প্রিয় চাকরিপ্রার্থী বন্ধুরা, কেমন আছেন সবাই? আশা করি আপনাদের প্রস্তুতি পুরোদমে চলছে। সরকারি চাকরির সোনার হরিণ ধরার লড়াইয়ে আপনারা যারা শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ পরীক্ষার জন্য অপেক্ষা করছেন, তাদের জন্য আজকের এই ব্লগ পোস্টটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সম্প্রতি মন্ত্রণালয় থেকে এক বিশাল আপডেট এসেছে! আপনারা হয়তো জানেন, ১৩-২০ তম গ্রেডের ০৪টি ক্যাটেগরিতে ২৫টি শূন্যপদের পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তিত হয়েছে। আর তাই, আজকের এই আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করব নতুন পরীক্ষার সময়সূচি, শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ নিয়ে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার সাথে সাথেই আমরা এখানে ১০০% নির্ভুল সমাধান আপলোড করব (ইনশাআল্লাহ)।
সরকারি চাকরির পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করতে হলে শুধু পড়াশোনা করলেই হয় না, পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন আগে থেকেই বুঝে নেওয়াটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যেসব পরীক্ষায় প্রতিযোগিতা বেশি, সেখানে আগাম প্রস্তুতিই একজন প্রার্থীকে অন্যদের থেকে এগিয়ে রাখে।
এই লেখায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ বা mole Job Question Solution 2026 কিওয়ার্ডকে কেন্দ্র করে পরীক্ষার আগেই সম্ভাব্য প্রশ্ন, গুরুত্বপূর্ণ টপিক, সিলেবাস বিশ্লেষণ এবং প্রস্তুতির কৌশল বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। পরীক্ষাটি শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই পোস্টে প্রশ্ন ও সঠিক উত্তর যুক্ত করে সহজেই একটি পূর্ণাঙ্গ প্রশ্ন সমাধান আর্টিকেলে রূপ দেওয়া যাবে।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক প্রশ্ন সমাধান ২০২৬
আজকের শিল্প মন্ত্রণালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ ব্যাখ্যাসহ এর জন্য
নিচে দেখুন
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ২০২৬ বা mole Job Exam 2026 পরীক্ষার তথ্য
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ২০২৬ বা mole Job Exam 2026 পরীক্ষার প্রস্তুতি বা সমাধানের গভীরে যাওয়ার আগে, চলুন এক নজরে দেখে নিই এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মূল বিষয়গুলো। তথ্যের স্বচ্ছতা আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।
| তথ্যের বিবরণ | বিস্তারিত |
|---|---|
| মন্ত্রণালয় | শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় |
| পদের ক্যাটেগরি | ০৪টি |
| মোট শূন্যপদ | ২৫টি |
| গ্রেড | ১৩-২০ তম গ্রেড |
| পূর্বনির্ধারিত তারিখ | ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ |
| পরিবর্তিত পরীক্ষার তারিখ | ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ (শুক্রবার) |
| পরীক্ষার ধরন | লিখিত পরীক্ষা |
| অফিসিয়াল ওয়েবসাইট | www.mole.gov.bd |
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রশ্ন সমাধান ২০২৬


দুঃখিত প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ক্রমভঙ্গ বা সিরিয়াল ব্রেক হওয়ার জন্য আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী। একজন শিক্ষক হিসেবে আমার উচিত ছিল শুরু থেকেই প্রতিটি প্রশ্নের ধারাবাহিক ও পুঙ্খানুপুঙ্খ সমাধান দেওয়া। পরীক্ষার হলে যেমন একটি প্রশ্নও বাদ দেওয়া উচিত নয়, তেমনি সমাধানেও কোনো গ্যাপ থাকা কাম্য নয়।
চলুন, আর দেরি না করে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক প্রশ্ন সমাধান ২০২৬-এর প্রতিটি প্রশ্নের (১ থেকে ১৫ পর্যন্ত) ধারাবাহিক, নির্ভুল ও ব্যাখ্যামূলক সমাধান দেখে নিই।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক প্রশ্ন সমাধান ২০২৬
পদের নাম: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
মন্ত্রণালয়: শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়
পরীক্ষার তারিখ: ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
সময়: ৯০ মিনিট | পূর্ণমান: ৯০
১. এককথায় প্রকাশ করুন:
(ক) জয় করার ইচ্ছা = জিগীষা
(খ) যে গাছে ফল ধরে কিন্তু ফুল ধরে না = বনস্পতি
(গ) যা ক্রমশ ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে = ক্ষীয়মান
(ঘ) ইক্ষু হইতে জাত = ঐক্ষব
(ঙ) যে নারীর হিংসা নেই = অনসূয়া
