। যেহেতু এখানে কোনো বিচ্যুতি, ভয় বা পলায়ন বোঝাচ্ছে না, বরং একটি অবস্থানে থেকে কাজ করা বোঝাচ্ছে, তাই এটি অধিকরণ কারক।
আর ‘থেকে’ অনুসর্গটি থাকার কারণে এটি পঞ্চমী বিভক্তি। তাই সঠিক উত্তর: অধিকরণে পঞ্চমী।
তবে আধুনিক ব্যাকরণে অনেকে একে ‘অপাদান’ বলতে চান এই যুক্তিতে যে দৃষ্টি বাড়ি থেকে বের হচ্ছে, কিন্তু প্রথাগত ব্যাকরণ ও পরীক্ষার উত্তরের ক্ষেত্রে ‘অবস্থান’ বা ‘বেস’ (Base) কে প্রাধান্য দিয়ে একে অধিকরণ ধরা হয়। Account Assistant job question solution 2026 এর জন্য এই পার্থক্যটি বোঝা খুব জরুরি— ‘থেকে’ থাকলেই অপাদান হবে না, দেখতে হবে ‘বিচ্যুতি’ নাকি ‘অবস্থান’ বোঝাচ্ছে।
প্রশ্ন ১.ঝ: হাতেখড়ি (ব্যাসবাক্যসহ সমাস লিখুন)
সঠিক উত্তর: হাতে খড়ি দেয়া হয় যে অনুষ্ঠানে = হাতেখড়ি (মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি)।
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
সমাস বাংলা ব্যাকরণের শব্দ গঠনের একটি শক্তিশালী মাধ্যম। ‘হাতেখড়ি’ শব্দটি বিশ্লেষণ করলে আমরা দেখি, এটি কেবল ‘হাত’ বা ‘খড়ি’ (চক)-কে বোঝায় না। এটি একটি বিশেষ অনুষ্ঠানকে বোঝায় যেখানে শিশুদের প্রথমবারের মতো বিদ্যাশিক্ষার সূচনা করা হয়।
যখন সমাসের সমস্যমান পদগুলোর (হাত ও খড়ি) কোনোটির অর্থ প্রধান না হয়ে তৃতীয় কোনো অর্থ (এখানে ‘অনুষ্ঠান’) প্রধান হয়, তখন তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
আর ব্যাসবাক্যটি হলো: “হাতে খড়ি দেয়া হয় যে অনুষ্ঠানে”। এখানে লক্ষ্য করুন, ব্যাসবাক্যের মাঝখানের অনেকগুলো পদ (দেয়া, হয়, যে, অনুষ্ঠানে) লোপ পেয়ে বা লুপ্ত হয়ে মূল শব্দটি ‘হাতেখড়ি’ গঠিত হয়েছে। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, এটি আসলে অলুক বহুব্রীহি ও মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি—উভয় ক্যাটাগরিতেই আলোচনার দাবি রাখে। তবে ‘অনুষ্ঠানে’ অংশটি লুপ্ত হওয়ার বিবেচনায় একে মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি বলাটাই শ্রেয় এবং পরীক্ষায় এটিই বেশি গ্রহণযোগ্য।
আরও একটি উদাহরণ দিলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে— যেমন ‘গায়েহলুদ’ (গায়ে হলুদ দেয়া হয় যে অনুষ্ঠানে)। এগুলো সব একই নিয়মের সমাস। Bench Assistant প্রশ্ন উত্তর ২০২৬-এ যারা সমাসে ভালো করতে চান, তাদের বহুব্রীহি সমাসের এই বিশেষ ধরণগুলো (অলুক ও মধ্যপদলোপী) নখদর্পণে রাখতে হবে।
প্রশ্ন ১.ঞ: শিসধ্বনি (কাকে বলে)
সঠিক উত্তর: যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে দুটি বাকপ্রত্যঙ্গ কাছাকাছি এসে নিঃসৃত বায়ুতে ঘর্ষণ সৃষ্টি করে, সেগুলোকে উষ্ম ব্যঞ্জন বা শিস ধ্বনি বলে। যেমন: স, শ, হ।
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
ধ্বনিবিজ্ঞানে ‘শিসধ্বনি’ বা Sibilant Sounds একটি মজার বিষয়। আমরা যখন ‘তালব্য শ’, ‘মূর্ধন্য ষ’ বা ‘দন্ত্য স’ উচ্চারণ করি, তখন লক্ষ্য করবেন আমাদের মুখের ভেতর দিয়ে বাতাস বের হওয়ার সময় একটি সরু পথ দিয়ে ঘঁষে ঘঁষে বের হয় এবং অনেকটা শিস দেওয়ার মতো ‘শশশ…’ বা ‘সসস…’ শব্দ হয়। এই কারণেই এদেরকে শিসধ্বনি বলা হয়।
ব্যাকরণগত ভাষায়, যে ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় ফুসফুস তাড়িত বাতাস মুখবিবরের কোথাও পুরোপুরি বাধা পায় না, কিন্তু সংকীর্ণ পথে ঘর্ষণ খেয়ে উষ্ম (গরম) বা শিস বা এই জাতীয় আওয়াজ তৈরি করে, তাদের উষ্ম বর্ণ বা শিসধ্বনি বলে।
উদাহরণ হিসেবে— ‘শ’ (তালব্য), ‘ষ’ (মূর্ধন্য), ‘স’ (দন্ত্য) হলো প্রধান তিনটি শিসধ্বনি। ‘হ’ বর্ণটি উষ্ম বর্ণ হলেও একে পুরোপুরি শিসধ্বনি বলা হয় না, এটি হলো কণ্ঠনালীয় ঘর্ষণজাত ধ্বনি। তবে প্রশ্নের উত্তরে ‘হ’-কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে উষ্ম বর্ণের ক্যাটাগরিতে। মনে রাখার সহজ উপায়— সাপের ফণা তোলার শব্দের মতো যে বর্ণগুলো (শ, ষ, স), সেগুলোই শিসধ্বনি। চাকরির পরীক্ষায় এই সংজ্ঞা ও উদাহরণ প্রায়ই আসে।
প্রশ্ন ১.ট: Station (বাংলায় স্টেশন লেখা হয় কোন নিয়মে)
সঠিক উত্তর: আধুনিক বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী, ইংরেজি ও ইংরেজির মাধ্যমে আগত বিদেশি s ধ্বনির জন্য ‘স’ এবং -sh, -sion, -ssion, -tion প্রভৃতি বর্ণগুচ্ছ বা ধ্বনির জন্য ‘শ’ ব্যবহৃত হবে। যেমন: স্টেশন, রেশন; পাসপোর্ট, বাস; ক্যাশ; টেলিভিশন; মিশন, সেশন।
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানান রীতির এটি একটি স্বর্ণসূত্র। বিদেশি শব্দ, বিশেষ করে ইংরেজি শব্দ বাংলায় লেখার সময় আমরা অনেকেই ‘স’, ‘শ’ নাকি ‘ষ’ হবে তা নিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়ি। নিয়মটি খুব স্পষ্ট:
১. ইংরেজি মূল শব্দে যদি ‘S’ (এস) উচ্চারণ থাকে, তবে বাংলায় তার প্রতিবর্ণ হবে ‘স’ (দন্ত্য-স)। যেমন: Station (স্টেশন), Bus (বাস), Studio (স্টুডিও)। এখানে ‘ষ’ (মূর্ধন্য-ষ) ব্যবহার করা যাবে না। একসময় ‘ষ্টেশন’ লেখা হতো, কিন্তু এখন তা ভুল। বিদেশি শব্দে ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান খাটে না, তাই ‘ট’ বর্গের সাথে যুক্ত হলেও ‘ষ’ হবে না, ‘স’ হবে (স্ট)।
২. যদি ইংরেজি শব্দে ‘sh’ বা ‘tion’ বা ‘sion’ থাকে, যার উচ্চারণ ‘শ’ (Talabya-Sha)-এর মতো, তখন বাংলায় ‘শ’ ব্যবহৃত হবে। যেমন: Nation (নেশন), Mission (মিশন)।
সুতরাং, ‘Station’ শব্দে প্রথম ‘S’-এর জন্য ‘স’ (স্ট) এবং পরের ‘tion’-এর জন্য ‘শ’ ব্যবহৃত হয়ে ‘স্টেশন’ হয়েছে। হিসাব সহকারী প্রশ্ন সমাধান ২০২৬-এর পরীক্ষার্থীদের জন্য এই নিয়মটি শুধু পরীক্ষার জন্য নয়, দৈনন্দিন দাপ্তরিক কাজেও শুদ্ধ বানানের জন্য অপরিহার্য।
প্রশ্ন ১.ঠ: অব্যয়ের দ্বিরুক্তি (একটি উদাহরণ দিন)
সঠিক উত্তর: ছি ছি, তুমি কী করেছ?
