বর্তমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগে আপনার জীবনে কোন চাকরি পারফেক্ট বা উপযুক্ত

বর্তমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগে আপনার জীবনে কোন চাকরি পারফেক্ট বা উপযুক্ত বলে মনে করেন? Here is perfect jobs in this digital age 2025.

বর্তমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগে আপনার জীবনে কোন চাকরি পারফেক্ট বা উপযুক্ত
বর্তমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগে আপনার জীবনে কোন চাকরি পারফেক্ট বা উপযুক্ত

কোন চাকরি পারফেক্টঃ

বর্তমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগে আপনার জীবনে কোন চাকরি পারফেক্ট বা উপযুক্ত চাকরি খুঁজছেন? হ্যাঁ, আপনি সঠিক জায়গায় সঠিক পোস্ট পড়তে এসেছেন। এই পোস্ট আপনাকে একটি ভাল মানের চাকরি খুঁজতে সাহায্য করবে। আপনি হয়তবা জানেন যে, বর্তমান বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অনেকগুলো উপযুক্ত কাজের সন্ধান রয়েছে। শুধু আপনার চোখ কান খোলা রেখে চলতে হবে। কিন্তু আমরা যেভাবে চিন্তা করি যে, দুনিয়ায় আপনার আমার কোনটাই পারফেক্ট বা উপযুক্ত চাকরি নয়। কারণ, বাংলাদেশে পড়াশুনার সিস্টেমের সাথে চাকরির ক্ষেত্রে মিল নেই। তবে আমরা পড়াশুনা শেষে কোন চাকরি নিব সেটা আমাদের মানসিকতার উপর নির্ভর করবে।

পরামর্শঃ আমি যেভাবে বিসিএস (বাংলা) প্রিলিমিনারী প্রস্তুতি নিয়েছিলাম

মন যা চায়, জীবন তাই দেয়

পারফেক্ট বা উপযুক্ত চাকরি এবং সুখের মুহূর্তগুলো আমরা আমাদের মনের ইচ্ছানুযায়ী পেতে পারি। বিষয়টা এমন যে, যদি আপনার এক ঘন্টার জন্য আনন্দের প্রয়োজন হয়, তাহলে ঘুমিয়ে পড়ুন এবং অন্য কিছুর চিন্তা বাদ দিন। তাহলেই সুখ অনুভব করতে পারবেন। আর যদি আপনার একদিনের জন্য সুখ ও শান্তি বা সন্তুষ্টির প্রয়োজন হয় তাহলে বনভোজনে বা পিকনিকে চলে যান আপনার নিকটাত্বীয় বা প্রিয়জনের সাথে। অন্যদিকে আপনার যদি এক মাসের সন্তুষ্টির প্রয়োজন হয় তাহলে আপনার প্রিয় ব্যক্তিকে বিয়ে করে ফেলুন।

অথবা, আপনি যদি কিছু সময়ের জন্য সুখী এবং শান্তিতে থাকতে চান তাহলে আপনার উপর ন্যাস্ত বর্তমান কাজটি উপভোগ করতে শিখুন এবং আপনার প্রিয়জনের সাথে আপনার মূল্যবান সময় কাটান। আসলে সুখের বিষয়টাই এমন। আপনি যেভাবে জীবনকে উপভোগ করতে চান সেভাবেই উপভোগ করতে পারবেন যদি আপনি মন থেকে সে বিষয়টি চান। চাকরি ক্ষেত্রেও এমন বিষয়। যে চাকরি মন থেকে চাইবেন সে চাকরিই পাবেন, তবে সে অনুযায়ী আপনাকে কষ্ট করতে হবে তাহলেই পাবেন।

চাকরি—মূল্যায়ন নয়, মনোযোগ চাই

পারফেক্ট বা উপযুক্ত চাকরির ব্যাপারে আপনাদের সাথে একটা বিষয় শেয়ার করতে চাই আর সেটা হলো যে কেউ কেউ মনে করে ব্যাংকের চাকরি পাওয়ার জন্য রাত দিন পড়াশুনা করে। আর অন্যদিকে কেউ ভাবে এই চাকরি তেমন ভাল নয়। সমাজের অনেকেই এই চাকরিকে হারাম মনে করে এপ্লাই করেন না। অথবা কারো কারো এই চাকরি করতে অনীহা প্রকাশ করে। যদি আপনাকে প্রশ্ন করা হয় যে ব্যাংক ছাড়া স্বাভাবিক কার্যক্রম কি চলবে? উত্তর হ্যাঁ হলে অনেকেই এই চাকরি করবে আবার উত্তর না হলে অনেকেরই এই চাকরির প্রতি অনীহা প্রকাশ করবে।

সব কাজ ভালো—যদি ফিট হয়

আমরা অন্যভাবে চিন্তা করলে পাই যে, বর্তমান যুগে কোনো কাজ খুব ভাল বা খুব খারাপ নয়। উদাহুরণ দিলে বুঝতে সমস্যা হবেনা। আপনি যদি বিজ্ঞানী হোন, তাহলে সমাজ আপনার কাছ থেকে ব্যাংকিং কাজের জন্য কোন সুবিধাভোগ করতে পারবে না। কারণ, ব্যাংকিং কার্যক্রম আপনার বৈজ্ঞানিক হবার উপর নির্ভর করে না। বিজ্ঞানী হওয়া এবং একজন ব্যাংকার হওয়ার মধ্যে অনেক পার্থক্য বিদ্যমান। আপনি বিজ্ঞানী হয়েও যদি ব্যাংকিং সেক্টরে চাকরি পান তাহলে চাকরিটা উপভোগ করতে পারবেন না।  তাই সরকারী, বেসরকারি বা প্রাইভেট সেক্টরে চাকরির ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য আপনার পক্ষে যে চাকরীটি উপযুক্ত এবং ভাল সে চাকরির জন্যই আপনি উজ্জ্বল ভূমিকা রাখতে পারেন।