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন অংশটি শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি ভাষার সাবলীলতা বাড়ায়। আজকের প্রশ্নে আসা ‘জিগীষা’ শব্দটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মনে রাখবেন, ‘জয়’ করার ইচ্ছা হলো ‘জিগীষা’, কিন্তু ‘জানার’ ইচ্ছা হলো ‘জিজ্ঞাসা’ আর ‘হহন বা হত্যা’ করার ইচ্ছা হলো ‘জিঘাংসা’। পরীক্ষার্থীরা প্রায়ই এই তিনটির মধ্যে গুলিয়ে ফেলেন। ‘জিগীষা’ মনে রাখার টেকনিক হলো ‘জ’ তে জয়, ‘জ’ তে জিগীষা।
‘বনস্পতি’ শব্দটি উদ্ভিদবিজ্ঞানের সাথেও সম্পর্কিত। সাধারণত গুপ্তবীজী উদ্ভিদে ফুল থেকে ফল হয়। কিন্তু ডুমুর বা বটের মতো গাছে ফুল ফলের ভেতরেই লুক্কায়িত থাকে, তাই মনে হয় সরাসরি ফল হয়েছে। এজন্যই এদের ‘বনস্পতি’ বলা হয়, যা ‘বনের পতি’ বা বিশাল বৃক্ষ অর্থেও ব্যবহৃত হয়।
‘অনসূয়া’ শব্দটি সংস্কৃত থেকে এসেছে। ‘অসূয়া’ মানে হলো অন্যের গুণ দেখে যে ঈর্ষা বা দোষ খোঁজার প্রবৃত্তি। যার মধ্যে এই দোষ নেই, তিনি ‘অনসূয়া’। নারী চরিত্র হিসেবে এটি একটি ইতিবাচক গুণ। সরকারি চাকরির লিখিত পরীক্ষায় এই শব্দগুলো বারবার ঘুরেফিরে আসে, তাই বানান ও অর্থ—উভয় দিকেই সমান গুরুত্ব দিতে হবে।
২. কারক ও বিভক্তি নির্ণয় করুন:
(ক) যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন = করণে ৬ষ্ঠী
(খ) গুরুজনে কর ভক্তি = সম্প্রদানে ৭মী
(গ) কালির দাগ সহজে মুছে না = করণে ৬ষ্ঠী
(ঘ) অন্ধজনে দেহ আলো = সম্প্রদানে ৭মী
(ঙ) পুলিশ চোর ধরেছে = কর্তায় শূন্য (প্রথমা)
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
কারক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ক্রিয়া বা Verb-কে প্রশ্ন করাটা আসল চাবিকাঠি।
(ক) ‘পায়ের চিহ্ন’: এখানে চিহ্নটা কিসের দ্বারা তৈরি? পা দ্বারা বা পায়ের সাহায্যে। ‘দ্বারা/দিয়ে/কর্তৃক’ বোঝালে তা করণ কারক হয়। আর শব্দের শেষে ‘র’ থাকায় এটি ৬ষ্ঠী বিভক্তি।
(খ) ও (ঘ) ‘গুরুজনে কর ভক্তি’ এবং ‘অন্ধজনে দেহ আলো’: এই দুটি উদাহরণই সম্প্রদান কারকের ক্লাসিক উদাহরণ। যাকে স্বত্ব ত্যাগ করে বা নিঃশর্তভাবে কিছু দেওয়া হয় (ভক্তি, সাহায্য, আলো), তাকে সম্প্রদান কারক বলা হয়। ভক্তি বা অন্ধকে সাহায্য আমরা প্রতিদানের আশায় করি না।
(ঙ) ‘পুলিশ চোর ধরেছে’: এখানে কাজটা কে করছে? পুলিশ। যে কাজ সম্পাদন করে, সেই কর্তা। তাই এটি কর্তৃকারক। পুলিশের সাথে কোনো বিভক্তি চিহ্ন (কে, রে, র) নেই, তাই এটি শূন্য বা প্রথমা বিভক্তি।
অনেকে ‘কালির দাগ’ দেখে বিভ্রান্ত হতে পারেন। মনে রাখবেন, দাগটি ‘কালি দিয়ে’ হয়েছে। উপকরণ বোঝালেই করণ কারক। শিল্প মন্ত্রণালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক প্রশ্ন সমাধান ২০২৬-এ ব্যাকরণের এই বেসিক নিয়মগুলোই যাচাই করা হয়েছে।
৩. অর্থসহ বাক্য রচনা করুন:
(ক) রাবণের চিতা (চির অশান্তি): জমি নিয়ে দুই ভাইয়ের সংসারে রাবণের চিতা জ্বলছে, যা থামার কোনো লক্ষণ নেই।
(খ) চর্বিত চর্বণ (পুনরাবৃত্তি): পূর্ব পাঠের চর্বিত চর্বণ না করে সারাংশটুকু বলো, সময় কম।
(গ) ছক কাটা (পূর্ব পরিকল্পনা): এই কঠিন অভিযানে সফল হওয়ার জন্য আগেই সঠিক ছক কাটা গুরুত্বপূর্ণ।
(ঘ) নেই আঁকড়া (একগুঁয়ে): তোমার মতো নেই আঁকড়া স্বভাবের মানুষের পক্ষে অফিসে টিকে থাকা মুশকিল।
(ঙ) উজানের কৈ (সহজলভ্য): রহমান সাহেব গরীব হলেও তার সততা উজানের কৈ নয় যে চাইলেই কেনা যাবে।
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
বাগধারা হলো ভাষার অলংকার। এটি সাধারণ কথাকে বিশেষ অর্থপূর্ণ করে তোলে।
‘রাবণের চিতা’ বাগধারাটি রামায়ণ থেকে এসেছে। রাবণের চিতার আগুন নাকি কখনোই নেভে না, সেখান থেকেই ‘চির অশান্তি’ বা ‘না নেভা দুঃখ’ বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।
‘চর্বিত চর্বণ’ মানে হলো যা একবার চিবানো হয়েছে, তা আবার চিবানো। অর্থাৎ, একই কথা বারবার বলা বা অহেতুক পুনরাবৃত্তি করা। ভাইভা বোর্ডে বা লিখিত উত্তরে একই কথা বারবার লিখলে পরীক্ষক বিরক্ত হন, তখন এই বাগধারাটি খাটে।
‘উজানের কৈ’—বর্ষাকালে উজানের দিকে কৈ মাছ ঝাঁকে ঝাঁকে উঠে আসে এবং খুব সহজেই ধরা যায়। তাই যা খুব সহজেই পাওয়া যায় বা সুলভ, তাকে ‘উজানের কৈ’ বলা হয়। বাক্যে প্রয়োগের সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন বাগধারার মূল অর্থটি ফুটে ওঠে।
৪. শুদ্ধ বানান লিখুন:
(ক) ক্ষীণজিবি $\rightarrow$ ক্ষীজীবী (সঠিক: ক্ষয়িষ্ণু বা ক্ষীয়মান অর্থে আসলে ‘জীবী’ হয় না, কিন্তু প্রশ্নে সম্ভবত ‘পেশা’ অর্থে ‘জীবী’ প্রত্যয়যুক্ত শব্দ বুঝিয়েছে, যেমন- কৃষিজীবী। তবে প্রশ্নপত্রে শব্দটি ‘ক্ষীণজীবী’ (যার জীবন ক্ষীণ) হতে পারে। সঠিক বানান: ক্ষীণজীবী)।