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
‘দ্বিরুক্তি’ মানে হলো দুইবার উক্তি বা দুইবার বলা। যখন কোনো শব্দ পরপর দুইবার ব্যবহৃত হয়ে অর্থের বিশেষ জোর বা ভিন্ন মাত্রা প্রকাশ করে, তাকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলে। আর এই শব্দটি যদি অব্যয় পদ হয়, তবে তাকে অব্যয়ের দ্বিরুক্তি বলে।
প্রশ্নে উদাহরণ চাওয়া হয়েছে। ‘ছি ছি’ একটি অব্যয় পদের দ্বিরুক্তি। একটি মাত্র ‘ছি’ দিয়ে ঘৃণা প্রকাশ পায়, কিন্তু যখন আমরা বলি “ছি ছি! তুমি কী করেছ?”, তখন সেই ঘৃণার মাত্রা বা লজ্জা অনেক তীব্রভাবে প্রকাশ পায়। এটি ‘ভাবের গভীরতা’ বা ‘আধিক্য’ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
আরও কিছু উদাহরণ হতে পারে—
- ধীরে ধীরে (ক্রিয়া বিশেষণ বা অব্যয় হিসেবে): ধীরে ধীরে বাতাস বইছে।
- বার বার: বার বার ঘুঘু তুমি খেয়ে যাও ধান।
পরীক্ষায় উদাহরণ লেখার সময় এমন বাক্য নির্বাচন করবেন যা শব্দটির দ্বিরুক্ত রূপকে সার্থকভাবে ফুটিয়ে তোলে। এখানে ‘ছি ছি’ আবেগ ও বিরক্তি প্রকাশে অত্যন্ত শক্তিশালী একটি উদাহরণ।
ইংরেজি অংশ হিসাব সহকারী প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ বা GDA Account Assistant job question solution 2026
নিচে গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (GDA)-এর অধীনে হিসাব সহকারী / বেঞ্চ সহকারী (Account Assistant) পদের লিখিত পরীক্ষার হিসাব সহকারী প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ বা GDA Account Assistant job question solution 2026 এর ইংরেজি বিষয় ব্যাখ্যাসহ তুলে ধরা হলো।
Question 8.a: art. (Full meaning in English dictionary)
Correct Answer: চারুকলা (Fine Arts / Creative Skill).
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
প্রশ্নটি একটু কৌতূহলোদ্দীপক। “art.” সাধারণত ‘article’ বা ‘artificial’ এর সংক্ষিপ্ত রূপ হতে পারে। কিন্তু প্রদত্ত উত্তর ‘চারুকলা’ দেখে বোঝা যাচ্ছে এখানে মূল শব্দ ‘Art’ এর শাব্দিক অর্থ জানতে চাওয়া হয়েছে। ইংরেজি ডিকশনারি অনুযায়ী, Art means “the expression or application of human creative skill and imagination.” অর্থাৎ মানুষের সৃজনশীলতা ও কল্পনার বহিঃপ্রকাশ।
বাংলায় একেই আমরা বলি ‘চারুকলা’ বা শিল্প। পরীক্ষায় অনেক সময় সংক্ষিপ্ত শব্দ বা সাধারণ শব্দের গভীর অর্থ জানতে চাওয়া হয়। এখানে পরীক্ষক হয়তো দেখতে চেয়েছেন আপনি ‘Art’ শব্দটিকে কেবল একটি শব্দ হিসেবে দেখেন, নাকি এর একাডেমিক অর্থ (চারুকলা) জানেন। মনে রাখবেন, Art শুধু ছবি আঁকা নয়, এটি গান, নাচ, ভাস্কর্য সবকিছুর সমষ্টি।
Question 8.b: Eternal (Write antonym)
Correct Answer: Transient.
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
Vocabulary অংশে Antonym (বিপরীত শব্দ) এবং Synonym (সমার্থক শব্দ) খুবই কমন।
Eternal শব্দের অর্থ হলো শাশ্বত, চিরস্থায়ী বা যা অনন্তকাল ধরে চলে (Lasting or existing forever)।
এর সঠিক বিপরীত শব্দ হবে এমন কিছু যা ক্ষণস্থায়ী বা অল্প সময়ের জন্য থাকে।
- Transient: যার অর্থ ক্ষণস্থায়ী (Lasting only for a short time)।
- অন্যান্য সঠিক অপশন হতে পারে: Temporary, Short-lived, Ephemeral.
পরীক্ষায় ‘Transient’ শব্দটি বেশ স্ট্যান্ডার্ড এবং উচ্চমানের শব্দ হিসেবে বিবেচিত হয়। মনে রাখার কৌশল: Eternal মানে ইটারনিটি (অনন্তকাল), আর Transient মানে ট্রানজিট (সাময়িক বিরতি বা পথ), যা বেশিক্ষণ থাকে না।
Question 8.c: Begin (write synonym)
Correct Answer: Start.
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
এটি একটি সহজ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। Begin অর্থ শুরু করা। এর সবচেয়ে নিকটবর্তী এবং বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ (Synonym) হলো Start।
যদিও Commence, Initiate, Inaugurate—এগুলোও সমার্থক, কিন্তু ‘Begin’ এবং ‘Start’ দৈনন্দিন ব্যবহারে প্রায় একে অপরের পরিপূরক।
- পার্থক্য: ‘Begin’ একটু বেশি ফরমাল বা আনুষ্ঠানিক, আর ‘Start’ কিছুটা ইনফরমাল এবং যান্ত্রিক শুরুর ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হয় (যেমন: Car start করা)। তবে অর্থের দিক থেকে তারা অভিন্ন।
Bench Assistant প্রশ্ন উত্তর ২০২৬-এ সহজ শব্দ দিলেও বানানে সতর্ক থাকতে হবে। Synonym লেখার সময় সবসময় মূল শব্দের ‘Parts of Speech’ ঠিক রাখা জরুরি। Begin যেহেতু Verb, তাই Start-ও Verb.
Question 8.e: Put out; Output (make two sentences)
Correct Answer:
- Put out: Did you put the lights out down stairs? (তুমি কি নিচের বাতিগুলো নিভিয়েছিলে?)
- Output: Last year manufacturing output fell by 14 percent. (গত বছর উৎপাদনের পরিমাণ ১৪ শতাংশ কমেছে।)
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
এখানে ‘Homophone’ বা কাছাকাছি উচ্চারণের শব্দের ব্যবহার দেখানো হয়েছে, যা আসলে Phrase vs Noun এর পার্থক্য।
১. Put out: এটি একটি Group Verb বা Phrasal Verb. এর অর্থ নেভানো (extinguish), প্রকাশ করা বা বিরক্ত করা। প্রদত্ত বাক্যে ‘বাতি নেভানো’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি মনে রাখা খুব জরুরি কারণ Group Verb চাকরির পরীক্ষার হট টপিক।
২. Output: এটি একটি Noun. এর অর্থ ফলাফল বা উৎপাদন। কলকারখানা বা কম্পিউটারের ভাষায় ইনপুটের বিপরীতে যা পাওয়া যায়, তাই আউটপুট।
বাক্য রচনার সময় শব্দের অর্থ স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে এমন বাক্যই লিখবেন। প্রদত্ত বাক্যগুলো স্ট্যান্ডার্ড এবং প্রাঞ্জল।
Question 8.f: Week, weak (make two sentences)
Correct Answer:
- Week: We go to the cinema about once a week. (আমরা সপ্তাহে একবার সিনেমায় যাই।)
- Weak: He was a weak king surrounded by corrupt adviser. (তিনি ছিলেন দুর্নীতিপরায়ণ উপদেষ্টাদের দ্বারা পরিবেষ্টিত একজন দুর্বল রাজা।)
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
এগুলোকে বলা হয় Homophones—উচ্চারণ এক কিন্তু বানান ও অর্থ ভিন্ন।
১. Week (সপ্তাহ): ৭ দিনের সমষ্টি। ডাবল ‘e’ (ee) আছে, মনে রাখবেন ‘Seven days’ এও দুটো ‘e’ আছে (Seven-এ)।
২. Weak (দুর্বল): শক্তিহীন। এখানে ‘ea’ আছে। মনে রাখার কৌশল: যার ‘a’ (ability) নেই, সে-ই Weak.
পরীক্ষায় এই ধরণের শব্দজোড় দিয়ে বাক্য রচনা করতে বলা হয় যাতে পরীক্ষক আপনার বানান ও অর্থের স্বচ্ছতা যাচাই করতে পারেন। প্রদত্ত বাক্য দুটি গ্রামাটিক্যালি কারেক্ট এবং অর্থপূর্ণ।
Question 8.h: Author (write feminine gender)
Correct Answer: Authoress.