অনাকাঙ্ক্ষিত যে ১০টি কারণে আপনার চাকরি হচ্ছেনা

শিক্ষকতা: সেরা পেশা

আমি যেহেতু আপনার জীবনে কোন চাকরি উপযুক্ত তার চুলছেড়া বিশ্লেষণ করছি তাই আমার মতে শিক্ষকতার মত দ্বিতীয় কোন ভাল বা পারফেক্ট চাকরি নেই। বাংলাদেশের সকল পেশার মধ্যে শিক্ষকতা চাকরিই উত্তম পেশা হিসেবে বিবেচিত যা সমাজে অসামান্য অবদান রাখে। চাকরির বাজারে কি টেনশন ছাড়াই চাকরি খুঁজে পাবেন? হ্যাঁ পাবেন আর সেটা হলো শিক্ষকতা পেশা। শিক্ষকতা চাকরি হলো টেনশন আর ঝামেলামুক্ত চাকরি। শিক্ষকতা পেশা হলো একটি দেশের গোপন সম্পদ যে পেশা লক্ষ লক্ষ সোনার ফসল গরে তুলতে ব্যাপকভাবে সাহায্য করে। একজন শিক্ষিত মা একটি শিক্ষিত জাতি এবং সমাজ গড়ে তোলে।

প্রযুক্তি পেশা—স্মার্ট ক্যারিয়ার

এই পোস্টের আগেই বলেছি যে, বর্তমান যুগ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগ যে যুগ শুরু হয় নিত্য নতুন ট্রেন্ড এবং প্রযুক্তি দিয়ে। তাই বাংলাদেশের সকল সরকারি/ বেসরকারি অফিস, সংস্থাগুলোতে প্রযুক্তি সংক্রান্ত কাজের লিস্ট দেখতে পাই। তাই এক্ষেত্রে বলা যায় যে, কম্পিউটার এবং প্রযুক্তি সংক্রান্ত কাজগুলি অন্যান্য চাকরি থেকে অনেক পারফেক্ট বা গুণগত মানসম্পন্ন। আর কম্পিউটার এবং প্রযুক্তি সংক্রান্ত কাজগুলি অনেক আত্নতৃপ্তির সাথে সম্পাদন করতে পারি। তাই এ সংক্রান্ত কাজগুলি ফ্রিল্যান্সিং কাজ হিসেবে গণ্য হয়। ফ্রিল্যান্সিং কাজ হচ্ছে মুক্ত পেশাজীবীর কাজ। এখানে কাজের কোন সীমা রেখা নেই। নিজের ইচ্ছানুযায়ী এই সেক্টরে কাজ করা করা যায়।

আরো দেখুনঃ আমি যেভাবে বিসিএস (বাংলা) প্রিলিমিনারী প্রস্তুতি নিয়েছিলাম

শেষকথাঃ 

পরিশেষে আমরা বলতে পারি যে, এই ডিজিটাল বাংলাদেশের যুগে উপযুক্ত চাকরি আমার নিজের পছন্দ অনুযায়ী বর্ণনা করা হয়েছে। আমি আশা করতে পারি যে, আপনার জীবনে কোন চাকরি উপযুক্ত বা পারফেক্ট তা উপরের পোস্ট পড়ে সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছেন। ধন্যবাদ।

বর্তমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগে আপনার জীবনে কোন চাকরি পারফেক্ট বা উপযুক্ত বলে মনে করেন? Here is perfect jobs in this digital age 2021.

Author

  • Daily ICT News Reporter

    dailyictpost.com টিম চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি চাকরির প্রশ্ন সমাধান, সরকারি পদের কার্যক্রম এবং প্রযুক্তি–ভিত্তিক তথ্য সহজ ও বাস্তব ভাষায় উপস্থাপন করে। পাশাপাশি আমরা আইসিটি, মোবাইল, কম্পিউটার, অ্যাপস, অনলাইন ইনকাম, ডিজিটাল টুলস ও সাইবার নিরাপত্তা–সংক্রান্ত বিষয়গুলো এমনভাবে ব্যাখ্যা করি, যেন পাঠক বুঝতে বুঝতেই শিখে ফেলেন।

    আমরা বিশ্বাস করি—প্রযুক্তি শেখা কঠিন নয়, যদি সেটি সঠিকভাবে বোঝানো যায়। তাই নতুন সফটওয়্যার ব্যবহার, মোবাইল সেটিংস কিংবা ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মতো জটিল বিষয়গুলো ধাপে ধাপে এমন ভাষায় তুলে ধরি, যেন মনে হয় আপনার পাশেই কেউ বসে সহজ করে বুঝিয়ে দিচ্ছে।

    আমাদের লক্ষ্য একটাই—পাঠক যেন নির্ভুল তথ্য পায়, আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে শেখে এবং বাস্তব জীবনে সেই জ্ঞান কাজে লাগাতে পারে।

Visited 49 times, 1 visit(s) today