(নোট: প্রশ্নে দেওয়া শব্দটি অস্পষ্ট, তবে সাধারণত ‘জীবী’ প্রত্যয় দীর্ঘ-ঈ কারান্ত হয়।)
(খ) শ্বাশ্বত $\rightarrow$ শাশ্বত (মানে চিরন্তন)।
(গ) সুশ্রুষা $\rightarrow$ শুশ্রূষা (তালব্য-শ দিয়ে শুরু, এবং মাঝের শ্র-তে দীর্ঘ-ঊ কার)।
(ঘ) শারিরীক $\rightarrow$ শারীরিক (শরীর + ইক; র-এ দীর্ঘ-ঈ, র-এ হ্রস্ব-ই)।
(ঙ) গিতাঞ্জলী $\rightarrow$ গীতাঞ্জলি (গীত + অঞ্জলি; অঞ্জলি বানানে সবসময় হ্রস্ব-ই হয়)।
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
বানান শুদ্ধিকরণ অংশটি পরীক্ষার্থীদের জন্য ‘মাইনফিল্ড’ এর মতো। একটু অসতর্ক হলেই নম্বর কাটা যায়।
‘শুশ্রূষা’ বানানটি বিসিএস থেকে শুরু করে যেকোনো সরকারি চাকরিতে হট ফেভারিট। মনে রাখার নিয়ম: শ-এ হ্রস্ব-উ, শ্র-এ দীর্ঘ-ঊ, ষ-এ আকার (শু-শ্রূ-ষা)।
‘শারীরিক’ বানানেও অনেকে ভুল করেন। মূল শব্দ ‘শরীর’ (দীর্ঘ-ঈ), কিন্তু যখন ‘ইক’ প্রত্যয় যুক্ত হয়, তখন শেষের ‘র’ টি হ্রস্ব-ই হয়ে যায়, কিন্তু মাঝের ‘র’ দীর্ঘ-ঈ থাকে না—এমনটা ভাবা ভুল। শরীর > শারীরিক (এখানে আদি স্বর বৃদ্ধি পায় না, প্রত্যয়জনিত কারণে বানান রীতি মনে রাখতে হয়)। তবে সহজ নিয়ম: ‘শারীরিক’ বানানে প্রথম ‘র’-তে দীর্ঘ-ঈ এবং দ্বিতীয় ‘র’-তে হ্রস্ব-ই।
‘গীতাঞ্জলি’ রবীন্দ্রনাথের কাব্যগ্রন্থ। ‘অঞ্জলি’ বানানে কখনোই দীর্ঘ-ঈ হয় না, সবসময় হ্রস্ব-ই হয়। এই ছোট ছোট নিয়মগুলো Office Assistant Cum Computer Typist job question solution 2026 এর জন্য অত্যন্ত জরুরি।
৫. বিপরীত শব্দ লিখুন:
(ক) আবাহন – বিসর্জন
(খ) নিরাকার – সাকার
(গ) অর্পণ – গ্রহণ
(ঘ) দীর্ঘ – হ্রস্ব
(ঙ) মৌন – মুখর
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
বিপরীত শব্দ শুধু উল্টো অর্থ নয়, ভাবগাম্ভীর্যও বজায় রাখতে হয়।
‘আবাহন’ মানে দেবতাকে বা কাউকে সাদরে ডেকে আনা। এর ঠিক উল্টোটা হলো ‘বিসর্জন’ বা বিদায় দেওয়া (যেমন প্রতিমা বিসর্জন)। অনেকে ভুল করে ‘বিদায়’ লেখেন, কিন্তু ‘আবাহন’-এর ওজনের সাথে ‘বিসর্জন’-ই উপযুক্ত।
‘মৌন’ মানে চুপ থাকা। এর বিপরীত ‘বাচাল’ দেওয়া যেতে পারে, তবে ‘মুখর’ শব্দটি বেশি মানানসই ও ইতিবাচক। যে পরিবেশে সবাই চুপ (মৌন), তার বিপরীতে পরিবেশটি কোলাহলপূর্ণ বা ‘মুখর’ হতে পারে।
‘দীর্ঘ’ (লম্বা/বড়) এর ব্যাকরণগত বিপরীত শব্দ ‘হ্রস্ব’ (ছোট/খাটো)। স্বরধ্বনির ক্ষেত্রেও আমরা ‘দীর্ঘস্বর’ ও ‘হ্রস্বস্বর’ পড়ি। এই শব্দগুলো তৎসম, তাই এদের বিপরীত শব্দও তৎসম হতে হবে।
৬. Write ten sentences on ‘Social Media’
Answer:
Social Media: A Double-Edged Sword
Social media has revolutionized the way we communicate, becoming an integral part of our daily lives. Platforms like Facebook, WhatsApp, and Instagram allow users to connect instantly across geographical boundaries. It serves as a powerful tool for spreading information, education, and raising awareness about social issues. Businesses utilize social media for marketing, reaching a vast audience at a low cost. However, excessive use of social media can lead to addiction and waste of valuable time. It often spreads fake news and misinformation, which can cause panic in society. Cyberbullying and privacy breaches are major concerns associated with these platforms. The youth are particularly vulnerable to the unrealistic lifestyle comparisons seen online. Despite these drawbacks, if used responsibly, social media can empower individuals and communities. Therefore, we must maintain a balance between our virtual and real lives.
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
প্যারাগ্রাফ লেখার সময় তিনটি জিনিসের দিকে নজর দিতে হয়: Introduction (সূচনা), Body (মূল বক্তব্য), এবং Conclusion (উপসংহার)।
এখানে ‘Social Media’ নিয়ে লিখতে বলা হয়েছে। আমি শুরু করেছি এর ইতিবাচক দিক (Communication, Connection) দিয়ে। মাঝের অংশে এর নেতিবাচক দিক (Addiction, Fake news, Cyberbullying) তুলে ধরেছি। কারণ, যেকোনো প্রযুক্তির ভালো ও মন্দ দুই দিকই থাকে। শেষে একটি ব্যালেন্সড বা ভারসাম্যপূর্ণ মন্তব্য দিয়ে শেষ করেছি। বাক্যের গঠন সহজ ও সাবলীল রাখা হয়েছে যাতে পরীক্ষক পড়ে আরাম পান। শব্দচয়ন (Vocabulary) যেমন—’Revolutionized’, ‘Integral part’, ‘Double-edged sword’—লেখাটির মান বাড়িয়ে দেয়।
৭. Translate into English:
(ক) গাছে এখনো ফল ধরেনি।
Ans: The tree has not yet borne fruit.