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
Gender পরিবর্তন ইংরেজি গ্রামারের একটি বেসিক অংশ। Author (লেখক) শব্দটি Masculine Gender. এর Feminine form বা স্ত্রীলিঙ্গ করার জন্য সাধারণত শব্দের শেষে ‘-ess’ যুক্ত করতে হয়।
তাই, Author + ess = Authoress (লেখিকা)।
আধুনিক ইংরেজিতে অবশ্য লিঙ্গ-নিরপেক্ষ শব্দ হিসেবে নারী-পুরুষ উভয়কেই ‘Author’ বলা হয়, তবে গ্রামারের প্রথাগত নিয়মে এবং পরীক্ষায় ‘Authoress’ লেখাটাই নিরাপদ এবং সঠিক। যেমন: Poet থেকে Poetess, Actor থেকে Actress.
Question 8.j: Data (write singular number)
Correct Answer: Datum.
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
Number বা বচন পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এটি একটি ল্যাটিন শব্দের নিয়ম।
Data শব্দটি আসলে Plural (বহুবচন)। আমরা সচরাচর সবর্ত্র ‘Data’ ব্যবহার করি বলে একে সিঙ্গুলার মনে হতে পারে, কিন্তু এর প্রকৃত Singular form হলো Datum.
নিয়ম: ল্যাটিন শব্দে শেষে ‘um’ থাকলে প্লুরালে ‘a’ হয়।
- Datum -> Data
- Agendum -> Agenda
- Memorandum -> Memoranda
চাকরির পরীক্ষায় এই ল্যাটিন বা গ্রিক প্লুরালগুলো (যেমন: Radius -> Radii, Syllabus -> Syllabi) খুব প্রিয়। তাই হিসাব সহকারী প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ পড়ার সময় এই নিয়মগুলো ঝালাই করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
Question 8.k: I have seen him (to passive)
Correct Answer: He has been seen by me. (দ্রষ্টব্য: ছবিতে উত্তরে ভুলবশত ‘by you’ লেখা আছে, কিন্তু প্রশ্নে Subject ‘I’ থাকায় সঠিক উত্তর ‘by me’ হবে। পরীক্ষক বা সলিউশন শিটে মাঝেমধ্যে প্রিন্টিং মিস্টেক থাকে, কিন্তু আমরা সঠিক নিয়মটিই শিখব।)
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
Voice Change বা বাচ্য পরিবর্তন ইংরেজি গ্রামারের অন্যতম ভিত্তি। প্রশ্নটি Present Perfect Tense-এ আছে। Active Voice-এ গঠন যখন Subject + have/has + V3 + Object হয়, তখন Passive করার নিয়মটি আমাদের নখদর্পণে থাকতে হবে। নিয়মটি হলো: Object-এর Subject form + have been/has been + V3 + by + Subject-এর Object form।
এখানে Object হলো ‘him’, যা Subject হিসেবে ‘He’ হয়ে যাবে। ‘He’-এর সাথে auxiliary verb হিসেবে ‘has’ বসে, এবং Passive-এর নিয়ম অনুযায়ী একটি ‘been’ যুক্ত হবে। মূল verb ‘seen’ (V3) অপরিবর্তিত থাকবে। সবশেষে Preposition ‘by’ এবং Subject ‘I’-এর অবজেক্টিভ রূপ ‘me’ বসবে।
সতর্কতা: প্রশ্নে Subject ‘I’ ছিল, তাই উত্তরে অবশ্যই ‘by me’ হবে। অনেক সময় তাড়াহুড়ো করে বা অন্যমনস্ক হয়ে শিক্ষার্থীরা ‘you’ বা অন্য কিছু লিখে ফেলে, যা ভুল। Account Assistant job question solution 2026-এ যারা গ্রামারের এই খুঁটিনাটি দিকগুলো লক্ষ্য করেছেন, তারাই এগিয়ে থাকবেন। পরীক্ষায় এমন সহজ টেন্সে ভুল করা মানে নিজের পায়ে কুড়াল মারা। মনে রাখবেন, Present Perfect Tense-এ সবসময় ‘been’ আনতে হয়, এটাই মূল ট্রিক।
Question 8.l: You said to me, “Do you hear me?” (to indirect)
Correct Answer: You asked me if I heard you.
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
এটি একটি Interrogative Sentence-এর Narration Change। যখন Reporting Verb (said to) পাস্ট টেন্সে থাকে এবং Reported Speech টি প্রশ্নবোধক হয়, তখন কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম মানতে হয়।
প্রথমত, ‘said to’-এর পরিবর্তে ‘asked’ বসাতে হয়। কারণ এখানে প্রশ্ন করা বোঝাচ্ছে।
দ্বিতীয়ত, ইনভার্টেড কমা উঠে গিয়ে লিংকার হিসেবে ‘if’ বা ‘whether’ বসে (যেহেতু প্রশ্নটি WH-word দিয়ে শুরু হয়নি, বরং Auxiliary verb ‘Do’ দিয়ে শুরু হয়েছে)।
তৃতীয়ত, Reported Speech-এর টেন্স পরিবর্তন করতে হবে। ‘Do you hear me?’ এটি Present Indefinite Tense-এ আছে। নিয়ম অনুযায়ী, বাইরে Past Tense থাকলে ভেতরের Present Indefinite বদলে Past Indefinite হয়ে যাবে। তাই ‘hear’ হয়ে যাবে ‘heard’।
চতুর্থত, Person পরিবর্তন। ‘You’ (Second Person) ফলো করবে Object (me)-কে, তাই ‘I’ হবে। আর ‘me’ (First Person) ফলো করবে Subject (You)-কে, তাই ‘you’ হবে।
সব মিলিয়ে: You asked me if I heard you.
Bench Assistant প্রশ্ন উত্তর ২০২৬-এর জন্য ন্যারেশনের এই বেসিক নিয়মগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই ‘if’-এর পরে আবার প্রশ্নবোধক গঠন রেখে দেন (যেমন: if did I hear), যা সম্পূর্ণ ভুল। Indirect Speech সবসময় Assertive বা বর্ণনামূলক বাক্যের কাঠামোতে হয়।
Question 8.m: I have arrived yesterday (to correct)
Correct Answer: I arrived yesterday.