(খ) আকাশ কুসুম চিন্তা করে সময় নষ্ট করো না।
Ans: Do not waste time building castles in the air.
(গ) মেয়েটি নাচতে নাচতে চলে গেল।
Ans: The girl went away dancing.
(ঘ) তুমি কি জানো সে কোথায় থাকে?
Ans: Do you know where he lives?
(ঙ) ইচ্ছে হয় আকাশে উড়ি।
Ans: I wish I could fly in the sky.
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
অনুবাদ অংশে টেন্স এবং ইডিয়মসের সঠিক ব্যবহার যাচাই করা হয়। (ক) নং বাক্যে ‘borne’ বানানটি লক্ষ্যণীয় (Bear-এর Past Participle)। (খ) নং বাক্যে ‘আকাশ কুসুম’ এর আক্ষরিক অনুবাদ না করে ভাবানুবাদ ‘Building castles in the air’ করা হয়েছে। (গ) নং বাক্যে ‘নাচতে নাচতে’ বোঝাতে ‘Present Participle’ (dancing) ব্যবহার করা হয়েছে। (ঘ) নং বাক্যটি Embedded Question-এর উদাহরণ, যেখানে পরের অংশটি (where he lives) অ্যাসারটিভ বা বর্ণনামূলক গঠনে হয়।
৮. Make sentences in English with Bangla meaning:
(ক) Greek and Latin (বোঝার অযোগ্য/ দুর্বোধ্য): The technical manual was all Greek and Latin to me.
(খ) Pros and cons (খুঁটিনাটি/ ভালো-মন্দ): Before making a decision, you should consider the pros and cons of the system.
(গ) Maiden Speech (প্রথম বক্তৃতা): The new MP impressed everyone with his outstanding maiden speech.
(ঘ) Gala day (আনন্দের দিন/ উৎসবের দিন): The Eid-ul-Fitr is a gala day for the Muslims.
(ঙ) Look forward to (স আগ্রহে প্রতীক্ষা করা): I am looking forward to meeting you soon.
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
Phrase & Idioms বাক্যের সৌন্দর্য বাড়ায়।
‘Greek and Latin’ মানে এমন ভাষা যা আমি বুঝি না।
‘Look forward to’ এর পর সবসময় verb-এর সাথে ‘ing’ যুক্ত হয় (meeting), এটি গ্রামারের একটি গোল্ডেন রুল।
‘Maiden Speech’ বলতে কোনো ব্যক্তির (বিশেষ করে সংসদ সদস্যের) প্রথম প্রদত্ত ভাষণকে বোঝায়। এই ইডিয়মসগুলো বিসিএস ও ব্যাংকের বিগত সালের প্রশ্ন থেকে হুবহু কমন পড়েছে।
৯. Fill in the blank:
(ক) My father along with my brother …. coming to meet me.
Ans: is
(Rule: ‘along with’ দিয়ে দুটি subject যুক্ত হলে verb প্রথম subject অনুযায়ী হয়। Father সিঙ্গুলার, তাই is.)
(খ) He is accessible …. all.
Ans: to
(Rule: Accessible to someone – কারো কাছে প্রবেশযোগ্য বা সহজলভ্য।)
(গ) The boy is wicked to the ……
Ans: backbone
(Rule: ‘Wicked to the backbone’ একটি ইডিয়ম, যার মানে হাড়েমজ্জায় বা পুরোদস্তুর দুষ্ট।)
(ঘ) When water ……, it turns into ice.
Ans: freezes
(Rule: এটি Scientific truth বা বৈজ্ঞানিক সত্য, তাই Present Indefinite Tense হবে।)
(ঙ) She is …. F.R.C.S.
Ans: an
(Rule: F.R.C.S উচ্চারণের শুরুতে ‘F’ (এফ) অর্থাৎ ‘এ’ (vowel sound) আসে, তাই article ‘an’ বসে।)
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
এখানে Subject-Verb Agreement এবং Appropriate Preposition-এর নিয়মগুলো প্রয়োগ হয়েছে। বিশেষ করে (ক) নম্বরটি খুবই ট্রিকি। অনেকে ‘brothers’ বা পরে প্লুরাল দেখে ‘are’ বসাতে চায়, কিন্তু নিয়ম হলো ‘along with’, ‘together with’, ‘accompanied by’ থাকলে প্রথম সাবজেক্ট বস বা লিডার। সে অনুযায়ীই ভার্ব বসবে।
১০. Transform the following sentences:
(ক) You must go there (Negative).
Ans: I cannot but go there. (অথবা: I cannot help going there.)
(খ) I received the bad news and was sorry. (Simple)
Ans: Receiving the bad news, I was sorry. (অথবা: On receiving the bad news, I was sorry.)
(গ) I could not but laugh (use ‘help’ in place of but).
Ans: I could not help laughing.
(ঘ) Mina said that every day she reads newspapers. (Direct Speech).
Ans: Mina said, “I read newspaper every day.”
(ঙ) Do not look down upon the poor (Passive voice).
Ans: Let not the poor be looked down upon.
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
ট্রান্সফরমেশন বা বাক্যের রূপান্তর করার সময় অর্থের পরিবর্তন করা যাবে না।
(ক) ‘Must’ থাকলে নেগেটিভ করতে ‘cannot but’ + V1 অথবা ‘cannot help’ + V1+ing বসে।
(ঙ) ইম্পারেটিভ বাক্যের প্যাসিভ ভয়েস করতে হলে ‘Let’ দিয়ে শুরু করতে হয়। নেগেটিভ হওয়ায় ‘Let not’ বসেছে। ‘Look down upon’ (ঘৃণা করা) একটি গ্রুপ ভার্ব, তাই পুরোটাই একসাথে বসবে।
১১. উত্তর লিখুন (সাধারণ জ্ঞান):
(ক) ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
(খ) UNESCO পূর্ণরূপ: United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization.
(গ) আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবস: ৫ জুন।
(ঘ) বাংলাদেশ প্রথম বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অংশ নেয়: ১৯৯৯ সালে।
(ঙ) ভূমিকম্প মাপার যন্ত্রের নাম: সিসমোগ্রাফ (Seismograph)।
(চ) বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ: গ্রিনল্যান্ড।
(ছ) বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে? মৌলভীবাজার।
(জ) বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ কোনটি? মহেশখালী।
(ঝ) SDG এর পূর্ণরূপ: Sustainable Development Goals.
(ঞ) LAN এর পূর্ণরূপ: Local Area Network.
(ট) আরব বসন্তের সূচনা কোন দেশে হয়? তিউনিসিয়া।
(ঠ) ‘চর্যাপদ’ কোথায় আবিষ্কৃত হয়? নেপাল (নেপালের রাজদরবার বা ‘রয়াল লাইব্রেরি’ থেকে)।
(ড) ময়নামতি কোন সভ্যতার নিদর্শন বহন করে? বৌদ্ধ সভ্যতা।
(ঢ) চীনের মুদ্রার নাম কী? ইউয়ান (Renminbi)।
(ণ) জাতিসংঘের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত? নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
(ত) বাংলাদেশে কতটি সমুদ্র বন্দর রয়েছে? ৩টি (চট্টগ্রাম, মোংলা, পায়রা)।
(থ) ‘সোাচ অব নো গ্রাউন্ড’ কোথায় অবস্থিত? বঙ্গোপসাগরে।
(দ) HTTP এর পূর্ণরূপ কি? Hypertext Transfer Protocol.
(ধ) বর্তমানে সরকারি চাকরিতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য কত শতাংশ কোটা বরাদ্দ রাখা হয়েছে? ১ শতাংশ (সরকারি গেজেট অনুযায়ী সর্বশেষ তথ্যটি যাচাই করে নেবেন, কারণ এটি পরিবর্তনশীল হতে পারে)।
(ন) কম্পিউটারের জনক কে? চার্লস ব্যাবেজ।
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:
সাধারণ জ্ঞান অংশটি সাজানো হয়েছে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি এবং তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ে। SDG, UNESCO, LAN, HTTP—এই পূর্ণরূপগুলো বারবার আসে। বানান নির্ভুল হওয়া আবশ্যক। ‘সোাচ অব নো গ্রাউন্ড’ হলো বঙ্গোপসাগরের একটি গভীর খাদের নাম, যা সাবমেরিন চলাচলের জন্য উপযোগী। এই প্রশ্নগুলো চাকরিপ্রার্থীদের সাধারণ সচেতনতা যাচাইয়ের জন্য চমৎকার।
১২. গণিত (সুদকষা):
প্রশ্ন: বার্ষিক ৪% হার সুদে ৫৫০ টাকা এবং বার্ষিক ৮% হার সুদে ৭০০ টাকা বিনিয়োগ করলে মোট মূলধনের উপর গড়ে শতকরা বার্ষিক কত সুদ পাওয়া যায়?
সমাধান:
১ম ক্ষেত্রে সুদ ($I_1$) = $৫৫০ \times ৪% = ৫৫০ \times \frac{৪}{১০০} = ২২$ টাকা।
২য় ক্ষেত্রে সুদ ($I_2$) = $৭০০ \times ৮% = ৭০০ \times \frac{৮}{১০০} = ৫৬$ টাকা।
মোট সুদ = ২২ + ৫৬ = ৭৮ টাকা।
মোট মূলধন = ৫৫০ + ৭০০ = ১২৫০ টাকা।
গড় সুদের হার = $\frac{\text{মোট সুদ}}{\text{মোট মূলধন}} \times ১০০$
$= \frac{৭৮}{১২৫০} \times ১০০$
$= ৬.২৪%$
উত্তর: ৬.২৪%
ব্যাখ্যা:
এটি গড় বা Average-এর অংক নয়, বরং ‘Weighted Average’-এর অংক। তাই সরাসরি সুদের হার যোগ করে ভাগ করা যাবে না। মোট কত টাকা লাভ হলো আর মোট কত টাকা খাটানো হলো—এই দুটির অনুপাত বের করেই গড় সুদের হার পাওয়া যায়। ১২৫০ টাকার ওপর ৭৮ টাকা লাভ হলে ১০০ টাকায় কত—এটাই ঐকিক নিয়ম।
১৩. গণিত (অনুপাত):
প্রশ্ন: তামা ও দস্তার অনুপাত ১ : ২ এবং দস্তা ও রূপার অনুপাত ৩ : ৫। ৩৮ গ্রাম ওজনের গহনায় কত গ্রাম রূপা, তামা ও দস্তা রয়েছে?
সমাধান:
তামা : দস্তা = ১ : ২ = ৩ : ৬ (উভয়কে ৩ দিয়ে গুণ করে)
দস্তা : রূপা = ৩ : ৫ = ৬ : ১০ (উভয়কে ২ দিয়ে গুণ করে)
$\therefore$ তামা : দস্তা : রূপা = ৩ : ৬ : ১০
অনুপাতের যোগফল = ৩ + ৬ + ১০ = ১৯
তামা = $\frac{৩}{১৯} \times ৩৮ = ৬$ গ্রাম
দস্তা = $\frac{৬}{১৯} \times ৩৮ = ১২$ গ্রাম
রূপা = $\frac{১০}{১৯} \times ৩৮ = ২০$ গ্রাম
উত্তর: তামা ৬ গ্রাম, দস্তা ১২ গ্রাম, রূপা ২০ গ্রাম।
ব্যাখ্যা:
এখানে ‘দস্তা’ বা Zinc হলো কমন উপাদান। দুই অনুপাতে দস্তার পরিমাণ ভিন্ন (২ ও ৩)। এদের লসাগু ৬। তাই প্রথম অনুপাতে দস্তাকে ৬ বানাতে ৩ দিয়ে গুণ এবং দ্বিতীয় অনুপাতে ২ দিয়ে গুণ করা হয়েছে। একে বলা হয় ‘ধারাবাহিক অনুপাত’। পরীক্ষার হলে মাথা ঠান্ডা রেখে এই গুণটা করতে পারলেই অংক মিলে যাবে।
১৪. গণিত (বীজগণিত):
প্রশ্ন: $(x + \frac{1}{x})^2 = 3$ হলে $x^3 + \frac{1}{x^3} = ?$
সমাধান:
দেওয়া আছে, $(x + \frac{1}{x})^2 = 3 \Rightarrow x + \frac{1}{x} = \sqrt{3}$
প্রদত্ত রাশি = $x^3 + \frac{1}{x^3}$
$= (x + \frac{1}{x})^3 – 3 \cdot x \cdot \frac{1}{x} (x + \frac{1}{x})$
$= (\sqrt{3})^3 – 3(\sqrt{3})$
$= 3\sqrt{3} – 3\sqrt{3}$
$= 0$
উত্তর: 0
ব্যাখ্যা:
ঘন বা Cube-এর সূত্র $a^3+b^3 = (a+b)^3 – 3ab(a+b)$ প্রয়োগ করতে হবে। এখানে মজার বিষয় হলো $(\sqrt{3})^3$ এর মান। তিনটি রুট-থ্রি গুণ করলে দুটি মিলে একটা পূর্ণ ৩ হয়, আর একটা রুট-থ্রি থেকে যায়। ফলে $3\sqrt{3}$ থেকে $3\sqrt{3}$ বিয়োগ করলে শূন্য হয়ে যায়। উত্তর ‘শূন্য’ দেখলে অনেক পরীক্ষার্থী ঘাবড়ে যান, কিন্তু আত্মবিশ্বাস রাখতে হবে।
১৫. গণিত (পরিমিতি/জ্যামিতি):
প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজ আকৃতির ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ৮৪ বর্গগজ। ত্রিভুজের শীর্ষ বিন্দু হতে ভূমির উপর অঙ্কিত লম্বের দৈর্ঘ্য ১২ গজ হলে ভূমির দৈর্ঘ্য কত?