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
এটি Correction বা বাক্য শুদ্ধিকরণের একটি ধ্রুপদী উদাহরণ। ইংরেজি গ্রামারে একটি কঠোর নিয়ম আছে— যদি বাক্যে অতীতের কোনো নির্দিষ্ট সময়ের উল্লেখ থাকে (যেমন: yesterday, last night, last year, in 1990, ago, long since), তবে সেই বাক্যটি অবশ্যই Past Indefinite Tense-এ হতে হবে। কখনোই Present Perfect Tense ব্যবহার করা যাবে না।
প্রশ্নে ‘have arrived’ ব্যবহার করা হয়েছে যা Present Perfect Tense, কিন্তু বাক্যে ‘yesterday’ শব্দটি স্পষ্টভাবে আছে। তাই এটি ভুল। সঠিক রূপ হবে শুধু Verb-এর Past form, অর্থাৎ ‘arrived’।
অনেক শিক্ষার্থী মনে করেন, “আমি গতকাল পৌঁছেছি”— এই অর্থে ‘have’ তো আসতেই পারে। কিন্তু ইংরেজির টেন্সের ব্যবহার বাংলার আক্ষরিক অনুবাদের ওপর নির্ভর করে না। হিসাব সহকারী লিখিত পরীক্ষার সমাধান ২০২৬ বা যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ‘yesterday’ বা ‘last’ শব্দগুলো দেখলেই চোখ বন্ধ করে Past Indefinite Tense বেছে নেবেন। এটি একটি গোল্ডেন রুল যা বিসিএস থেকে শুরু করে ব্যাংকের পরীক্ষাতেও বারবার আসে। মনে রাখার কৌশল: অতীত নির্দেশক শব্দ = পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স, কোনো ‘have/has’ নয়।
Question 8.n: Your plan is adverse … our interest. (fill in the blank)
Correct Answer: to
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
Appropriate Preposition-এর ব্যবহার ছাড়া ইংরেজির প্রস্তুতি অসম্পূর্ণ। ‘Adverse’ শব্দটির অর্থ হলো প্রতিকূল, বিরোধী বা ক্ষতিকর। গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী, ‘Adverse’ শব্দটির পর সবসময় Preposition ‘to’ ব্যবহৃত হয়।
বাক্যটির অর্থ: “তোমার পরিকল্পনাটি আমাদের স্বার্থের প্রতিকূল।”
এখানে কনফিউশন তৈরি হতে পারে ‘Averse’ এবং ‘Adverse’-এর মধ্যে। ‘Averse’ অর্থ বিমুখ (অনিচ্ছুক), আর ‘Adverse’ অর্থ প্রতিকূল পরিস্থিতি। মজার ব্যাপার হলো, দুটোর পরেই ‘to’ বসে (Averse to, Adverse to)।
পরীক্ষায় অনেকে ‘on’ বা ‘for’ দিয়ে ভুল করেন। ভাবেন ‘স্বার্থের জন্য প্রতিকূল’—তাই হয়তো ‘for’ হবে। কিন্তু Appropriate Preposition যুক্তির চেয়ে অভ্যাসের ওপর বেশি নির্ভর করে। তাই মুখস্থ করে ফেলাই শ্রেয়: Adverse to, Averse to, Contrary to, Detrimental to—এই সবগুলোর অর্থ নেতিবাচক বা বিরোধী এবং সবগুলোর পরে ‘to’ বসে। হিসাব সহকারী প্রশ্ন সমাধান ২০২৬-এর এই প্রশ্নটি প্রমাণ করে যে, কমন প্রিপজিশনগুলো বারবার রিভিশন দেওয়া কতটা জরুরি।
Question 8.p: I know what his name is. (to simple)
Correct Answer: I know his name.
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
Transformation of Sentences-এর ক্ষেত্রে Complex থেকে Simple করার এটি সবচেয়ে সহজ ও জনপ্রিয় নিয়ম। প্রদত্ত বাক্যটি “I know what his name is”—এটি একটি Complex Sentence কারণ এখানে একটি Principal Clause (I know) এবং একটি Subordinate Noun Clause (what his name is) আছে।
Simple Sentence-এ একটি মাত্র Subject এবং একটি মাত্র Finite Verb থাকতে হবে। এখানে ‘what his name is’ অংশটি আসলে ‘তার নাম’ বা ‘his name’-কেই নির্দেশ করছে। তাই আমরা জটিল ক্লজটিকে উঠিয়ে দিয়ে সরাসরি Object হিসেবে ‘his name’ বসিয়ে দিতে পারি।
বাক্যটি দাঁড়ায়: “I know his name.”
এটি এতই সাবলীল যে, অনেক সময় পরীক্ষার্থীরা ভাবেন, “এত সহজ উত্তর কি হতে পারে?” এবং জটিল করতে গিয়ে ভুল করেন। মনে রাখবেন, Simple sentence মানেই হলো বাহুল্য বর্জন করে সহজতম উপায়ে মনের ভাব প্রকাশ করা। হিসাব সহকারী পরীক্ষার প্রশ্ন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ক্লজ ছোট করে ফ্রেজ বা শব্দে পরিণত করার কৌশলগুলোই বেশি আসে। যেমন: ‘I know where he was born’ -> ‘I know his birthplace’. এই প্যাটার্নটি প্র্যাকটিস করলে এমন হাজারো প্রশ্নের উত্তর নিমেষেই দেওয়া সম্ভব।
গণিত অংশ হিসাব সহকারী প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ বা GDA Account Assistant job question solution 2026
নিচে গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (GDA)-এর অধীনে হিসাব সহকারী / বেঞ্চ সহকারী (Account Assistant) পদের লিখিত পরীক্ষার হিসাব সহকারী প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ বা GDA Account Assistant job question solution 2026 এর গণিত বিষয় ব্যাখ্যাসহ তুলে ধরা হলো।
প্রশ্ন ৭.ক: উৎপাদকে বিশ্লেষণ করুন: $x^2 + x – 56$
সঠিক উত্তর: $(x + 8)(x – 7)$
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
এটি মিডল টার্ম ব্রেক (Middle Term Break) বা মধ্যপদ বিশ্লেষণের একটি আদর্শ অংক। আমাদের এমন দুটি সংখ্যা খুঁজে বের করতে হবে, যাদের গুণফল হবে $-56$ এবং যোগফল বা বিয়োগফল হবে $+1$ (যেহেতু মাঝের পদটি শুধু $x$, মানে $1x$)।
আমরা জানি, $৮ \times ৭ = ৫৬$।
যেহেতু মাঝের পদটি ধনাত্মক ($+x$), তাই বড় সংখ্যাটির আগে প্লাস চিহ্ন বসবে। আর গুণফল যেহেতু ঋণাত্মক ($-56$), তাই ছোট সংখ্যাটির আগে মাইনাস চিহ্ন বসবে।
অর্থাৎ: $+৮$ এবং $-৭$।
$(+৮) \times (-৭) = -৫৬$ (মিলেছে)
$(+৮) – ৭ = +১$ (মিলেছে)
এখন আমরা লিখতে পারি:
$x^2 + 8x – 7x – 56$
প্রথম দুটি পদ থেকে $x$ কমন নিলে: $x(x + 8)$
পরের দুটি পদ থেকে $-7$ কমন নিলে: $-7(x + 8)$
উভয় পক্ষ থেকে $(x + 8)$ কমন নিলে বাকি থাকে $(x – 7)$।
সুতরাং, নির্ণেয় উৎপাদক: $(x + 8)(x – 7)$।
Account Assistant job question solution 2026-এর গণিত অংশে ভালো করার জন্য নামতা বা গুণিতকগুলো ঠোঁস্থ রাখা জরুরি। ৫৬ সংখ্যাটি দেখলেই যেন মাথায় ৭ এবং ৮ চলে আসে। এই চর্চাটি পরীক্ষার হলে আপনার সময় বাঁচাবে।
প্রশ্ন ৭.খ: $x + \frac{1}{2} = 2$ হলে $x$ এর মান কত?
সঠিক উত্তর: $\frac{3}{2}$ বা $1.5$
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
এটি বীজগণিতের সরল সমীকরণ বা Simple Equation-এর একটি মৌলিক অংক। এখানে আমাদের অজ্ঞাত রাশি ‘x’-এর মান বের করতে হবে।
সমীকরণটি হলো: $x + \frac{1}{2} = 2$
আমরা জানি, সমীকরণের একপাশ থেকে কোনো সংখ্যা অন্যপাশে নিলে তার চিহ্ন পরিবর্তিত হয়। একে পক্ষান্তর বিধি বলে। এখানে বাম পাশে $\frac{1}{2}$ যোগ অবস্থায় আছে, তাই ডান পাশে গেলে এটি বিয়োগ হয়ে যাবে।
বা, $x = 2 – \frac{1}{2}$
এখন লসাগু (LCM) করি। ২ এর নিচে মনে মনে ১ আছে। ১ ও ২ এর লসাগু ২।
বা, $x = \frac{4 – 1}{2}$
বা, $x = \frac{3}{2}$
দশমিকে নিলে এটি হয় $1.5$।
অনেকে তাড়াহুড়ো করে ২ আর ১/২ যোগ করে ফেলেন, যা ভুল। মনে রাখবেন, ‘x’ কে একা করতে হলে তার সাথে থাকা সংখ্যাগুলোকে সরিয়ে দিতে হবে। Bench Assistant প্রশ্ন উত্তর ২০২৬-এ এই ধরনের ছোট ছোট অংক দিয়েই পরীক্ষার্থীর বেসিক যাচাই করা হয়। এই অংকটি মুখে মুখেও করা যায়: “কোনো কিছুর সাথে আধা যোগ করলে দুই হয়? দেড় এর সাথে আধা যোগ করলে দুই হয়।” অর্থাৎ উত্তর দেড় (১.৫)। এভাবে ভাবলে খাতা-কলম ছাড়াই উত্তর বের করা সম্ভব।
প্রশ্ন ৮: একটি পরীক্ষায় ৬০% পরীক্ষার্থী পাস করেছে। অকৃতকার্যদের ১৫ জন বিদেশ চলে গেছে এবং ৪৫ জন ব্যবসা করে। কতজন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল?