সমাধান:
আমরা জানি, ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = $\frac{১}{২} \times \text{ভূমি} \times \text{উচ্চতা}$
দেওয়া আছে, ক্ষেত্রফল = ৮৪, উচ্চতা (লম্ব) = ১২
ধরি, ভূমি = $x$ গজ
প্রশ্নমতে,
$\frac{১}{২} \times x \times ১২ = ৮৪$
বা, $৬x = ৮৪$
বা, $x = \frac{৮৪}{৬}$
বা, $x = ১৪$
উত্তর: ১৪ গজ।
ব্যাখ্যা:
এটি পরিমিতির সবচেয়ে সহজ সূত্রগুলোর একটি। ত্রিভুজের এরিয়া বা জায়গা কতটুকু তা বের করার জন্য ‘হাফ ইনটু ভূমি ইনটু উচ্চতা’ সূত্রটি ছোটবেলা থেকেই আমরা পড়ে আসছি। এখানে ক্ষেত্রফল দেওয়াই আছে, ভূমি বের করতে হবে। সমীকরণের পক্ষান্তর (Side change) ঠিকমতো করলেই উত্তর ১৪ বেরিয়ে আসবে। নামতা (৬ ১৪ তে ৮৪) জানা থাকলে ক্যালকুলেটর ছাড়াই ৫ সেকেন্ডে সমাধান সম্ভব।
আশা করি, এবার শিল্প মন্ত্রণালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক প্রশ্ন সমাধান ২০২৬-এর প্রতিটি অংশের সমাধান আপনাদের কাছে পরিষ্কার হয়েছে। আপনাদের প্রস্তুতির জন্য শুভকামনা। নিয়মিত অধ্যবসায়ই সাফল্যের চাবিকাঠি।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ২০২৬ বা mole Job Exam 2026 জরুরি নোটিশ: পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন ও এডমিট কার্ড
বন্ধুরা, আপনারা যারা ০৯ জানুয়ারি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন, তাদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ। অনিবার্য কারণবশত কর্তৃপক্ষ পরীক্ষাটি পিছিয়ে ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে নির্ধারণ করেছে। অর্থাৎ, হাতে আরও প্রায় দুই সপ্তাহ সময়! এই বাড়তি সময়টুকু কাজে লাগিয়ে নিজেকে আরও শানিয়ে নিন।

এডমিট কার্ড নিয়ে বিভ্রান্তি?
অনেকেই প্রশ্ন করছেন, “ভাইয়া, নতুন তারিখের জন্য কি নতুন এডমিট কার্ড লাগবে?”
উত্তর হলো: না।
কর্তৃপক্ষ স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, আপনারা ইতিমধ্যে যে প্রবেশপত্র (Admit Card) ডাউনলোড করেছেন, সেটি দিয়েই ২৩ জানুয়ারি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। পরীক্ষার কেন্দ্র এবং সময় অপরিবর্তিত থাকবে। তাই অযথা দুশ্চিন্তা না করে পড়াশোনায় মন দিন।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় (MOLE) | বেঞ্চ সহাকারী লিখিত প্রশ্ন সমাধান ২০২৫ PDF
সরকারি চাকরিপ্রত্যাশীদের কাছে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় (MOLE) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়। এই মন্ত্রণালয়ের অধীনে বেঞ্চ সহকারী পদে নিয়োগ পরীক্ষা বরাবরই প্রতিযোগিতামূলক হয়ে থাকে। তাই লিখিত পরীক্ষায় ভালো করতে হলে প্রশ্ন সমাধানভিত্তিক প্রস্তুতি নেওয়া খুবই জরুরি।
২০২৫ সালের বেঞ্চ সহকারী লিখিত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, প্রশ্নগুলো সাধারণত বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান ও দাপ্তরিক কাজসংক্রান্ত বিষয় থেকে হয়ে থাকে। সঠিক প্রশ্ন সমাধান পড়লে প্রশ্নের কাঠামো, নম্বর বণ্টন এবং গুরুত্বপূর্ণ টপিক সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়।
যারা দ্রুত নিজেকে ঝালাই করতে চান, তাদের জন্য MOLE বেঞ্চ সহকারী লিখিত প্রশ্ন সমাধান ২০২৫ PDF সবচেয়ে কার্যকর একটি রিসোর্স। এতে কম সময়ে বেশি প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হয় এবং ভুলগুলো সহজে ধরতে পারা যায়। পাশাপাশি পরীক্ষার হলে সময় ব্যবস্থাপনাও অনেক সহজ হয়ে যায়।
আপনি যদি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের বেঞ্চ সহকারী পদের প্রস্তুতি নিয়ে থাকেন, তাহলে এই প্রশ্ন সমাধান PDF অবশ্যই সংগ্রহ করে অনুশীলন করুন। সঠিক দিকনির্দেশনাই আপনাকে সাফল্যের পথে এগিয়ে নেবে। MOLE বেঞ্চ সহকারী প্রশ্ন সমাধান ২০২৫, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রশ্ন সমাধান PDF, Bench Assistant Written Question Solution দেখে নিন।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ২০২৬ বা mole Job Exam 2026 পদের বিবরণ ও কাজের ধরণ
যেই ০৪টি ক্যাটেগরিতে পরীক্ষা হতে যাচ্ছে, সেগুলো সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা রাখা জরুরি। এই নিয়োগ পরীক্ষায় নিম্নোক্ত পদগুলোর জন্য লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে, পদগুলো হলো:
১. সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর (Steno-typist cum Computer Operator)
২. কম্পিউটার অপারেটর (Computer Operator)