সঠিক উত্তর: ১৫০ জন।
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
শতকরার অংকের একটি চমৎকার প্রয়োগ এটি। চলুন ধাপে ধাপে সমাধান করি।
দেওয়া আছে, পাস করেছে ৬০% পরীক্ষার্থী।
তাহলে, ফেল বা অকৃতকার্য হয়েছে = $(১০০ – ৬০)% = ৪০%$ পরীক্ষার্থী।
এখন প্রশ্নের দ্বিতীয় অংশে অকৃতকার্যদের প্রকৃত সংখ্যা দেওয়া আছে একটু ঘুরিয়ে। বলা হয়েছে, অকৃতকার্যদের ১৫ জন বিদেশে গেছে এবং ৪৫ জন ব্যবসা করছে। অর্থাৎ মোট অকৃতকার্য ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা হলো এই দুই দলের যোগফল।
মোট অকৃতকার্য = $১৫ + ৪৫ = ৬০$ জন।
এখন আমরা একটি সম্পর্ক পেলাম: শতকরায় যা ৪০%, সংখ্যায় তা ৬০ জন।
প্রশ্নমতে,
৪০% পরীক্ষার্থী = ৬০ জন
১% পরীক্ষার্থী = $\frac{৬০}{৪০}$ জন
১০০% (মোট) পরীক্ষার্থী = $\frac{৬০ \times ১০০}{৪০}$ জন
কাটাকাটি করলে:
৬০ কে ২০ দিয়ে কাটলে ৩, ৪০ কে ২০ দিয়ে কাটলে ২।
২ দিয়ে ১০০ কে কাটলে ৫০।
তাহলে, $৩ \times ৫০ = ১৫০$ জন।
সুতরাং, মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৫০ জন।
হিসাব সহকারী লিখিত পরীক্ষার সমাধান ২০২৬-এর এই অংকটি শেখায় যে, প্রশ্নের তথ্যগুলোকে কীভাবে সমীকরণে সাজাতে হয়। ‘বিদেশ যাওয়া’ বা ‘ব্যবসা করা’—এগুলো কেবল বিভ্রান্ত করার জন্য দেওয়া তথ্য, মূল কথা হলো এরা সবাই ‘ফেল করা ছাত্র’। এই লজিকটি ধরতে পারলেই অংকটি পানির মতো সহজ।
প্রশ্ন ৯.ক: $০.১ \times ০.০০১ \times ০.০১ =$ কত?
সঠিক উত্তর: ০.০০০০০১
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
দশমিকের গুণ করার সময় অনেকেই দশমিক বিন্দুর অবস্থান নিয়ে গোলমাল পাকিয়ে ফেলেন। এর একটি সহজ ও অব্যর্থ নিয়ম আছে।
ধাপ ১: দশমিক বিন্দু ভুলে গিয়ে সাধারণ সংখ্যার গুণ করুন।
এখানে সংখ্যাগুলো হলো ১, ১, এবং ১।
$১ \times ১ \times ১ = ১$।
ধাপ ২: এবার দেখুন মূল সংখ্যাগুলোতে দশমিকের পরে মোট কয়টি ঘর বা অঙ্ক আছে।
- $০.১$ এ আছে ১টি ঘর।
- $০.০০১$ এ আছে ৩টি ঘর।
- $০.০১$ এ আছে ২টি ঘর।
মোট ঘর সংখ্যা = $১ + ৩ + ২ = ৬$টি ঘর।
ধাপ ৩: এবার গুণফলের (১) ডান দিক থেকে ৬ ঘর বামে দশমিক বসাতে হবে। যেহেতু আমাদের কাছে শুধু একটি অঙ্ক (১) আছে, তাই বাকি ৫টি ঘর শূন্য দিয়ে পূরণ করতে হবে।
সুতরাং, উত্তর হবে: $.০০০০০১$ বা $০.০০০০০১$।
এই নিয়মটি অনুসরণ করলে দশমিকের গুণ আর কখনোই ভুল হবে না। হিসাব সহকারী প্রশ্ন সমাধান ২০২৬-এ এমন প্রশ্ন আসা মানেই ফ্রি মার্কস, যদি আপনি মাথা ঠান্ডা রেখে শূন্যগুলো গুনতে পারেন।
প্রশ্ন ৯.ঘ: দুইটি তল পরস্পরকে ছেদ করলে কী উৎপন্ন হয়?
সঠিক উত্তর: রেখা (Line)।
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
এটি জ্যামিতির একটি মৌলিক স্বীকার্য। কল্পনা করুন আপনার ঘরের দুটি দেয়াল। একটি দেয়াল একটি ‘তল’ (Plane), অন্য দেয়ালটি আরেকটি ‘তল’। এই দুটি দেয়াল যেখানে মিশেছে, সেখানে কী তৈরি হয়েছে? একটি কোণা বা একটি লম্বা দাগ, তাই না? জ্যামিতির ভাষায় একেই বলা হয় ‘রেখা’।
বইয়ের দুটি পৃষ্ঠা যখন খোলা হয়, তখন মাঝখানের ভাজটি একটি রেখার উদাহরণ। অর্থাৎ, দ্বিমাত্রিক দুটি তল যখনই মিলিত হয় বা ছেদ করে, তাদের মিলনস্থলটি একমাত্রিক হয়, যা হলো রেখা।
পরীক্ষায় উল্টো প্রশ্নও আসতে পারে— “দুটি রেখা ছেদ করলে কী উৎপন্ন হয়?” উত্তর হবে ‘বিন্দু’ (Point)। এই পার্থক্যটি মনে রাখা জরুরি। Bench Assistant প্রশ্ন উত্তর ২০২৬-এর জ্যামিতি অংশে ভালো করার জন্য তল, রেখা ও বিন্দুর এই আন্তঃসম্পর্কগুলো ছবির মতো মনে ভাসাতে হবে।
সাধারণ জ্ঞান অংশ হিসাব সহকারী প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ বা GDA Account Assistant job question solution 2026
নিচে গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (GDA)-এর অধীনে হিসাব সহকারী / বেঞ্চ সহকারী (Account Assistant) পদের লিখিত পরীক্ষার হিসাব সহকারী প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ বা GDA Account Assistant job question solution 2026 এর সাধারণ জ্ঞান বিষয় ব্যাখ্যাসহ তুলে ধরা হলো।
প্রশ্ন ১০.ক: বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের জন্ম কোন জেলায়?
সঠিক উত্তর: ঝিনাইদহ।
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ বীরশ্রেষ্ঠ। তার জন্ম ১৯৫৩ সালে বর্তমান ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার খর্দ্দ খালিশপুর গ্রামে। বর্তমানে তার সম্মানে গ্রামটির নাম রাখা হয়েছে ‘হামিদনগর’।
পরীক্ষায় বীরশ্রেষ্ঠদের জন্মস্থান ও সমাধিস্থল খুবই গুরুত্বপূর্ণ টপিক। মনে রাখার জন্য একটি ছোট তথ্য জেনে রাখা ভালো— তিনি ১৯৭১ সালে সিলেটের ধলই সীমান্তে শহীদ হন এবং তাকে ভারতের আমবাসায় সমাহিত করা হয়েছিল। পরে ২০০৭ সালে তার দেহাবশেষ বাংলাদেশে এনে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়। হিসাব সহকারী লিখিত পরীক্ষার সমাধান ২০২৬-এর জন্য শুধু জেলার নাম জানলেই চলবে, কিন্তু ভাইভা বা অন্যান্য পরীক্ষার জন্য এই অতিরিক্ত তথ্যগুলো আপনার জ্ঞানকে শাণিত করবে।
প্রশ্ন ১০.গ: ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উদ্বোধনী খেলায় একটি দল মেক্সিকো, অপর দলটি কোনটি?
সঠিক উত্তর: দক্ষিণ আফ্রিকা (প্রশ্নপত্রের প্রদত্ত সমাধান অনুযায়ী)।
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ একটি ঐতিহাসিক ইভেন্ট হতে যাচ্ছে কারণ এটি প্রথমবারের মতো তিনটি দেশে (যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, কানাডা) অনুষ্ঠিত হবে। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, আয়োজক দেশগুলো সাধারণত উদ্বোধনী ম্যাচ খেলে। মেক্সিকোর ঐতিহাসিক আজটেকা স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে এবং সেখানে মেক্সিকো খেলবে এটা নিশ্চিত।
প্রশ্নপত্রে বা সলিউশনে প্রতিপক্ষ হিসেবে ‘দক্ষিণ আফ্রিকা’-র নাম উল্লেখ করা হয়েছে। যেহেতু আমি আপনাদের ২০২৬ সালের প্রশ্ন সমাধান দিচ্ছি (কাল্পনিক প্রেক্ষাপট অনুযায়ী), তাই ধরে নেওয়া হচ্ছে যে ড্র (Draw) অনুষ্ঠিত হয়ে গেছে এবং মেক্সিকোর প্রতিপক্ষ হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকা নির্ধারিত হয়েছে।
বাস্তব চাকরির পরীক্ষায় ফিফা বা অলিম্পিক নিয়ে এমন ফিক্সচার-ভিত্তিক প্রশ্ন প্রায়ই আসে। পরীক্ষার্থীরা অবশ্যই কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স বা সাম্প্রতিক তথ্যের দিকে নজর রাখবেন। পরীক্ষার হলে যদি এমন স্পেসিফিক প্রশ্ন আসে যা সাধারণ জ্ঞানের বইতে নেই, বুঝতে হবে এটি অতি সাম্প্রতিক কোনো ঘোষণা থেকে নেওয়া হয়েছে।
প্রশ্ন ১০.ঘ: ফাইবার অপটিক ক্যাবল কী?
সঠিক উত্তর: একটি সরু ও নমনীয় কাচ তন্তু বা আলোক নল, যা আলো বহনের কাজে ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির (ICT) যুগে ফাইবার অপটিক ক্যাবল হলো মেরুদণ্ড। সহজ বাংলায় বললে, এটি এমন এক ধরনের তার যা তামার তারের মতো বিদ্যুৎ পরিবহন করে না, বরং এর ভেতর দিয়ে আলোক সংকেত বা Light Signal যাতায়াত করে।
এটি মূলত অত্যন্ত স্বচ্ছ কাচ (Silica) বা প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি চুলের মতো সরু তন্তু। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো— এতে ‘পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন’ (Total Internal Reflection) পদ্ধতি ব্যবহার করে ডেটা ট্রান্সফার করা হয়। ফলে আলোর গতিতে ডেটা আদান-প্রদান করা সম্ভব হয় এবং এতে তথ্যের অপচয় বা লস খুব কম হয়।
হিসাব সহকারী প্রশ্ন সমাধান ২০২৬-এর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অংশে এই প্রশ্নটি খুবই প্রাসঙ্গিক। সংজ্ঞায় ‘পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন’ কথাটি যুক্ত করতে পারলে উত্তরের মান অনেক বেড়ে যায় এবং পরীক্ষক বুঝবেন আপনার ধারণা অত্যন্ত স্বচ্ছ।
প্রশ্ন ১০.ঙ: ‘ব্রায়ান অ্যাক্টন’ কোন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত?
সঠিক উত্তর: হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp)।
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
আমরা প্রতিদিন যে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করি, তার পেছনের কারিগর হলেন ব্রায়ান অ্যাক্টন (Brian Acton) এবং জান কউম (Jan Koum)। তারা দুজনেই ইয়াহু (Yahoo)-র সাবেক কর্মী ছিলেন। ২০০৯ সালে তারা যৌথভাবে হোয়াটসঅ্যাপ প্রতিষ্ঠা করেন।
পরবর্তীতে ফেসবুক (বর্তমান মেটা) এটি কিনে নেয়, কিন্তু প্রতিষ্ঠাতাদের নাম ইতিহাসের পাতায় ও চাকরির পরীক্ষায় অটুট থাকে। এই প্রশ্নটি থেকে বোঝা যায়, শুধু অ্যাপ ব্যবহার করলেই হবে না, জনপ্রিয় অ্যাপগুলোর (যেমন: ফেসবুক, টুইটার/এক্স, ইনস্টাগ্রাম) প্রতিষ্ঠাতাদের নামও জানতে হবে। যেমন— ফেসবুকের মার্ক জাকারবার্গ, টেলিগ্রামের পাভেল দুরভ। Bench Assistant প্রশ্ন উত্তর ২০২৬-এ আইটি বা টেকনোলজি বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান এখন নিয়মিত আসছে, তাই এই দিকটিতে বিশেষ নজর দিতে হবে।
সাধারণ জ্ঞান ও কম্পিউটার অংশ হিসাব সহকারী প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ বা GDA Account Assistant job question solution 2026
নিচে গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (GDA)-এর অধীনে হিসাব সহকারী / বেঞ্চ সহকারী (Account Assistant) পদের লিখিত পরীক্ষার হিসাব সহকারী প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ বা GDA Account Assistant job question solution 2026 এর সাধারণ জ্ঞান ও কম্পিউটার বিষয় ব্যাখ্যাসহ তুলে ধরা হলো।
প্রশ্ন ১০.চ: কম্পিউটারে কপি (Copy) করার শর্টকাট কমান্ড কী?
সঠিক উত্তর: Ctrl + C
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
কম্পিউটার অপারেটর বা অফিস সহকারী পদের ব্যবহারিক ও লিখিত পরীক্ষায় শর্টকাট কমান্ড একটি অপরিহার্য বিষয়। ‘Copy’ করার জন্য কীবোর্ডের Ctrl (Control) বোতামটি চেপে ধরে C বোতামটি চাপতে হয়। অর্থাৎ Ctrl + C।
কেন এই কমান্ডটি গুরুত্বপূর্ণ? অফিসের কাজে দ্রুততার জন্য মাউসের চেয়ে কীবোর্ড শর্টকাট অনেক বেশি কার্যকরী। মনে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো— Copy শব্দটির প্রথম অক্ষর ‘C’, তাই কমান্ডটিও Ctrl + C।
তবে শুধু কপি জানলেই হবে না, এর সাথে সম্পর্কিত আরও দুটি কমান্ড পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। কোনো কিছু ‘Cut’ বা কাটতে চাইলে Ctrl + X (কাঁচি বা X-এর মতো দেখতে) এবং ‘Paste’ বা পেস্ট করতে চাইলে Ctrl + V ব্যবহার করা হয়। পরীক্ষক অনেক সময় বিভ্রান্ত করার জন্য অপশনে Alt + C বা Shift + C দিয়ে থাকেন, কিন্তু মনে রাখবেন উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে স্ট্যান্ডার্ড কমান্ড সবসময় ‘Control’ বা Ctrl দিয়েই শুরু হয়। Account Assistant job question solution 2026-এ যারা এই বেসিক কম্পিউটার জ্ঞানটুকু সঠিকভাবে প্রয়োগ করেছেন, তারা পূর্ণ নম্বর পাবেন।
প্রশ্ন ১০.ছ: পোর্ট নভো কোন দেশের রাজধানী?
সঠিক উত্তর: বেনিন প্রজাতন্ত্র (Republic of Benin)।
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি অংশে রাজধানীর নাম মনে রাখাটা বেশ চ্যালেঞ্জিং, বিশেষ করে আফ্রিকান দেশগুলোর ক্ষেত্রে। ‘পোর্ট নভো’ (Porto-Novo) হলো পশ্চিম আফ্রিকার দেশ বেনিন-এর রাজধানী।
এখানে একটি সূক্ষ্ম বিষয় আছে যা জানা জরুরি। বেনিনের বৃহত্তম শহর এবং অর্থনৈতিক রাজধানী হলো ‘কোটোনু’ (Cotonou), যেখানে অনেক সরকারি দপ্তর অবস্থিত। কিন্তু দেশটির সাংবিধানিক বা দাপ্তরিক রাজধানী হলো পোর্ট নভো। পরীক্ষায় অনেক সময় অপশনে ‘কোটোনু’ ও ‘পোর্ট নভো’ দুটিই থাকে। সেক্ষেত্রে সঠিক উত্তর অবশ্যই ‘পোর্ট নভো’ হবে।
বেনিন একসময় ফরাসি উপনিবেশ ছিল, তাই নামের মধ্যে ফরাসি বা পর্তুগিজ প্রভাব দেখা যায়। ‘Porto-Novo’ মানে হলো ‘New Port’ বা নতুন বন্দর। হিসাব সহকারী লিখিত পরীক্ষার সমাধান ২০২৬-এর পরীক্ষার্থীদের মনে রাখতে হবে যে, আফ্রিকার স্বল্প পরিচিত দেশগুলোর রাজধানী ও মুদ্রা প্রায়ই বিসিএস বা ব্যাংকের মতো পরীক্ষায় এসে থাকে। মনে রাখার কৌশল: ‘বেনিন’ নামের সাথে ‘পোর্ট’ শব্দটি মিলিয়ে পড়ুন— “বেনিনের পোর্টে নতুন জাহাজ এসেছে।”
প্রশ্ন ১০.জ: নদী, বন, পাহাড় আছে কিন্তু সমুদ্র নেই এমন জেলা কোনটি?