৩. অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক (Office Assistant cum Computer Typist)
৪. অফিস সহায়ক (Office Support Staff)
প্রতিটি পদের জন্য প্রশ্নের ধরন কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। বিশেষ করে কম্পিউটার অপারেটর ও সাঁটমুদ্রাক্ষরিক পদের জন্য ব্যবহারিক পরীক্ষার বিষয়টি মাথায় রেখে লিখিত পরীক্ষায় টেকনিক্যাল প্রশ্ন বেশি হতে পারে।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ বা mole Job Question Solution 2026:
আপনারা যারা শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ বা mole Job Question Solution 2026 খুঁজছেন, তাদের জন্য আমাদের এই আয়োজন।
পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়া মাত্রই আমরা এখানে পূর্ণাঙ্গ প্রশ্ন সমাধান যুক্ত করব। তবে তার আগে, প্রশ্নের প্যাটার্ন এবং সম্ভাব্য প্রশ্নাবলী নিয়ে আলোচনা করা যাক, যা আপনার প্রস্তুতিকে এক ধাপ এগিয়ে রাখবে।
সাধারণত মন্ত্রণালয়ের ১৩-২০ গ্রেডের লিখিত পরীক্ষাগুলো ৭০ বা ৮০ নম্বরের হয়ে থাকে। সময় থাকে ৯০ মিনিট। মানবন্টন সাধারণত নিচের মতো হয়:
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রশ্ন ২০২৬ বা mole Job Question 2026 এর সম্ভাব্য মানবন্টন
আমরা একটি পাই চার্টের মাধ্যমে গতানুগতিক শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রশ্ন ২০২৬ বা mole Job Question 2026 এর সম্ভাব্য মানবন্টনটি তুলে ধরছি:
- বাংলা: ২০ নম্বর
- ইংরেজি: ২০ নম্বর
- গণিত: ১৫ নম্বর
- সাধারণ জ্ঞান: ১৫ নম্বর
- (বাকি নম্বর টেকনিক্যাল বা ভাইভাতে যুক্ত হতে পারে)
পরামর্শ: বিগত বছরের প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বাংলা ব্যাকরণ এবং ইংরেজি গ্রামারে জোর দিলে সর্বোচ্চ নম্বর তোলা সম্ভব।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রশ্ন ২০২৬ বা mole Job Question 2026 বিষয়ভিত্তিক সাজেশন
পরীক্ষার হলে প্রশ্ন দেখে ভড়কে না যেতে চাইলে নিচের টপিকগুলো অবশ্যই রিভিশন দিন। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রশ্ন ২০২৬ বা mole Job Question 2026 বিষয়ভিত্তিক সাজেশন নিম্নে তুলে ধরা হলো।
১. বাংলা (Bangla)
বাংলায় ভালো করার জন্য সাহিত্যর চেয়ে ব্যাকরণে বেশি জোর দিন।
- সন্ধি ও সমাস: প্রতিবারই এখান থেকে ২-৩টি প্রশ্ন থাকে।
- কারক ও বিভক্তি: নির্ণয় করা শিখুন।
- এককথায় প্রকাশ ও বাগধারা: পিএসসি (PSC) এর বিগত ১০ বছরের প্রশ্নগুলো পড়ে ফেলুন।
- বানান শুদ্ধি: খুব সতর্ক থাকুন।
২. ইংরেজি (English)
বেশিরভাগ প্রার্থী ইংরেজিতেই পিছিয়ে পড়ে। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ২০২৬ এর চাকরিতে ভালো করতে হলে নিচের টপিকগুলো মাস্ট:
- Right form of verbs: নিয়মগুলো ঝালাই করে নিন।
- Preposition: Appropriate preposition মুখস্থ রাখুন।
- Translation: বাংলা থেকে ইংরেজি অনুবাদ প্রতিদিন প্র্যাকটিস করুন।
- Idioms & Phrases: কমনগুলো দেখে যান।
৩. গণিত (Mathematics)
১৩-২০ গ্রেডের গণিত সাধারণত অষ্টম-দশম শ্রেণির বই থেকে আসে।
- পাটিগণিত: ঐকিক নিয়ম, শতকরা, সুদকষা, লসাগু-গসাগু।
- বীজগণিত: মান নির্ণয় ও উৎপাদক।
- জ্যামিতি: রেখা, কোণ ও ত্রিভুজ সংক্রান্ত সাধারণ সূত্র।
৪. সাধারণ জ্ঞান (General Knowledge)
সাম্প্রতিক বিষয়াবলী এবং মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক প্রশ্নে জোর দিন।
- বাংলাদেশ বিষয়াবলী: সংবিধান, মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু, ও সাম্প্রতিক উন্নয়ন প্রকল্প (মেট্রোরেল, টানেল ইত্যাদি)।
- শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়: মন্ত্রণালয়ের কাজ, বর্তমান মন্ত্রী ও সচিবের নাম জেনে যাবেন।
- আন্তর্জাতিক: সাম্প্রতিক যুদ্ধ, চুক্তি ও সংস্থা (UN, ILO)।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ২০২৬ বা mole Job 2026 চাকরির সুযোগ সুবিধা
যেকোনো চাকরিতে ঢোকার আগে তার ভালো-মন্দ দিকগুলো বিবেচনা করা উচিত।
| সুবিধা | অসুবিধা |
|---|---|
| ১. মন্ত্রণালয়ের চাকরি, তাই সামাজিক মর্যাদা অনেক বেশি। | ১. পদোন্নতি বা প্রমোশন কিছুটা ধীরগতির হতে পারে। |
| ২. ঢাকায় পোস্টিং হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, যা অনেকের পছন্দ। | ২. কাজের চাপ মাঝেমধ্যে বেশি হতে পারে। |
| ৩. সরকারি সকল সুযোগ-সুবিধা ও পেনশন। | ৩. বদলি নীতিমালার কারণে ঢাকার বাইরেও যেতে হতে পারে। |
| ৪. কর্মপরিবেশ সাধারণত স্থিতিশীল ও নিরাপদ। | ৪. তীব্র প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে টিকতে হয়। |
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ২০২৬ বা mole Job 2026 পরীক্ষার হলে করণীয়
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ বা mole Job Question Solution 2026 এর জন্য অপেক্ষা করার আগে পরীক্ষার হলে আপনার পারফরম্যান্স নিশ্চিত করা জরুরি।
১. সময়ের সঠিক ব্যবহার: যে প্রশ্নগুলো পারেন, সেগুলো আগে উত্তর দিন। গণিত শেষে করার চেষ্টা করবেন যদি না আপনি গণিতে খুব দক্ষ হন।
২. নেগেটিভ মার্কিং: সাধারণত লিখিত পরীক্ষায় নেগেটিভ মার্কিং থাকে না, তবে এমসিকিউ (MCQ) হলে সতর্ক থাকুন। প্রশ্নপত্রের নির্দেশাবলী ভালো করে পড়বেন।
৩. স্পষ্ট হাতের লেখা: লিখিত পরীক্ষায় হাতের লেখা পরিষ্কার হওয়া বাঞ্ছনীয়। ওভাররাইটিং বা কাটাকাটি পরিহার করুন।
FAQ
আপনাদের মনের সব বিভ্রান্তি দূর করতে আমরা ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর সাজিয়েছি।
১. পরীক্ষার পরিবর্তিত তারিখ কবে?
উত্তর: পরীক্ষাটি আগামী ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, রোজ শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে।
২. আমি কি পুরনো এডমিট কার্ড দিয়ে পরীক্ষা দিতে পারব?
উত্তর: হ্যাঁ, ০৩/০১/২০২৬ তারিখের জন্য ইস্যুকৃত এডমিট কার্ড দিয়েই ২৩ তারিখের পরীক্ষা দেওয়া যাবে।
৩. পরীক্ষার কেন্দ্র কি পরিবর্তন হয়েছে?
উত্তর: না, আপনার এডমিট কার্ডে উল্লেখ করা কেন্দ্র ও কক্ষ নম্বরই বহাল থাকবে।
৪. মোট কতটি পদে নিয়োগ দেওয়া হবে?
উত্তর: মোট ৪টি ক্যাটেগরিতে ২৫টি শূন্যপদে নিয়োগ দেওয়া হবে।
৫. প্রশ্ন পদ্ধতি কেমন হবে? এমসিকিউ না লিখিত?
উত্তর: বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী এটি লিখিত পরীক্ষা হবে। তবে লিখিত পরীক্ষার মধ্যে ছোট প্রশ্ন বা এমসিকিউ থাকতে পারে।
৬. শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কাজ কী?
উত্তর: শ্রমিকদের কল্যাণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শ্রম আইন বাস্তবায়ন এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা।
৭. পরীক্ষার ফলাফল কবে দিতে পারে?
উত্তর: সাধারণত লিখিত পরীক্ষার ১-২ মাসের মধ্যে ফলাফল প্রকাশিত হয়।
৮. ভাইভা কত নম্বরের হয়?
উত্তর: সাধারণত লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের জন্য ২০ বা ২৫ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা (Viva) হয়।
৯. কম্পিউটার টেস্ট কি লিখিত পরীক্ষার দিনই হবে?
উত্তর: না, সাধারণত লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের পরবর্তীতে ব্যবহারিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হয়।
১০. এই চাকরির বেতন স্কেল কত?
উত্তর: ১৩তম গ্রেড (১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা) থেকে ২০তম গ্রেড (৮,২৫০-২০,০১০ টাকা) পর্যন্ত।
১১. নেগেটিভ মার্কিং আছে কি?
উত্তর: প্রশ্নপত্রের ওপর নির্দেশাবলি দেখে নিশ্চিত হতে হবে। লিখিত পরীক্ষায় সাধারণত থাকে না।
১২. ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে?
উত্তর: সাধারণত এই গ্রেডের পরীক্ষায় ক্যালকুলেটর ব্যবহারের অনুমতি থাকে না।
১৩. পরীক্ষার হলে কী কী নেওয়া যাবে না?
উত্তর: মোবাইল ফোন, স্মার্টওয়াচ, বা যেকোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস।
১৪. প্রশ্ন কি খুব কঠিন হবে?
উত্তর: ১৩-২০ গ্রেডের প্রশ্ন সাধারণত খুব কঠিন হয় না, তবে প্রতিযোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় কাটমার্ক বেশি উঠতে পারে।
১৫. প্রশ্ন সমাধান সবার আগে কোথায় পাব?
উত্তর: আমাদের এই ব্লগ পোস্টে এবং আমাদের ফেসবুক পেজে পরীক্ষা শেষ হওয়া মাত্রই শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ বা mole Job Question Solution 2026 পাওয়া যাবে।
উপসংহার
বন্ধুরা, সময় আর বেশি নেই। ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ আপনার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার দিন হতে পারে। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ বা mole Job Question Solution 2026 নিয়ে দুশ্চিন্তা না করে এখন ফোকাস করুন নিজের দুর্বল জায়গাগুলো ঝালাই করে নেওয়ার ওপর। মনে রাখবেন, পরিশ্রম কখনো বিফলে যায় না।
পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর সঠিক ও নির্ভুল সমাধানের জন্য এই পেজটি বুকমার্ক করে রাখুন। আমরাই সবার আগে সমাধান নিয়ে হাজির হব। সবার জন্য শুভকামনা রইল।
Please don’t forget to leave a review of my article.
(Reference: Content inspired by the official notice from www.mole.gov.bd)