সঠিক উত্তর: সিলেট (Sylhet)।
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
এই প্রশ্নটি বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি বিষয়ক জ্ঞানের গভীরতা যাচাই করার জন্য করা হয়েছে। সাধারণত আমরা জানি, চট্টগ্রামে পাহাড়, নদী, বন এবং সমুদ্র—সবই আছে। কিন্তু প্রশ্নে শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে: “সমুদ্র নেই”।
বাংলাদেশের সিলেট জেলা হলো সেই অনন্য স্থান যেখানে আপনি দিগন্তজোড়া চা বাগানের ‘বন’, উঁচু-নিচু টিলা বা ‘পাহাড়’ এবং সুরমা-কুশিয়ারা বা পিয়াইন ‘নদী’—সবই পাবেন। জাফলং, বিছনাকান্দি বা রাতারগুলের মতো প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এই জেলায় কেবল সমুদ্র সৈকত নেই। এটি একটি ‘Landlocked’ বা স্থলবেষ্টিত সৌন্দর্যের লীলাভূমি।
অন্য কোনো জেলায় (যেমন পার্বত্য চট্টগ্রাম) পাহাড় ও বন থাকলেও বড় নদীর অভাব থাকতে পারে বা সমতলের জেলাগুলোতে পাহাড় নেই। কিন্তু সিলেটে এই তিনের এক অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছে। Bench Assistant প্রশ্ন উত্তর ২০২৬-এর জন্য যারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের মানচিত্র সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। মনে রাখার সহজ উপায়: “দুটি পাতা একটি কুঁড়ির দেশ” সিলেটে সবুজের সমারোহ (বন ও পাহাড়) এবং পানির প্রবাহ (নদী) আছে, শুধু সাগরের লোনা জল নেই।
প্রশ্ন ১০.ঝ: সয়াবিন উৎপাদনে পৃথিবীর প্রথম দেশ কোনটি?
সঠিক উত্তর: ব্রাজিল (ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ- ২০২৬ অনুযায়ী)।
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
কৃষিজ উৎপাদন বিষয়ক তথ্যাবলি প্রতি বছর পরিবর্তিত হয়, তাই আপডেটেড তথ্য জানাটা খুবই জরুরি। বিগত কয়েক বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (USA) এবং ব্রাজিলের মধ্যে সয়াবিন উৎপাদনে তীব্র প্রতিযোগিতা চলছে। তবে ২০২৬ সালের সর্বশেষ বা সাম্প্রতিক তথ্য (যেমন প্রশ্নে উল্লেখ করা হয়েছে ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ) অনুযায়ী ব্রাজিল সয়াবিন উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষস্থান দখল করে আছে।
ব্রাজিলের বিশাল আমাজন অববাহিকা এবং অনুকূল আবহাওয়া সয়াবিন চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। সয়াবিন মূলত ভোজ্য তেল এবং পশুখাদ্য হিসেবে বিশ্বব্যাপী সমাদৃত।
চাকরির পরীক্ষায় যখন “পৃথিবীর প্রথম” বা “শীর্ষ দেশ” জানতে চাওয়া হয়, তখন বুঝতে হবে এটি সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক ভূগোলের প্রশ্ন। হিসাব সহকারী প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ প্রস্তুত করার সময় পরীক্ষার্থীরা যেন অবশ্যই পরীক্ষার ঠিক আগের মাসের কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স দেখে নেন। মনে রাখার ক্লু: ফুটবলে যেমন ব্রাজিল সেরা, ইদানীং সয়াবিনের মাঠেও তারা গোল দিচ্ছে!
প্রশ্ন ১০.ঞ: বাতাসে আর্দ্রতা বেশি হলে কী অনুভূত হয়?
সঠিক উত্তর: গরম (অস্বস্তিকর গরম বা ভ্যাপসা গরম)।
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
এটি সাধারণ বিজ্ঞানের একটি দৈনন্দিন অভিজ্ঞলব্ধ প্রশ্ন। আমরা প্রায়ই বলি, “আজ কী ভ্যাপসা গরম!” এর কারণ হলো বাতাসে আর্দ্রতা বা জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকা।
বিজ্ঞানের ভাষায়, আমাদের শরীর ঘাম নিঃসরণের মাধ্যমে ঠান্ডা হয়। ঘাম যখন বাষ্পীভূত হয়, তখন শরীর থেকে সুপ্ততাপ গ্রহণ করে, ফলে আমাদের ঠান্ডা লাগে। কিন্তু বাতাসে যদি আগে থেকেই প্রচুর জলীয় বাষ্প (High Humidity) থাকে, তবে বাতাস আর নতুন করে ঘাম শুষে নিতে পারে না। ফলে ঘাম শরীরের ওপর জমে থাকে এবং শুকায় না। এতে আমাদের শরীর তাপ হারাতে পারে না এবং আমরা প্রচণ্ড গরম ও অস্বস্তি অনুভব করি।
বর্ষাকালে বা ঝড়ের আগে এই পরিস্থিতি বেশি তৈরি হয়। হিসাব সহকারী লিখিত পরীক্ষার সমাধান ২০২৬-এ যারা বিজ্ঞানের এই কার্যকারণ সম্পর্কটি বা ‘Logic’ টি ব্যাখ্যায় উল্লেখ করেছেন, তারা অন্যদের চেয়ে এগিয়ে থাকবেন। সহজ কথায়— আর্দ্রতা বেশি = ঘাম শুকাবে না = গরম বেশি লাগবে।
প্রশ্ন ১০.ট: NHRC এর পূর্ণরূপ লিখুন।
সঠিক উত্তর: National Human Rights Commission.
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
পূর্ণরূপ বা Abbreviation চাকরির পরীক্ষার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। NHRC-এর পূর্ণরূপ হলো National Human Rights Commission (জাতীয় মানবাধিকার কমিশন)।
বাংলাদেশে ২০০৯ সালে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন প্রণয়নের মাধ্যমে এটি পুনর্গঠিত হয়। এটি একটি সংবিধিবদ্ধ স্বাধীন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান যা দেশের নাগরিকদের মানবাধিকার সুরক্ষা ও উন্নয়নে কাজ করে।
পরীক্ষায় লেখার সময় বানানের দিকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। Commission বানানে ডাবল ‘m’ (mm) এবং ডাবল ‘s’ (ss) আছে— Commission। অনেকেই এখানে ভুল করে একটি ‘m’ বা একটি ‘s’ দেন, যা মারাত্মক ভুল। Account Assistant job question solution 2026-এ এই ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক নাম আসার অর্থ হলো পরীক্ষার্থীকে দেশের সাংবিধানিক ও আইনি কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাগুলো সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে।
প্রশ্ন ১০.ঠ: International Court of Justice- এর সদর দপ্তর কোথায়?
সঠিক উত্তর: হেগ, নেদারল্যান্ডস (The Hague, Netherlands)।
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
জাতিসংঘের প্রধান ছয়টি অঙ্গসংগঠনের মধ্যে পাঁচটিই যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত। কিন্তু একমাত্র ব্যতিক্রম হলো ‘আন্তর্জাতিক বিচার আদালত’ বা International Court of Justice (ICJ)। এর সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত।
হেগ শহরের যে ভবনটিতে বিচারিক কার্যক্রম চলে, তার নাম ‘পিস প্যালেস’ (Peace Palace) বা শান্তির প্রাসাদ। এটি ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন দেশের মধ্যে সীমানা বিরোধ বা জলসীমা বিরোধ নিষ্পত্তিতে (যেমন বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সমুদ্রসীমা জয়) এই আদালতের ভূমিকা অপরিসীম।
পরীক্ষায় অনেক সময় অপশনে শুধু ‘হেগ’ থাকে, আবার কখনো ‘নেদারল্যান্ডস’ থাকে। তাই শহর ও দেশ—উভয় নামই মুখস্থ রাখা বুদ্ধিমানের কাজ। Bench Assistant প্রশ্ন উত্তর ২০২৬-এর মতো পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর থেকে ১-২টি প্রশ্ন কমন পাওয়া যায়। মনে রাখার টিপস: “হেগ হলো বিচারের শহর।”
প্রশ্ন ১০.ড: ‘কালের কলস’ কাব্যটির রচয়িতা কে?
সঠিক উত্তর: আল মাহমুদ।
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি আল মাহমুদ। তার রচিত ‘কালের কলস’ একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৯৬৬ সালে প্রকাশিত হয়।
আল মাহমুদকে বলা হয় ‘সোনালি কাবিন’-এর কবি। তার কবিতায় গ্রামবাংলার প্রকৃতি, লোকজ উপাদান এবং আধুনিকতার এক অপূর্ব সংমিশ্রণ ঘটেছে। ‘কালের কলস’ নামটির মধ্যেই একটি গভীর রূপক অর্থ আছে— কাল বা সময়ের ধারক।
চাকরির পরীক্ষায় আল মাহমুদের অন্যান্য বিখ্যাত গ্রন্থগুলোও প্রায়ই আসে, যেমন: সোনালি কাবিন, লোক লোকান্তর, মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো। হিসাব সহকারী প্রশ্ন সমাধান ২০২৬-এ সাহিত্য অংশ থেকে এমন প্রশ্ন আসা মানে পরীক্ষককে সাহিত্যের ক্লাসিক ও জনপ্রিয় বইগুলোর নাম জানতে হবে। উত্তর লেখার সময় কবির নামের বানান যেন ভুল না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন।
প্রশ্ন ১০.ঢ: ল্যান (LAN) এর পূর্ণরূপ কী?
সঠিক উত্তর: Local Area Network.
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের একেবারে গোড়ার কথা হলো LAN. এর পূর্ণরূপ Local Area Network।
যখন একটি নির্দিষ্ট স্বল্প পরিসরে, যেমন— একটি অফিস, একটি বিল্ডিং বা একটি ল্যাবের কম্পিউটারগুলোকে একে অপরের সাথে তার বা ওয়াইফাইয়ের মাধ্যমে সংযুক্ত করা হয়, তখন তাকে লোকাল অ্যারিয়া নেটওয়ার্ক বা ল্যান বলে। এর মাধ্যমে খুব দ্রুত গতিতে ফাইল আদান-প্রদান এবং রিসোর্স শেয়ার (যেমন এক প্রিন্টার সবাই মিলে ব্যবহার করা) করা যায়।
নেটওয়ার্কের আরও কিছু প্রকারভেদ আছে যা জেনে রাখা ভালো: MAN (Metropolitan Area Network – একটি শহরের মধ্যে) এবং WAN (Wide Area Network – পুরো বিশ্বজুড়ে, যেমন ইন্টারনেট)। হিসাব সহকারী লিখিত পরীক্ষার সমাধান ২০২৬-এ আইসিটি অংশের এই প্রশ্নটি খুবই বেসিক কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ। বানান সতর্কতা: Network, not Netwark.
প্রশ্ন ১০.ণ: রক্তের বিলিরুবিন পরীক্ষায় কী বোঝা যায়?
সঠিক উত্তর: লিভারের কার্যকারিতা (যেমন: হেপাটাইটিস ও সিরোসিস)।
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
চিকিৎসা বিজ্ঞানের সাধারণ জ্ঞান এটি। বিলিরুবিন (Bilirubin) হলো রক্তের লোহিত রক্তকণিকা (RBC) ভেঙে তৈরি হওয়া একটি হলুদ রঙের রঞ্জক পদার্থ। আমাদের যকৃৎ বা লিভার (Liver) এই বিলিরুবিনকে শরীর থেকে বের করে দিতে সাহায্য করে।
যদি লিভার ঠিকমতো কাজ না করে বা লিভারে কোনো রোগ (যেমন জন্ডিস, হেপাটাইটিস) বাসা বাঁধে, তবে রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে যায়। ফলে চোখ ও গায়ের চামড়া হলুদ হয়ে যায়, যাকে আমরা জন্ডিস বলি।
সুতরাং, রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা পরীক্ষা করে মূলত লিভার বা যকৃতের সুস্থতা যাচাই করা হয়। এই পরীক্ষাটিকে ডাক্তারি ভাষায় LFT (Liver Function Test)-এর অন্তর্ভুক্ত ধরা হয়। Bench Assistant প্রশ্ন উত্তর ২০২৬-এর বিজ্ঞানের প্রশ্নে মানবদেহ ও রোগবালাই সম্পর্কিত এমন প্রশ্ন প্রায়ই দেখা যায়। ব্যাখ্যায় ‘লিভার’ শব্দটি উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক।
প্রশ্ন ১০.ত: SIM এর পূর্ণরূপ লিখুন।
সঠিক উত্তর: Subscriber Identity Module.
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
মোবাইল ফোন আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ, আর সিম (SIM) ছাড়া মোবাইল অচল। এই অতি পরিচিত শব্দটির পূর্ণরূপ হলো Subscriber Identity Module।
আসুন শব্দগুলো ভাঙি—
- Subscriber: গ্রাহক বা ব্যবহারকারী।
- Identity: পরিচয়। অর্থাৎ এই কার্ডটি নেটওয়ার্কের কাছে আপনার পরিচয় বহন করে।
- Module: একটি অংশ বা চিপ।
এটি একটি স্মার্ট কার্ড যা জিএসএম (GSM) ফোনে ব্যবহারকারীকে শনাক্ত করতে এবং নেটওয়ার্কে সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। অনেকে ভুল করে ‘System’ বা ‘Service’ লিখে ফেলেন, কিন্তু সঠিক শব্দ হলো ‘Subscriber’ এবং ‘Module’। হিসাব সহকারী প্রশ্ন সমাধান ২০২৬-এর আইসিটি অংশে পূর্ণরূপ লেখার ক্ষেত্রে প্রতিটি শব্দের নির্ভুল বানান অত্যন্ত জরুরি।
প্রশ্ন ১০.থ: বেগম রোকেয়া পদক প্রাপ্তদের নাম চূড়ান্ত করে কোন মন্ত্রণালয়?
সঠিক উত্তর: মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় (Ministry of Women and Children Affairs)।
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের স্মরণে প্রতি বছর ৯ ডিসেম্বর বাংলাদেশে ‘বেগম রোকেয়া দিবস’ পালিত হয়। এই দিনে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য নারীদের ‘বেগম রোকেয়া পদক’ প্রদান করা হয়।
রাষ্ট্রীয় এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মাননা প্রদানের পুরো প্রক্রিয়াটি তত্ত্বাবধান এবং চূড়ান্ত করে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। তারাই যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন থেকে শুরু করে পুরস্কার বিতরণের আয়োজন করে থাকে।
এই প্রশ্নটি করার মাধ্যমে পরীক্ষক পরীক্ষার্থীর জাতীয় পুরস্কার এবং প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় সম্পর্কে ধারণা যাচাই করেছেন। সাধারণ জ্ঞানে ভালো করতে হলে জাতীয় দিবস এবং পদক সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর নাম জানা আবশ্যক। মনে রাখার জন্য— যেহেতু এটি নারীদের সম্মাননা, তাই ‘মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ এটি পরিচালনা করবে, এটাই স্বাভাবিক।
উপসংহার
প্রিয় চাকরিপ্রার্থী বন্ধুরা, এই ছিল গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (GDA)-এর অধীনে হিসাব সহকারী / বেঞ্চ সহকারী (Account Assistant) পদের লিখিত পরীক্ষার হিসাব সহকারী প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ বা GDA Account Assistant job question solution 2026 এর সাধারণ জ্ঞান ও কম্পিউটার বিষয় ব্যাখ্যাসহ তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিটি অংশের প্রশ্নগুলোকে একেবারে গোড়া থেকে বিশ্লেষণ করতে। মনে রাখবেন, একটি ভালো সলিউশন কেবল উত্তর জানায় না, বরং উত্তরের পেছনের কারণ ও যুক্তিগুলো শিখিয়ে দেয়, যা ভবিষ্যতের হাজারো প্রশ্নের উত্তর দিতে সাহায্য করে।
আপনাদের প্রস্তুতি আরও শাণিত হোক, স্বপ্নের সরকারি চাকরি আপনাদের হাতের মুঠোয় আসুক- এই কামনায় আজকের মতো এখানেই শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ।
আপনাদের প্রস্তুতির জন্য শুভকামনা রইল। নিয়মিত অধ্যবসায়ই সাফল্যের চাবিকাঠি। পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করে অন্য বন্ধুদেরও জানার সুযোগ করে দিন। ধন্যবাদ!
